‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কার পেলেন চঞ্চল চৌধুরী



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
চঞ্চল চৌধুরীর নতুন সম্মাননা, পেলেন ‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কার

চঞ্চল চৌধুরীর নতুন সম্মাননা, পেলেন ‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কার

  • Font increase
  • Font Decrease

একের পর এক দুর্দান্ত অভিনয়ে দুই বাংলার দর্শকদের মন জয় করেছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। দুই বাংলাতে সমানভাবে জনপ্রিয় তিনি। এই অভিনেতার ক্যারিয়ারে নতুন এক সম্মান যুক্ত হয়েছে। কলকাতায় ‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

অভিনয়শিল্পে অবদানের জন্য এবিপি আনন্দ ‘সেরা বাঙালি’ সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয়। অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হাত থেকে পুরস্কার নেন বাংলাদেশী এই অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘আমি আপ্লুত, অভিভূত। সত্যিই খুব ভালো লাগছে। বাংলাদেশের একজন মানুষ হিসেবে ভারতে এই পুরস্কার পেয়ে আনন্দিত। অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজ দেশে অনেক পুরস্কার পেয়েছি, মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছি। ভারতের মাটিতেও এত বড় সম্মান আমার জন্য বড় কিছু।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিল্পী হিসেবে দেশের বাইরে আমার অর্জন মানেই বাংলাদেশের অর্জন। সবার আগে আমার নিজের দেশ। শিল্পচর্চার মাধ্যমে নিজ দেশকে সম্মান এনে দিতে পারলে ভালো লাগে।’

ভারতীয় বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেনকে নিয়ে ‘পদাতিক’ সিনেমা নির্মাণ করেছেন সৃজিত মুখার্জি। সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। সিনেমাটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে অক্টোবরে ছবিটি প্রথমবার প্রদর্শিত হয়েছে ‘লন্ডন-ইন্ডিয়া চলচ্চিত্র উৎসব’-এ। সেখানে দারুণ প্রশংসিত হয় ছবিটি, প্রশংসিত হয় মৃণালরূপী চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয়ও। এছাড়াও সিনেমাটি ২৮তম কেরালা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে।

এর আগে ‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কার পেয়েছিলেন নোবেলবিজয়ী বাংলাদেশি ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অভিনেত্রী জয়া আহসান, ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা, হাবিবুল বাশার ও সাকিব আল হাসান।

   

চমনের ক্রুজ লাইন শোতে বিবি, সারা ও মেহজাবীন



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
বিবি রাসেল, চমন চৌধুরী, সারা যাকের ও মেহজাবীন চৌধুরী

বিবি রাসেল, চমন চৌধুরী, সারা যাকের ও মেহজাবীন চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

একটু পরেই র‌্যাম্পের মঞ্চ আলোকিত করবেন দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তিন প্রখ্যাত নারী তারকা। তারা হলেন ফ্যাশন আইকন বিবি রাসেল, প্রখ্যাত নাট্যজন সারা যাকের এবং বর্তমান সময়ে ছোটপর্দার সুপারস্টার অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। এছাড়াও র‌্যাম্পে হাটবেন দেশের বিজ্ঞাপন জগতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব এবং নারী উদ্যোক্তা গীতিয়ারা সাফিয়া চৌধুরী। সংগীত পরিবেশন করবেন তরুণ প্রজন্মের মেধাবী শিল্পী স্বপ্নিল সজীব।

এই চার নারীকে র‌্যাম্পের মঞ্চে নিয়ে আসছেন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি পাওয়া ফ্যাশন ডিজাইনার চমন চৌধুরী।

যারা তাকে চেনেন, তারা জানেন এই মেধাবী ডিজাইনার বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ, সোনালী আঁশখ্যাত পাট দিয়ে পোশাক ডিজাইন করেন। তিনি এবার পিওর পাটের পোশাকের পাশাপাশি তার ডিজাইনে পাটের সঙ্গে যুক্ত করেছেন জামদানি, কাতান। শাড়ির ব্লাউজের কাটিং প্যাটার্ণে বৈচিত্র্য এনেছেন, যা ফিউশন পোশাকের স্বাদ দেয়। ছেলেদের জন্য পাট দিয়ে দিব্যি তৈরী করে ফেলেছেন ব্লেজার ও হুডির মতো ট্রেন্ডি পোশাক।

Caption

 

বার্তা২৪.কমকে চমন চৌধুরী বলেন, ‘সামনে ঈদ এবং চলমান বসন্ত ঋতুর কথা ভেবে এবারের এই সলো ফ্যাশন শোটি করছি। আশা করছি সবার মন জয় করবে আমার নতুন কালেকশনগুলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবসময় ডিজাইনে বৈচিত্র্য আনা বেশ কঠিন। কারন আমি শুধুই পাটকে প্রমোট করতে চাই। তারপরও নিরলস চেষ্টা করি নতুনত্ব আনতে। এবার অনেকগুলো নতুন ডিজাইন করেছি। তারমধ্যে বেশকিছু এই শোতে প্রেজেন্ট করেছি। অনেকেই আমাকে আলাদাভাবে বলেছেন যে আমার ডিজাইন তাদের ভালো লেগেছে। সামনে আরও অনেক নতুন কালেকশন আসবে। সেগুলো নিয়ে একটি একক শো করব। আশাকরি সেগুলোও সবার মন জয় করবে।’

;

নতুন ইন্ডিয়ান আইডল হলেন বৈভব গুপ্তা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিচারক কুমার শানু ও শ্রেয়া ঘোষাল ট্রফি তুলে দিচ্ছেন বৈভবকে

বিচারক কুমার শানু ও শ্রেয়া ঘোষাল ট্রফি তুলে দিচ্ছেন বৈভবকে

  • Font increase
  • Font Decrease

তিন মাসের বেশি দীর্ঘ সফর শেষ হলো। গতকাল রবিবার জানা জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ইন্ডিয়ান আইডলের ১৪ নম্বর সিজনের চ্যাম্পিয়নের নাম। এবারের ট্রফি উঠেছে কানপুরের বৈভবের হাতে।

৩ মার্চ ছিল গানের ইন্ডিয়ান আইডলের ১৪ নম্বর সিজনের গ্র্যান্ড ফিনালে। টপ সিক্স দিয়ে শুরু হয় ফাইনালের অনুষ্ঠান। টপ সিক্সে নাম ছিল ফরিদাবাদের আদ্য মিশ্র, কলকাতার অনন্যা পাল ও শুভদীপ দাস চৌধুরী, বেঙ্গালুরুর অঞ্জনা পদ্মনাভন, কানপুরের বৈভব গুপ্তা, রাজস্থানের পীযুশ পানওয়ার-এর। সবাইকে হারিয়ে শিরোপা জেতেন বৈভব।

ইন্ডিয়ান আইডল ১৪-র ট্রফির সঙ্গে ২৫ লাখ টাকা ও একটি মারুতি সুজুকি ব্রেজা গাড়ি উপহার হিসেবে পেয়েছেন বৈভব গুপ্তা।

বৈভব জানান, শো-এর ট্রফি জেতা তার কাছে স্বপ্নের চেয়ে কম নয়। প্রয়াত মা-কে মনে করেন তিনি। বলেন, এতদূর আসতে পারব ভাবিনি। তবে যখন এসেছি একদিন আমার সেই স্বপ্নও পূরণ হবে বলে আসা রাখি।

৫ লাখ টাকা ও একটি মারুতি সুজুকি ব্রেজা গাড়ি উপহার হিসেবে পেয়েছেন বৈভব গুপ্তা

এবারের সিজনে বিচারকের আসনে ছিলেন শ্রেয়া ঘোষাল, বিশাল দাদলানি ও কুমার শানু। অনুষ্ঠানে ‘পরম সুন্দরী’, ‘ঘর মোরে পরদেশিয়া’ গেয়েছেন শ্রেয়া। সোনু নিগামের সঙ্গে ডুয়েটে শ্রেয়া গেয়েছেন ‘পিয়া বোলে’, ‘তু বাস দে দে মেরা সাথ’। কুমার শানু গেয়েছেন ‘পাগল মজনু দিওয়ানা,’ ‘দেখা তেরে মাস্ত নিগাহে’র মতো গান।

তথ্যসূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

;

`ইত্যাদি' দিয়ে গায়িকা ফারিণের অভিষেক



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাইফা অ্যাওয়ার্ডসে ফারিণ ওটিটির সেরা অভিনেত্রী (জুরি) পুরস্কার পেয়েছেন কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লার হাত থেকে

বাইফা অ্যাওয়ার্ডসে ফারিণ ওটিটির সেরা অভিনেত্রী (জুরি) পুরস্কার পেয়েছেন কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লার হাত থেকে

  • Font increase
  • Font Decrease

ছোটবেলা থেকেই গান করতেন এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। তৃতীয় শ্রেণি থেকে কলেজে পড়া পর্যন্ত নজরুলসংগীত শিখেছেন। কোনো একদিন গান করা হবে, ভাবনায় ছিল তার। সেই স্বপ্নের কথা প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে একটি নাটকের শুটিংয়ে তাহসানের কাছে বলেছিলেন  ফারিণ। এরপর খালি গলায় ফারিণের কিছু গান শোনার সুযোগ হয় তাহসানের।

একদিন পিয়ানোর তালে ফারিণের কণ্ঠে গান শুনে অবাক হন তাহসান। তখন থেকেই ইচ্ছা ছিল, সময়-সুযোগ হলে ফারিণের সঙ্গে একটি গান করবেন তিনি। তাহসান বলেন, ‘এবার সেই সুযোগ হয়ে গেল। হানিফ সংকেত দাদা গত মাসে আমাকে ফোন দিয়ে বললেন, ‘‘ইত্যাদি”র জন্য দ্বৈত গান করতে চান। আমি বললাম, নতুন একজন করলে ভালো হয়। তখন ফারিণের কথা বললাম দাদাকে। ফারিণকে ফোন দেন দাদা। ফারিণও আগ্রহ দেখায়।’

সম্প্রতি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র জন্য ‘রঙে রঙে রঙিন হব’ শিরোনামে তাহসানের সঙ্গে একটি দ্বৈত গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ফারিণ। ২ মার্চ গানটির ভিডিও ধারণ হয়েছে। সেই শুটিংয়ে অংশ নেয়ার আগে ফারিণ গ্রহণ করেন বাইফা অ্যাওয়ার্ডস। তিনি ওটিটিতে সেরা অভিনেত্রী (জুরি) পুরস্কার পেয়েছেন কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লার হাত থেকে। গানের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় রুনা লায়লা এই অভিনেত্রীর কাছে অত্যন্ত স্পেশাল। সে কথা তিনি মঞ্চে বলেও গেছেন।

তাহসান ও ফারিণ

কবির বকুলের লেখা গানটির সুর ও সংগীত করেছেন ইমরান মাহমুদুল। ফারিণ বলেন, ‘নানা সময়ে, নানা অনুষ্ঠানে অনুরোধে গানের অংশ বিশেষ গাওয়া হয়েছে। সেসব গান শুনে অনেকেই গান করার অনুরোধ করে আসছিলেন। হঠাৎ করেই হানিফ সংকেত দাদার কাছে থেকে এই গানের জন্য প্রস্তাব আসে। গানটির ডেমো শুনে পছন্দ হয়। তা ছাড়া গান গাওয়ার ব্যাপারে বকুল ভাই ও তাহসান ভাই আগে থেকেই উৎসাহ দিয়ে আসছিলেন। তবে এমন হুট করেই গান গাইব, ভাবিনি।’

তাহসানের সঙ্গে গানটি গাওয়া তার জন্য অন্য রকম অনুভূতির। অনেক আগে থেকেই এই গায়কের গানের ভক্ত তিনি। এ প্রসঙ্গে ফারিণ বলেন, ‘প্রথম গান করলাম। তা-ও আবার তাহসান ভাইয়ের সঙ্গে। গানটির সঙ্গে সব প্রিয় মানুষ জড়িত। তাহসান ভাই তো আছেনই। গানটির গীতিকার বকুল ভাই, সুর ও সংগীত করেছেন ইমরান ভাই। প্রথম গানটিই আমার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

এই শাড়িতেই ইত্যাদিতে দেখা যাবে ফারিণকে

কেমন হলো গানটি, জানতে চাইলে ফারিণ বলেন, ‘ভালো হয়েছে। শোনার পর মনে হয়েছে, ভিন্ন ধরনের গান হয়েছে। এটি উৎসবের গান। ফিল-গুড টাইপ। আমার বিশ্বাস, সব শ্রেণির শ্রোতা-দর্শকের কাছে ভালো লাগবে এটি।’

এরই মধ্যে একটি বিজ্ঞাপনেও জিঙ্গেল করেছেন এই অভিনেত্রী। এখন থেকে মাঝেমধ্যে জিঙ্গেল, অডিও গান করার ইচ্ছার কথা জানালেন ফারিণ। বলেন, ‘গানটি করার পরপরই জিঙ্গেলে কণ্ঠ দিয়েছি। গান গাওয়ার ব্যাপারটি ভালোই লাগছে। ভবিষ্যতে আরও জিঙ্গেল কিংবা গান করার সাহস পাচ্ছি।’
গানটি নিয়ে তাহসান আরও বলেন, ‘এ ধরনের গান আগে করিনি। খুবই উৎসবের আমেজ নিয়ে, আনন্দময় একটি গান হয়েছে। রেকর্ডিংয়ের সময় আমার স্কেলেই ধরেছিলাম। কিন্তু ফারিণের জন্য একটু কষ্টই হচ্ছিল। পরে একটু নিচু স্কেলে গানটি করেছি। ফারিণ যে এত ভালো গাইবে, বুঝিনি। আমার বিশ্বাস, আগামী ঈদে গানটি নিয়ে আলোচনা হবে।’

বাইফা অ্যাওয়ার্ডস গ্রহণ করছেন ফারিণ

এদিকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে কাজ আরেফিন অমির ওয়েব ফিল্ম ‘অসময়’ মুক্তির পর প্রশংসিত হয়েছেন ফারিণ। এখন তিনি আলোচনায় চরকিতের মুক্তি পাওয়া শিহাব শাহীনের ওয়েব ফিল্ম ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’র জন্য। সিনেমাটি প্রীতম-ফারিণ জুটিকে দারুণ পছন্দ করেছেন দর্শকেরা।

তাহসান ও ফারিণের দ্বৈত কণ্ঠে গাওয়া গানটি আগামী ঈদুল ফিতরের অনুষ্ঠানমালায় ‘ইত্যাদি’তে প্রচারিত হওয়ার কথা।

;

তৃতীয় বিয়ে সারলেন কমেডিয়ান থেকে সাংসদ কাঞ্চন



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কাঞ্চন-শ্রীময়ী দম্পতি

কাঞ্চন-শ্রীময়ী দম্পতি

  • Font increase
  • Font Decrease

পরকীয়ার অভিযোগ, বয়সের ফারাক নিয়ে প্রচুর সমালোচনাকে উপেক্ষা করে শ্রীময়ী চট্টরাজের মাথায় সিঁদুর পরিয়ে দিলেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। শুরু হলো জীবনের তৃতীয় ইনিংস। সাত পাকে বাঁধা পড়লেন দুজন। শুভদৃষ্টি, মালাবদল থেকে শুরু করে বিয়ের সব নিয়ম পালন করে শ্রীময়ী চট্টরাজ থেকে মিসেস মল্লিক হলেন অভিনেত্রী।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার এক ব্যাঙ্কোয়েটে বসে তাদের বিয়ের আসর। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনেই চার হাত এক হয়েছে দুজনের। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন পরিবার-পরিজনসহ আত্মীয়স্বজন।

বর-কনের সাজসজ্জাতেও বাঙালিয়ানার ছাপ স্পষ্ট। নিজের ডিজাইন করা লাল টুকটুকে বেনারসি, সোনার গয়না আর ফুলের সাজে দারুণ দেখাচ্ছিল নতুন বউকে। অন্যদিকে কাঞ্চন মল্লিকও সেজেছেন ধুতি-পাঞ্জাবিতে। কাঞ্চনের পোশাক কেমন হবে, তা-ও ঠিক করেছেন শ্রীময়ী। বিয়ের বেশ কিছু ছবি এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

কাঞ্চন-শ্রীময়ী দম্পতি

এর আগে গত শুক্রবার হয়ে যায় তাদের আইবুড়ো ভাত। তৃতীয় দফায় আইবুড়ো ভাত খাওয়ায় সমালোচিত হয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক। তাকে নিয়ে যেন হাসির রোল পড়ে নেট দুনিয়ায়। কিন্তু কাঞ্চন কিংবা শ্রীময়ীর কেউই এসবের কিছু তোয়াক্কা করেছেন বলে মনে হয় না। পাশাপাশি গায়েহলুদ, মেহেদি—সব নিয়মই মেনেছেন এই জুটি।

৬ মার্চ কলকাতার একটি হোটেলে তাদের রিসেপশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কাঞ্চন-শ্রীময়ী দম্পতি

সাবেক স্ত্রী পিঙ্কি ব্যানার্জির সঙ্গে পাকাপাকি বিচ্ছেদের কিছুদিন পরই ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে আইনি বিয়ে সেরেছিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। গতকাল সন্ধ্যায় সব সমালোচনাকে সরিয়ে দিয়ে পাকাপাকিভাবে কাঞ্চনকে আপন করে নিলেন শ্রীময়ী।

;