বাণিজ্য মেলায় ভুঁড়িভোজ, সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির পিঠা



নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাণিজ্য মেলায় ভুঁড়িভোজ

বাণিজ্য মেলায় ভুঁড়িভোজ

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার শুরুর দিকের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেড়েছে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের সংখ্যা। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে শুরু হওয়া মেলায় দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভিড় জমে ফুড স্টলসহ বিভিন্ন খাবারের দোকানে।

মেলার ক্রেতা-দর্শনার্থী, বিক্রয়কর্মী, মেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও দুপুরের খাবার সেরে নেন মেলা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন খাবারের দোকানগুলোতে। শুধু দুপুরের খাবারই নয়, বরং অনেকে সান্ধ্যকালীন নাস্তাও সেরে নেন মেলার বিভিন্ন ফুড স্টল থেকে।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন খাবারের দোকানগুলোতে ভিড়। শুধু খাবারের দোকানগুলোই নয় বিভিন্ন ফাস্টফুডের স্টলেও ভিড়।

বাণিজ্য মেলায় শ্বশুর বাড়ির পিঠা

রাজধানীর বিভিন্ন নামী-দামি খাবারের দোকানগুলো মেলায় তাদের স্টল বসিয়েছে। পুরান ঢাকার হাজী বিরিয়ানি, নান্না বিরিয়ানি অ্যান্ড কাবাব, ঢাকা হাজীর বিরিয়ানি, আসল হাজীর বিরিয়ানি অ্যান্ড কাবাব, বাংলা কিচেন, শশুর বাড়ির পিঠা ও ম্যাগি নুডলস বসেছে তাদের খাবারের পসরা সাজিয়ে। খাবারের দোকানগুলোর বাইরে নিজ নিজ দোকানে ক্রেতা বাড়াতে বিক্রয়কর্মীরা হাঁক ঢাকছেন।

মেলায় আসা সোহাগ-দম্পতি ঢাকা হাজির বিরিয়ানিতে অপেক্ষায় ছিলেন দুপুরের খাবারের জন্য। কথা হয় তাদের সঙ্গে। তারা জানান, দুপুরে বিরিয়ানি খেতে তারা অপেক্ষা করছেন। মেলায় খাবারের দাম একটু বেশি। তবে পরিবেশ ভালোই।

বাংলা কিচেন-এর বিক্রয়কর্মী জানান, আগের চেয়ে ব্যবসা এখন একটু ভালো। তবে সন্ধ্যার দিকে বেচা-কেনা ভালো থাকে। ক্রেতাদের অতিরিক্ত দামের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, মেলায় স্বাভাবিকভাবেই একটু দাম বেশি। তবে তা সাধ্যের মধ্যেই রাখা হচ্ছে।

বাণিজ্য মেলায় বিক্রি হচ্ছে শ্বশুর বাড়ির পিঠা

শ্বশুর বাড়ির পিঠা ফুড স্টল নানা ধরনের পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেছে। পাটিসাপটাসহ নানা ধরনের, নানা নামের দেশীয় পিঠার সমাহার এখানে। অনেকেই ভিড় করছেন শ্বশুর বাড়ির পিঠা খেতে।

এদিকে দামে একটু কম হওয়ায় অনেকে দুপুরের খাবার সেরে নিচ্ছেন নুডলস দিয়েই। ম্যাগি নুডলসের স্টলে সামনে তরুণ-তরুণীদের ভিড় দেখো যায়। এর ব্যস্ত এক বিক্রয়কর্মী জানান, নুডলসে তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ বেশি।

দুপুরের খাবার খেতে আসা পুলিশ কনস্টেবল মাসুম জানান, দুপুরে এখানে ডিউটি করতে হয়। তাই দুপুরের খাবার এখান থেকেই খেয়ে নিচ্ছি।

মেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মেলায় বেশ কিছু খাবারের দাম আমরা বেঁধে দেয়া আছে। কেথাও দাম বেশি রাখা হলে অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।