Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

স্কুলছাত্রীর গায়ে আগুন: আসামি ধরতে পুলিশের ২ টিম

স্কুলছাত্রীর গায়ে আগুন: আসামি ধরতে পুলিশের ২ টিম
রাজবাড়ী পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন
সোহেল মিয়া
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রাজবাড়ী


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর সদর উপজেলায় ১০ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় আসামিদের ধরতে কাজ করছে পুলিশের বিশেষ টিম।

সদর থানায় মামলা হওয়ার পরপরই আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের দুটি দল ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে বলে বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মেয়েটির নিরাপত্তার জন্য সদর থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজবাড়ী পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি বার্তা২৪.কমকে বলেন, স্কুল ছাত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে শনিবার (৮ জুন) সকালে রাজবাড়ী সদর থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর থেকেই আসামিদের ধরতে জেলা পুলিশের দুটি টিম কাজ করে যাচ্ছে। এরই মধ্যে পুলিশ আসামি শিল্পী বেগমের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, ঘটনাটি খুবই স্পর্শকাতর। সতর্কতার সঙ্গে আমরা আসামি ধরতে কাজ করছি। আসামিদের গ্রেফতার করার পর ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন করা যাবে। তদন্তের স্বার্থে এখন কিছুই বলা যাবে না। তবে আসামি যতই শক্তিশালী হোক না কেন তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

মঙ্গলবার (০৪ জুন) ওই ছাত্রীকে স্থানীয় শিল্পী বেগম এক ছেলের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ফাঁস করার কথা বলে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরের দিন চাঁদা না দেওয়ায় বোরখা পরিহিত চার ব্যক্তি দুপুরের দিকে ওই ছাত্রীকে জিম্মি করে পাশের পাট ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে হাত-পা-মুখ বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এরই প্রেক্ষিতে ওই ছাত্রীর বড় ভাই তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিলে বিষয়টি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদারের নজরে এলে পুলিশ সেই ছাত্রীর বড় ভাই ও বাবাকে থানায় ডেকে নিয়ে এজাহার দায়ের করান।

আপনার মতামত লিখুন :

বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল পায়ে হেঁটে রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে

বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল পায়ে হেঁটে রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকছেন রফিকুল ইসলাম/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে পায়ে হেঁটে সুদুর রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে পৌঁছেছেন বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল ইসলাম। জেলায় জেলায় বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন ও মাজার জিয়ারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নেই তার এ পদযাত্রা।

রফিকুল ইসলাম জানান, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার পর থেকেই তিনি জাতির পিতার ভক্ত। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকতে থাকেন তিনি। অবশেষে পায়ে হেঁটে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতের স্বপ্ন পূরণের জন্য রংপুর জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র নিয়ে গত ১৩ জুন পদযাত্রা শুরু করেন।

রফিকুল ১১ জেলার ২৬টি স্থানে জাতির জনকের ছবি এঁকেছেন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) তিনি গোপালগঞ্জে অবস্থান করছেন এবং পরিকিল্পনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকছেন ডিসি অফিস ভবনের দ্বিতীয় তলায়। এরপর তিনি টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করবেন। পরে ৪ আগস্ট গনভবনে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন ও কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপনের মাধ্যমে তার এ পদযাত্রা শেষ করবেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563449760261.gif

রফিকুল ইসলাম পেশায় রিকশাচালক। রংপুর শহরের তাজহাট বাবুপাড়া এলাকায় স্ত্রী রশিদা বেগম, দুই মেয়ে ও তিন ছেলেসহ বাবাকে নিয়ে এক বাড়িতেই তার বসবাস। পরিবার পরিচালনার ভার ছেলেদের হাতে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালবাসা নিয়েই স্বপ্ন পূরণে ঘর থেকে বের হন ৫৯ বছর বয়সী রফিকুল।

মা-বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ায় স্বাধীনতা যুদ্ধে যেতে পারেননি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন রফিকুল। তিনি বলেন, ‘রিকশা চালানোর পাশাপাশি প্রেস শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের দেয়ালে দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন করে আসছি। নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলো ছড়াতে জেলায় জেলায় ছবি অংকন ও বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতের যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের জন্য আমার এ পদযাত্রা।’

গোপালঞ্জ জেলা প্রসাশকের পক্ষে এমডিসি সোভন সরকার জানান, রফিকুল ইসলাম গোপালগঞ্জে আসার পর তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি ডিসি অফিস ভবনে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন করেছেন।

ব্যাগের ভেতর শিশুর মাথা, গণধোলাইয়ে যুবকের মৃত্যু

ব্যাগের ভেতর শিশুর মাথা, গণধোলাইয়ে যুবকের মৃত্যু
গণধোলাইয়ে নিহত যুবক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ব্যাগের ভেতরে পাঁচ-ছয় বছর বয়সের এক শিশুর কাটা মাথা নিয়ে ঘোরাফেরা করার সময় নেত্রকোনায় স্থানীয়দের গণধোলাইয়ে নিহত হয়েছেন যুবক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা শহরের নিউ টাউন এলাকার পাটগুদাম বড় পুকুরপাড় নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

কাটা মাথার ওই শিশুটি হল- জেলার সদর উপজেলার আমতলা এলাকার রহিছ মিয়ার ছেলে সজীব মিয়া। তবে তারা জেলা শহরের কাটলি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত বলে জানান স্থানীয়রা। 

গণধোলাইয়ে নিহত যুবক জেলাশহরের কাটলি এলাকার এখলাছ উদ্দিনের ছেলে রবিন (২২) পেশায় রিকশাচালক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ব্যাগের ভেতর শিশুর কাটা মাথা নিয়ে রবিন জেলার শহরের হরিজন পল্লী এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে হরিজন পল্লী এলাকার স্থানীয় লোকজন ওই যুবককে ধাওয়া করে। যুবক দৌড়ে পালানোয় তাকে ধাওয়া করে ধরে শহরের নিউটাউন এলাকার পাটগুদাম বড় পুকুর নামক স্থানে গণধোলাই দেয় উত্তেজিত জনতা। এ সময় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় ওই যুবক।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম ও ওসি (তদন্ত) নাজমুল হাসানসহ মডেল থানার পুলিশ।

এ বিষয়ে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী বলেন, 'শিশুর কাটা মাথা ও গণধোলাইয়ে নিহত যুবকের লাশ উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র