ইতালিতে রাত ১০টার মধ্যে তারাবি নামাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত



ইসমাইল হোসেন স্বপন, ইতালি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইতালীতের আসন্ন রমজানে তারাবির নামাজ রাত ১০টার মধ্যে শেষ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে চাঁদ দেখা হেলাল কমিটি। এছাড়াও মসজিদের ভেতরে এবছর ইফতারের আয়োজন করা হবে না। তবে মাগরিবের নামাজের জন্য মসজিদে আসা মুসল্লিদের খেজুর ও পানি পান করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার বাদ এশা তরপিনাত্তারাস্থ সেন্ট্রাল মসজিদে অনুষ্ঠিত ইতালীস্থ চাঁদ দেখা হেলাল কমিটির মাসিক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঈদুল ফিতরসহ তারাবি ও ইফতারের সংবাদ পর্যালোচনার লক্ষ্যে ওই মাসিক সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উক্ত মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা রুহুল আমিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মসজিদে তাওহীদ বাতিস্তিনী ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মো. নাসির উদ্দিন, মসজিদে মক্কি খতিব মুফতি ওয়ালিউল্লাহ খান, মসজিদে নূর ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মো. আব্দুর রাকিব, ভিত্তোরিত ফেইত সেন্টার মসজিদের খতিব হাফেজ আব্দুল আহাদ, অত্তাবিয়ানো মসজিদ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মো. সাঈদ তালুকদার, ভিত্তোরিও পার্ক মসজিদ ইমাম ও খতিব মুফতি হাবিবুর রহমান, মসজিদে বায়তুর রহমান ভিত্তোরিও হাফেজ মাওলানা মো. ইসরাফিল, মন্তেভেরদে জামে মসজিদ ইমাম ও খতিব মাওলানা শাহিন শাদী, মসজিদে উম্মাহ তরপিনাত্তারা মাওলানা রহমতুল্লাহ কাছিমি, কনকাদিঅরো মসজিদ এ বায়তুল আমান ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মিকাইল হোসাইন।

আরও উপস্থিত ছিলেন- রেদিরোমা জামে মসজিদ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা ফজলুল করিম, মসজিদে উমর তুসকোলানা ইমাম ও খতিব মাওলানা গাজী আব্দুল্লাহ, মসজিদে বায়তুল আমিন ফরিও কামিল্লো মাওলানা নূর মোহাম্মদ, মসজিদে রোম তরপিনাত্তারা ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ফারুক, মসজিদে কুবা তরপিনাত্তারা ইমাম ও খতিব মাওলানা মাহফুজ বিন আহমেদ, মুসলিম সেন্টার টি এম সি মসজিদ ইমাম ও খতিব মাওলানা হুমায়ূন রাশিদ রাজী, মসজিদে আবু বক্কর ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

সভায় বক্তারা করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ইতালীতে নানা বিধিনিষেধ থাকায় পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর সহ তারাবীহ নামাজের  বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন। উপস্থিত আলেম ও উলামাদের সর্ব সম্মাতিক্রমে পবিত্র রমজান মাসে সকল মসজিদে এশার নামাজ পরবর্তী তারাবি নামাজ রাত ১০টার মধ্যে সম্পন্ন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পাশাপাশি পবিত্র  রমজান সহ ঈদুল ফিতর সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পালন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।