বিয়ে করতে এসে পালালেন বর, আটক ৩



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, পাবনা
ঘটক ও বরের দুই আত্মীয়কে আটক করা হয়,  ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঘটক ও বরের দুই আত্মীয়কে আটক করা হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার টলট গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে (১২) বাল্যবিয়ে দেওয়ার অপরাধে ঘটক, বরের চাচা ও বন্ধুকে আটক করে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি দেখে পালিয়ে যান বর।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার টলট গ্রামের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। এ সংবাদের ভিত্তিতে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন ইউএনও এসএম জামাল আহমেদ।

উপস্থিতি বুঝতে পেরে মেয়ের বাবা ও বর পালিয়ে যান। পরে ঘটক ইসমাইল হোসেন (৫৫), বরের চাচা আনোয়ার হোসেন (৩২) ও বন্ধু শাহীন শেখকে আটক করা হয়। আটক তিন জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও এসএম জামাল আহমেদ এক মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এদিকে ওই ছাত্রীর ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা নিয়ে মা হাসিনা খাতুনের জিম্মায় দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত তিনজনকে সাঁথিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এছাড়া ওই ছাত্রীকে শিক্ষার খরচ দেওয়ার ঘোষণা দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জামাল আহমেদ। তিনি বলেন, উপজেলার টলট গ্রামে বাল্য বিয়ে হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়ের আসর থেকে ঘটক ও বরের দুই আত্মীয়কে আটক করা হয়। পরে তাদের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সাজাপ্রাপ্তদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।