আজরার প্যারিস ফ্যাশন উইকের স্বপ্নপূরণ



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
আজরা মাহমুদ /  ছবি : ফেসবুক

আজরা মাহমুদ / ছবি : ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ২৩ বছর ধরে বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন আজরা মাহমুদ। দেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাশন ইভেন্টগুলো তার পরিচালনাতেই হয়ে থাকে। এই মডেল ও কোরিওগ্রাফারের স্বপ্ন ছিল একদিন বিশ্বের ফ্যাশনের পিঠস্থান’খ্যাত প্যারিস ফ্যাশন উইকে যাবেন।

অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো এই তারকার। গত ৩ মার্চ প্যারিসের ঐতিহাসিক লিসে কার্নো স্কুলে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বনন্দিত ফ্যাশন ব্র্যান্ড মুগলারের ফল/উইন্টার ২০২৪-২৫ কালেকশন প্রদর্শনী। এতে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল ও কোরিওগ্রাফার আজরা মাহমুদ।

অনন্য সেই অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে আজরা বলেন, ‘আমার ফ্যাশন জগতে আসার মূল কারণটাই ছিল এফটিভি (ফ্যাশন টিভি)। ঐ চ্যানেলে সব সময় ফ্যাশন উইকই দেখাতো। আমার আজকে এতদূর আসা, সুন্দর করে কাজ করা, একটা আলাদা দর্শন তৈরি হওয়া, স্বপ্ন তৈরির বড় জায়গা জুড়ে আছে এই এফটিভি ও প্যারিস ফ্যাশন উইক। আমি ২০০৪ সালে কোরিওগ্রাফি শুরু করেছি। আর আজ ২০ বছর পর এসে সেই জায়গায় যাওয়া, দর্শক হয়ে ফ্যাশন উইক দেখার এই অনুভূতিটা একেবারেই অন্যরকম। আমরা আমাদের কাজের মানের কথা বললে বলতেই পারি যে, আন্তর্জাতিক দিক থেকে কোন অংশে আমরা কম নই বা পিছিয়ে নেই। ঐখানে বসে আমার মনে হচ্ছিল, আজ আমি কাজ ছেড়ে দিলে আমার খারাপ লাগবে না। কারণ আমি মনে করি আমরা এটা অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি। আমাদের মডেলিংকেও একটা একটা মানে উন্নীত করতে পেরেছি। টেকনিক্যাল জায়গা থেকে আমরা অবশ্যই পিছিয়ে আছি, তবে সেটাও খুব একটা নয়।’

প্যারিস ফ্যাশন উইকের ব্যাকস্টেজে আজরা

তিনি আরও বলেন, ‘শেষ হওয়ার পর অনেকক্ষণ চুপ করে বসেছিলাম। সেখানে আমার উপস্থিতিকেই আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এখনো মনে হলে আমার চোখ ভিজে ওঠে। এই আসরে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারাটা আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রেরণাদায়ক অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। এরপর থেকে যখনই কোন কাজ করব চেষ্টা করব নতুনতর ভাবনাকে সম্পৃক্ত করতে। আর ঐ অভিজ্ঞতা থেকে নিরন্তর প্রাণিত হতে। মুগলারের শো উপভোগ করার পর থেকে এক অদ্ভূত প্রশান্তি আমাকে ঘিরে রেখেছে। কারণ এতটা বছর ধরে কাজ করে আমি আমার দেশকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে পেরেছি। কোন সন্দেহ নেই এটাই আমার পরিতৃপ্তি।’

ব্রুকলিন বেকহাম ও নিকোলা পেল্টজ

যে স্থানে এই শোটি হয়েছে সেটি সম্পর্কে আজরা বলেন, ‘এই ফ্যাশন শোয়ের আয়োজন করা হয় প্যারিসের ঐতিহাসিক লিসে কার্নো স্কুলে। এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৯ সালে। এখানে ফ্রান্সের অনেক গুণী ব্যক্তিত্ব পড়াশোনা করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক, ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্যাসকাল লামি, যাজক ও ধর্মতত্ত্ববিদ আলেক্সজান্ডার শিম্যান, নব্বই দশকের বিখ্যাত ইলেক্ট্রনিক মিউজিক গ্রুপ ডাফট পাঙ্কের দুই সদস্য থমাস ব্যাংলাটার ও গাই ম্যানুয়েল ডি হমেম-ক্রিস্টো। এই স্কুলের স্থাপত্য নকশা কেবল পুরনো ও দৃষ্টিনন্দনই নয়, অতীত ইতিহাসেরও সাক্ষী। এই রকম একটি স্থাপনায় দাঁড়িয়ে প্যারিস ফ্যাশন উইকের মত বড় ইভেন্টে মুগলারের শো দেখার অভিজ্ঞতাটা একেবারেই অন্যরকম।’

মুগলারের ফ্যাশন শো ছিল দারুণ থিয়েট্রিক্যাল ও ড্রামাটিক ছিল

এরপর তিনি ব্র্যান্ড মুগলার সম্পর্কে বলেন, ‘মুগলারের ফ্যাশন শো ছিল দারুণ থিয়েট্রিক্যাল ও ড্রামাটিক ছিল। সাধারণত আমরা যেমন রানওয়েতে মডেলদের আসা যাওয়া দেখি- সেরকম নয়। এতে মোট ৪১ জন মডেল রানওয়েতে হাঁটেন। মূল ফ্যাশন শো শুরু হলে প্রথমে ৪ জন মডেল হেঁটে যান। এরপর প্রথম পর্দা উন্মোচিত হয়। পর্দার পিছন থেকে আরও মডেল বেরিয়ে আসেন। আর তারা একের পর এক পর্দা ফেলতে থাকেন। এভাবে লিসে কার্নো মূল হলটাকে প্রকাশ করে। এই হলের তিন ভাগের দুই ভাগই ছিল মূল রানওয়ে সেট। একভাগ ছিল দর্শকদের বসার জায়গা। আর মডেলরা মুগলারের সিগনেচার বোল্ড ও ফেমিনিন স্টাইলটাকে খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। কালেকশনে কালোর সিংহভাগ ব্যবহার ছিল উল্লেখযোগ্য। সঙ্গে লাল ও কিছু প্রিন্টের ব্যবহার হয়েছে। সাধারণত মুগলারের সংগ্রহে প্রিন্ট খুব একটা দেখা যায় না।’

মুগলারের ফল কালেকশন

তিনি আরও বলেন, ‘শোয়ের একদম শেষে ৪১ জন মডেল একসঙ্গে রানওয়েতে ফিরে আসেন। তখনই ব্যাকস্টেজকে উন্মোচিত করা। দর্শকদের দৃষ্টিগোচর হয় সম্পূর্ণ ব্যাকস্টেজ। দেখা যায় নেপথ্যের মানুষগুলোকে। যারা সবসময়ে থাকেন পেছনে। কখনোই দেখা যায় না তাদের। অথচ এখানে তাদের এবং তাদের কর্মপ্রক্রিয়াকে তুলে ধরা হয়। এটা কোন সন্দেহ নেই অভিনব। পুরো ফ্যাশন শোটি এত সুন্দর করে শুরু ও শেষ হয় যে, সামনের সারিতে থাকা ভিআইপি ও সেলিব্রেটিদের দিকে কারো সেভাবে চোখই পড়েনি। একে বলা যেতে পারে 'দ্য শো টুকওভার' মোমেন্ট।’

এই ফ্যাশন শোতে সেলিব্রিটি অতিথি হিসেবে ছিলেন মিয়া খলিফা

এই ফ্যাশন শোতে অনেক সেলিব্রিটি ছিলেন। মিয়া খলিফা, ব্রুকলিন বেকহাম, নিকোলা পেল্টজ, জুলিয়া ফক্স, কোরিয়ান সুপারস্টার জুংহুয়া, বারবারা পেলভিন প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক ইভেন্ট থেকে কি শিখলেন জানতে চাইলে আজরা বলেন, ‘এই আয়োজনে কেবল অংশগ্রহণের জন্য যাওয়া নয় বরং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা ও বোঝার জন্যও। কারণ তারা কিভাবে কাজ করেন, কিভাবে এই শোগুলো হয়, আমাদের দেশের আয়োজন থেকে কতটা আলাদা এই শো-এটা জানাই ছিল বোধকরি আমার আমার মূল উদ্দেশ্য।’

প্যারিসে আজরার স্বামী দেওয়ান মুহাম্মাদ সাজিদ আফজাল

এই শোতে অংশ নিয়েছিলেন আজরা ও তার স্বামী দেওয়ান মুহাম্মাদ সাজিদ আফজাল। তারা দুজনই কালো রঙের পোশাক পরেছিলেন। নিজের সাজ পোশাক সম্পর্কে আজরা বলেন, ‘এই শো দেখেছি থিয়েরি মুগলারের ভিআইপি অ্যান্ড মিডিয়া রিলেশনস লিড আইদা মেহনাজের অতিথি হিসেবে। এটা আমাদের জন্য এক বিরাট পাওয়া বলতেই হবে। আমরা সবাই জানি মুগলারের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ক্যাসি ক্যাডওয়ালেডার সলিড কালার নিয়ে বেশি নিরীক্ষা করেন। বিশেষ করে কালো রং নিয়ে বেশি কাজ করেন। সেই কারণে আমি ও আমার হাজব্যান্ড সাজিদ কালো পোশাক পরে গিয়েছিলাম। হাউজ অব আহমেদ আমাকে নতুন ডিজাইনের শাড়ি দেয় যার ব্লাউজ চামড়া দিয়ে তৈরি, হাতায় জারদৌজি করা। এছাড়া পুরো শাড়ির জমিনে পুঁতির কাজ করা। আমার হাজব্যান্ড পরেছিলেন কালো সিল্ক ও ভেলভেটের টাক্সিডো। এটা জুরহেমের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মেহরুজ মুনিরের ডিজাইন করা। টাক্সিডোর ভেলভেটের পুরোটা জুড়ে পুঁতির কাজ করা।’

আজরা মাহমুদ /  ছবি : ফেসবুক
   

খালিদকে স্মরণ করে শুরু হচ্ছে টিএমএম বাংলা সংগীত প্রতিযোগিতা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
খালিদকে স্মরণ করে শুরু হচ্ছে টিএমএম বাংলা সংগীত প্রতিযোগিতা

খালিদকে স্মরণ করে শুরু হচ্ছে টিএমএম বাংলা সংগীত প্রতিযোগিতা

  • Font increase
  • Font Decrease

টিভি মেট্রো মেইল কানাডার ব্যানারে সংগীত শিল্পী খালিদকে স্মরণ করে অনলাইনে শুরু হচ্ছে 'টিএমএম বাংলা সংগীত প্রতিযোগিতা ২০২৪'। উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত ১৬ বছরের ঊর্ধ্বে যে কোনো প্রতিযোগী রেজিস্ট্রেশন করে নিজের গানের ভিডিও পাঠাতে পারবেন। প্রতিযোগী সেরা দশজনকে নিয়ে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে তিন পর্বের ফাইনাল রাউন্ড। 

এই প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীরা। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্বে বিচারক হিসাবে থাকবেন সংগীত শিল্পী তপন চৌধুরী , সামিনা চৌধুরী, আশিকুজ্জামান টুলু, সাইদ হাসান টিপু (অবসকিউর), তানভীর তারেক, এবং তরুণ মুন্সী। আগামী ২৫-২৬ মে এবং জুনের ১ তারিখ টরন্টো/নিউইয়র্ক সময় দুপুর ১২টা আর ঢাকা সময় রাত ১০টায় যথাক্রমে অনুষ্ঠিত হবে এই তিনটি পর্ব।

সেরা ১০ জনকে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে বিশেষ সনদপত্র এবং সেরা ৩ জনকে সনদপত্রসহ পুরস্কার হিসাবে টিভি মেট্রো মেইলের ব্যানারে দেশের স্বনামধন্য সংগীত শিল্পীদের তত্ত্বাবধানে ১টি করে মৌলিক গান সুর ও কম্পোজে করে দেয়া হবে।

প্রতিযোগিতাটির আয়োজক টিভি মেট্রো মেইলের নির্বাহী সম্পাদক ইমামুল হক জানান, "অনলাইনে বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হলেও মূল তিনটি পর্ব হবে সরাসরি লাইভ। এই প্রতিযোগিতাটির মাধ্যমে আমরা উত্তর আমেরিকাতে বাংলা সংগীতের জন্যে প্রতিভাবান সংগীতশিল্পীদের উৎসাহিত করতে চাই। টিএমএম এর পুরো আয়োজনটি সদ্য প্রয়াত সংগীত শিল্পী খালিদকে স্মরণ করে করা হচ্ছে।"

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ১৬ বছরের ঊর্ধ্বে উত্তর আমেরিকার অধিবাসী যে কেউ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা কেবল মাত্র একটি বাংলা গান, আধুনিক, ব্যান্ড সঙ্গীত অথবা লোক সঙ্গীত, ১৫ মে এর মধ্যে পাঠাতে পারবেন।

অনলাইন এ রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। বাদ্যযন্ত্র ছাড়া, কিংবা বাদ্যযন্ত্র সহ কিংবা মিউজিক ট্র্যাক ব্যবহার করে নিজকণ্ঠে গাওয়া যে কোনো বাংলা গানের (cover song) ভিডিও ক্লিপ ‘টিভি মেট্রো মেইলের’ নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

সংগীত শিল্পী তপন চৌধুরী, সামিনা চৌধুরী, আশিকুজ্জামান টুলু, সাইদ হাসান টিপু, তানভীর তারেক, মালিহা চৌধুরী মালা এবং ইমামুল হক গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) এক অনলাইন প্রস্তুতি সভায় মিলিত হয়ে আয়োজনের নানান বিষয় সিদ্ধান্ত নেন। প্রতিযোগিতার বিস্তারিত নিয়মাবলী ও শর্তের জন্যে আয়োজকরা TV Metro Mail এর ফেসবুক পেজ, ইভেন্ট পেজ ও ইউটিউবে নজর রাখবার জন্যে সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইলে ইমেইল করতে পারেন।

;

টেলরের ব্রেকআপ গানে সবাই কাঁদছে কেন?



বিনোদন ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘দ্য টর্চারড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট’ টেলর সুইফটের ১১ তম স্টুডিও অ্যালবাম। আবেগে ভরপুর এ অ্যালবামের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন ভক্তরা। অপেক্ষার পালা শেষে একসাথে একটি ডবল অ্যালবাম বের করেছেন তিনি।

গানে গানে শ্রোতাদের হৃদয়ে কাপন ধরিয়ে দিয়েছে সুইফট। গানের কথায় উঠে এসেছে বাস্তবতার ছোঁয়া।

সুইফটের ছয় বছরের সম্পর্কের অবসানের পর "দ্য টর্চারড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট" প্রথম রিলিজ ঘোষণা করা হয়। এতে ব্রেকআপ গানে রাগ, দুঃখ, আকাঙ্ক্ষা এবং বিভ্রান্তির কথা দর্শকদের কাছে ফুটে উঠেছে।

গানে গানে প্রেম ভেঙে যাওয়ার গল্প তুলে এনেছেন শিল্পি। বিয়ের আংটি বদলের পর বিচ্ছেদে তার হৃদয় ভেঙ্গে যায়, সে তার জীবনের গতি হারায়- এই ধরণের ব্যথা শ্রোতাদরে সামনে হাজির করেছেন টেলর।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হৃদয়বিদারক সঙ্গীতের সাথে শ্রোতাদের সংযোগ করা স্বাভাবিক এবং সহায়ক। সুইফট এ অ্যালবাম সম্পর্কে তার নিজস্ব দর্শন ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ভক্তদের সাথে ভাগ করেছেন।

ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটি ওয়েক্সনার মেডিকেল সেন্টারের গ্যাবে ওয়েল-বিয়িং অফিস এবং স্ট্রেস, ট্রমা অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (স্টার) প্রোগ্রামের পরিচালক আরিয়ানা গালিঘর বলেছেন, এই লেখকের দৃঢ় বিশ্বাস চোখের পানি কাগজের পাতায় কালির মতো পবিত্র। একবার আমরা আমাদের সবচেয়ে দুঃখজনক গল্পটি বলে ফেললে, আমরা এটি থেকে মুক্ত হতে পারি।

তিনি বলেন, আপনি যদি "অল টু ওয়েল"-এর একটি পারফরম্যান্স দেখে থাকেন তবে আপনি জানেন যে সুইফট সবচেয়ে হৃদয়বিদারক অংশগুলিকে চিৎকার করে গান গাইতে দারুণ আনন্দ পায়।

ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটি ওয়েক্সনার মেডিক্যাল সেন্টারের মনোবিজ্ঞানী ড. জ্যারিড হিসার বলেছেন, আপনি নিজে ব্রেকআপের মধ্যে না থাকলেও, অতীতের অভিজ্ঞতাগুলো থেকে সেই আবেগগুলোকে আবার ব্যবহার করা সাহায্য করতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা সবাই এই আবেগ এড়ানোর ফাঁদে পড়ে যাই। অতীতের মানুষটার কাছে ফিরে গেছেন এমন ভাবনা চলে আসে।

এই প্রক্রিয়াটি সেই অভিজ্ঞতাগুলির আরও গ্রহণযোগ্যতার দিকে নিয়ে যেতে পারে এবং আপনি যদি সেগুলি সম্পর্কে পুরোপুরি ঠিক বোধ না করেন তবে এটি ঠিক আছে।

হিসার বলেন, যারা সেই কঠিন অভিজ্ঞতা এবং আবেগগুলি মনে করতে নিরাপদ বোধ করেন না, সঙ্গীত এমন মানুষদের জন্য মুখ্য হতে পারে। আমি মনে করি এটি মননশীলতার একটি সহজ উপায়। তিনি বলেন। "যদি আমরা সব সময় মননশীল হতে সক্ষম হই, তবে এটি দুর্দান্ত হবে, কিন্তু আমাদের বেশিরভাগই পারে না।

গ্যালিগার বলেছেন, সুইফটের ব্রেকআপ গানের কথা লেখার মধ্যে যে সূক্ষ্মতা রয়েছে তা প্রকাশ হওয়ার পরই তিনি সাফল্য পেয়েছেন।

তিনি বলেন, যদিও তার লেখায় দুঃখ এবং ক্ষতি হতে পারে, তবে তার কাজে ক্ষমতায়নের থিমও রয়েছে।


তার নতুন অ্যালবাম, "ফ্রেশ আউট দ্য স্ল্যামার" এর একটি গানে, সুইফট লিখেছেন ‘প্রতিদিন তার হাসি এক ঝলকের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়’। এ থেকে তিনি শিখেছেন, তিনি মুক্ত, এবং তিনি পাঠকে এগিয়ে নিতে চলেছেন তার সাথে।

গ্যালিগার বলেছেন, তিনি সর্বদা প্রতিশোধমূলক ব্রেক আপ গানের সাথে জিলটেড প্রাক্তনের ট্রপ অনুসরণ করেন না।

তিনি বলেন, তার অনেক গান আসলে কথোপকথনে কিছুটা ভারসাম্য আনে। "এবং হ্যাঁ, (কিছু গান) এক ধরণের হাইলাইট 'এ কারণেই আমি একটি সীমানা নির্ধারণ করছি', তবে প্রায়শই এমন গানের কথাও রয়েছে যা 'আমি কীভাবে বড় হয়েছি এবং পরিবর্তিত হয়েছি এবং আমি নিজের সম্পর্কে কী শিখেছি তা এখানে রয়েছে।

সুইফ্ট তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে অ্যালবামটিকে প্রাসঙ্গিক করে বলেছেন যে গানগুলিতে অনুভূতির প্রকাশের অর্থ এই নয় যে এখনে একজন ভিলেন এবং একজন নায়ক রয়েছে।

ব্রেকআপ গান সান্ত্বনাদায়ক, ক্ষমতায়ন করতে পারে। এখানে খুব বেশি ভালো জিনিসও থাকতে পারে। এই আবেগগুলি উপস্থিত থাকার জন্য স্থান দেওয়া সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ, এবং সঙ্গীত সত্যিই আমাদের এটিতে ট্যাপ করতে সহায়তা করতে পারে।

;

জিতেই যেতেন নিপুণ, তবে...



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নিপুণ /  ছবি : ফেসবুক

নিপুণ / ছবি : ফেসবুক

  • Font increase
  • Font Decrease

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ডিপজলের কাছে সাধারণ সম্পাদক পদে মাত্র ১৬ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার। আজ (২০ এপ্রিল) সকালে ফল ঘোষণার পরে ডিপজলকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন পরাজিত এই প্রার্থী।

এ সময় সাংবাদিকদের নিপুণ বলেন, ‘ডিপজল ভাইয়ের বিপক্ষে মাত্র ১৬ ভোটে হারবো সেটা আমি চিন্তাও করিনি। আমি ভেবেছিলাম ডিপজল সাহেবের সঙ্গে আমি যখন দাঁড়াবো, খুব বেশি হলে ৫০টা ভোট পাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ২৬টা ভোট নষ্ট হয়েছে, ২০৯টি ভোট আমি পেয়েছি। যেখানে ডিপজল ভাই পেয়েছেন ২২৫টি ভোট। শিল্পী সমিতির ভাই-বোনেরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, তারা আমাকে ভালোবাসেন। আমাকে এত সম্মান দেওয়ার জন্যে আমি তাদেরকে ধন্যবাদ দিতে চাই।’

নিপুণ /  ছবি : ফেসবুক

নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে মন্তব্য করে নিপুণ আরও বলেন, ‘প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই ২০২৪-২৬ নির্বাচন যারা পরিচালনা করেছেন তাদের। আমার মনে হয় আমার টার্মে থেকে আমি খুব সুন্দর একটি নির্বাচন পরিচালনা করেছি।’

তকাল শুক্রবার চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গনে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। চলে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণের পর ভোট গণনা শুরু হয় রাত আটটায়। রাতভর গণনা শেষে সকাল পৌনে ৭টার দিকে দিকে প্রাথমিকভাবে ভোট ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু।

;

নিউইয়র্কে সুচিত্রা সেন চলচ্চিত্র উৎসবে সোহানা সাবা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
সোহানা সাবা /  ছবি : নূর এ আলম

সোহানা সাবা / ছবি : নূর এ আলম

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে শুরু হয়েছে ‘সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’। আজ ও আগামীকাল (২০ ও ২১ এপ্রিল) জ্যামাইকা পারফরমিং আর্টস সেন্টারে সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে এই উৎসব।

বাংলাদেশ ও ভারতের ৩৯টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে এই উৎসবে। এছাড়াও রয়েছে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন ও জমকালো অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান। এতে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সোহানা সাবা।

সোহানা সাবা /  ছবি : নূর এ আলম

তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সুচিত্রা সেন আমাদের প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে কতোখানি জায়গজুড়ে আছেন তা নতুন করে বলার কিছু নেই। অভিনেত্রী হিসেবে তিনি অনেকের আমারও অনুসরনীয়। সেই মহানায়িকার নামে চলচ্চিত্র উৎসব হচ্ছে, তাও আবার যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে- সবমিলিয়ে এমন সম্মানজনক আয়োজনে আমাকে আমন্ত্রন জানানোতে খুব গর্ব অনুভব করছি।’

ছবি : শিল্পীর সৌজন্যে

সোহানা সাবা ছাড়াও চিত্রনায়ক ফেরদৌস, চিত্রনায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, তমা মির্জাসহ অনেক জনপ্রিয় তারকারা অংশ নিচ্ছেন এই উৎসবে। অনুষ্ঠানের প্রতিটি আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত। কোনো প্রবেশ ফি বা টিকেট নেই।

;