Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাইরের পোশাকে বিছানায় নয়!

বাইরের পোশাকে বিছানায় নয়!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বাইরে থেকে বাসায় ফিরেই নিশ্চয় বিছানায় বসা হয়।

বেশি ক্লান্ত থাকলে শুয়েও পড়া হয় গা এলিয়ে। অফিস, ক্লাস বা প্র্যাকটিস থেকে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরার পর বিছানায় বসা কিংবা শোয়াতে কোন সমস্যা নেই, যদি তার আগে বাইরের পোশাক পরিবর্তন করে নেওয়া হয়।

নিশ্চয় বাইরে থেকে বাসায় ফেরার সাথে সাথেই পরিধেয় পোশাক পরিবর্তন করা হয় না। সেই পোশাকেই বিছানায় শুয়ে পড়া এমনকি ঘুমিয়েও যাওয়া হয়। যা খুবই অস্বাস্থ্যকর একটি অভ্যাস। কারণগুলো জেনে রাখুন এবং আজ থেকেই এই অভ্যাসটি পরিহার করার চেষ্টা করুন।

সমস্যাটি যখন নিজের শরীর

এমনটা বলার কারণ হলো- যতই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করা হোক না কেন, একটা নির্দিষ্ট সময় পর শরীর তার নিজস্ব ধারায় অপরিষ্কার হবেই। কীভাবে? প্রতিটি মানুষের শরীর থেকে অনবরত মরা চামড়া ঝরে, তেল নিঃসৃত হয় এবং ঘাম বের হয়। এসকলই শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। সকালে থেকে সারাদিনভর যে পোশাকটি পরে থাকা হয়, সেটাতে কি পরিমাণ মরা চামড়া, তেল ও ঘামের অংশবিশেষ থাকতে পারে, সেটা সম্পর্কে ধারণা খুব কম আমাদের। শুধু এতটুকু বলা যায়, প্রতিদিন একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীর থেকে ৫০০ মিলিয়ন মরা চামড়া ঝরে এবং প্রায় ১ লিটার ঘাম নিঃসৃত হয়।

বাইরে পরে থাকা পোশাকে সরাসরি বিছানায় বসার ফলে এই সকলই বিছানার সংস্পর্শে চলে আসে। গোসলের পরে আবারো বিছানায় বসার পরে যা পুনরায় শরীরের সংস্পর্শে চলে আসে। ফলে ত্বক কখনোই পুরোপুরি পরিষ্কার থাকে না এবং ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে থাকে ঘনঘন।

পোশাক ভর্তি শুধু জীবাণু

টাইটেলটি পড়েই নিশ্চয় মুখ বিকৃত করে ফেলছেন। কিন্তু এটাই সত্যি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজি এন্ড ইম্মিউনোলজি বিভাগের ডিরেক্টর ফিলিপ টিয়ের্নো বলেন, ‘যেকোন পোশাকে ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু এক মাসের বেশি সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে’।

এবার আরও ভয়ানক তথ্য জানুন। একেবারে প্রাইজ ট্যাগসহ নতুন পোশাক পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা নরোভাইরাস স্টেফ জার্মসহ বিভিন্ন ধরণের ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর পেয়েছে। একবারও পরা হয়নি এমন পোশাকেও ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে বলে তারা জানায়। যে কারণে পরিধেয় পোশাকে কখনোই বাইরে থেকে ফিরে বিছানায় বসা উচিৎ নয়।

বাইরের ধুলাবালিকে ভুলে গেলে চলবে না

এতোক্ষণ তো শুধু নিজ শরীর ও পোশাকের ব্যাকটেরিয়ার কথা বলা হলো। কিন্তু বাইরের ধুলাবালির কথাও মনে রাখতে হবে। বাসা থেকে বের হবার সাথেই বাইরের আবহাওয়া পরিমন্ডলের ধুলা-বালির সঙ্গে হাজারো রোগজীবাণুর সংস্পর্শে আসা হয়। এছাড়া বাস কিংবা রিকশাতে কি পরিমাণ জীবাণু থাকে সেটা নিশ্চয় আর আলাদাভাবে বলতে হবে না। এই সকল কিছু স্বাস্থ্য তো বটেই ত্বকের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে চর্মরোগ তৈরি করে।

আরও পড়ুন: দীর্ঘায়ু পাওয়া যাবে মাত্র দশ মিনিটেই

আরও পড়ুন: অসুস্থতা দেখা দিতে পারে আপনার রান্নাঘর থেকেও!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র