ব্যস্ততার ভিড়ে পাঁচ নিয়মে মিলবে স্বাস্থ্যকর চুল

ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইফস্টাইল
ব্যস্ততার মাঝেও সুন্দর চুল পাওয়া সম্ভব

ব্যস্ততার মাঝেও সুন্দর চুল পাওয়া সম্ভব

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্যকর চুলের পুরোটাই নির্ভর করে চুলের সঠিক যত্নের উপর।

সুস্বাস্থ্যের প্রত্যাশায় শরীরের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি চুলের যত্ন নেওয়া হলে মনের মতো চুল পাওয়া কঠিন কিছু নয়। কিন্তু কর্মব্যস্ততার কারণে এবং সময় ও সুযোগের অভাবে সঠিক যত্ন নেওয়া হয়ে ওঠে না। সেক্ষেত্রে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে পারলেই স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর চুল পাওয়া সম্ভব। আজকের ফিচার থেকে জেনে নিন কোন পাঁচ নিয়মে চুল থাকবে স্বাস্থ্যজ্জ্বল।

খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার

সুন্দর চুল পেতে প্রথমেই দরকার ভালো খাদ্য গ্রহণ। সুস্বাস্থ্য পেতে যেমন পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি আমাদের চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। পুষ্টি বিশারদের কাছ থেকে নিজের জন্য সঠিক ডায়েট বেছে নিয়ে খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুললে চুল সঠিক পুষ্টি পাবে এবং সঠিকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

মাথার ত্বক ম্যাসাজ করা

সঠিক ভাবে চুল আঁচড়ালে এবং নিয়মিত মাথার ত্বক ম্যাসাজ করলে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, এতে করে চুলের গোড়া শক্ত হয় এবং চুল পড়া কমে। নিজের চুলের পরিমাণ অনুযায়ী সপ্তাহে দু-তিনদিন নারিকেল তেল ও বাদাম তেলের মিশ্রণ মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করতে হবে। একই সাথে চুল আঁচড়ানোর ক্ষেত্রেও খেয়াল রাখতে হবে। যে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো হবে তা যেন পরিষ্কার হয় এবং মোটা দাঁতের হয়। কেননা সরু দাঁতের চিরুনি ব্যবহারে চুল ভেঙে যাওয়া ও পড়ে যাওয়ার হার বেশি হয়।

নিয়মিত চুলের আগা কাটা

অনেকেই লম্বা চুল পছন্দ করেন, কিন্তু লম্বা চুল রাখতে চাইলেও নিয়মিত চুলের আগা কেটে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কেননা কিছুদিন পর পর চুলের আগা ফেটে যায় বা চুল রুক্ষ হয়ে যায়। ফলে নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে চুল ট্রিম করতে হবে।

অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার না করা

চুল পরিষ্কার রাখার জন্য শ্যাম্পু ব্যবহার করা হলেও তা খুব বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। শ্যাম্পু তৈরি হয় নানাবিধ রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে, যার মধ্যে কিছু রাসায়নিক চুলকে রুক্ষ করে তোলে। এছাড়াও প্রয়োজনের চাইতে বেশি বার শ্যাম্পু ব্যবহারে চুল রুক্ষ এবং শুষ্ক হয়ে যায় ফলে চুল তার নিজের জৌলুস হারিয়ে ফেলে। ফলে অল্প দিনের মধ্যেই চুল নিষ্প্রাণ বা প্রাণহীন দেখায়।

কমাতে হবে দুশ্চিন্তা

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা যেমন আমাদের শরীরের ক্ষতি করে, ঠিক তেমনিভাবে চুলেরও ক্ষতি করে। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাত ঘটলে তার প্রভাব আমাদের চুলের গোড়ার ফলিকলেও এসে পড়ে। ফলে ফলিকল শুকিয়ে যায় এবং চুল পড়া শুরু হয়। তাই দুশ্চিন্তাকে যথাসম্ভব দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন: উৎসব যেন চুলের ক্ষতি না করে!

আরও পড়ুন: ভিটামিন-ই ব্যবহারে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল

আপনার মতামত লিখুন :