গাইলেন আড়াই বছর আগে, মুক্তি পাচ্ছে ইদে
আলাউদ্দীন আলী এবং মিতালী মুখার্জি, এই জুটির সৃষ্টি অসংখ্য কালজয়ী গান।
উদাহরণ হিসেবে ‘এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই’, ‘ভালোবাসা যত বড় জীবন তত বড় নয়’, ‘আকাশের সব তারা ঝরে যাবে’, ‘এ জীবন তোমাকে দিলাম’, ‘কেন আশা বেঁধে রাখি’, ‘দুঃখ ছাড়া হয় না মানুষ’, ‘যেটুকু সময় তুমি থাকো পাশে’ ইত্যাদি সহ বহু গান নাম ধরে ধরে বলা যায়।
বহু বছর পর আবারও পাওয়া যাচ্ছে তাদেরকে, নতুন গানে।
গানটির শিরোনাম ‘আমার মরণ হলে’।
কথা লিখেছেন আহমেদ রিজভী।
গানটি প্রকাশ পাচ্ছে আসন্ন ইদে।
এই খবর শুনে মিতালী মুখার্জি জানালেন-
এটি অসাধারণ একটি গান। আড়াই বছর আগে এই গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলাম।
নতুন এই গানটি নিয়েও অনেক আশাবাদ মিতালীর।
বললেন-
আলাউদ্দীন আলী ভারতীয় উপমহাদেশের বিশাল মাপের একজন সংগীত পরিচালক। পুরোপুরি সংগীতজ্ঞান তাঁর মধ্যে আছে। তাঁর অনেক গান আছে, মনে হবে খুব সহজ, আসলে অত সহজ নয়। এ জন্য তাঁর সমস্ত গান অমর হয়ে আছে। আমি খুবই সৌভাগ্যবান এই জন্য যে, তাঁর সুর ও সংগীতে গান গাইতে পেরেছি। নতুন যে গানটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে, এটি আমার খুব প্রিয় একটি গান। অডিওর পাশাপাশি গানটির যদি একটা ভিডিও যদি তৈরি হতো, তাহলে খুব ভালো লাগত।
মিতালী মুখার্জির স্বামী ভুপিন্দর সিংও কাজ করেছেন আলাউদ্দীন আলীর সঙ্গে।
মিতালীর ভাষ্যমতে-
বাংলাদেশের সংগীত পরিচালক হলেও তিনি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। আলী ভাইয়ের সঙ্গে আমার স্বামী ভুপিন্দর সিংও কাজ করেছেন। সে তো ভীষণ মুগ্ধ হয়। ভুপেন্দর বলেছিল, ভারতীয় উপমহাদেশে এত অসাধারণ চিন্তাধারা খুব কম মানুষের মধ্যে আছে।
সুরকার ও সংগীতায়োজক আলাউদ্দীন আলীকে নিয়ে বিষ্ময়ের শেষ নেই মিতালীর। তিনি বহু বছর আগ থেকেই কাজ করছেন তার সঙ্গে।
বললেন-
আমার সঙ্গে গিটার বাজায় রকেট মণ্ডল। ও ভাবে, এত বছর আগের একটা গান এখনো এত সুন্দর, এত আধুনিক! আমার মনে হয়, আলাউদ্দীন আলী ভাইকে সৃষ্টিকর্তা আমাদের কাছে একটা উপহার দিয়েছেন। গান নিয়ে অনেকেই তো চিন্তাভাবনা করেন, কিন্তু আলী ভাইয়ের ভাবনা অনেক উঁচুতে। সব রকম গানই করেছেন।
১৯৬৮ সাল থেকে যন্ত্রশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রজগতে কাজ করছেন আলাউদ্দীন আলী।
নতুন এই গানটি প্রসঙ্গে তিনি বললেন-
আড়াই বছর আগে গানটি তৈরি করেছিলাম। ও আমার সুর-সংগীতে অনেক গান গেয়েছে। সেসব গান শ্রোতারা গ্রহণ করেছে। এই গানটিও শ্রোতাদের ভালো লাগবে।
আরও পড়ুনঃ
রাহাত ফতেহ আলী খান মাতাবেন ঢাকা