ঋণের আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার ফেরত দিল শ্রীলঙ্কা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তিতে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার ফেরত পেল বাংলাদেশ। এ নিয়ে দেশটি মোট ১৫০ মিলিয়ন ডলার ফেরত দিল। বাকি ঋণ চলতি বছরের মধ্যে পরিশোধের কথা রয়েছে।

শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি হিসেবে ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে শ্রীলঙ্কা। তিনি আরও জানান, গত মাসের ১৭ তারিখে ঋণের প্রথম কিস্তি হিসেবে ৫০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল শ্রীলঙ্কা। এ ছাড়া চলতি বছরের মধ্যে পুরো ঋণ পরিশোধ করার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছে দেশটি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিকে ২০২১ সালে চার কিস্তিতে ২০ কোটি ডলার ঋণ দেয় বাংলাদেশ। একবছর মেয়াদি ঋণের মেয়াদ শেষ হয় গত বছরের সেপ্টেম্বরে। এরপর তিন মাস করে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়। ঋণের বিপরীতে লন্ডন আন্ত:ব্যাংক অফার রেট বা লাইবর যোগ দেড় শতাংশ সুদ পাচ্ছে বাংলাদেশ।

মুদ্রা বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শ্রীলঙ্কাকে ২০২১ সালের ১৯ আগস্ট প্রথম ধাপে ৫০ মিলিয়ন ডলার, ৩০ আগস্ট দ্বিতীয় ধাপে ১০০ মিলিয়ন ডলার ও ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তৃতীয় ধাপে ৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

 

   

কার্ড থেকে নগদ-এ অ্যাড মানি ও বিল পেমেন্ট করে জিতে নিন বিশ্বকাপ টিকিট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কার্ড থেকে নগদ-এ অ্যাড মানি ও বিল পেমেন্ট করে জিতে নিন বিশ্বকাপ টিকিট

কার্ড থেকে নগদ-এ অ্যাড মানি ও বিল পেমেন্ট করে জিতে নিন বিশ্বকাপ টিকিট

  • Font increase
  • Font Decrease

শুরু হতে যাচ্ছে আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৩। সারা দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে মাস্টারকার্ড ও নগদ নিয়ে এসেছে দারুণ অফার। মাস্টারকার্ড থেকে নগদ ওয়ালেটে ৩৪৫০ টাকা বা তার বেশি অ্যাড মানি বা ক্রেডিট কার্ড বিল পেমেন্ট করে গ্রাহক জিতে নিতে পারেন আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ খেলা দেখার টিকিট।

নগদ ও মাস্টারকার্ডের এই অফারের মাধ্যমে একজন গ্রাহক সহজেই জিতে নিতে পারেন আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ খেলা দেখার টিকিট। এর সঙ্গে থাকছে প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ লেনদেনকারী গ্রাহকের জন্য ফ্ল্যাগ বিয়ারার প্রোগ্রাম ও মাস্টারকার্ড সোফা।

এছাড়া ক্যাম্পেইন শেষে মাস্টারকার্ড অ্যাড মানিতে সর্বোচ্চ লেনদেনকারী একজন ও মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ড বিল পেমেন্টে একজন পাবেন ম্যাচ ডে এক্সপেরিয়েন্স ও বিয়ন্ড দ্য বাউন্ডারি টিকিট। পাশাপাশি ক্যাম্পেইন চলাকালে নগদের মাধ্যমে মাস্টার কার্ডে সর্বোচ্চ বিল পেমেন্টকারী পাবেন মাঠে ক্রিকেট বিশ্বকাপের সঙ্গে সেলফি তোলার সুযোগ। এছাড়া মাস্টার কার্ড থেকে নগদে সর্বোচ্চ অ্যাড মানি করা গ্রাহক প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের সাথে সেলফি তোলার সুযোগ পাবেন।

ক্যাম্পেইনের বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাদাত আদনান আহমেদ বলেন, ক্রিকেট বিশ্বকাপের উন্মাদনায় নগদ ও মাস্টারকার্ড তাদের গ্রাহকদের জন্য দারুণ এই অফার চালু করেছে। ক্রিকেটপ্রেমী গ্রাহকেরা সহজে এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখার সুযোগ পেতে পারেন।

এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে একজন ফুল প্রোফাইল নগদ গ্রাহক হতে হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পেইনের শর্ত মেনে লেনদেন করতে হবে। ক্যাম্পেইন সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে নগদের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইটে নজর রাখতে পারেন গ্রাহক। ক্যাম্পেইনটি ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে, চলবে আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত। ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে দ্বৈবচয়ন ভিত্তিতে।

;

ডলারের দাম আরেক দফা বাড়ল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রেমিট্যান্স ও রফতানি আয়ে ডলারের দাম আরেক দফা বাড়িয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে রফতানি ও প্রবাসী আয়ে ডলারের দর ৫০ পয়সা বেড়ে হয়েছে ১১০ টাকা আর আমদানিতে ১১০ টাকা ৫০ পয়সা।

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাংলাদেশ ফরেইন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন এ সিদ্ধান্ত আজ সোমবার (২৫ সেপ্টম্বর) থেকে কার্যকর করা হবে।

ডলারের আন্তঃব্যাংক বিনিময় হার ধরা হয়েছে ১১০ টাকা ৫০ পয়সা। যা গত বছরের জানুয়ারিতে ছিল ৮৫ টাকা ৮ পয়সা।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর গত বছরের মার্চ থেকে দেশে ডলার-সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। এ সংকট মোকাবিলায় শুরুতে ডলারের দাম বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এতে সংকট আরও বেড়ে যায়। পরে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়। এ দায়িত্ব দেওয়া হয় এবিবি ও বাফেদার ওপর। এর পর থেকে এ দুই সংগঠন মিলে রফতানি ও প্রবাসী আয় এবং আমদানি দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ডলারের দাম নির্ধারণ করে আসছে।

;

বঙ্গোপসাগরে মৎস্যশিল্পের সম্ভাবনা



নুসরাত জাহান ডায়না
বঙ্গোপসাগরে মৎস্যশিল্পের সম্ভাবনা

বঙ্গোপসাগরে মৎস্যশিল্পের সম্ভাবনা

  • Font increase
  • Font Decrease

আবহমান কাল ধরে বাঙ্গালির ঐতিহ্যের একটি অন্যতম অংশ হয়ে আছে “মাছ”। বাঙ্গালিকে বলা হয় “মাছে-ভাতে বাঙ্গালি”। এই মৎস্য সম্পদকে যদি শিল্প হিসেবে গড়ে তোলা যায় তাহলে বাংলাদেশ সমুদ্র সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে অনেকদূর এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় যে অঞ্চল রয়েছে তার বেশিরভাগই মৎস্যজীবীদের অচেনা। পর্যাপ্ত জরিপের অভাবে সমুদ্রের কোন অঞ্চল থেকে বেশি মৎস্য এবং কোন অঞ্চল থেকে কি ধরণের মাছ আহরণ করা যাবে সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন। মৎস্য সম্পদ আহরণ, প্রজনন এবং উন্নয়নের জন্য সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ বাংলাদেশ সুনীল অর্থনীতি উন্নয়নে আগ্রহী।

বাংলাদেশ মাছের দেশ হলেও এই দেশে এখনো মাছ আমদানি করা হচ্ছে। তবে সেই আমদানির পরিমাণ দিনে দিনে কমছে। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৭৮ হাজার টন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রায় ৮৮ হাজার টন মাছ আমদানি করা হয় ।বর্তমানে মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম এবং বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ৪১ লাখ টন (প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯) ।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ স্থল সম্পদের পাশাপাশি তাদের সমুদ্র সম্পদের দিকে দৃষ্টি দিয়েছে। অনেক দেশ সমুদ্র তলদেশের সম্পদ কাজে লাগিয়ে নিজেদের উন্নত করছে। বাংলাদেশের সমুদ্র তলদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে আহরণ উপযোগী, যেমন, মাছ, খনিজ, গ্যাস ও তেল। এই আহরণ প্রক্রিয়া উন্নয়নের মাধ্যমে দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে। ফলে এই সম্পদ হতে পারে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত।

বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ায় দেশের সামুদ্রিক মানচিত্র প্রণয়নের পাশাপাশি সম্পদ আহরণ ও সমুদ্র এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের উপকূল থেকে ৩৫৪ মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের দাবি জাতিসংঘে পেশ করেছে (প্রথম আলো, নভেম্বর ৬, ২০১৬) ।

এ বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ২০১২ সালে মিয়ানমারের সাথে ও ২০১৪ সালে ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়। এরফলে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমপরিমাণ টেরিটোরিয়াল সমুদ্র এলাকায় বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব, অধিকার ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যার আয়তন প্রায় আরেকটি বাংলাদেশের সমান। আরও আছে ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ)। আর চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে সব ধরনের সম্পদের ওপর পূর্ণ অধিকার।

আমাদের সমুদ্র তলদেশে যে কত সম্পদ আছে তা দেশের জনগণ জানে না। জানতে পারলে এবং এখাতে বিনিয়োগে উদ্যোক্তারা এগিয়ে এলে আমাদের জাতীয় অর্থনীতির চেহারা পাল্টে যেতে পারে।

“মাছ চাষে গড়ব দেশ, বদলে দেব বাংলাদেশ” এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় মৎস্য সাপ্তাহের বক্তারা বলেন, “মিঠা পানির মাছ উৎপাদনের পাশাপাশি সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ বাড়ানোর দিকে মনোযোগী হতে হবে। জাটকা ও মা ইলিশ ধরা বন্ধ রাখতে হবে।

বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র সম্পদকে দুই ভাগে ভাগ করে আলোচনা করে থাকেন গবেষকগণ। প্রথমত, অপ্রাণিজ সম্পদ এবং দ্বিতীয়ত, প্রাণিজ সম্পদ। অপ্রাণিজ সম্পদ বলতে খনিজ ও খনিজ জাতীয় সম্পদকে বুঝায়। আর প্রানিজ সম্পদ হচ্ছে মৎস্য সম্পদ, সামুদ্রিক প্রাণী, শৈবাল, লতা, গুল্ম ইত্যাদি। ফলে বঙ্গোপসাগরের এই মৎস্য সম্পদ হতে পারে বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ।

নরওয়ে তার গভীর সমুদ্রসীমায় মৎস্য সম্পদ আহরণের জন্য বাংলাদেশ থেকে ২০০০(+) মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক মানের ট্রলার তৈরি করে নিচ্ছে। কিন্তু যে দেশটি এই জাহাজ তৈরি করে দিচ্ছে, তার নিজেরই সেই মানের জাহাজ নেই। উন্নত দেশে মাছ ধরার কাজে ২ হাজার মেট্রিক টন বা তারও বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ফিশিং ভেসেল ব্যবহার করা হয়, সেখানে বাংলাদেশের ফিশিং ভেসেলের সর্বোচ্চ ধারনক্ষমতা ৩০০ মেট্রিক টন। এত ছোট ভেসেল দিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ সম্ভব নয় । বেশিরভাগ সামুদ্রিক মাছ থাকে উপকূলীয় এবং গভীর সমুদ্র এলাকায়।

সমুদ্র সম্পদ আহরণের জন্য অনুসন্ধান ও জরিপের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সাগরকেন্দ্রিক অর্থনীতি অর্থাৎ ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত করতে মৎস্য সম্পদ সম্পর্কিত অনুসন্ধান কার্যক্রমের অগ্রগতির জন্য সরকার মালয়েশিয়া থেকে ক্রয় করেছে গবেষণা জাহাজ ‘আর,ভি, মীনসন্ধানী’। দেশের সমুদ্র অঞ্চলের আয়তন বর্তমান ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার, যা বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সি বা নিজস্ব সমুদ্র এলাকা, Contiguous Sea বা লাগোয়া এলাকা ও Exclusive Economic Zone (EEZ) বা একান্ত অর্থনৈতিক এলাকা। এর বেশিরভাগ অংশই অজানা আমাদের। এর বেশিরভাগ অংশই অজানা আমাদের।

নুসরাত জাহান ডায়না, পিএইচডি গবেষক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ওমরগণি এম ই এস কলেজ চট্টগ্রাম।

;

আগাম ডলার বুকিং, দাম ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগাম (ফরওয়ার্ড রেট) ডলার বেচাকেনায় নতুন নিয়ম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে ব্যাংকগুলো ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করতে পারবে না। এখন থেকে ডলারের আগাম বেচাকেনার ক্ষেত্রে বেঁধে দেওয়া দামের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১২.১৪ শতাংশ বার্ষিক ভিত্তিতে দাম বাড়ানো যাবে। কোনোক্রমেই এর বেশি বাড়ানো যাবে না। ফলে আগাম বিক্রির ক্ষেত্রে এক বছর মেয়াদে প্রতি ডলারের দাম হবে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা। ছয় মাস মেয়াদে প্রতি ডলারের আগাম দাম হবে সর্বোচ্চ ১১৬ টাকা ৬৮ পয়সা। বর্তমানে প্রতি ডলারের বেঁধে দেওয়া দর সর্বোচ্চ ১১০ টাকা।

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

জানা গেছে, বাজারে সংকট থাকায় আমদানির এলসি খোলার জন্য চাহিদা অনুযায়ী ডলার পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে আমদানিকারকরা এলসি খোলার জন্য আগাম ডলার কিনে রাখছেন। অনেকে আগে এলসি খুললেও এখন দেনা শোধের জন্য আগাম ডলার কিনছেন। যে কারণে বাজারে আগাম ডলারের চাহিদা বেড়েছে। এতে দামও বাড়ছে। বর্তমানে করপোরেট ডিলিংয়ের আওতায় আগাম ডলার ১২২ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন মেয়াদি ডলার ১১৪ থেকে ১২৫ টাকা দরেও বিক্রি হচ্ছে। এ কারণেই আগাম ডলার বাজারে শৃঙ্খলা আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন দর বেঁধে দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, আগাম ডলার বেচাকেনার দাম নির্ধারিত হবে ছয় মেয়াদি ট্রেজারি বিলের গড় সুদের হারের সঙ্গে। প্রতিমাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সুদের হার ঘোষণা করছে। বর্তমানে ছয় মেয়াদি ট্রেজারি বিলের গড় সুদের হার ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। এর সঙ্গে আরও ৫ শতাংশ যোগ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।

ফলে আগাম ডলার বেচাকেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো প্রিমিয়াম হিসাবে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ যোগ করতে পারবে। বর্তমানে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) আমদানিতে প্রতি ডলারের বেঁধে দেওয়া দর হচ্ছে সর্বোচ্চ ১১০ টাকা। নতুন নিয়মে আগাম বেচাকেনার ক্ষেত্রে এক বছর মেয়াদে এর সঙ্গে আরও ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ প্রিমিয়াম যোগ করা যাবে। এ হিসাবে এক বছর মেয়াদে আগাম ডলার বেচাকেনার দর হবে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা। একই সঙ্গে ছয় মেয়াদের সর্বোচ্চ দর হবে ১১৬ টাকা ৬৮ পয়সা।

;