Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

শিখতে হবে ‘না’ বলা!

শিখতে হবে ‘না’ বলা!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে ও প্রবল অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও,

কতবার অন্যের কাজ করে দিতে হয়েছে, অন্যের মতামতকে মেনে নিতে হয়েছে- সেটার সঠিক হিসেব দেওয়া হয়তো কারোর পক্ষেই সম্ভবপর নয়।

পরিবার, বন্ধুমহল, কর্মক্ষেত্রে কিংবা অর্ধপরিচিত-অপরিচিত কারোর কোন সিদ্ধান্ত বা অনুরোধ নিজের বিরুদ্ধে গেলেও মেনে নিতে হয়েছে। হ্যাঁ তে হ্যাঁ মেলাতে হয়েছে। বাড়তি শারীরিক ও মানসিক চাপ বহন করতে হয়েছে। নিজের পরিস্থিতির বিরুদ্ধে গেলেও মুখে মেকি হাসি ধরে রেখে সায় জানাতে হয়েছে, কারণ মুখের উপর ‘না’ বলে দেওয়ার অভ্যাস নেই!

‘না’ বলতে না পারা স্বভাগগত ত্রুটির মাঝে না পড়লেও, না বলতে না পারার স্বভাবের দরুন নিজেকেই ভুগতে হয় সবচেয়ে বেশি। অন্যের প্রত্যাশা পূরণ, নিজের কম্ফোর্ট জোন থেকে বের হওয়া ও নিজের আত্মবিশ্বাসসহ বেশ কিছু বিষয় থাকে, যার জন্যেই মূলত ‘না’ বলতে পারার অভ্যাসটি গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বাধাপ্রাপ্ত হয়।

তবে নিজের জন্যেই ‘না’ বলা শেখা প্রয়োজন। কীভাবে না বলার অভ্যাসটি গড়ে তুলবেন? এখানে জানানো হলো উপকারী কিছু পদক্ষেপ।

বিনয়ের সাথে ‘না’ বলা

কারোর কোন কাজে বা কথায় সম্মতি জ্ঞাপন না করে, তাকে না বলা মানেই কিন্তু রূঢ় আচরণ করা নয়। বিনয়ের সাথে খুব সুন্দরভাবেই কাউকে কোন বিষয়ে নিজের অপারগতার বিষয়টি জানানো যায়।

নিজেকে সময় দিতে হবে

সবসময় ‘হ্যাঁ’ বলার অভ্যাস থেকে হুট করে ‘না’ বলার অভ্যাসটি আয়ত্তে আনা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নিজেকে সময় দিতে হবে। নিজেকে এই পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে হবে। মূলত কাউকে কোন বিষয়ে নিজের অপারগতা জানানোর জন্য আত্মবিশ্বাসের প্রয়োজন হয়। এই সময়ের মাঝে নিজের আত্মবিশ্বাস মজবুত করার ক্ষেত্রে কাজ করা যাবে।

অপরাধবোধ কাজ করতে দেওয়া যাবে না

এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কাউকে ‘না’ বলার পরিপ্রেক্ষিতে কখনোই নিজের মাঝে অপরাধবোধ কাজ করতে দেওয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে, নিজের ভালোর জন্যে ও নিজের মতামত, পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্যেই অন্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করা হয়। প্রয়োজনে অপরপক্ষকে বুঝিয়ে বলতে হবে নিজের অবস্থা সম্পর্কে। কিন্তু এর জন্য মানসিকভাবে দগ্ধ হওয়া যাবে না।

আরও পড়ুন: কীভাবে হবেন আত্মবিশ্বাসী?

আরও পড়ুন: মন ভালো হবে মুহূর্তেই!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র