Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এই লক্ষণগুলো প্রকাশ করে, জীবনে পরিবর্তন চান আপনি!

এই লক্ষণগুলো প্রকাশ করে, জীবনে পরিবর্তন চান আপনি!
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবর্তন কখনোই সহজ কোন ব্যাপার নয়।

ক্ষেত্র বিশেষে বেশ ভীতিকর। বেশিরভাগ মানুষ প্রতিদিনের অভ্যস্ততার ভেতরে থাকতেই ভালোবাসেন, পছন্দ করেন। এর মাঝেও ‘কিন্তু’ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে কখনো সখনো। কিছু মানুষ পরিবর্তন চায়, নিজের জীবনকে ভিন্ন মোড়ে ঘুরিয়ে নিতে চায়। একই ছন্দে আবদ্ধ জীবন তাদের কাছে হয়ে ওঠে অসহ্যকর।

আপনি হয়তো খুব সাদামাটাভাবেই জীবন কাটাচ্ছেন। এর মাঝে কীভাবে বুঝতে পারবেন যে, আপনিও অবচেতনভাবে পরিবর্তন চাচ্ছেন নিজের জীবনে? মিলিয়ে নিন কিছু লক্ষণ।

আরও পড়ুন: হতাশাকে বিদায় জানান সহজেই

আপনি দীর্ঘদিন যাবত বিরক্ত

প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাজের চাপে মাঝে মাঝেই বিরক্তিবোধ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। যে বিরক্তিবোধ হয়তো এক কিংবা দুই দিন স্থায়ী হয়। এরপর সবকিছুই আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। তবে বিরক্তিবোধ যদি অনেক বেশি জেঁকে বসে মনের ভেতর এবং সেই বিরক্তিবোধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, বুঝতে হবে নিজের জীবনে কিছুটা পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। মানুষ সাধারণত একই প্যাটার্ন ও একই রুটিনে অভ্যস্ত হতে পছন্দ করে। একইসাথে জীবনে পরিবর্তনের মোড়কেও খোঁজে। কারণ ধরাবাঁধা রুটিন জীবনে স্বস্থিবোধ কাজ করলেও থাকে না কোন উচ্ছ্বাস।

বর্তমান অবস্থার বিপরীতে আগ্রহ বেশি

যান্ত্রিক ও ব্যস্ত শহরে বসবাসরত অবস্থায় মনের ভেতর সবসময় গ্রামীণ পরিবেশের চিত্রপট ঘুরছে? এখন যেভাবে আছেন সেটার ঠিক বিপরীত অবস্থা যদি আপনাকে অনবরত আকর্ষণ করে, নিজেকে সেইভাবেই গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। ‘দ্যা বুক অফ স্যাকরেড বাথস’ এর লেখিকা এবং রিলেশনশীপ এক্সপার্ট পালেত্তে শেরমান জানান, নিজের মনের কথা শোনা উচিৎ সবসময়। যদি শহুরে জীবন ভালো না লাগে, তবে নিজের পছন্দের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠাই হবে সঠিক কাজ। তিনি আরও জানান, একবারেই বড় কোন পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। পরিকল্পনা অনুযায়ী ও তালিকা তৈরি করে তবেই পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে হবে।

আরও পড়ুন: সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ

সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনধারা নিয়ে মনোবাসনা কাজ করা

‘কেমন হতো যদি আমি একজন ফটোগ্রাফার হতাম’ অথবা, ‘সমুদ্রের কাছে গেলে নিশ্চয় খুব ভালো লাগতো’ এমন ধরণের মনোবাসনা কাজ করে কী? প্রায়শ নিজেকে একদম অন্য একটা অবস্থায়, অবস্থানে ও জীবনধারায় ভাবতে ভালোবাসেন কী আপনি? কন্সালটেন্ট ও প্রাইভেট সাইকোলজিস্ট মারনি অ্যামসেলাম জানান, এমন দিবাস্বপ্ন দেখা ও অপূর্ণ মনোবাসনা কাজ করার মাধ্যমে প্রকাশ পায়, জীবনে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

/uploads/files/QpmcNVM9myIHUlo8xg1EGimg33JisBgNpfCPLMT9.jpeg

মারনি এক্ষেত্রে পরামর্শ দেন, অবাস্তব কোন সিদ্ধান্ত না নেওয়ার জন্য। বরঞ্চ বাস্তবধর্মী ও নিজের পছন্দ অনুযায়ী কোন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেটা হতে পারে দুই দিনের জন্য ছুটি নিয়ে কোথাও বেড়াতে যাওয়া কিংবা বহুদিনের পুরনো বন্ধুর সাথে আড্ডা দেওয়া। মোট কথা প্রতিদিনের জীবনে একটু ভিন্নতা নিয়ে আসা।

নির্দিষ্ট কোন কিছুর প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ তৈরি হওয়া

আশেপাশে কী ঘটছে বা কী হচ্ছে, কোন কিছুর প্রতিই কোন আগ্রহ কাজ করবে না আপনার। একইসাথে দেখা যাবে, হুট করেই নিজের প্রিয় কোন কাজের উপর তৈরি হয়েছে বাড়তি আসক্তি। হয়তো খেতে খুব ভালোবাসেন, সিনেমা দেখতে ভালো লাগে কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলে মন ভালো থাকে- এমন যেকোন প্রিয় কাজটি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি করা হচ্ছে আপনার। অথবা প্রায় সারাক্ষণ মোবাইলে নানান ধরণের সোশ্যাল অ্যাপে ঘুরাঘুরি করছেন আপনি। কিন্তু কোনটাতেই বেশিক্ষণ আগ্রহ থাকছে না।

আরও পড়ুন: আর নয় জ্যামে বসে সময় নষ্ট!

ট্রান্সফরমেশনাল লাইফ কোচ ও স্পিরিচুয়াল সাইকোলজিস্ট এলসি স্ট্রম জানান, এমন লক্ষণ প্রগাড়ভাবে দেখা দেবার অর্থ, আপনার জীবনে খুব দ্রুত কোন ইতিবাচক পরিবর্তন প্রয়োজন। সেটা হতে পারে নিজের চাকরি জীবন সংক্রান্ত, জীবনযাপনের ধরণ সংক্রান্ত। এমনকি সেটা হতে পারে সাইকোলজিক্যাল থেরাপির মতো ছোট কোন পরিবর্তন।

নিজের অস্বস্তিকে বিদায় জানিয়ে যখনই ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করবেন, জীবনের সবকিছুর প্রতি নতুনভাবে আগ্রহ কাজ করা শুরু করবে। সময়ে সময়ে জীবনে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। নইলে নিজের বিকাশেও বাধা হয়ে দাঁড়ায় একঘেয়েমি জীবন।

আপনার মতামত লিখুন :

রৌদ্রজ্জ্বল দিনের শুরুটা হোক সচেতনায়

রৌদ্রজ্জ্বল দিনের শুরুটা হোক সচেতনায়
নিত্যদিনের অনুষঙ্গ হোক পছন্দসই সানগ্লাস, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিনের শুরুটা হচ্ছে প্রচণ্ড রোদ মাথায় নিয়ে।

ধারাবাহিক বৃষ্টিবাদলার পর রোদের তাপ ভালোলাগা তৈরি করলেও সরাসরি রোদের আলো ও তাপ ত্বকের উপর স্থায়ীভাবে ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করে দেয়।

রোদের জন্য কাজ নিশ্চয় থেমে থাকবে না। কাজে, ক্লাসে কিংবা অফিসের জন্য বাইরে বেরুনোর আগে নিজেকে বাইরে রোদের মাঝে চলাচলের জন্য প্রস্তুত করে নিতে হবে। কারণ রোদের আলোর ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রে তথা রশ্মির জন্য ত্বকের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন ও ভুগছেন লাখো মানুষ।

রোদের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করার বিষয়টি বেশ কৌশলের। সেক্ষেত্রে খুব সাধারণ কিছু টিপস মাথায় রাখতে পারলেই নিজেকে এই ক্ষতিকর রোদের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। আপনাদের সুবিধার জন্য তেমন ছয়টি বিষয় জানানো হলো।

১. অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে একেবারেই ছাড়া দেওয়া যাবে না। সানস্ক্রিন ক্রিম অথবা পাউডার কেনার আগে পণ্যের গায়ে SPF50 দেখে নিতে হবে। এ মাত্রার সানস্ক্রিন রোদের ক্ষতিকর প্রভাবকে ভালোভাবে বাধা দিতে পারে। যাদের ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত তাদের জন্য সানস্ক্রিন পাউডার ব্যবহার করাই শ্রেয়। মুখ, গলা, ঘাড়, হাত ও পায়ের পাতার খোলা অংশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং দীর্ঘসময় বাইরে অবস্থান করতে হলে প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর অবশ্যই সানস্ক্রিন রি-এপ্লাই তথা পুনরায় ব্যবহার করতে হবে।

ঠোঁটে ব্যবহার করতে হবে সানস্ক্রিন প্রটেক্টেড লিপবাম। লিপবামের SPF30 হলেও কাজ করবে।

২. সান্সক্রিনের সাথে সানগ্লাসকে সঙ্গী করে নিতে হবে। রোদের ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে চোখ ও চোখের চারপাশের অংশের ত্বকে। কারণ এ অংশের ত্বক তুলনামূলক পাতলা ও নাজুক হয়। সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হলেও সানগ্লাস পরতে হবে বাড়তি সতর্কতার জন্য। এছাড়াও অনেকে সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলে গেলেও সাথে সানগ্লাস থাকলে দ্রুত পরে নেওয়া যাবে ও ক্ষতির মাত্রা কমিয়ে আনা যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563865899008.jpg

৩. গরমে ঘাম বেশি হওয়ার দরুন পাতলা ও সুতি তন্তুর কাপড় পরার পরামর্শ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে রোদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পাতলা তন্তুর কাপড়ের হাতার ঝুল লম্বা করে তৈরি করতে হবে। তাহলে হাতের ত্বক রোদের ক্ষতিকর আলোর প্রভাব থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকবে।

৪. শুধু বৃষ্টির সময়ে নয়, প্রখর রোদেও ছাতা রাখতে হবে নিজের সাথে। ছাতা সাথে থাকার ফলে উন্মুক্ত ও খোলা স্থানে সরাসরি রোদের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে খুব সহজেই।

৫. যতটা সম্ভব চেষ্টা করতে হবে সরাসরি রোদের নিচে না থেকে ছায়াযুক্ত স্থানে থাকার জন্য। বাইরে দীর্ঘসময় থাকার প্রয়োজন হলে তুলনামূলক ছাইয়াযুক্ত স্থান খুঁজে বের করতে হবে এবং সেখানে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

৬. খেয়াল করে দেখবেন, যারা নিয়মিত বাইরে চলাচল করেন ও স্লিপার তথা স্যান্ডেল পরেন, তাদের পা রোদে পুড়ে কালচে দাগ বসে যায়। এ থেকে খুব সহজেই অনুমেয়, রোদের আলো ত্বকে কতটা ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করে। তাই রোদের ভেতর চলাচলের জন্য পুরো পায়ের পাতা ঢেকে থাকার মতো জুতা নির্বাচন করুন। এতে করে পায়ে ছোপ ছোপ পোড়াভাব তৈরি হবে না এবং রোদের হাত থেকে পায়ের ত্বক সুরক্ষিত থাকবে।

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আরও পড়ুন: সানগ্লাস ব্যবহারে যে তিন ভুল আপনিও করছেন!

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র