নওগাঁয় ১০ টাকায় বিশুদ্ধ পানি



কামাল হোসেন, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ট্যাপ থেকে পানি সংগ্রহ করছে নারীরা, ছবি: বার্তা২৪.কম

ট্যাপ থেকে পানি সংগ্রহ করছে নারীরা, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশুদ্ধ পানির সমস্যা বরেন্দ্র অঞ্চল নওগাঁর জন্য নতুন কিছু নয়। প্রতিবছরের শুষ্ক মৌসুমে বিশুদ্ধ পানির সংকটে পরে বরেন্দ্র অঞ্চলটির সাধারণ জনগণ। আর বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে বরেন্দ্র অধ্যুষিত তিন উপজেলায় তিনশটি সাবমারসিবল পাম্প বসানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে বসানো হয়েছে পাম্পগুলো।

পানি ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ বিল বাবদ প্রতিজন থেকে নেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০ টাকা। আদায়কৃত অর্থ থেকে সংশ্লিষ্ট মাসের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ও পাম্পগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নওগাঁ জেলার পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুর উপজেলা ঠা ঠা বরেন্দ্র অধ্যুষিত এলাকা। এ বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির স্তর এতটাই নীচে যে এসব এলাকায় যুগ যুগ ধরে কোন নলকূপ স্থাপন করা সম্ভব হয় নি। কাজেই এসব এলাকার মানুষ মাটির কুয়া এবং পুকুরের পানি খাওয়াসহ সকল কাজেই ব্যবহার করত। কুয়ার পানি এবং পুকুরের পানি সব সময় অপরিষ্কার এবং নোংরা থাকতো। কাজেই বাধ্য হয়ে গভীর কুয়া থেকে পানি উত্তোলন এবং দূর থেকে পুকুরের পানি এনে সংসারের যাবতীয় কাজ করতে কষ্ট পোহাতে হতো অঞ্চলটির মানুষজনদের।

আর সাধারণ মানুষের কথ চিন্তা করে তিন উপজেলায় তিনশটি পাম্প বসানো হয়েছে। এসব পাম্প থেকে ১৫ হাজার পরিবারের প্রায় ৭৫ হাজার মানুষের মধ্যে সুপেয় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। খাদ্যমন্ত্রী এবং এলাকার সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদারের পরামর্শ এবং সহযোগিতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে।

কার্যক্রমের আওতায় প্রতিটি পাড়ায় একটি করে সাবমারসিবল পাম্প ও তিন হাজার লিটারের ট্যাংকি স্থাপন করা হয়েছে। ট্যাংকি পাইপলাইনের সঙ্গে সংযোগ করে পাড়ায় পাড়ায় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। একটি ট্যাংকি থেকে সংশ্লিষ্ট পাড়ায় পৃথক ৮টি স্থানে ট্যাপ সংযোগ করে পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রাজশাহী-নওগাঁ-চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাধীন নিম্ন পানির স্তর অধ্যুষিত এলাকায় কমিউনিটি ভিত্তিক পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে তিনশটি পাম্প স্থাপন করতে মোট খরচ হয়েছে ৯ কোটি ২২ লাখ টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলায় একই ধরণের পাম্প স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী।

এবিষয়ে সাপাহার উপজেলার ওড়নপুর গ্রামের মোজাম্মেল হক, আব্দুর রশিদ, এন্তাজুর রহমান, শিউলি বেগম এবং মর্জিনা খাতুন জানিয়েছেন, তারা বংশ পরম্পরায় এসব মাটির কুয়া এবং পুকুরের পানি পান সহ রান্নার কাজে ব্যবহার করে আসছেন। গভীর কুপ থেকে পানি উত্তোলন এবং অনেক দুর থেকে পুকুরের পানি বয়ে আনতে যেমন কষ্ট হয় অন্যদিকে এসব নোংরা পানি পান করার ফলে সাধারণ মানুষের বিশেষ করে শিশুদের নানারকম রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হতো। বর্তমানে সাবমারসিবল পাম্পের মাধ্যমে পাড়ায় পাড়ায় পানি সরবরাহের ফলে একদিকে যেমন পানির সংকট নিরসন হয়েছে অন্যদিকে তারা রোগের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছেন।

গড়াই নদীতে ডুবে যুবকের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি প্রতীকী

ছবি প্রতীকী

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার খোকসায় গড়াই নদীতে ডুবে সুমন (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে খোকসা উপজেলার গনেশপুর অংশে গড়াই নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত সুমন কুমারখালী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে।

খোকসা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, সকালের দিকে গড়াই নদীতে মাছ ধরতে যান সুমন। মাছ ধরার এক পর্যায়ে নদীতে ডুবে যান তিনি। বিকেলের দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

;

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে সাফায়েত হোসেন (১৯) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সালাউদ্দিন (২২) নামের আরেক যুবক গুরুতর আহত হন।

রোববার (৫ এপ্রিল) এই বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে লাকসামের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি দক্ষিণপাড়া স্কুল বাড়ির আবদুল আউয়ালের ছেলে সাফায়াত হোসেন এদিন বিকেলে সহপাঠীদের সাথে পার্শ্ববর্তী ঘোড়াময়দান গ্রামের একটি মাঠে ফুটবল খেলতে যায়। বিকাল ৫টার দিকে খেলা চলা অবস্থায় আকস্মিক বজ্রপাতে সাফায়েতের পুরো শরীর ঝলসে যায়। তাৎক্ষনিকভাবে তাকে উদ্ধার করে লাকসামের একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে সন্ধ্যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া বজ্রপাতে ওই ঘোড়াময়দান গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সালাউদ্দিন (২২) গুরুতর আহত হয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল ওহাব ঘটনার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

;

লক্ষ্মী ভাইয়েরা বাসায় যান, নিজেসহ দেশকে বাঁচান



নাহিদ রেজা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ওসি তানভিরুল ইসলাম।

ওসি তানভিরুল ইসলাম।

  • Font increase
  • Font Decrease

আমার লক্ষ্মী ভাইয়েরা দয়া করে বাইরে ঘোরাঘুরি না করে বাসায় যান। নিজে বাঁচেন, পরিবারকে বাঁচান, দেশকে বাঁচান। সচেতন হোন।

ঠিক এসব কথা বলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করছেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে এভাবে সচেতন করায় সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘আমি ওষুধ কেনার জন্য স্থানীয় বাজারে এসেছিলাম। কিছুক্ষণ পর থানার একটি গাড়ি বাজারের সামনে এসে দাঁড়ায় এবং ওসি তানভিরুল সবাইকে বাসায় থাকার জন্য অনুরোধ করেন। এর আগে কখনো জনগণের সঙ্গে পুলিশের এমন ভালো আচরণ দেখি নাই।’

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চৌড়াস্তা মোড়ে কথা হয় জয়নাল নামে এক পথচারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের জেলার পুলিশ সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে। তাদের ভাই বলে বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছে। ওসিসহ পুলিশের সদস্যরা নিজেদের কথা চিন্তা না করে আমাদের জন্য এ কাজটি করে যাচ্ছেন। তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

স্থানীয় সাহাদত হোসেন নামে একজন বলেন,‘তানভিরুল ভাই একজন মানবিক পুলিশ অফিসার। তার জন্য শুভকামনা ও দোয়া রইল।’

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ ভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সরকার যেসব দিক নির্দেশনা দিয়েছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। জনগণের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করে তাদের সচেতন করা হচ্ছে। এতে কাজও হচ্ছে।’

;

ডিবি পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই, যুবক গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
গ্রেফতার আবেদ আলী।

গ্রেফতার আবেদ আলী।

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই করার অপরাধে আবেদ আলী (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবেদ আলী সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের চওড়া গ্রামের খয়রাত হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামে মোকছেদুল ইসলামসহ কয়েক যুবক মোবাইলে ভিডিও গেম খেলছিলেন। এ সময় আবেদ আলী নিজেকে সৈয়দপুর থানার ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক পরিচয় দিয়ে ওই যুবকদের কাছ থেকে মোবাইলটি নিয়ে যান। পরে এ বিষয়ে মোবাইলের মালিক মোকছেদুল ইসলাম সদর থানায় অভিযোগ করেন।

এরপর রোববার ভোরে আবেদ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি খেলনা পিস্তল ও ওয়্যারলেস সেট, একাধিক মোবাইল সিম এবং দুটি পরিচয়পত্র জব্দ করে পুলিশ।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই করার সত্যতা স্বীকার করেছেন আবেদ আলী। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

;