৮০১ প্রতিমা নিয়ে শিকদার বাড়ির দুর্গা উৎসব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর. কম, খুলনা
পূজামণ্ডপ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পূজামণ্ডপ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। আগামী ৩ অক্টোবর পঞ্চমী থেকে শুরু হবে দুর্গাপূজা। ৮ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ উৎসব।

প্রতিবারই কোনও না কোনও বাহনে মর্ত্যে আগমন ও মর্ত্য থেকে গমন হয় দেবী দুর্গার। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবছর দেবী দুর্গা আসবেন ঘোড়ায় চেপে। পঞ্জিকা মতে ঘোটকেই আবার গমন হবে দেবীর। ইতোমধ্যে পূজার জন্য সকল পূজামণ্ডপে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে পূজা উদযাপিত হবে।

দুর্গাপূজার আয়োজনে খুলনা বিভাগের দশ জেলায় এবছর চার হাজার ৯৭০টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগ ছাড়িয়ে দেশের সর্ববৃহৎ পূজামণ্ডপ হচ্ছে বাগেরহাট জেলার চুলকাঠি বাজারের পাশে হাকিমপুর গ্রামের শিকদার বাড়িতে।

পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য মতে, এবার খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ৯৯৮টি পূজামণ্ডপ, যশোরে ৬৭৮টি, মাগুরায় ৬৫৩টি বাগেরহাটে ৬৪১টি এবং নড়াইলে ৫৮২টি, সাতক্ষীরায় ৫৭৮টি, ঝিনাইদহে ৪৩৫টি, কুষ্টিয়ায় ২৪৬টি, চুয়াডাঙ্গায় ১১৭টি এবং মেহেরপুরে ৪২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর ২০১৮ সালে খুলনা বিভাগে চার হাজার ৮৪১টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অর্থাৎ এ বছর ১২৯টি বেশি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এদিকে দেশের সর্ববৃহৎ পূজামণ্ডপ হচ্ছে বাগেরহাটে। বাগেরহাট জেলার চুলকাঠি বাজারের পাশে হাকিমপুর গ্রামের শিকদার বাড়ি পূজামণ্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। এবার ৮০১ টি প্রতিমা সজ্জিত হচ্ছে এখানে। কারিগররা রাতদিন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রতিমা তৈরির কাজে। মাটির কাজ শেষ করে কারিগররা প্রতিমায় রং তুলি ও সাজসজ্জার কাজ শুরু করেছেন। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ রামায়ণ ও মহাভারতের চার যুগের দেবদেবীর নানা কাহিনী অবলম্বনে হিন্দু ধর্মের হাজার বছরের পুরাতন পৌরাণিক কাহিনীকে প্রাধান্য দিয়ে তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দেবদেবীর মূর্তি দিয়ে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি ভারত থেকেও এ পূজামণ্ডপ দেখতে আসেন অনেক দর্শনার্থীরা।

পূজামণ্ডপের প্রধান ভাস্কর খুলনার কয়রা উপজেলার হাতিয়ার ডাঙ্গা গ্রামের শিল্পী বিজয় কৃষ্ণ বাছার বার্তাটোয়েন্টিফোর. কমকে জানান, গত বৈশাখ মাস থেকে ১৫ জন প্রতিমা শিল্পীসহ পূজামণ্ডপের কাজ শুরু করেছি। ৬ মাস ধরে এ মণ্ডপ তৈরির কাজ চলছে। দর্শণার্থীদের জন্য প্রতিবছরই নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি। এ বছর পানির উপর দেবদেবীর নৌকা বিলাস দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করবে। প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ, এখন চলছে রঙ আর সাজসজ্জার কাজ।

২০১০ সাল থেকে বাগেরহাটের এ অঞ্চলে বৃহৎ আয়োজনে দুর্গাপূজাটি অনুষ্ঠিত হয় ব্যক্তি উদ্যোগে। বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের শিকদার বাড়ি। গত ৯ বছর ধরে লিটন শিকদার নামে এক ব্যবসায়ী মহা ধূমধামে দুর্গাপূজার আয়োজন করে আসছেন।

এছাড়া ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সৌহার্দ্য, শান্তিপূর্ণভাবে ও আনন্দমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠানের লক্ষে পূজামণ্ডপে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহ ও চিকিৎসা সেবাপ্রদান, নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা, প্রয়োজনে সিসি টিভি স্থাপন, উচ্চস্বরে শব্দযন্ত্র ব্যবহার না করাসহ প্রতিমা বিসর্জনের সময় নির্ধারণ (রাত আটটার মধ্যে) করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গড়াই নদীতে ডুবে যুবকের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি প্রতীকী

ছবি প্রতীকী

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার খোকসায় গড়াই নদীতে ডুবে সুমন (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে খোকসা উপজেলার গনেশপুর অংশে গড়াই নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত সুমন কুমারখালী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে।

খোকসা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, সকালের দিকে গড়াই নদীতে মাছ ধরতে যান সুমন। মাছ ধরার এক পর্যায়ে নদীতে ডুবে যান তিনি। বিকেলের দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

;

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে সাফায়েত হোসেন (১৯) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সালাউদ্দিন (২২) নামের আরেক যুবক গুরুতর আহত হন।

রোববার (৫ এপ্রিল) এই বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে লাকসামের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি দক্ষিণপাড়া স্কুল বাড়ির আবদুল আউয়ালের ছেলে সাফায়াত হোসেন এদিন বিকেলে সহপাঠীদের সাথে পার্শ্ববর্তী ঘোড়াময়দান গ্রামের একটি মাঠে ফুটবল খেলতে যায়। বিকাল ৫টার দিকে খেলা চলা অবস্থায় আকস্মিক বজ্রপাতে সাফায়েতের পুরো শরীর ঝলসে যায়। তাৎক্ষনিকভাবে তাকে উদ্ধার করে লাকসামের একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে সন্ধ্যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া বজ্রপাতে ওই ঘোড়াময়দান গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সালাউদ্দিন (২২) গুরুতর আহত হয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল ওহাব ঘটনার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

;

লক্ষ্মী ভাইয়েরা বাসায় যান, নিজেসহ দেশকে বাঁচান



নাহিদ রেজা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ওসি তানভিরুল ইসলাম।

ওসি তানভিরুল ইসলাম।

  • Font increase
  • Font Decrease

আমার লক্ষ্মী ভাইয়েরা দয়া করে বাইরে ঘোরাঘুরি না করে বাসায় যান। নিজে বাঁচেন, পরিবারকে বাঁচান, দেশকে বাঁচান। সচেতন হোন।

ঠিক এসব কথা বলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করছেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে এভাবে সচেতন করায় সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘আমি ওষুধ কেনার জন্য স্থানীয় বাজারে এসেছিলাম। কিছুক্ষণ পর থানার একটি গাড়ি বাজারের সামনে এসে দাঁড়ায় এবং ওসি তানভিরুল সবাইকে বাসায় থাকার জন্য অনুরোধ করেন। এর আগে কখনো জনগণের সঙ্গে পুলিশের এমন ভালো আচরণ দেখি নাই।’

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চৌড়াস্তা মোড়ে কথা হয় জয়নাল নামে এক পথচারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের জেলার পুলিশ সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে। তাদের ভাই বলে বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছে। ওসিসহ পুলিশের সদস্যরা নিজেদের কথা চিন্তা না করে আমাদের জন্য এ কাজটি করে যাচ্ছেন। তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

স্থানীয় সাহাদত হোসেন নামে একজন বলেন,‘তানভিরুল ভাই একজন মানবিক পুলিশ অফিসার। তার জন্য শুভকামনা ও দোয়া রইল।’

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ ভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সরকার যেসব দিক নির্দেশনা দিয়েছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। জনগণের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করে তাদের সচেতন করা হচ্ছে। এতে কাজও হচ্ছে।’

;

ডিবি পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই, যুবক গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
গ্রেফতার আবেদ আলী।

গ্রেফতার আবেদ আলী।

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই করার অপরাধে আবেদ আলী (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবেদ আলী সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের চওড়া গ্রামের খয়রাত হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামে মোকছেদুল ইসলামসহ কয়েক যুবক মোবাইলে ভিডিও গেম খেলছিলেন। এ সময় আবেদ আলী নিজেকে সৈয়দপুর থানার ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক পরিচয় দিয়ে ওই যুবকদের কাছ থেকে মোবাইলটি নিয়ে যান। পরে এ বিষয়ে মোবাইলের মালিক মোকছেদুল ইসলাম সদর থানায় অভিযোগ করেন।

এরপর রোববার ভোরে আবেদ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি খেলনা পিস্তল ও ওয়্যারলেস সেট, একাধিক মোবাইল সিম এবং দুটি পরিচয়পত্র জব্দ করে পুলিশ।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই করার সত্যতা স্বীকার করেছেন আবেদ আলী। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

;