Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যোগব্যায়ামের সাথে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা

যোগব্যায়ামের সাথে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা
শরীর ও মন উভয়ই ভালো থাকবে যোগব্যায়ামে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আজ (২১ জুন) পুরো বিশ্ব জুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব যোগ দিবস।

আমাদের দেশে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় বিশ্ব যোগ দিবস পালন করলো ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে কয়েক হাজার মানুষের যোগব্যায়ামে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন হয়।

অনুষ্ঠানে শরীর, মন ও আত্মার জন্য যোগব্যায়ামের উপকারিতা তুলে ধরা হয়। জানানো হয় প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে তার ইতিবাচক প্রভাব।

অনেকেই প্রতিদিনের ব্যস্ততার সাথে তাল মিলিয়ে শরীরচর্চা করেন। তবে শরীরচর্চার পাশপাশি অথবা শুধু যোগব্যায়াম করার উপকারিতাগুলো জানা থাকলে, নিজ থেকেই আগ্রহী হওয়া যায় এর ব্যাপারে। আজকের ফিচারে তুলে ধরা হলো যোগব্যায়ামের অসাধারণ অনেকটি ইতিবাচক দিক।

রক্ত চলাচলের মাত্রা বৃদ্ধি করে

নিয়মিত যোগব্যায়াম করার ফলে রক্ত চলাচলের হার বৃদ্ধি পায় এবং নিয়মিত থাকে। প্রশান্তিদায়ক এই এক্সারসাইজের মাধ্যমে পুরো শরীর তো বটেই, হাত ও পায়ের রক্ত চলাচল উন্নত হয়। এছাড়া শারীরিক চলাচল ও যোগব্যায়ামের বিভিন্ন পজিশনের দরুন হার্টবিট বৃদ্ধি পায়। যা হৃদযন্ত্র থেকে রক্ত পাম্প করে পুরো শরীরে ছড়িয়ে দিতে বেশি কার্যকরি হয়।

বৃদ্ধি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

যোগব্যায়াম করার সময় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কন্ট্র্যাক্ট ও স্ট্রেস করতে হয়। এতে করে পেশীতে শিথিলতা আসে। যা লিম্ফ (Lymph) এর নিঃসরণ বৃদ্ধিতে কাজ করে। লিম্ফ হল এক প্রকার তরল, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। এই লিম্ফ ইনফেকশনের বিরুদ্ধে, ও শরীরের টক্সিক উপাদানের বিরুদ্ধে কাজ করে।

কমায় রক্তচাপের সমস্যা

যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি আছে, ওষুধ সেবনের চাইতেও ভালো ও দ্রুত ফল পাবেন নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে। বিট্রিশ মেডিক্যাল জার্নাল দ্য ল্যানচেটে প্রকাশিত দুইটি ভিন্ন ভিন্ন গবেষণার ফল বলছে, প্রত্যহ শবাসন (ইয়োগার ধরণ) রক্ত চাপকে প্রশমিত করতে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/21/1561101759065.jpg

কমায় রক্তে চিনির মাত্রা

যোগব্যায়াম রক্তে চিনির মাত্রা ও খারাও কোলেস্টেরলের মাত্রা (LDL) কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা বৃদ্ধি করে। পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে, বেশ কয়েকভাবে রক্তে চিনির মাত্রা কমায় যোগব্যায়াম। যার মাঝে প্রধান হলো- কর্টিসল ও অ্যাড্রেলাইনের মাত্রা কমানোর মাধ্যমে রক্তে চিনির মাত্রা কমানো। এতে করে অনাকাঙ্ক্ষিত ওজনকেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।

সুরক্ষিত রাখে মেরুদণ্ডকে

আমাদের শরীরের হাড়ের মাঝে সবচেয়ে বেশি চাপ ও স্ট্রেসের মুখোমুখি হয় মেরুদণ্ড। যোগব্যায়ামের বেশ কিছু ভঙ্গীর জন্য শরীরকে বাঁকাতে হয়, ঝুঁকাতে হয় এবং সে অবস্থায় ধরে রাখতে হয়। যার প্রভাবে মেরুদণ্ড অনেকটাই সঠিক স্থানে চলে আসে এবং হাড় ও হাড়ের জয়েন্টগুলো মজবুত হয়।

মনোযোগ বৃদ্ধি করে

যোগব্যায়ামের সবচেয়ে জরুরি ও প্রধান উপাদান হলো- বর্তমানে মনোযোগ নিবন্ধ করা। গবেষণা জানাচ্ছে, নিয়মিত যোগব্যায়ামের চর্চা স্মৃতিশক্তি, সময়ের প্রতিফলন, সমন্বয়ের সাথে জ্ঞানীয় বুদ্ধিবৃত্তি বৃদ্ধিতেও অবদান রাখে।

মন ভালো ও প্রফুল্ল রাখে

যোগব্যায়ামের প্রভাবে শুধু শারীরিক সুস্থতায় নয়, মানসিক সুস্থতাও পাওয়া যায়। ভালোভাবে বললে, যোগব্যায়ামের ফলে শরীরের ছোট-বড় অসুস্থতা যেমন দূর হয়, তেমনিভাবে দূর হয় মানসিক অশান্তি, অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা অবসন্নতা। ফিরে আসে স্থিরতা। এই মানসিক স্থির ভাব মন থেকে বিষণ্ণতাকে ফেলে দেয়। যা মনকে প্রফুল্লও আনন্দিত রাখতে কাজ করে।

আরও পড়ুন: সাত উপকারিতার এক যোগাসন

আপনার মতামত লিখুন :

পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মানসিক সুস্থতায়

পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মানসিক সুস্থতায়
বয়স্ক ব্যক্তিদের সাথে সময় কাটানো তাদের মানসিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখে, ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের একদম বয়স্ক মানুষটি হন সবচেয়ে আপন, সবচেয়ে কাছের ও ভালোবাসার।

তার কাছেই যেন শত গল্প ও মায়ার ঝুলি জমে থাকে। কিন্তু বয়সের ভারে ন্যুজ হয়ে পড়া মানুষটিও একটা সময় পরে কেমন যেন দূরের হয়ে যান। হয়ে যান বিচ্ছিন্ন ও দুর্বোধ্য।

বয়স বৃদ্ধির সাথে অবধারিতভাবে দেখা দিতে শুরু করে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা। ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাড়ের ক্ষয়, কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যাসহ সাধারণ সমস্যাগুলোর সাথে যুক্ত হয় চেনা অথবা অচেনা ছোট-বড় আরও কয়েক ধরনের শারীরিক অসুস্থতা।

তবে বয়োবৃদ্ধদের শারীরিক সমস্যার সাথে দেখা দিতে শুরু করে মানসিক সমস্যাও। সেটা কেমন? খেয়াল করে দেখবেন, তারা সহজে কোন কিছু মনে রাখতে পারেন না। দুপুরে যদি জানতে চাওয়া হয়- সকালে কী খেয়েছেন, তবে সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারবেন না। একইসাথে মানুষের নাম, চেহারা ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

এছাড়া দেখা দেয় অকারণে ও আকস্মিক মেজাজের পরিবর্তন। পুরনো কোন কথা মনে করে অঝোরে কান্নাকাটি করা, সামান্য কোন সমস্যায় অতিরিক্ত রেগে যাওয়া, খুঁতখুঁত করা, একই কথা বারবার বলার মতো লক্ষণগুলো বয়স বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত।

এ কারণে একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষের শারীরিক সুস্থতায় যত্ন নেওয়ার সঙ্গে মানসিক সুস্থতার জন্যেও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ভারতের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বোপানা শ্রীধর জানাচ্ছেন কোন তিনটি বিষয়ের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন।

খাদ্যাভ্যাস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563877234210.jpg

নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাস ও খাবারের পুষ্টির উপরে মানসিক সুস্থতা অনেকখানি নির্ভর করে। শ্রীধর পরামর্শ দেন, বয়স্কদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে কাজুবাদাম রাখার জন্য, যা মস্তিষ্কের সুস্থতায় অনেকখানি অবদান রাখে। এতে থাকা ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ অ্যাসিড সরাসরি মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিতে কাজ করে। এছাড়া লো ফ্যাট খাদ্য উপাদান ও যথাসম্ভব প্রাকৃতিক উপাদান বেশি রাখার উপরেও জোর দেন তিনি।

শরীরচর্চা

বয়স্কদের জন্য শরীরচর্চার বিষয়টি কঠিন মনে হলেও, একদম হালকা ঘরানার ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজও তাদের জন্য অনেক বড় উপকারিতা বহন করবে। এতে করে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকা, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা, হাড়ের উপকারিতার মতো সুবিধার পাশপাশি মন প্রফুল্ল ও প্রশান্ত থাকবে। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মনোযোগেও লক্ষণীয় পরিবর্তন আসবে।

যোগাযোগ

পাশ্চাত্যে একটি বিষয়ের প্রচলন রয়েছে। সমবয়সী অনেকে একসাথে দেখা করা, গল্প করা, সময় কাটানো, একেঅপরের সাথে যোগাযোগ করা। সামাজিকতার এই আয়োজনে অংশগ্রহণে বৃদ্ধদের আগ্রহী করা হয়। এতে করে তাদের মনঃ ভালো থাকে ও মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব পরে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে আমাদের দেশে বয়োবৃদ্ধরা বেশ একাকী সময় কাটান ও একা হয়ে পরেন। এতে করে তারা খুব অল্পতে বিষণ্ণ হয়ে পরেন এবং বৃদ্ধ বয়সের বিষণ্ণতা থেকেই দেখা যায় মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো। সেক্ষেত্রে পরিবারের সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে বয়োবৃদ্ধদের সাথে সময় কাটানো এবং তাদের একাকীত্ব দূর করার প্রতি।

আরও পড়ুন: আয়ুর্বেদে বাড়বে স্মৃতিশক্তি

আরও পড়ুন: পুষ্টির অভাবে বিষণ্ণতা দেখা দেয় কি?

 

রৌদ্রজ্জ্বল দিনের শুরুটা হোক সচেতনায়

রৌদ্রজ্জ্বল দিনের শুরুটা হোক সচেতনায়
নিত্যদিনের অনুষঙ্গ হোক পছন্দসই সানগ্লাস, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিনের শুরুটা হচ্ছে প্রচণ্ড রোদ মাথায় নিয়ে।

ধারাবাহিক বৃষ্টিবাদলার পর রোদের তাপ ভালোলাগা তৈরি করলেও সরাসরি রোদের আলো ও তাপ ত্বকের উপর স্থায়ীভাবে ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করে দেয়।

রোদের জন্য কাজ নিশ্চয় থেমে থাকবে না। কাজে, ক্লাসে কিংবা অফিসের জন্য বাইরে বেরুনোর আগে নিজেকে বাইরে রোদের মাঝে চলাচলের জন্য প্রস্তুত করে নিতে হবে। কারণ রোদের আলোর ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রে তথা রশ্মির জন্য ত্বকের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন ও ভুগছেন লাখো মানুষ।

রোদের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করার বিষয়টি বেশ কৌশলের। সেক্ষেত্রে খুব সাধারণ কিছু টিপস মাথায় রাখতে পারলেই নিজেকে এই ক্ষতিকর রোদের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। আপনাদের সুবিধার জন্য তেমন ছয়টি বিষয় জানানো হলো।

১. অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে একেবারেই ছাড়া দেওয়া যাবে না। সানস্ক্রিন ক্রিম অথবা পাউডার কেনার আগে পণ্যের গায়ে SPF50 দেখে নিতে হবে। এ মাত্রার সানস্ক্রিন রোদের ক্ষতিকর প্রভাবকে ভালোভাবে বাধা দিতে পারে। যাদের ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত তাদের জন্য সানস্ক্রিন পাউডার ব্যবহার করাই শ্রেয়। মুখ, গলা, ঘাড়, হাত ও পায়ের পাতার খোলা অংশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং দীর্ঘসময় বাইরে অবস্থান করতে হলে প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর অবশ্যই সানস্ক্রিন রি-এপ্লাই তথা পুনরায় ব্যবহার করতে হবে।

ঠোঁটে ব্যবহার করতে হবে সানস্ক্রিন প্রটেক্টেড লিপবাম। লিপবামের SPF30 হলেও কাজ করবে।

২. সান্সক্রিনের সাথে সানগ্লাসকে সঙ্গী করে নিতে হবে। রোদের ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে চোখ ও চোখের চারপাশের অংশের ত্বকে। কারণ এ অংশের ত্বক তুলনামূলক পাতলা ও নাজুক হয়। সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হলেও সানগ্লাস পরতে হবে বাড়তি সতর্কতার জন্য। এছাড়াও অনেকে সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলে গেলেও সাথে সানগ্লাস থাকলে দ্রুত পরে নেওয়া যাবে ও ক্ষতির মাত্রা কমিয়ে আনা যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563865899008.jpg

৩. গরমে ঘাম বেশি হওয়ার দরুন পাতলা ও সুতি তন্তুর কাপড় পরার পরামর্শ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে রোদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পাতলা তন্তুর কাপড়ের হাতার ঝুল লম্বা করে তৈরি করতে হবে। তাহলে হাতের ত্বক রোদের ক্ষতিকর আলোর প্রভাব থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকবে।

৪. শুধু বৃষ্টির সময়ে নয়, প্রখর রোদেও ছাতা রাখতে হবে নিজের সাথে। ছাতা সাথে থাকার ফলে উন্মুক্ত ও খোলা স্থানে সরাসরি রোদের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে খুব সহজেই।

৫. যতটা সম্ভব চেষ্টা করতে হবে সরাসরি রোদের নিচে না থেকে ছায়াযুক্ত স্থানে থাকার জন্য। বাইরে দীর্ঘসময় থাকার প্রয়োজন হলে তুলনামূলক ছাইয়াযুক্ত স্থান খুঁজে বের করতে হবে এবং সেখানে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

৬. খেয়াল করে দেখবেন, যারা নিয়মিত বাইরে চলাচল করেন ও স্লিপার তথা স্যান্ডেল পরেন, তাদের পা রোদে পুড়ে কালচে দাগ বসে যায়। এ থেকে খুব সহজেই অনুমেয়, রোদের আলো ত্বকে কতটা ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করে। তাই রোদের ভেতর চলাচলের জন্য পুরো পায়ের পাতা ঢেকে থাকার মতো জুতা নির্বাচন করুন। এতে করে পায়ে ছোপ ছোপ পোড়াভাব তৈরি হবে না এবং রোদের হাত থেকে পায়ের ত্বক সুরক্ষিত থাকবে।

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আরও পড়ুন: সানগ্লাস ব্যবহারে যে তিন ভুল আপনিও করছেন!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র