Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কোন পণ্যের মেয়াদ কতদিন?

কোন পণ্যের মেয়াদ কতদিন?
প্রতিটি পণ্যের মেয়াদ জানতে হবে, ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী সামগ্রী।

নিত্য ব্যবহার্য এই সকল পণ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনি কি খেয়াল রাখছেন, যা ব্যবহার করছেন তার মেয়াদ আছে কি না?

সকল পণ্যের একটি সীমিত মেয়াদ থাকে। মেয়াদগুলো খেয়াল রাখা বেশ প্রয়োজন, তা না হলে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ব্যবহারের পরে তা ত্বকে নানাবিধ সমস্যা করতে পারে। জেনে নিন কোন পণ্যটি কখন ফেলে দেয়া প্রয়োজন।

মেকআপ সামগ্রী

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/10/1562762995510.jpg

আপনি যদি নিয়মিত মেকআপ পণ্য ব্যবহার করেন, তাহলে অবশ্যই প্রতিটি পণ্যের উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। কিছু পণ্য পুরনো দেখালে তা ব্যবহার করা উচিৎ নয়। তবে কিছু পণ্য নতুনের মতো দেখালেও তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। এমন ধরনের পণ্য একেবারেই ব্যবহার করা উচিৎ নয়। এতে ত্বকে দাগ, প্রদাহ ও ত্বকে জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই ব্যবহারের পূর্বে খেয়াল রাখুন ও মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সেটা ফেলে দিন।

ফেস ক্লিনজার

বেশিরভাগ ক্লিনজারগুলোর ১ বছরের মতো মেয়াদ থাকে। কিন্তু যদি ফেস ক্লিনজার বা এর পানির মধ্যে দলা ও বিবর্ণতা দেখেন, তাহলে দ্রুত তা ফেলে দিতে হবে। নতুবা এই পণ্য ব্যবহারে ত্বকে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মাইসেলার ওয়াটার

মেকআপ পরিষ্কারের জন্য মাইসেলার (Micellar) ওয়াটার ব্যবহার করা হয়। মাইসেলার ওয়াটার কটন প্যাডে ভিজিয়ে খুব সহজেই মেকআপ সহজে তোলা যায়। এটা মূলত মেকআপ রিমুভার হিসেবে কাজ করে। মাইসেলার ওয়াটারের বোতল খোলা রাখলে এর পানিতে ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে এবং এর মেয়াদ ৬ মাসের বেশি হয়না, তাই ব্যবহারের পূর্বে খেয়াল রাখতে হবে।

ফেস টোনার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/10/1562762777574.jpg

মুখ পরিষ্কার করে অনেকেই টোনার ব্যবহার করেন। এটি ত্বককে নরম ও ত্বকে টানটানভাব ধরে রাখে। মাইসেলার পানির মতোও টোনারের পানিতে খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে। এটির মেয়াদ ৬ থেকে ১২ মাস থাকে। তবে এর মাঝে রঙ বিবর্ণ হয়ে গেলে তা ব্যবহার না করে ফেলে দিতে হবে।

ময়েশ্চারাইজার

ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষার জন্য ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা হয়। ত্বককে সুস্থ ও ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ন্যাচারাল অর্গানিক প্রোডাক্টের ময়েশ্চারাইজার বেশি ব্যবহার করা হয়। এগুলোর মেয়াদ থাকে ১ বছরের মতো। তবে কোনো রকম বাজে গন্ধ দেখা দিলে বা ক্রিমের টেক্সচার অন্যরকম মনে হলে সেটি ফেলে দিতে হবে। 

পারফিউম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/10/1562762790879.jpg

বাইরে বের হওয়ার আগে পারফিউম ব্যবহার অনেকটাই যেন বাধ্যতামূলক। আবার অনেকেই পারফিউম সংগ্রহ করে সাজিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে জেনে রাখা প্রয়োজন, পারফিউম ৮ থেকে ১০ বছর ভালো থাকে। পরবর্তীতে এর সুগন্ধ পরিবর্তন হতে থাকে। আপনি এগুলো আপনার সেলফে রাখতে পারেন, তবে রোদ বা তাপ থেকে দূরে রাখুন। নইলে জলদি নষ্ট হয়ে যাবে এবং নষ্ট হয়ে গেলে তা ব্যবহার না করে ফেলে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: সানস্ক্রিনের সাত-পাঁচ তথ্য

আরও পড়ুন: রিমুভার ছাড়াই ওঠানো যাবে নেইলপলিশ

আপনার মতামত লিখুন :

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!
কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি কর্মজীবীকে দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে হয় নিজ কর্মক্ষেত্রে।

কাজের চাপ, ব্যস্ততা, ডেডলাইন, মিটিংসহ সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্তি দেখা দেয় একটা সময়। সময়মতো বিশ্রাম নিলে এই ক্লান্তিভাব খুব দ্রুত কেটেও যায়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়।

কর্মোদ্যম ফুরিয়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তির সাথে মানসিক ক্লান্তি প্রভাব বিস্তার করে। কাজ, ব্যস্ততা, ছুটে চলা- সবকিছুকেই অর্থহীন বোধ হতে থাকে। অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় জীবনে চলার পথে। এমন অবস্থা চলতে একটা সময় জীবনের উপরে বিরক্তিবোধ কাজ করা শুরু করে।

কর্মোদ্যম হারিয়ে যাওয়া বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রফেশনাল প্রেসক্রিপশন ফর লাইফের কোচ সুসান বিয়ালি হাস এমডি। বিগত কয়েক বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করে এবং বহু মানুষকে কাউন্সেলিং করে তিনি বুঝতে পেরেছেন কর্মক্ষেত্রে কর্মোদ্যমতা হারানো শুরু হয় খুব ছোট কিছু থেকেই।

নির্দিষ্ট কোন একটি কারণ

ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চাপ থাকে, কাজের ধরণ থাকে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। কোচ সুসান জানাচ্ছেন মূলত ছয়টি কারণ কাজ করে এক্ষেত্রে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নিয়ন্ত্রণের অভাব, অপর্যাপ্ত উপহার, কর্মক্ষেত্রে কমিউনিটি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায্য/ অনৈতিক চর্চা, নৈতিকতার অমিল। এ বিষয়গুলো খুব ধীরে ধীরে কাজের উপর অনাগ্রহ তৈরি করে এবং কর্মোদ্যমতা নষ্ট করে দেয়।

আপনিও কর্মোদ্যম হারিয়ে ফেলেন তবে চেষ্টা করুন কারণটি খুঁজে বের করার। কোন কারণে এমনটা হচ্ছে সেটা শনাক্ত করতে পারলে সেটা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।

অন্যের কাজ করা

স্বাভাবিকভাবেই অফিসে নিজের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। সেখানে অন্যের কাজের বোঝাও যদি মাথায় এসে ভর করে তবে সেটা শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি করে অনেক বেশি। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তবে এই অভ্যাসটি খুব দ্রুত পরিহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনের মাঝে দেয়াল না থাকা

অফিসের কাজ বাসাতে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোন বিশ্রাম হয় না। মাথার ভেতর সর্বদা কাজের বিষয়গুলো ঘুরঘুর করতে থাকে, যার ফলে প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়।

সেক্ষেত্রে কোচ সুসান পরামর্শ দেন- যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন বা কাজ শেষ করার তাড়া থাকুক না কেন, কোনভাবেই অফিসের কাজ বাসাতে আনা যাবে না। বাসায় বসেও অফিসের কাজ করা ও অফিসে থাকার মাঝে আদতে কোন পার্থক্য থাকে না। এতে করে পরদিন পুনরায় অফিসে গেলেও বিন্দুমাত্র কর্মোদ্যমতা পাওয়া যায় না।

নিজের যত্ন না নেওয়া

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার মাঝে অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। এর কম হলে শরীর ও মন জুড়ে অপরিসীম ক্লান্তি ভর করে। এছাড়া নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি হেলাফেলা করা হয়, তার প্রভাব সরাসরি দেখা দেয় কাজের উপর। সারাদিন অফিসে ডেস্কে বসে থেকেও মাথা কাজ করবে না, কাজে মন বসবে না। সেক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের অযত্নও কর্মোদ্যম ফুরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

আরও পড়ুন: সমস্যাটি যখন কর্মক্ষেত্রে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র