আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, বান্দরবান
আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা।

জানা গেছে, এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাগজে কলমে ১১ জন চিকিৎসক থাকার কথা। কিন্তু সেখানে পোস্টিংয়ে আছেন চারজন চিকিৎসক। যাদের মধ্যে নিয়মিত কর্মস্থলে আসেন মাত্র একজন। আর নিয়মিত বেতন নিলেও গত ৭ মাস ধরে কর্মস্থলে আসেন না ডা. ইফতেখারুল ইসলাম। বাকি দুই জন চিকিৎসকও অনিয়মিত। ফলে আলীকদম উপজেলার প্রায় ৮০ হাজার মানুষের চিকিৎসার দায়িত্বে আছেন মাত্র একজন চিকিৎসক।

আরও জানা গেছে, ডা. ইফতেখারুল ইসলাম ৭ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তবে তিনি সরকারি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও চট্টগ্রামের ডেল্টা হাসপাতাল চেম্বারে নিয়মিত বসেন।

অভিযোগ আছে, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন পেতে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শহিদুর রহমানকে নিয়মিত মাসোয়ারা দেন ডা. ইফতেখারুল ইসলাম।

তবে মো. শহিদুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ডা. ইফতেখারুল ইসলাম ৭ মাসের মধ্যে সিএল এবং ইএল ছুটি কাটিয়েছেন ৩ মাস। গত ৯ সেপ্টেম্বর আরও এক মাসের জন্য ইএল ছুটি দেখিয়েছেন। যে ছুটি শেষ হবে আগামী ৮ অক্টোবর।’

তবে আরও ৩ মাস অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

অভিযুক্ত ডা. ইফতেখারুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘আমার বাড়ি চট্টগ্রাম। বাড়ি থেকে যাতায়াত করেই আমাকে চাকরি করতে হয়। সে জন্য আমার পক্ষে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয় না। বর্তমানে আমি চট্টগ্রাম ডেল্টা হাসপাতালে চেম্বার করছি।’

এ বিষয়ে বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু মারমার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘সরকার আমাদের বেতন দেয় মানুষের সেবা করার জন্য। সরকারি বেতন নিয়ে দায়িত্বে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। কেউ দায়িত্ব পালন করতে না চাইলে চাকরি ছেড়ে দিবে। আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’