ইউক্রেনে লেপার্ড–২ ট্যাংক পাঠাবে জার্মানি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রুশ আগ্রাসন মোকাবিলায় ইউক্রেনে লেপার্ড–২ ট্যাংক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ। এমনকি অন্য কোনো দেশ পাঠালেও তারা বাধা দেবে না বলে জানিয়েছে।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানি প্রথমে লেপার্ড–২ ট্যাংকগুলো ইউক্রেনে পাঠাতে অনুমতি দিতে চাচ্ছিল না। কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপের মুখে জার্মানির চ্যান্সেলর ১৪টি লেপার্ড-২ ট্যাংক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে পোল্যান্ডও ১৪টি লেপার্ড-২ ট্যাংক ইউক্রেনে পাঠানোর কথা জানিয়েছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যও একই সংখ্যক চ্যালেঞ্জার-২ ট্যাংক ইউক্রেনকে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অনুসারে, অন্তত ১৬টি ইউরোপীয় ও ন্যাটো দেশের কাছে লেপার্ড–২ ট্যাংক রয়েছে।

লেপার্ড ২ ট্যাংক কী?

লেপার্ড ২ ট্যাংক হল বিশ্বের অন্যতম প্রথমসারির যুদ্ধ ট্যাংক। যা জার্মান সেনাবাহিনী এবং ১৬টি ইউরোপীয় দেশের সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে। পাশাপাশি, কানাডা, ইন্দোনেশিয়ার মত ইউরোপীয় নয়, এমন দেশগুলোও ব্যবহার করে এই ট্যাংক। আফগানিস্তান, কসোভো এবং সিরিয়ার লড়াইয়ে এই ট্যাংক ব্যবহার দেখেছে বিশ্ববাসী।

এর বিশেষত্ব

ডিজেল ইঞ্জিন দ্বারা চালিত এই যুদ্ধ ট্যাংকে নাইট-ভিশন ইকুইপমেন্ট এবং একটি লেজার রেঞ্জ ফাইন্ডার আছে। এর সাহায্যে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব মাপা যায়। রুক্ষ ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় এই ট্যাংক চলমান লক্ষ্যের ওপর ভালোভাবে নজরদারি করতে সাহায্য করে। এই ট্যাংকের এরকম আরও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ডিজাইনও বিভিন্নরকম হয়।

কীভাবে এই ট্যাংক ইউক্রেনকে সাহায্য করবে?

এতদিন পর্যন্ত ইউক্রেন এবং রাশিয়া উভয়েই যুদ্ধে সোভিয়েত যুগের ট্যাংক ব্যবহার করেছে। সেখানে লেপার্ড ২-এর মত আধুনিক যুদ্ধ ট্যাংক ব্যবহার হলে, তা ইউক্রেনকে যথেষ্ট সাহায্য করবে। ইউক্রেন সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের মিত্রদের থেকে সামরিক সহায়তা চায়। দীর্ঘদিন ধরেই খোদ জেলেনস্কি তার মিত্র দেশগুলোর কাছে ট্যাংক দিয়ে সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়ে আসছেন। তার মধ্যে রয়েছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা প্রতিরোধ ব্যবস্থা। দূরপাল্লার কামান থেকে রক্ষা করার মত যুদ্ধবিমানও চাইছেন জেলেনস্কি।

এই পরিস্থিতিতে লেপার্ড ২ পেলে রাশিয়ার হামলা প্রতিরোধে ইউক্রেনের লাভই হবে। রাশিয়া গ্রীষ্মকালে পূর্ব ইউক্রেনের লুহানস্ক প্রদেশের দুটি শহর দখল করেছিল। ইউক্রেন তার হারানো অঞ্চল পুনরুদ্ধার করতে চায়। শীতের শেষে বসন্তে তাই ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে বড় লড়াই হতে পারে। তবে, সবটাই নির্ভর করবে ইউক্রেনের কাছে কত অস্ত্র পৌঁছচ্ছে বা কী ধরনের উন্নতমানের অস্ত্র পৌঁছচ্ছে, তার ওপর।

তুরস্ক-সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়ালো



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
তুরস্ক-সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়ালো

তুরস্ক-সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়ালো

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ তুরস্ক এবং উত্তর সিরিয়ায় বিধ্বংসী এক ভূমিকম্পে ১১ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডাব্লিউএইচও অনুমান করছে, তুরস্ক এবং সিরিয়া জুড়ে আড়াই কোটিরও বেশি মানুষ এই ভূমিকম্পের শিকার হয়েছেন।

দুটি দেশেই হাজার হাজার ভবন ধসে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের বাঁচাতে উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।

উত্তর সিরিয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া লোকজন সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি করছেন কিন্তু তাদের ডাকে সাড়া দেওয়ার মতো প্রায় কেউ নেই।

ইস্তাম্বুলের একজন তুর্কি সাংবাদিক ইব্রাহিম হাসকোলোলু বলেছেন, "লোকেরা এখনও ভবনের নিচে রয়েছে, তাদের সাহায্যের প্রয়োজন।"

তিনি বলেছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে আটকে পড়া লোকজন তাকে এবং অন্যান্য সাংবাদিকদের ভিডিও, ভয়েস নোট এবং তাদের লাইভ অবস্থান পাঠাচ্ছে।

তারা আমাদের বলছে যে তারা কোথায় আছে এবং "আমরা তাদের জন্য কিছুই করতে পারছি না," মি. হাসকোলোলু বলেছেন, তুরস্কের জন্য এখন প্রয়োজন সমস্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা।

;

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার। এর মধ্যে তুরস্কে মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৮৯৪ জনের। আর সিরিয়ায় মারা গেছে ১ হাজার ৯৩২ জন। হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর বার্তাসংস্থা রয়টার্সের।

তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৫ হাজার ৮৯৪ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ৩৪ হাজারের বেশি। দেশটিতে অন্তত পাঁচ হাজার ৬০৬টি বহুতল ভবন ধসে পড়েছে।

অন্যদিকে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত এক হাজার ৯৩২ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া দেশটিতে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

এদিকে ভূমিকম্পের পর তুরস্কের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উদ্ধারকারী দল দেশটিতে পাঠাতে শুরু করেছে। জরুরি চিকিৎসক দল পাঠানোর কথাও ভাবছেন ইইউ কর্মকর্তারা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, তুরস্ক–সিরিয়ায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মানচিত্র থেকে দেখা যাচ্ছে, এসব এলাকায় ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষের বসবাস। ভূমিকম্পের কারণে সেখানকার সবাই কোনো না কোনোভাবে সংকটে পড়েছেন। দুই দেশের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে লাখো মানুষ এখন খোলা আকাশের নিচে আছেন।

তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশটিতে ভূমিকম্পে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩৫ লাখ মানুষ। আহত হয়েছেন ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় আঘাত হানে শক্তিশালী ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। এর পর দফায় দফায় আরও কয়েকটি ভূমিকম্প হয়েছে। এতে দুই দেশে ধসে পড়েছে হাজার হাজার ভবন। এসব ভবনের নিচে আটকা পড়েছে বহু মানুষ। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা করে যাচ্ছেন উদ্ধারকারী ও সাধারণ মানুষ। তবে উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তীব্র ঠান্ডা, তুষারপাত ও বৃষ্টি।

;

ধ্বংসস্তূপে চাপা মেয়ের নিথর দেহ, হাত ধরে বসে আছেন বাবা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শক্তিশালী ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড তুরস্ক ও সিরিয়া এখন মৃত্যুদ্বীপ। একের পর এক উদ্ধার হচ্ছে মরদেহ। তবুও আশায় বুক বেঁধে ধ্বংসস্তূপের ভেতরে স্বজনের খোঁজ করছেন অনেকে। গত দুই দিন ধরে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক-সিরিয়ার চিত্রটা প্রায় একই রকম। যা ছবিতে তুলে আনছেন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ফটোসাংবাদিকরা।

এর মধ্যে মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এএফপির ফটোগ্রাফার অ্যাডাম আলতান তুলে এনেছেন এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের ছবি। যা এক অসহায় বাবার আর্তনাদ! যেন প্রকৃতির কাছে মানুষের বারবার আসহায়ত্বের চিত্র।

অ্যাডাম আলতানের ছবিতে দেখা যায়, ভয়াবহ ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড তুরস্কের শহর কাহরামানমারাসের একটি বিধ্বস্ত ভবনের সামনে কারো হাত ধরে বসে আছেন এক ব্যক্তি। তার নাম মেসুত হেনসার। আর ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা যার হাত ধরে তিনি বসে আছেন সে তার ১৫ বছর বয়সী কন্যা ইরকাম। যে আর বেঁচে নেই।

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। আহত হয়েছে আরও ২০ হাজার ৪২৬ জন। কেবল তুরস্কে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ৩৮১ জন। আর সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ৫৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে আছেন।

জীবিতদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে উদ্ধারকারীদের কাজ আরও কঠিন করছে তুষারপাত ও বৃষ্টি। আগামী দিনে এ পরিস্থিতি আরও বৈরী হতে পারার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে ভূপৃষ্ঠের ১৭.৯ কিলোমিটার নিচে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। পরে আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৫। এর কেন্দ্রস্থল ছিল কাহরামানমারাস প্রদেশের এলবিস্তান নামক জেলায়।

;

ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহত বেড়ে ৫ হাজার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। কমপক্ষে চার হাজার ৯৪০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ২০ হাজার ৪২৬ জন। কেবল তুরস্কে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন হাজার ৩৮১ জন। আর সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ৫৫৯ জন দাঁড়িয়েছে।

দেশ দু’টির কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েপ এরদোগান সোমবারের এই ভূমিকম্পকে ১৯৩৯ সালের আরজিনক্যান ভূমিকম্পের পর ‌'সবচেয়ে বড় বিপর্যয়' হিসেবে অভিহিত করেছেন। আগের ওই ভূমিকম্পে ৩৩ হাজার লোক মারা গিয়েছিল।

দুটি দেশেই দুর্গত এলাকাজুড়ে এক বিশাল উদ্ধার অভিযান চলছে। সোমবার রাতেও উদ্ধারকাজ চলে। তবে গ্রাম ও শহরগুলোয় উদ্ধারকর্মীদের ধ্বংসস্তূপ অনুসন্ধানের সাথে সাথে এই সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। হাজার হাজার মানুষ এই ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

তুরস্ক সাহায্যের জন্য আন্তর্জাতিক আবেদন জানানোর পর বিশ্ব নেতারা সাহায্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সিরিয়ায় নিহতদের মধ্যে অনেকেই যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত এলাকায়। এই অঞ্চলটির সীমান্তের উভয় পাশে শিবিরগুলোতে লক্ষাধিক সিরীয় শরণার্থীর আবাসস্থল।

বিবিসি সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, সোমবার ভোররাতে গাজিয়ানটেপের কাছে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। তখন সব মানুষ ঘুমে। স্থানীয় সময় আনুমানিক বেলা দেড়টায় সেখানে ৭.৫-মাত্রার নতুন এক কম্পন আঘাত হানে।

তবে কর্মকর্তারা বলেছিলেন, সেটা 'আফটারশক নয়।'

ভূমিকম্পে দুটি দেশেই শত শত ভবন ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষকে বাঁচাতে উদ্ধারকর্মীরা প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ভূমিকম্পটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তুরস্ক ও সিরিয়া ছাড়াও লেবানন, সাইপ্রাস এবং ইসরাইলজুড়ে লাখ লাখ মানুষ এর কম্পন অনুভব করেন।

এরপর তুরস্কের একই অঞ্চলে আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার কেন্দ্রস্থল ছিল কাহরামানমারাস শহরের কাছে।

দুর্গত এলাকা থেকে যেসব মর্মান্তিক ছবি পাওয়া যাচ্ছে, তাতে বাসাবাড়ি ও সড়কে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া লোকদের সন্ধানকারী উদ্ধারকারী দলগুলোকে মরীয়া হয়ে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে।

তুরস্কের ১০টি শহর ও প্রদেশের স্কুল এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি হাতায়, মারাশ এবং আন্তেপের বিমানবন্দরগুলো বন্ধ বা আংশিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

;