নাট্যদল থিয়েটারের উদ্যোগে সম্মাননা পেলেন চার গুণী



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে

  • Font increase
  • Font Decrease

নাট্যদল থিয়েটার প্রবর্তিত মুনীর চৌধুরী সম্মাননা ও মোহাম্মদ জাকারিয়া স্মৃতি পদক পেলেন চার গুণী ব্যক্তিত্ব।

শনিবার জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২০ ও ২০২১ সালের সম্মাননা ও পদকপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

২০২০ সালের বিবেচনায় মুনীর চৌধুরী সম্মাননা পেয়েছেন নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সারা যাকের এবং মোহাম্মদ জাকারিয়া স্মৃতি পদক পেয়েছেন দিনাজপুর নাট্য সমিতির সম্বিত সাহা। ২০২১ সালের বিবেচনায় মুনীর চৌধুরী সম্মাননা পেয়েছেন নাট্যকেন্দ্রর তারিক আনাম খান এবং জাকারিয়া স্মৃতি পদক পেয়েছেন মৌলভীবাজারের মণিপুরি থিয়েটারের জ্যোতি সিনহা।

শহীদ মুনীর চৌধুরী স্মরণে ১৯৮৯ সাল থেকে এবং মোহাম্মদ জাকারিয়া স্মরণে ১৯৯৭ সাল থেকে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে একজন প্রবীণ এবং একজন তরুণ গুণী ব্যক্তিত্বকে এই সম্মান জানানো হয়। আইএফআইসি ব্যাংকের সৌজন্যে মুনীর চৌধুরী সম্মাননার অর্থমূল্য পঞ্চাশ হাজার টাকা ও মোহাম্মদ জাকারিয়া পদকের অর্থমূল্য পঁচিশ হাজার টাকা।

থিয়েটার নাট্যদলের পরিচালক (সাংগঠনিক) রামেন্দু মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, “মূলত মুনীর চৌধুরীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছরই এই সম্মাননা দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। এ জন্য এ বছর মুনীর চৌধুরীর ৯৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুই বছরের সম্মাননা ও পদকপ্রাপ্তদের নিয়ে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।”

সন্ধ্যায় সম্মাননা ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। সভাপতিত্ব করেন বরেণ্য অভিনয় শিল্পী ফেরদৌসী মজুমদার। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মুনীর চৌধুরী সম্মাননা যারা পেয়েছেন

মোহাম্মদ জাকারিয়া (১৯৮৯), অমলেন্দু বিশ্বাস (মরণোত্তর, ১৯৯০), আবদুল্লাহ আল-মামুন (১৯৯১), নাগরিক নাট্য সম্প্রদায় (১৯৯২), সৈয়দ জামিল আহমেদ (১৯৯৪), রামেন্দু মজুমদার (১৯৯৫), প্রকাশনা সংস্থা মুক্তধারা (১৯৯৬), সাঈদ আহমদ (১৯৯৭), ফেরদৌসী মজুমদার (১৯৯৮), সৈয়দ শামসুল হক (১৯৯৯), আতাউর রহমান (২০০০), মামুনুর রশীদ (২০০১), নাসির উদ্দীন ইউসুফ (২০০২), সেলিম আল দীন (২০০৩), আলী যাকের (২০০৪), নিখিল সেন (২০০৫), আসাদুজ্জামান নূর (২০০৬), জিয়া হায়দার (২০০৭), মলয় ভৌমিক (২০০৮), পার্থপ্রতিম মজুমদার (২০০৯), অধ্যাপক আবদুস সেলিম (২০১০), আরণ্যক নাট্যদল (২০১১), লিয়াকত আলী লাকী (২০১৩), মৃত্তিকা চাকমা (২০১৪), ম. হামিদ (২০১৫), কেরামত মাওলা (২০১৬), ইসরাফিল শাহীন (২০১৭), দেবজিত বন্দোপাধ্যায় (২০১৮) এবং ২০১৯ সালে অধ্যাপক শফি আহমেদ।

মোহাম্মদ জাকারিয়া স্মৃতিপদক যারা পেয়েছেন

আহমেদ ইকবাল হায়দার (১৯৯৭), মান্নান হীরা (১৯৯৮), শিমুল ইউসুফ (১৯৯৯), ঠান্ডু রায়হান (২০০০), খালেদ খান (২০০১), দেবপ্রসাদ দেবনাথ (২০০২), আলোক নির্দেশক নাসিরুল হক খোকন (২০০৩), মাসুম রেজা (২০০৪), আমিনুর রহমান মুকুল (২০০৫), ফয়েজ জহির (২০০৬), জগলুল আলম (২০০৭), শুভাশিস সিনহা (২০০৮) বাবুল বিশ্বাস (২০০৯), অসীম দাশ (২০১০), নাট্যপত্রিকা থিয়েটারওয়ালা (২০১১), সুদীপ চক্রবর্তী (২০১২), সামিনা লুৎফা নিত্রা (২০১৩), আইরিন পারভীন লোপা (২০১৪), আকতারুজ্জামান (২০১৫), অভিজিৎ সেনগুপ্ত (২০১৬), রুমা মোদক (২০১৭), পান্থ শাহরিয়ার (২০১৮) এবং ২০১৯ সালে শিশির রহমান।

শিল্পীদের কাজকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আহ্বান সুবর্ণার



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
সুবর্ণা মুস্তাফা

সুবর্ণা মুস্তাফা

  • Font increase
  • Font Decrease

শিল্পীদের কাজকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন নন্দিত অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা মুস্তাফা। গত রোববার (২৩ জানুয়ারি) চলমান সংসদ অধিবেশনে দাঁড়িয়ে শিল্পীদের যাতনার কথা তুলে ধরেন তিনি। তার এ ভাষণ ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন পেশার শিল্পী ও কলাকুশলীদের মাঝে।

সংসদে তিনি বলেন, “১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র, চরমপত্র, ট্রাকে চড়ে ক্যাম্প থেকে ক্যাম্পে একদল শিল্পী ছুটে যাচ্ছেন দেশের গানে, গণশক্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করতে। শরণার্থী শিবিরে নিচ্ছেন সেবকের ভূমিকায়। নব্বইয়ের স্বৈরাচারী বিরোধী আন্দোলনে দিনের পর দিন রাজপথে কেটেছে এইসব শিল্পীদের। আর গত নির্বাচনে আমাদের শিল্পী সমাজের ভূমিকা প্রশংসারও ঊর্ধ্বে। এত গৌরবগাঁথার মধ্যে একটি বিষাদের ছায়া থেকেই যাচ্ছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, শিল্পী আমাদের দেশে এখনো কোনো স্বীকৃত পেশা নয়।”

মাসিক বেতনের প্রক্রিয়া নেই বিধায় শিল্পীরা ব্যাংক লোন নিতে পারেন না। অথচ তারা কোন কোন ক্ষেত্রে কোন চাকুরীজীবির চেয়েও বেশি আয় করে থাকেন। এ কথা জানিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, “একজন সাধারণ কর্মচারী মাসিক বেতনের খতিয়ান দেখিয়ে ব্যাংক লোন নিতে পারেন। কিন্তু একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী, যিনি ওই চাকরিজীবীর চেয়ে অবশ্যই বেশি আয় করেন, নিয়মিত আয়কর দেন, কিন্তু সমস্ত কাগজপত্র দেওয়ার পরও সামান্য একটি হোমলোন পান না। আমি ব্যাংককে দোষারোপ করছি না। তারা তাদের নিয়মের মধ্যেই থাকবেন। শুধু ভরসা করতে পারছেন না, একজন শিল্পী মাসে মাসে লোনের কিস্তি শোধ করতে পারবে। কারণ শিল্পী কোনো স্বীকৃত পেশা নয়।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, “আপনি আমাদের শিল্পীদের সহায়। বারবার আমরা আপনার কাছেই ফিরে আসি। আপনার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মঞ্চনাটককে করমুক্ত করে দিয়েছিলেন। আপনার ভাই শহীদ শেখ কামাল মঞ্চে অভিনয় করতেন, সেতার বাজাতেন, ছবি আঁকতেন। আমি সেই সৌভাগ্যবানদের একজন, যে মঞ্চে অভিনয়রত অবস্থায় আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) মহিলা সমিতিতে দর্শকসারিতে পেয়েছিলাম। তাই আপনার কাছেই বলতে চাই, আপনি এই শিল্পী সমাজকে তাদের এই দীর্ঘদিনের বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা করুন। শিল্পীর পেশাকে স্বীকৃতি দিন।”

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪ থেকে জয়লাভ করেন সুবর্ণা মুস্তাফা।

;

মেয়ের জন্য ‘জি লে জারা’ থেকে সরে যাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আলিয়া ভাট, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও ক্যাটরিনা কাইফ

আলিয়া ভাট, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও ক্যাটরিনা কাইফ

  • Font increase
  • Font Decrease

সদ্য মা হয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সারোগেসি পদ্ধতির মাধ্যমে গত ২২ জানুয়ারি কন্যা সন্তানকে স্বাগত জানিয়েছেন নিক জোনাস ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া দম্পতি।

কিন্তু প্রিয়াঙ্কার মা হওয়ার খবরে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ‘জি লে জে’ ছবির নির্মাতাদের কপালে। কেননা গত বছরের শেষ দিকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, আলিয়া ভাট ও ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে ছবিটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন ফারহান আখতার।

শোনা যাচ্ছে, ‘জি লে জারা’ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর ছবিটি থেকে সরে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো- বলিউডের এই অভিনেত্রীর সন্তান।

বলিউড হাঙ্গামার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, এখন মেয়েকে নিয়েই সময় কাটাতে চান প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তাই এখন আপাতত সব কাজ থেকে বিরত থাকতে চান এই অভিনেত্রী।

এদিকে, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া যদি ছবিটি থেকে সরে দাঁড়ান তাহলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন নির্মাতারা। যদিও বা এসব বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি প্রিয়াঙ্কা বা নির্মাতাদের পক্ষ থেকে।

;

আমরা জানতাম না ভামিকা ক্যামেরাবন্দি হচ্ছে



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মেয়ে কোলে আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি

মেয়ে কোলে আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি

  • Font increase
  • Font Decrease

“এত বছর ধরে আপনারা আমাদের যে ভালোবাসা দিয়েছেন তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা খুশি হয়ে আপনাদের সঙ্গে এই মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছি। বাবা-মা হিসেবে আমাদের একটা অতি সাধারণ অনুরোধ রয়েছে আপনাদের কাছে। আমরা নিজেদের সন্তানের গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাই, এই কাজে আপনাদের সাহায্য ও সমর্থন প্রয়োজন। আমরা আগামীতেও নিশ্চিত করবো আমাদের সবরকমের কনটেন্ট আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে যা কিছু সহযোগিতা করা সম্ভব সেগুলো মেনে চলা। আমরা আবেদন জানাচ্ছি, দয়া করে আমাদের সন্তানের কোনওরকম ছবি আপনারা তুলবেন না বা কোথাও ছড়িয়ে দেবেন না। আশা করছি আপনারা বুঝবেন আমারা কোন পরিস্থিতি থেকে এই কথাগুলো বলছি এবং এর জন্য আগাম ধন্যবাদ।”


গত বছরের ১১ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মেয়ে ভামিকার জন্মের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে পাপারাজ্জিদের কাছে এমনটাই অনুরোধ জানিয়েছিলেন বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা দম্পতি।

এরপর নিজেদের ভক্তদের সঙ্গে ভামিকার সঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্ত শেয়ার করলেন তার সম্পূর্ণ মুখের ছবি কখনও দেখাননি বিরুষ্কা দম্পতি। এমনকি গত ১১ জানুয়ারি ছিলো ভামিকার প্রথম জন্মদিন। বিশেষ সে দিনটিতেও তার সম্পূর্ণ মুখের কোন ছবি প্রকাশ্যে আনেনি তারা।

কিন্তু এতো কিছু করেও শেষ রক্ষা হলো না, প্রকাশ্যে এসেই গেলো ভামিকার সম্পূর্ণ মুখটি।


গত ২৩ জানুয়ারি সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তৃতীয় ওয়ানডে-তে হাফসেঞ্চুরি হাঁকান বিরাট কোহলি। ৬৩ বলে ৫০ রান করেই একটু অন্যভাবে সেলিব্রেট করতে দেখা যায় তাকে। আর ঠিক তখনই পর্দায় ভেসে ওঠে এক বছরের ভামিকার মুখ। গ্যালারিতে তখন মা অনুশকার কোলে। এক গাল হেসে চারদিকে তাকাচ্ছে সে।

সেই মুহূর্তের ভিডিও এক নিমেষে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। জন্মের এক বছর পর প্রথমবার ভামিকাকে দেখে মন ভাল হয়ে যায় সকলের।


কিন্তু বিষয়টি মোটেও পছন্দ হয়নি ভামিকার বাবা-মা বিরাট কোহলি ও আনুশকার শর্মার। মেয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই তারকা দম্পতি লিখেছেন, “স্টেডিয়ামে আমাদের মেয়ের ছবি ক্যামেরাবন্দি হয়েছে এটি আমরা বুঝতে পেরেছি এবং সেই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে ছড়িয়ে পড়েছে সেটাও জানি। আমরা সবাইকে জানাতে চাই, আমি ও আনুশকা জানতাম না, যে ভামিকা ক্যামেরাবন্দি হচ্ছে। আমরা আগেও অনুরোধ করেছি, এবারও অনুরোধ করছি। ব্যক্তিগত কারণেই আমরা ভামিকার ছবি কোথাও প্রকাশিত হোক তা চাই না। আমাদের এই সিদ্ধান্তকে দয়া করে সম্মান জানানো হোক।”


তবে নেটিজেনদের একাংশ কিন্তু বিরাট ও অনুশকার সিদ্ধান্তকে সম্মান দিয়ে চ্যানেল কর্তৃপক্ষের প্রতিই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন।

;

করোনা আক্রান্ত হয়েও শুটিং করলেন অমিতাভ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
অমিতাভ রেজা চৌধুরী

অমিতাভ রেজা চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা আক্রান্ত হলেন নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী। তথ্যটি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান ‘আয়নাবাজি’খ্যাত এ নির্মাতা। তিনি জানান, করোনা আক্রান্ত হলেও তিনি থেমে থাকেন নি। বিজ্ঞাপনের শুটিং চালিয়ে গেছেন ঘরে বসেই।

অমিতাভ রেজা বলেন, “আমি কোভিড পজেটিভ। হেয়ার স্পেশালিস্ট এসেছে বিদেশ থেকে। দুর্দান্ত একটা শুটের জন্য আমাদের পুরো টীম তৈরি। এর মাঝে এই বিপদ। অসুখ বিসুখ কখনো কিছু করতে পারে নাই আমাকে, ৩০ বছরের অ্যাঙ্কিলোসিস স্পডিলিটিস নিয়ে যখন পার করছি তখন কোভিড কি করবে? শুটিং অবশ্য সময় মতো হতে হবে। নিজে ঘরে থেকে পুরো শুটিং শেষ হলো। ”

তার মতে, বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ খুব বিশেষ কিছু না , কিন্তু যেকোনো পরিস্হিতিতে শুট চালিয়ে যাওয়া যায় যদি সঠিক পূর্ব প্রস্তুতি এবং পেশাদার দল থাকে। বিজ্ঞাপনচিত্রটিতে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম।

খুব শিগগিরই এটি টিভি পর্দায় দেখা যাবে।

;