কলোনি তৈরি করে রাত্রিযাপন করে ‘শামুকখোল’



বিভোর, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
আকাশে ডানা মেলেছে শামুকখোল। ছবি: আবু বকর সিদ্দিক

আকাশে ডানা মেলেছে শামুকখোল। ছবি: আবু বকর সিদ্দিক

  • Font increase
  • Font Decrease

জলাভূমির পাখি শামুকখোল। আজ প্রায় দুই/তিন দশক আগেও বাংলাদেশে সহজে দেখা মিলতো না। উপযুক্ত পরিবেশ, পর্যাপ্ত খাবার এবং প্রজনন সুবিধার কারণে এই পাখি এখন বাংলাদেশের আনাচে কানাচে দেখা মিলছে। সেই সঙ্গে বহুগুণ বৃদ্ধিও পেয়েছে শামুকখোলের সংখ্যা।

প্রখ্যাত পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক এ পাখি প্রসঙ্গে বলেন, শামুকখোল এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার খাল, বিল এবং নদীর কাছাকাছি এলাকাগুলোতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছে। এরা প্রজনন শেষে আর দেশের বাইরে যাচ্ছে না। বাংলাদেশেই তারা কলোনি তৈরি করে স্থায়ীভাবে থাকছে। ফলে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে সহজেই এই পাখির দেখা পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এক সময় শামুকখোল পাখি মূলত আমাদের দেশে গ্রীষ্মকালীন ভিজিটে আসতো। এজন্য এদেরকে ‘পরিযায়ী পাখি’ বলা হয়। এরা বাংলাদেশে তখন খুব বেশি স্থায়ীভাবে বসবাস করতো না। অল্প সংখ্যক দেখা যেতো। প্রজননের জন্য তারা অন্য দেশ থেকে আমাদের দেশে আসতো। প্রজনন শেষে তারা আবারও দেশ ত্যাগ করতো। আমাদের দেশে যে শামুকখোলগুলো আসতো সেগুলোর বেশির ভাগ মূলত স্থায়ীভাবে বসবাস করতো পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন এলাকা, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামে। ভারতে বছর বছর প্রচণ্ড খরার কারণে ওই দেশে এদের প্রজনন এখন প্রায় বন্ধ হয়েছে।

ঠোঁটে শামুক ধরেছে শামুকখোল। ছবি: আবু বকর সিদ্দিক

পাখিটির নামকরণ প্রসঙ্গে ইনাম আল হক বলেন, শামুকখোল পাখির ইংলিশ নাম Asian Openbill আর বৈজ্ঞানিক নাম Anastomus oscitans। আবাসিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় এখন বাংলাদেশে বিপুল পরিমণ শামুকখোল দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের হাওড়-বাঁওড় এবং নদী এলাকাগুলোতে শামুকখোল কলোনি স্থাপন করেছে। এই পাখির ঠোঁটের সাথে অন্য কোন পাখির ঠোঁটের মিল নেই। শামুকখোল পাখির ঠোঁটের নিচের অংশের সাথে উপরের অংশে বড় ফাঁক। এরা এই বিশেষ ঠোঁটে শামুক তুলে চাপ দিয়ে শামুকের ঢাকনা খুলে ফেলে এবং ভিতরের নরম অংশ খেয়ে নেয়। মূলত শামুকের ঢাকনা খোলার শৈল্পিক কৌশলের কারণেই এই পাখির নামকরণ করা হয়েছে ‘শামুকখোল পাখি’।

ইনাম আল হক আরও বলেন, শামুকখোল পাখি খুবই নিরীহ পাখি। এদের বাহ্যিকভাবে পুরুষ-স্ত্রী বোঝা যায় না। গায়ের রঙ সাদা কালো। বয়স্ক পাখি হলে তার শরীরের সাদা রঙ অনেকটা কালচে বরণ ধারণ করে। এদের আবাসস্থল থাকে দুটি। একটি স্থায়ী বাসা থাকে তাদের। যেখানে তারা কেবলমাত্র প্রজননের সময় অবস্থান করে। অপরটি হচ্ছে প্রজনন পরবর্তী অস্থায়ী অবস্থান। এরা প্রজননের সময় কেবল নির্দিষ্ট বাসায় চলে আসে। অর্থাৎ এই পাখি যেখানে বাসা বাঁধে সেই বাসাতেই প্রতিবছর প্রজনন করে থাকে। এক থেকে দেড় সপ্তাহ সময় লাগে তাদের বাসা তৈরি করতে। বাসা তৈরি হলে সেখানে তারা ডিম দেয়।

অন্য পাখিদের সাথে শামুকখোল। ছবি আবু বকর সিদ্দিক

এরা পানির ধারে, অল্প পানি অথবা পানির উপরে ভাসমান কিছুর উপর চুপ করে থাকে শিকার ধরতে। এছাড়াও অগভীর পানিতে হেঁটে হেঁটে কাদায় ঠোঁট ঢুকিয়ে খাবার খুঁজে। এদের খাদ্য তালিকার ৯০ ভাগ শামুক। এছাড়াও এরা ছোট মাছ, বড় আকাড়ের পোকা, কাঁকড়া, ব্যাঙ খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে জানান ইনাম আল হক।

   

৪ মাসের শিশুর বিশ্ব রেকর্ড



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শিশু কৈবল্যের বিশ্ব রেকর্ড

শিশু কৈবল্যের বিশ্ব রেকর্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনটা পাখি,কোনটা বই! শাকসবজি, ছবি- নবকজাতকদের বুদ্ধিমত্তায় এসব চিহ্নিত করা দুষ্কর ব্যাপার। সাধারণত দেড়-দু’বছর বয়েসে শিশুরা এসব আলাদা করতে শুরু করে।

মাত্র ৪ মাস বয়স। এসময় শিশুরা সাধারণত বুকের উপর ভর দেওয়া শিখকে শুরু করে। শারীরিক অসুবিধা হলে কান্না করা ছাড়া আর বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করতে সামর্থ্য হওয়ার কথা নয়! প্রতিদিন দেখা পারিবারিক সদস্যদের চিনতেও অনেক শিশু হিমশিম খায়। সেই বয়সেই কিনা সর্বোচ্চ জিনিস চিহ্নিত করতে পারার বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করা, যেন অবিশ্বাস্য ব্যাপার!   

২-৪ টি নয়, পুরো ১২০টির বেশি চিহ্নিত করে নোবেল ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেসের সনদ অর্জন করেছে এক ৪ বছর বয়সী শিশু। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের নাদিগামা শহরে জন্ম হয়েছিল সেই শিশুর। তার নাম কৈবল্য। তার মা হেমার নজরেই প্রথম মেয়ের প্রতিভা ধরা পড়ে এবং তিনি তা প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেন।

একটি ভিডিওতে শিশু কন্যার বিভিন্ন বস্তু চিনতে পারার একটি ভিডিও করে তিনি কর্তৃপক্ষকে পাঠায়। যা দেখে নোবেল ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দলের সকল অবাক হয়ে যায়। তারপর তারা শিশু কৈবল্যের প্রতিভা পরীক্ষা করে এবং তাকে যোগ্য মনে করে স্বীকৃতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়।

কৈবল্যের বাবা মা এতে অনেক বেশি আনন্দিত। মেয়ের জন্য তারা সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করেন। সকলের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।   

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

;

ইতিহাসের পাতায় আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা শহীদ মিনার

১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা শহীদ মিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যালেন্ডারে সালের সংখ্যার পুনরাবৃত্তি না ঘটলেও প্রতি বছর ঘুরে ফিরে আসে একই তারিখ! ইতিহাসে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনাও, প্রতি বছরের সাথে ঘুরে ঘুরে স্মরণ করে মানুষ। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক,  বিশ্বের ইতিহাসে আজকের দিনে কি হয়েছিল।

১৯৫২ সালে ভিত্তি স্থাপন করার পর নানা পরিবর্তনের পর বর্তমানে শহীদ মিনার  

এই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মাঠে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগকে স্বীকৃতি দিতে শহীদ মিনার তৈরি করা হয়। ছাত্রদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাত্র একদিন পরই গর্ব শহীদ মিনার মাথা তুলে দাঁড়ায়। যা এখন বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। রাতারাতি তৈরি হওয়া শহীদ মিনারের সাথেই স্থায়ীভাবে বাঙালির ঐতিহ্যের ভিত্তি গড়ে উঠতে শুরু করে।

জাপান মেরিন বাহিনীকে হারিয়ে মার্কিন সেনাদের বিজয় উল্লাস

১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইয়ো জিমার উপর পতাকা উত্তোলন করে। অবতরণের ৪ দিন পর মার্কিন সেনারা জাপানের আগ্নেয়গিরি এই দ্বীপটি দখল করে নেয়। জাপানের সৈন্যরা আমৃত্যু চেষ্টা করেও তাদের রুখতে পারেননি। রাজধানী টোকিও থেকে ৬৫০ মাইল দূরের এই দ্বীপটি পরবর্তীতে জাপানের উপর বোমা হামলা করার সময় ব্যবহার করা হয়।

ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীদের হাইজ্যাক করা প্লেন

টানা দুই দিন ভারতের আকাশে ১৭২ জন বন্দী করে রাখার পর, লুফথানসায় যাত্রীদের মুক্ত করে ফিলিস্তিনের সন্ত্রাসী দল। ১৯৭২ সালের এইদিনে আত্মসমর্পণ করে সেই সন্ত্রাসীরা। ৫শ মিলিয়ন ইউএস ডলার মুক্তিপণের বিনিময়ে ‘পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ ফিলিস্তিন’ দলের সদস্যরা যাত্রীদের মুক্তি দেয়।

স্পেনে বিদ্রোহী বাহিনীর দখল

স্পেনে এইদিনে ১৯৮১ সালে বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর দখলদারিত্ব শুরু হয়। নতুন সরকার গঠন বিতর্কের জের ধরে ৩৫০ জন এমপিকে বন্দী করে নেয় তারা।
ইতিহাসের বয়ে চলা স্রোতের টানে কেবল পুরানো সব গল্প ভাসিয়ে আনে। দিন বয়ে যায়, প্রতিদিনের সেসব গল্প বছর ঘুরে ঘুরে বার বার ফিরে আসে। 

;

বসন্তের বিকেলে ঝুম বৃষ্টিতে ভিজল রাজধানী!



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগুন রাঙা পলাশ-শিমুল আর কোকিলের ডাক। বসন্তের বৈশিষ্ট্য বলতে তো এই-ই! বসন্তের আবহাওয়া মানেই হিমেল হাওয়ার প্রকোপ শিথিল হওয়া আর আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার। কিন্তু প্রচলিত বৈশিষ্ট্যের প্রথা ভেঙে বসন্তের আকাশে ভিড় জমিয়েছে কালো মেঘ। ঝকঝকে সূর্য যেন আড়ালে লুকিয়ে দেখছে প্রকৃতির ভিন্ন রূপের লীলাখেলা।

বসন্তের বিকেলে নামা ঝুম বৃষ্টিতে রাজধানীর পিচ ঢালা রাস্তা ভিজে উঠলো। সাধারণত যা দেখা যায় বৈশাখে। যখন আসে কাল বৈশাখী ঝড়।

২০২৪ সালের শুরু থেকেই অপ্রকৃত প্রাকৃতিক রূপ যেন জানান দিচ্ছে পুরো বছর জুড়েই প্রকৃতি থাকবে বৈরী। স্বাভাবিক নয়, অস্বাভাবিক আবহাওয়ার সাথে আপোস করতে হবে বছর জুড়ে।

অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর শীত ছিল তুলনামূলক বেশি। প্রায় প্রতিবছরই শীতে কয়েকদিন শ্বৈতপ্রবাহ হয় । তবে ২০২৪ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছিল। বছরের প্রথম দিকেই আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দেয় এই বছর প্রচণ্ড গরম পড়বে। এলনিনোর প্রভাবে এবছরের বৈশ্বিক তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়বে। যদিও শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলা সম্ভব নয়। তবে সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বছরের প্রথম মাসের কড়া শীতের মাঝেই আকাশ থেকে নেমে আসে জলের ধারা। শীতকালে বৃষ্টি দেখে অবাক বনে যায় সবাই। এবার বসন্তেও বৃষ্টিস্নাত হলো প্রকৃতি।

কালবৈশাখী আসতে এখনো ঢের দেরী। গ্রীষ্ম দূরে থাক, মাত্র তো বসন্ত এলো। বসন্ত আসার এক সপ্তাহের মাথায় এই বৃষ্টির আগমন সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। অবুঝ শিশুরা মনের আনন্দে প্রথম বৃষ্টিতে আনন্দ করছে।

অন্যদিকে, প্রকৃতি মাতার এই অপরিচিত রূপও অনেকের মনে আশঙ্কা ও ভয় ধরিয়ে দিয়েছে।

;

ইতিহাসের পাতায় আজ ২২ ফেব্রুয়ারি



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হ্যাম্পশায়ারের অ্যাল্ডারশট শহরে বোমা হামলা হয়েছিল ২২ ফেব্রুয়ারি

হ্যাম্পশায়ারের অ্যাল্ডারশট শহরে বোমা হামলা হয়েছিল ২২ ফেব্রুয়ারি

  • Font increase
  • Font Decrease

আজকের এই সময়ে পৌঁছাতে মানুষ হাজার হাজার বছর পার করেছে। দীর্ঘ এই সময়ে সৃষ্টি হওয়া মানব ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। সূর্য প্রদক্ষিণ করার সাথে সাথেই বছর ঘুরে তারিখের পুনরাবৃত্তি ঘটে। ইতিহাসের পাতা ঘাটলে দেখা যায় এইসব দিনে ঘটেছে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা। 

ক্যালেন্ডারের আবর্তনে এসেছে নতুন দিন। তার সাথে ইতিহাসের গল্পগুলোও পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে স্মরণ করছে পুরানো নানা কথা। আজ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। আজকের তারিখে যেসব ঘটনা ঘটেছিল, তা জানতে ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক!

হ্যাম্পশায়ারের অ্যাল্ডারশট শহরের বোমা হামলায় ৭ জনের মৃত্যু

আইআরএ ১৯৭২ সালে হ্যাম্পশায়ারের অ্যাল্ডারশট শহরে মার্কিন সেনাবাহিনীদের হত্যার উদ্দেশ্যে বোমা হামলা করা হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান ৫ জন রাঁধুনিসহ মোট ৭ জন। এছাড়াও দুর্ঘটনায় আহত হন ১৯ জন। বিস্ফোরণটি ঘটেছিলো শহরের কেন্দ্রবিন্দু থেকে প্রায় ১ মাইল দূরে। দুপুরের খাবারের জন্য তারা গাড়ি পার্ক করে অফিসার মেসে গেলে সেই গাড়িতেই বোমা বিস্ফোরণটি ঘটে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ ১৯৯১ সালে ইরাককে কুয়েতের মাটি ছাড়ার নির্দেশ দেয়। ১৯৯০ সালে শুরু হওয়া যুদ্ধ বন্ধ করতে এই নির্দেশ দেন বুশ। ইরাককে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধ স্থগিত এবং বন্দীদের মুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়। যদি তা না করা হয়, তাহলে পশ্চিমা দেশগুলোর মিত্র বাহিনী ইরাকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায়। তাদের বিরুদ্ধে ভূমিযুদ্ধ শুরু করারও হুমকি দেয় বুশ।

প্রথম সফল ক্লোন ভেড়া ডলি

১৯৯৭ সালে সারা বিশ্বের মানুষ জানতে পারে সফল ক্লোন ভেড়া ডলির কথা। যদিও তার জন্ম ১৯৯৬ সালের ৫ জুলাই হয়েছিল। কিন্তু সম্পূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক কোষ থেকে জন্মানো সুস্থ এবং সফল ক্লোন হিসেবে ডলিকে প্রকাশ করা হয় ২২ ফেব্রুয়ারি।

ক্যালেন্ডারের প্রতিটি পাতাই কোন না কোন দিনের বিশেষ ঘটনা বা ইতিহাসের কথা বয়ে বেড়ায়। সময়ের সাথে সব কিছু পাল্টালেও বদলায় না ইতিহাসের গল্প।

;