৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই পাবনা জেনারেল হাসপাতালে



ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, পাবনা
অন্ধকারেই চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছেন ডিউটি ডাক্তার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অন্ধকারেই চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছেন ডিউটি ডাক্তার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টানা ৩ দিন বিদ্যুৎ সরবারহ না থাকায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে ২৫০ শয্যার পাবনা জেনারেল হাসপাতালে। এদিকে, বিদ্যুৎ না থাকায় সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাতের শিফটের ডিউটিরত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যায়। কয়েক ঘণ্টা কর্মবিরতির পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে তারা আবারও কাজে যোগদান করেন।

জানা যায়, রোববার থেকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সব কয়টি ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে চিকিৎসা দিতে নানান বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। অন্যদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরাও এই বিড়ম্বনার মুখোমুখি হয়েছেন।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন জানান, হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন মাটির নিচে। টানা তিনদিনের বৃষ্টিপাতের কারণে রোববার (২৭ অক্টোবর) থেকে হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়।

বিদ্যুৎ নেই পাবনা হাসপাতালে
মোমবাতি জ্বালিয়ে ডিউটি করছেন ইন্টার্ন ডাক্তাররা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

তিনি বলেন, ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য মূল লাইন ছাড়াও কয়েকটি সরবরাহ লাইনের সাথে সংযুক্ত করা আছে। তারপরও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হয়নি।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রঞ্জন কুমার দত্ত বলেন, ‘ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রধান সংযোগ সিস্টেম দিয়ে হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু প্রধান সার্কিটের মেরামত কাজ জরুরি হয়ে পড়েছে। মেরামত কাজের জন্য গণপূর্ত বিভাগের সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। বিকল্প লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।'

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সুপারিন্টেনডেন্ট প্রকৌশলী দেবাশীষ কুমারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘গণপূর্ত বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ইতোমধ্যেই হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেছেন। তিনি আরও বলেন, 'খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে প্রকৌশলীরা কাজ করছেন।’

বিদ্যুৎ নেই হাসপাতালে
৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই হাসপাতালে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে হাসপাতালে দেখা যায় জরুরি বিভাগসহ অন্যান্য ওয়ার্ডগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই। তবে গণপূর্ত বিভাগের লোকজন বিদ্যুৎ লাইন সচল করতে কাজ করছেন।