Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

কীভাবে হবেন আত্মবিশ্বাসী?

কীভাবে হবেন আত্মবিশ্বাসী?
আত্মবিশ্বাসী হবার জন্য নিজের প্রতি যত্নবান হতে হবে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

যে বিষয়টিতে কোন ছাড় দেওয়া যাবে না একেবারেই, সেটা হলো আত্মবিশ্বাস।

কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। সবার মাঝেই কোন না কোন ক্ষেত্রে কমতি থাকে। কিন্তু তার জন্য আত্মবিশ্বাস হারানো চলবে না। নিজের বিশ্বাস, দক্ষতা, সামর্থ্য, গুণাবলী ও নিজের বিচার-বুদ্ধির উপর যথেষ্ট বিশ্বাস রাখার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসের সূচনা হয়।

আপনি কতটা আত্মবিশ্বাসী? হুট করে এই প্রশ্নটি করা হলে নির্দ্বিধায় উত্তর ‘হ্যাঁ’ দিতে পারবেন কি?

বর্তমান সময়ে যেকোন স্থানে নিজেকে উপস্থানের জন্য সবার আগে প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস। ‘আমি এটা অবশ্যই করতে পারবো’ এমন আত্মবিশ্বাস থেকেই নিজেকে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে এটা সত্যি যে, আত্মবিশ্বাস একদিনে বা হুট করে তৈরি হয় না। তার জন্য নিজের প্রতি খেয়াল রাখার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসী হবার অভ্যাসটাও চালিয়ে যেতে হয় সমানভাবে।

অন্যের সঙ্গে তুলনা বন্ধ করতে হবে

এই অভ্যাসটি আমাদের সবার মাঝেই কম-বেশি থাকে। নিজের সামাজিক, অর্থনৈতিক, পারিবারিক, পারিপার্শ্বিক সকল বিষয়ে অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারে যে অভ্যাসটি বেড়ে গেছে আরও বেশ অনেকটা। কিন্তু এই কাজটি পরোক্ষভাবে আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরায়। তাই নিজের অবস্থানে নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে ও অন্যের সঙ্গে তুলনা করা বন্ধ করতে হবে।

নিজের প্রতি যত্নশীল হতে হবে

শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে যতটা সুস্থ রাখা যাবে, ততটাই আত্মবিশ্বাসী হওয়া যাবে। যা খুবই সাধারণ ও সরল একটি হিসেব। ২০১৬ সালে ‘নিউরোসাইকিয়াট্রিক ডিজিজ অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট’ জার্নালে প্রকাশ করে, যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করে ও নিজেদের প্রতি খেয়াল রাখে তাদের আত্মবিশ্বাসের মাত্রা অন্যান্যদের চাইতে অনেকটা বেশি হয়। স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসের স্থানটি দৃঢ়তা পায়।

নিজেকে সন্দেহ করা বন্ধ করতে হবে

নিজের প্রতি অবিশ্বাস, সন্দেহ ও নিজেকে প্রতিনিয়ত প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করানোর মাধ্যমে খুব সহজেই আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকাশ পায়। যে কাজই করতে যাবেন সেটাই নষ্ট হয়ে যাবে, সেখানেই সমস্যা দেখা দিবে- এমন অমূলক চিন্তার পেছনে লুকায়িত থাকে আত্মবিশ্বাসের অভাব। খুব সামান্য বিষয়েও নিজের মাঝে দৃঢ়তা ধরে রাখার অভ্যাসটি থেকেই আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। যদি কোন বিষয়ে সন্দেহ থাকে তবে সে বিষয়টিতে বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু  সে বিষয়ের জন্য নিজের প্রতি সন্দেহের তীর ছোঁড়া যাবে না কোনভাবেই।

মেনে নিতে হবে অসফলতাকে

এটা যদি ভেবে থাকেন, যেকোন কাজে প্রথমবারেই সফলতা আসবে তবে খুব ভুল আপনি। হারের পরেই জয় আসে। তাই কোন কাজে অসফল হলে কোনভাবেই ভেঙে পড়া যাবে না। নিজের প্রতি বিশ্বাস হারানো যাবে না। আত্মবিশ্বাসের স্থানটি যদি নড়বড়ে হয়ে যায় তবে কোনভাবেই পরবর্তী ধাপে সফলতা অর্জন করা সম্ভব হবে না। তাই যেকোন কাজে অসফলতা, হারকে খুব সহজভাবে গ্রহণ করতে হবে। কোথায় ভুল হয়েছে বোঝার চেষ্টা করতে হবে। এতে করে আত্মবিশ্বাসের স্থানটি আরও মজবুত হবে।

আরও পড়ুন: আত্মবিশ্বাসী মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না!

আরও পড়ুন: জীবন হোক আনন্দ ও হাসিতে ভরপুর

আপনার মতামত লিখুন :

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো
টি ট্রি অয়েল, লবণ ও ল্যাভেন্ডার পাতা ছারপোকা দূর করতে কার্যকরি উপাদান

ছারপোকা দেখা দেওয়ার সমস্যাটি একইসাথে খুব বিরক্তিকর ও সাধারণ।

যারপরনাই এ সমস্যায় ভোগান্তি পোহাতে হয় ছারপোকাযুক্ত আসবাব, বিছানা, সোফা প্রভৃতি ব্যবহারকারীকে। রাতের দিকে সাধারণত এদের উপদ্রব বেশি দেখা যায়।

মূলত স্যাঁতস্যাঁতে ও পর্যাপ্ত আলো-বাতাসহীন স্থানে ছারপোকা বেশি হয়। সেক্ষেত্রে বিছানা, বালিশ, কুশন, তোশকের মতো নরম স্থানে ছারপোকা হলে রোদের আলোতে কয়েকদিন এই জিনিসগুলো রাখা হলে ও পোকামাকড় দূর করার স্প্রে ব্যবহার করা হলে ছারপোকা বেশিরভাগ সময় দূর হয়ে যায়।

তবে ঢাকা শহরে বহু স্থানের বাড়িতেই রোদের আলো প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়া অন্যান্য আসবাবে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে রোদের আলোতে দেওয়া কষ্টকর। সেক্ষেত্রে কিছু উপাদানের ব্যবহারে আসবাবসহ অন্যান্য জিনিসপত্র থেকে সহজেই ছারপোকা দূর করা যাবে।

টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের গন্ধ ছারপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে উপকারী এই এসেনসিয়াল অয়েলের ব্যবহারে ছারপোকা দূর করা যাবে ঝামেলাহীনভাবে। ২০০ মিলিলিটার পানিতে ২০ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ছারপোকাযুক্ত আসবাবে স্প্রে করে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হবে এবং পুনরায় ছারপোকা যেন ফিরে না আসে, সেজন্য আসবাবে ১০ দিন পরপর টি ট্রি অয়েলযুক্ত পানি স্প্রে করতে হবে।

বেকিং সোডা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034457047.jpg

প্রতি রান্নাঘরেই এই উপাদানটি পাওয়া যাবে। শুধু রান্নার কাজে নয়, ছারপোকা দমনেও দারুণ কার্যকরি এই উপাদানটি। ছারপোকা আক্রান্ত আসবাবের উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে একদিনের জন্য রেখে দিতে হবে এবং একদিন পর পুনরায় বেকিং সোডা ছিটাতে হবে। এতে করে ছারপোকা মরে যাবে।

সাদা ভিনেগার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034474797.JPG

ভিনেগারের তীব্র গন্ধ ছারপোকার যন্ত্রণা দূর করতে খুবই ভালো কাজ করে। বিশেষত আসবাবপত্রে ছারপোকা দেখা দিলে, সেক্ষেত্রে সাদা ভিনেগারের ব্যবহার সবচেয়ে উপকার দেবে। সমপরিমাণ পানি ও সাদা ভিনেগার মিশিয়ে পরপর কয়েকদিন ছারপোকাযুক্ত আসবাব মুছলে ছারপোকা চলে যাবে। ছারপোকা দূর হয়ে যাওয়ার পর প্রতি সপ্তাহে একবার ভিনেগার মিশ্রিত পানিতে আসবাব মুছে নিতে হবে।

লবণ

সাধারন লবণ খুব ভালো ছারপোকা রিপ্যালেন্ট হিসেবে কাজ করে। বিছানা, বালিশের মতো জিনিসে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে লবণ মিশ্রিত পানি স্প্রে করে শুকাতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হয়ে যাবে।

ল্যাভেন্ডার পাতা

ল্যাভেন্ডারের মতো উপকারী পাতার গন্ধে ছারপোকা খুব দ্রুতই পালায়। জামাকাপড়ে বা বালিশ ও কুশন কভারে ছারপোকার আনাগোনা দেখা দিলে ল্যাভেন্ডার পাতা রেখে দিতে হবে। ব্যস ছারপোকার জন্য আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না।

আরও পড়ুন: কর্নস্টার্চ ও কর্নফ্লাওয়ারের মাঝে পার্থক্য কী?

আরও পড়ুন: সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র