শিক্ষক লাঞ্ছনায় কুবি শিক্ষক সমিতির জিডি



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় সাত ঘণ্টা উপাচার্য দপ্তরে অবস্থানের পর নিরাপত্তাহীনতার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ও সাবেক কিছু শিক্ষার্থীদের নাম উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় এ জিডি করা হয়।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পর ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও সাবেক শিক্ষার্থী (ছাত্রলীগ নেতা) ইমরান হোসাইনের নির্দেশে জোর করে উপাচার্যের দপ্তরে প্রবেশ করেন বিবাদীরা। এরপর তারা মারমুখী আচরণ করতে থাকেন। ডেপুটি রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন তখন শিক্ষকদের উদ্দেশে বলতে থাকেন, থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফেলে দেবো। তখন শিক্ষকেরা প্রক্টরিয়াল বডির সাহায্য চান। কিন্তু প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সহযোগিতা করেননি। উল্টো বিবাদীরা সাত, আটবার মারমুখী আচরণ করেন। এতে শিক্ষকেরা নিরাপত্তাহীন অবস্থায় আছেন।

সাধারণ ডায়েরিতে মোট নয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২০ থেকে ৩০ জনের কথা উল্লেখ করা হয়। উল্লিখিত ব্যক্তিরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. ইমরান হোসাইন, লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী অনুপম দাস বাঁধন, মার্কেটিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রকিবুল হাসান রকি, নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আমিনুর রহমান, ফার্মেসি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ইমাম হোসাইন মাসুম, বাংলা বিভাগের বর্তমান শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন, রসায়ন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার বিকেল চারটায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। সে সময় উপাচার্য দপ্তরে বাগবিতণ্ডার আওয়াজ শুনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ও কর্মকর্তারা উপাচার্য দপ্তরে জড়ো হয়। সেসময় শিক্ষকদের সঙ্গে কয়েক দফায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও কর্মকর্তাদের বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই ঘণ্টা আলোচনা শেষে বেরিয়ে যান। তবে শিক্ষকরা রাত ১০টা পর্যন্ত উপাচার্য দপ্তরে অবস্থান করে সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে যান।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. আবু তাহের বলেন, সোমবার আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে গেলে আমাদের ওপর কিছু সন্ত্রাসী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা হামলার চেষ্টা করে। আমরা সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই এবং তারা সেটা দিতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে আমরা প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করি কিন্তু উপাচার্য আমাদের তার দপ্তরে রেখেই বাসভবনে চলে যান। এতে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর ভরসা হারিয়ে সোমবার দিনগত রাত ১টায় (মঙ্গলবার) রাষ্ট্রের প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাধারণ ডায়েরি করেছি।

জিডির তথ্য নিশ্চিত করে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া জানান, বিষয়টির তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

   

এইচএসসি পরীক্ষা

চট্টগ্রামে বাড়লো বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষার পরীক্ষার্থী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন ১ লাখ ৬ হাজার ৩৪ জন পরীক্ষার্থী। আগের বছরের তুলনায় এবার ৩ হাজার ৫শ ৬৬ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে। ২০২৩ সালে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৪শ ৬৮ জন।

এবার চট্টগ্রাম বোর্ডে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পরীক্ষার্থী বেড়েছে। তবে কিছুটা কমেছে মানবিক বিভাগে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ২৩ হাজার ৫শ ৩২, মানবিক বিভাগে ৪৬ হাজার ২শ ৭৩, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৬ হাজার ২শ ২৫ জন এবং গার্হস্থ্য বিভাগের ৪ জন।

২০২৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২০ হাজার ৭শ ৪৫, মানবিক বিভাগ থেকে ৪৬ হাজার ৭শ ৪৬ ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৩৪ হাজার ৯শ ৭০ জন এবং গার্হস্থ্য বিভাগ থেকে ৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

বুধবার (২৬ জুন) চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এ এম এম মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে মুজিবুর রহমান বলেন, এবার ২শ ৮৭টি কলেজের ১ লাখ ৬ হাজার ৩৪ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। ১শ ১৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এরই মধ্যে ২৮টি সাধারণ ও ১০টি ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড।

তিনি বলেন, এবারও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বেশির ভাগই চট্টগ্রাম জেলার। এই জেলার ৭৬ হাজার ১শ৭৯ জন পরীক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নেবে। এছাড়া কক্সবাজার জেলা থেকে ১৩ হাজার ৪শ ৬৩, রাঙামাটি জেলা থেকে ৫ হাজার ৬শ ৬৩ জন, খাগড়াছড়ি জেলার ৬ হাজার ৭শ ২৭ এবং বান্দরবান জেলা ৪ হাজার ২ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

;

ঢাবিতে 'বঙ্গবন্ধু ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম' চালুর সিদ্ধান্ত



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাবিতে 'বঙ্গবন্ধু ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম' চালুর সিদ্ধান্ত

ঢাবিতে 'বঙ্গবন্ধু ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম' চালুর সিদ্ধান্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে 'বঙ্গবন্ধু ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম' চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে সিনেট চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস মাকসুদ কামাল ঘোষণা দেন।

অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'বঙ্গবন্ধু ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম' চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে এবং একটি নীতিমালাও প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই ফেলোশিপ প্রোগ্রাম চালু করা হবে। ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে সম্মানজনক বৃত্তির অর্থ-সহ অন্যান্য সুযোগসুবিধা পাবেন, যা উন্নত বিশ্বের প্রায় অনুরূপ।

উপাচার্য আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো চিকিৎসা অনুষদ নেই। বেইজিং, টোকিও, সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-সহ পৃথিবীর প্রায় সকল বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল ফ্যাকাল্টি কাম হসপিটাল রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্ব স্ব দেশে চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষণা এবং স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। জমি পাওয়া গেলে পূর্বাচল ক্যাম্পাসে একটি বিশ্বমানের মেডিকেল ফ্যাকাল্টি কাম হসপিটাল গড়ে তোলা হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল আরও জানান, বৈশ্বিক মানদণ্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমাবদ্ধতা, দুর্বলতা ও করণীয় ইতোমধ্যে আমরা নির্ধারণ করতে পেরেছি। সেই অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানকে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে বহুমাত্রিক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

বাজেট অভিভাষণে উপাচার্য আরও জানান, আর্থিক অস্বচ্ছলতা ও আবাসনের অসুবিধার কারণে প্রায়শ প্রথম বর্ষে বহু শিক্ষার্থী হতাশাগ্রস্ত ও বিপথগামী হয়ে যায়। এসব শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির নীতিমালা, ২০২৪' নামে একটি নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ট্রেজারারের নেতৃত্বে প্রণয়ন করা হয়েছে। কমবেশি ৪ হাজার টাকা প্রতি মাসে তাদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হবে।

;

ঢাবিতে ৯৪৫ কোটি টাকার বাজেট, গবেষণায় ২০ কোটি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জন্য ৯৪৫ কোটি ১৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। সিনেট অধিবেশনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য এ টাকার সংশোধিত বাজেট উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দীন আহমেদ।

বুধবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিকেল থেকে চলমান বাজেট অধিবেশনে তিনি নতুন অর্থবছরের বাজেট ও গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট উপস্থাপন করেন। এ বার্ষিক অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সিনেট চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস মাকসুদ কামাল।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৯৪৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার বাজেটের মধ্যে বেতন, ভাতা ও পেনশন বাবদ ৬৩৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা রাখা হয়েছে যা মোট ব্যয়ের ৬৭ শতাংশ। এছাড়া পণ্য ও সেবা খাতে ২২০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে যা যথাক্রমে ২৩.৩৩ শতাংশ।

অন্যদিকে গবেষণা মঞ্জুরী বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ২০ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। যা মোট ব্যয়ের মাত্র ২.১২ শতাংশ। তবে এতে বিগত অর্থবছরের থেকে ৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজেট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের মূল বাজেট ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের মূল বাজেটের তুলনায় ৩১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দের পরিমাণ ৮০৪ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা, যা ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের মূল বরাদ্দের চাইতে ৩৫ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা বেশি।

সিনেট অধিবেশন বাজেট উপস্থাপনকালে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দীন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আমরা যে চাহিদা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশনের (বিমক) নিকট প্রেরণ করি তা ছিল ১১৩১ কোটি ১৭ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা। বিমক আমাদেরকে প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রয়োজনের তুলনায় ৩২৬ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা কম বরাদ্দ দিয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয়কে কাল্পনিকভাবে বেশি করে ধরে দিয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষার্থী পূর্বের তুলনায় কম সংখ্যক ভর্তি করা হচ্ছে। ছাত্রদের টিউশন ফি বৃদ্ধি করা হয়নি।

বাজেটে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন থেকে পাওয়া যাবে ৮০৪ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা। এছাড়া নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৯০ কোটি টাকা এবং ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৫০ কোটি ৭৪ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা, যা প্রাক্কলিত ব্যয়ের ৫.৩৭ শতাংশ।

২০২৩-২০২৪ সালের মূল বাজেট ছিল ৯১৩ কোটি ৮৯ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা। সংশোধিত বাজেটে ৫৯ কোটি ১৫ লক্ষ ৯১ হাজার বৃদ্ধি করে সংশোধিত বাজেট দাঁড়ায় ৯৭৩ কোটি ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা। সংশোধিত বাজেটে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন থেকে অনুদান ৭৭৬ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা এবং নিজস্ব আয় হিসেবে ৯০ কোটি টাকাসহ আয় ধরা হয়েছে ৮৯১ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। ফলে বিগত বছরের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮১ কোটি ৩৭ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা, যা মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের ৮.৩৬ শতাংশ।

;

নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা

জাবিতে ছিনতাইয়ের প্রচেষ্টায় দুই বহিরাগতকে পুলিশে সোপর্দ



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হল ও বোটানিক্যাল গার্ডেনের পেছনে মনপুরা এলাকার প্রবেশপথে দুই শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়, নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা ও ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে দুই বহিরাগতকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আটক নাজমুল হাসান (৩২) সাভারের লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) চতুর্থ শ্রেণির কর্মকর্তা, তার স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার খলিলপুর গ্রাম। আরেক অভিযুক্ত আলামিন (২৮) একই প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন প্রকল্পে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কর্মরত। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায়৷ এছাড়া অভিযুক্তদের মধ্য থেকে একজন পালিয়ে যাওয়ায় তার পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি৷

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ ৪৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী রুহুল আমিন ও তার নারী বন্ধু সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বোটানিক্যাল গার্ডেনের পাশ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মনপুরা এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন৷ এসময় তিনজন ছিনতাইকারী তাদের পথরোধ করে দাঁড়ায়। তারা সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় ও তাদের কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করে। অন্যথায় নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়৷

পরবর্তীতে প্রায় তিনঘণ্টা আটকে রাখার পর রুহুল আমিন টাকা আনার কথা বলে সুকৌশলে বন্ধুদের ফোন করেন। এসময় সালাম বরকত হল থেকে শিক্ষার্থীরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এসময় ছিনতাইকারীদের বেধড়ক মারধর করেন৷ অভিযুক্তদের একজন পালিয়ে গেলেও অবশিষ্ট দু'জনকে হাতেনাতে ধরে নিরাপত্তা শাখায় হাজির করে শিক্ষার্থীরা৷ এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী৷

এদিকে ঘটনা ঘটার প্রায় ৩ ঘণ্টা পর রাত দশটায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে অভিযুক্তদের নিয়ে আসে৷ তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। এসময় শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অধ্যাপক আলমগীর কবিরের সঙ্গেমুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ঘটনাটি যেহেতু বহিরাগতদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেহেতু নিরাপত্তা অফিস বিষয়টি দেখভাল করবে। আমি নিরাপত্তা অফিসকে সঙ্গেসঙ্গেবিষয়টি জানিয়েছি।

পরে রাত পৌনে একটায় আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক নুর আলম মিয়া অভিযুক্ত, ভুক্তভোগী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে আশুলিয়া থানায় যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন ।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেফরুল হাসান চৌধুরী সজল জানান, আমি এ ঘটনা জানার পরপরই প্রক্টর মহোদয়কে অবহিত করেছি। রেজিস্ট্রার মহোদয়ের অনুমতি সাপেক্ষে পুলিশের সোপর্দ করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মামলা দেয়ার জন্য কিন্তু ধর্ষণচেষ্টা অভিযোগের মামলা ভিকটিমকেই দিতে হয় বিধায় আমরা এখন ভিক্টিমকে নিয়ে থানায় যাচ্ছি৷

;