Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

ডেঙ্গুতে উপকারী ড্রাগন ফ্রুট

ডেঙ্গুতে উপকারী ড্রাগন ফ্রুট
ড্রাগন ফ্রুট, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বেশ অদ্ভুত চেহারার লালচে রঙের ফল পাওয়া যাচ্ছে ছোট-বড় প্রায় সব ফলের বাজারেই।

অপরিচিত ফল দেখে দেখে আগ্রহী ক্রেতারা এগিয়ে এসে জানতে চাইছেন ফলের নাম। সে ফলের নাম ড্রাগন ফ্রুট। নাম যেমন দশাসই, দামটাও তেমন। ফলের আকারের উপর নির্ভর করে এক কেজি ড্রাগন ফ্রুটের দাম হাঁকা হচ্ছে ৩০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত। দাম চড়া হলেও, ভিন্ন কিছুর স্বাদ পরখ করতে অনেকেই কিনে নিচ্ছেন ভিনদেশি এই ফল।

কী এই ড্রাগন ফ্রুট?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563601159269.jpg

ফলটি ভিনদেশি হলেও, আমাদের দেশে দারুণ ফলন হয়েছে ফলটির। বড় বড় এলাকার বাগানে তো বটেই, ছাদে কিংবা বড় বারান্দাতেও ক্যাকটাস প্রজাতির গাছ থেকে চমৎকার ফল পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণেই বাজার ঘুরে দেখা যাচ্ছে এর সহজলভ্যতা।

হালকা মিষ্টি, লাল ও সাদা বর্ণের এ ফলটির আদি নিবাস হলো দক্ষিণ আমেরিকা, মেক্সিকোতে। পরবর্তীতে ক্যাম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পরে ড্রাগন ফ্রুট।

ড্রাগন ফ্রুটের স্বাস্থ্য উপকারিতা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563601209659.jpg

বেশ কয়েক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ১০০ গ্রাম ওজনের ৬০ ক্যালোরি সমৃদ্ধ বড় একটি ড্রাগ্রন ফ্রুট থেকে পাওয়া যাবে প্রোটিন, আয়রন, কার্যোহাইড্রেট, দ্রবণীয় আঁশ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ভিটামিন-সি ও চিনি। উপকারী পুষ্টি গুণাগুণ সমৃদ্ধ এই ফলটি তাই সুস্বাস্থ্যের জন্যে নানাভাবে অবদান রাখে। কয়েকটি আজকের ফিচারে তুলে ধরা হলো।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

ফলে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, লাল ও সাদা উভয় ড্রাগন ফ্রুটেই রয়েছে পলিফেনল ও ফ্ল্যাভনয়েড, যা ফ্রি রেডিক্যাল থেকে রক্ষা করে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জন্য উপকারী

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ড্রাগন ফ্রুট রক্তে হিমোগ্লোবিন ও প্লেটলেটের সংখ্যা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে এবং ফলের ভিটামিন-সি জ্বরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে। পাশাপাশি এতে থাকা আয়রন, ফসফরাস, লাইকোপেন, ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563601227181.jpg

খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে

ফুড ক্যামিস্ট্রিতে প্রকাশিত একটি গবেষণার তথ্য সুপারিশ করছে, ড্রাগন ফ্রুটে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ Oligosaccharides, যা পাকস্থলিস্থ উপকারী ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটোব্যাসিলি (Lactobacilli) ও বাইফিডোব্যাকটেরিয়া (Bifidobacteria) জন্মাতে সাহায্য করে। এছাড়া এই ফলে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ বাওয়েল মুভমেন্টকে নির্বিঘ্ন রাখতে এবং খাদ্য ভালোভাবে পরিপাক হতে কাজ করে।

নিয়ন্ত্রণে রাখে ডায়বেটিস

নিয়মিত পরিমিত পরিমাণ ড্রাগন ফ্রুট গ্রহণে রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এতে করে টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও কমে যাবে। ২০১৭ সালের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, যারা ড্রাগন ফ্রুট নিয়মিত গ্রহণ করেছেন তাদের রক্তে প্রি-ডায়বেটিক লক্ষণসমূহ তুলনামূলক কম দেখা গেছে যারা গ্রহণ করেননি তাদের চেয়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563601240569.jpg

সুস্থ রাখে চোখ

ড্রাগন ফ্রুট সাইটোক্রোম (Cytochrome P450) নামক প্রোটিন তৈরি করে মানবশরীরে। যা আমাদের যকৃততে পাওয়া যায়। এই প্রোটিনের সাথে কঞ্জেনিটাল গ্লুকোমার সম্পর্ক রয়েছে। ফুড ক্যাম্রিস্ট্রি জার্নালে প্রকাশিত তথ্য জানাচ্ছে, এতে থাকা বেটা-ক্যারোটিন চোখকে ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যাল থেকে রক্ষার্থেও কাজ করে।

হাড় ও দাঁত শক্ত করে

অন্যান্য যেকোন ফলের চাইতে ড্রাগন ফ্রুটে অনেক বেশি পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। যে কারণে নিয়মিত ড্রাগন ফ্রুট গ্রহণে হাড় ও দাঁত শক্ত ও সুস্থ থাকে।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!

আপনার মতামত লিখুন :

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?
ছবি: সংগৃহীত

নিজের আশেপাশের সবকিছু তথা ঘর ও ঘরের জিনিসপত্র যতবেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে, নিজেকে ও পরিবারের সবাইকে ততবেশি সুস্থ রাখা সম্ভব হবে। শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রফুল্লতার সাথে সাথে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সংযোগটা বহু পুরনো। এ কারণে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ছাড় দেওয়ার উপায় নেই।

পরিধেয় পোশাক কিংবা অপরিষ্কার থালাবাসন যে প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়, সেটা নতুন করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঘরে থাকা আয়না কতদিন পর পরিষ্কার করা প্রয়োজন সেটা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তবে বাসার অবস্থান ও এলাকাভেদে জিনিসপত্রে ধুলাময়লা জমার ক্ষেত্রে রকমফের দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কোন আসবাবে ধুলা জমে থাকতে দেখলে দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে কিংবা ৩-৫ মাস অন্তর কোন জিনিসগুলো পরিষ্কার করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখা বেশ অনেকটা সহজ হয়। যে কারণে আজকের ফিচারে খুব গুছিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যা থেকে জানা যাবে কতদিন পর কোন জিনিসটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

প্রতিদিন যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123957938.jpg

১. বিছানা গুছিয়ে ঝাড়তে হবে।

২. নোংরা ও এঁটো থালাবাসন জমিয়ে রাখা যাবে না। প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন ধুয়ে ফেলতে হবে।

৩. খাবার টেবিল গুছিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

৪. বাথরুমের মেঝে ঝাঁট দিতে হবে।

৫. রান্নাঘরের থাক ও মেঝে মুছতে হবে।

৬. রান্নাঘরের সিংক পরিষ্কার করতে হবে।

৭ নোংরা পোশাক ধুতে হবে।

৮. ঘর ও বারান্দার মেঝে ঝাড়ু দিতে হবে। মুছতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

প্রতি সপ্তাহে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123762608.jpg

১. বিছানা ও বালিশের কভার বদলাতে হবে।

২. রান্নাঘর ও রেফ্রিজারেটরে থাকা পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ফেলে দিতে হবে।

৩. ঘরের সকল আসবাবের আয়না মুছতে হবে।

৪. বুকশেফলে থাকা বইপত্র থেকে ধুলা ঝাড়তে হবে।

৫. শোকেসের জিনিসপত্র পরিষ্কার করতে হবে।

৬. আসবাবপত্র থেকে ধুলাবালি সরাতে হালকা ভেজা কাপড়ের সাহায্যে মুছতে হবে।

৭. মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরের ও বাইরের অংশ পরিষ্কার করতে হবে।

৮. গোসল করার লোফাহ বা স্পন্স পরিষ্কার করতে হবে।

প্রতি মাসে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123841141.jpg

১. ঘরের কোন ও ছাদের অংশের ধুলাময়লা ঝাড়তে হবে।

২. লাইট ও বাল্বে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে হবে।

৩ সোফার কভার ও দরজা, জানালার পর্দা পরিষ্কার করতে হবে।

৪. ডিশওয়াশার ও ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করতে হবে।

৫. ফ্রিজের ভেতর ও বাইরের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

৬. টিভি থেকে ধুলাবালি সরাতে পরিষ্কার করতে হবে।

৭. দেয়াল ঘড়ি, ওয়ালম্যাট, বড় ছবির ফ্রেম নামিয়ে মুছে নিতে হবে।

৮. নিত্য ব্যবহারের ব্যাকপ্যাক ধুয়ে নিতে হবে।

৩-৫ মাস পরপর যা পরিষ্কার করতে হবে

১. আসবাবপত্রের নিচের অংশ থেকে ধুলাময়লা বের করতে হবে।

২. কার্পেট পরিষ্কার করতে হবে।

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আরও পড়ুন: প্রয়োজন কিংবা ফ্যাশনে চাই রোদচশমা!

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক
টি ট্রি অয়েল

বিভিন্ন ধরনের এসেনশিয়াল অয়েলের মাঝে টি ট্রি অয়েল সবচেয়ে পরিচিত ও প্রচলিত একটি।

এই এসেনশিয়াল অয়েলের অসংখ্য উপকারিতার মাঝে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয় টি ট্রি অয়েল। এছাড়াও ডিওডরেন্ট, পোকামাকড় দূর করতে ও মাউথওয়াশ হিসেবেও কার্যকর এই এসেনশিয়াল অয়েল।

টি ট্রি অয়েল ব্যবহার বিধি

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব কঠিন কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে মনে রাখতে হবে, ত্বকে বা চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি এই তেল ব্যবহার করা যাবে না। ক্যারিয়ার তেল তথা নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে এই এসেনশিয়াল অয়েল।

অনেকেই টি ট্রি অয়েল পরিমাণে অনেক বেশি নিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে ১-৩ ফোঁটা ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অল্প পরিমাণ এসেনশিয়াল অয়েল থেকেও সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া যাবে।

তবে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে অবশ্য। এই তেল চোখের আশেপাশের অংশ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এতে চোখের আশেপাশের অংশের ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। কারণ মুখমণ্ডলের এ অংশের ত্বক তুলনামূলক বেশি পাতলা হয়ে থাকে।

এছাড়া টি ট্রি অয়েল ব্যবহার পূর্বে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো, এই তেল ব্যবহারে ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় কিনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115011865.jpg

টি ট্রি অয়েলের উপকারিতা

এই এসেনশিয়াল অয়েলের বিবিধ উপকারিতার মাঝে মূল ও প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমায়

যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তাদের জন্য টি ট্রি অয়েল খুব ভালো কাজ করবে। এই তেলটি শুষ্ক ত্বকের জ্বালাপোড়াভাব ও চুলকানির প্রাদুর্ভাব কমায়। বিশেষত এতে থাকা জিংক অক্সাইড শুষ্ক ত্বক ও একজিমার সমস্যা কমাতে কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। একটি গবেষণা জানাচ্ছে,  সানস্ক্রিনের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশ্রিত থাকলে ত্বকের তৈলাক্ততা কমে যায় অনেকখানি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115031078.jpg

ত্বকের প্রদাহ

উপকারী এই এসেনশিয়াল অয়েলের অ্যান্ট-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব ত্বকের প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সমস্যাকে কমিয়ে এনে আরাম প্রদান করে। এমনকি ত্বকের কোন অংশ ফুলে গেলে বা ত্বকে লালচে ভাব দেখা দিলে সেটা কমাতেও কাজ করে টি ট্রি অয়েল।

ক্ষত সারাতে টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধর্ম ত্বকের কাটাছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে খুব চমৎকার কাজ করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনের মাঝে ৯ জনের টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে ক্ষত দ্রুত ও অল্প সময়ের মাঝে ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র