বালিয়াকান্দিতে পেঁয়াজের মণ ৪৩ কেজিতে!

সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
৪৩ কেজিতে এক মণ

৪৩ কেজিতে এক মণ

  • Font increase
  • Font Decrease

৪০ কেজিতে এক মণ এটা আমরা সবাই জানলেও রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ৪৩ কেজিতে এক মণ ধরা হচ্ছে। এমন ঘটনায় সবাই হতবাক। যার ফলে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক। কোনো প্রতিকারও নেই এই ঠকবাজির। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন থাকলেও এই অনিয়মের বিরুদ্ধে নেই কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ।

বালিয়াকান্দি বাজারে যারা পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসছে তাদেরকে এভাবে দিনদুপুরে ঠকানো হচ্ছে। এক শ্রেণির অসাধু পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা কৃষকদের ঠকিয়ে ৪৩ কেজিতে এক মণ ধরে পেঁয়াজ কিনছে। নিরুপায় কৃষকরা ৪৩ কেজিতেই মণ মেনে নিচ্ছে।

রোববার (২৯ মার্চ) বালিয়াকান্দি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের সাপ্তাহিক পেঁয়াজের বাজারে গিয়ে এমনই অনিয়মের চিত্র ধরা পড়ে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, গ্রাম থেকে প্রান্তিক কৃষকরা পেঁয়াজ বিক্রি করার জন্য বাজারে এনেছে। পেঁয়াজ ক্রেতাদের সাথে কৃষকের দামে মিটে গেলে তা সরাসরি ওজন দিতে নিয়ে যাচ্ছে। সেখানে ব্যবসায়ীরা মণ প্রতি ৩ কেজি করে বেশি নিচ্ছে।

পেঁয়াজ বিক্রেতা পাইককান্দি গ্রামের কৃষক আবু তালেব বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আমার পেঁয়াজ ওজনে ৫৭ কেজি হয়েছে। কিন্তু আমাকে ৫৩ কেজির দাম নিতে হচ্ছে। চার কেজি ছেড়ে দিতে হচ্ছে। যে প্রতিবাদ করছে তার পেঁয়াজ কেউ কিনছে না।

প্রশাসনের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা দুর্বল বলে এমন একটি প্রতারণামূলক কাজ এ যুগেও হচ্ছে । যা সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ভাই আমরা কি করব বলেন? আমাদের কাছ থেকে পেঁয়াজের আড়তদাররা মণ প্রতি ২ কেজি করে বেশি নেয়। আর আমরা কৃষকের কাছ থেকে ৩ কেজি করে বেশি নিচ্ছি। কারণ এক কেজি ঘাটতি আছে। অর্থ্যাৎ মণ প্রতি এক কেজি করে শুকিয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন :