পুতিন গ্রেফতার হলে যুদ্ধ লেগে যাবে : মেদভেদেভ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে গ্রেফতার করা হলে যুদ্ধ বেঁধে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) টেলিগ্রামে এক ভিডিওবার্তায় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ইউক্রেনে রাশিয়ার সেনারা যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে অভিযোগ জানিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা হয়েছিল। সম্প্রতি আদালত সেই মামলার রায় ঘোষণা করেছে। যুদ্ধের জন্য এবং যুদ্ধাপরাধ ঘটানোর দায়ে পুতিনের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই এই হুঁশিয়ারি বার্তা দেন মেদভেদেভ।

দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো দেশে রুশ প্রেসিডেন্ট গেলে তাকে যদি গ্রেফতার করা হয়, তাহলে রাশিয়া পুরোদস্তুর যুদ্ধ ঘোষণা করবে। বস্তুত, উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেছেন—ধরা যাক পুতিন জার্মানি গেলেন এবং সেখানে তাকে গ্রেফতার করা হলো। সেক্ষেত্রে রাশিয়ার সব মিসাইল বার্লিনের পার্লামেন্ট লক্ষ্য করে ছোঁড়া হবে। বার্লিন ধ্বংস করে দেওয়া হবে।’

হেগে আন্তর্জাতিক আদালতে এই রায় ঘোষণার পরে এই প্রথম রাশিয়ার কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ বিষয়ে মুখ খুললেন। মেদভেদেভ জানান, আন্তর্জাতিক আদালতের প্রসিকিউটর করিম খানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। যেভাবে পুতিনের শাস্তি ঘোষণা করা হয়েছে, তা ভুল। কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে এভাবে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যায় না। এভাবে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা যায় না।

করিম খান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কাজ করেছেন বলে রাশিয়ার দাবি। এই কারণেই তার বিরুদ্ধে রাশিয়ার কোর্টে মামলা শুরু হয়েছে।

এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৬টি দেশ পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়াকে সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু হাঙ্গেরি জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই রায় মানছে না। পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া তারা পছন্দ করছে না। পুতিন হাঙ্গেরি গেলে তাকে গ্রেফতার করা হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে, জার্মানি আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে খুশি বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক।

   

ভারতের সাবেক এমএলএসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের রাজনৈতিক দল হরিয়ানা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোক দলের (আইএনডিএল) প্রেসিডেন্ট এবং সাবেক এমএলএ নাফে সিং রাথিসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেছেন এক বন্দুকধারী।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তার গাড়িতে অতর্কিত হামলা চালান ওই বন্দুকধারী। এতে গাড়িতে থাকা তিনজন নিহত হন। এছাড়া গুরুতর আহত হন আরও দুজন। আহতদের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ওই বন্দুকধারী একটি গাড়িতে করে এসে নাফে সিং রাথিকে বহনকারী গাড়িতে গুলি ছোড়া শুরু করেন। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে তিনি পালিয়ে যান।

আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী ব্রাহম শক্তি সঞ্জিবানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পরই সাবেক এমএলএকে মৃত ঘোষণা করা হয়. আইএনডিএল মিডিয়া সেলের প্রধান রাকেস সিং তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বন্দুকধারীর হামলায় নাফে সিং রাথি প্রাণ হারিয়েছেন।

নাফে সিং বাহাদুরগড়ের এমএলএ ছিলেন। সেখানেই এই গুলির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপরই স্থানটিতে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে রেখেছেন আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তারা এখন সিসিটিভি ফুটেজ থেকে হত্যাকারীকে শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় গ্যাংস্টার লরেন্স বিসনই এবং তার কাছের লোক কালা জাথেদিকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সম্পত্তির দ্বন্দ্ব নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

নাফে সিং হরিয়ানার রাজনৈতিক অঙ্গনে খুবই পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি দুইবার রাজ্যটির আইনসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।



;

নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ দাবিতে ইসরায়েলে ব্যাপক বিক্ষোভ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভের সময় শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তেল আবিবে অন্তত পাঁচজন আটক হয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ইসরায়েলি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের দাঙ্গাবাজ বলে দাবি করেছে। পাঁচজনকে আটক করার কথা জানিয়ে এক্স-এ দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, তারা সড়কে যান চলাচলে বাধা তৈরি করেছিলেন এবং পুলিশের নির্দেশনা মানেননি।

তেল আবিবের রাজপথ থেকে বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করেছে। তাদের জোরপূর্বক সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই পক্ষ। ইসরায়েলের আরও কয়েকটি শহর থেকেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ইসরায়েলিদের অবিলম্বে ছাড়িয়ে আনতে একটি চুক্তি সই করার দাবি বিক্ষোভকারীদের।

তাদের দাবি, জিম্মিদের মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ জন্য নেতানিয়াহু সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে নেতানিয়াহুকে।

;

লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে সমাবেশের ডাক তৃণমূলের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাঁচ বছর পরে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে সমাবেশের ডাক দিয়েছে রাজ্যটির ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরে সর্বশেষ ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ করেছিল তৃণমূল।

এরপরে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেও একবার সমবেশ করে তৃণমূল বিরোধী জোটের নেতাদের নিয়ে এসেছিল কলকাতা। তবে এবার জোটের জন্য নয়, লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল আগামী ১০ মার্চ সমাবেশ করতে চায়। সেই সমবাবেশের পোস্টার রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।

আগামী ১০ মার্চ ‘ব্রিগেড চলো’র ডাক দিয়ে সকাল ১১টা থেকে ‘জনগর্জন সভা’ করার কথা জানানো হয়েছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বিজেপি চূড়ান্ত প্রচার পর্ব শুরু করবে মার্চ মাসের প্রথম দিনেই। ভোটের দামামা বাজাতে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখনও পর্যন্ত যা জানা গেছে, ১ মার্চ আরামবাগে এবং পরের দিন কৃষ্ণনগরে সভা মোদির। এরপরে ৮ মার্চ ফের সভা রয়েছে মোদির। বারাসতে হবে নারী সম্মেলন। সেখানে সন্দেশখালির নির্যাতিতা নারীদের নিয়ে আসতে চায় বিজেপি।

ঠিক তার দুই দিন পরেই ব্রিগেডে সভা তৃণমূলের। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রিগেডে সভা করেনি তৃণমূল। গত ডিসেম্বরে ব্রিগডে গীতা পাঠের সমাবেশ করেছিল কয়কেটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। এরপরে সিপিএমের যুব সংগঠন একটি ব্রিগেড সমাবেশ করে। সেই দুই সভায় জমায়েত নিয়ে তুলনা হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই সঙ্গে তুলনায় টানা হয়েছিল গত ২১ জুলাই ধর্মতলায় হওয়া তৃণমূলের জমায়েতকে। এবার তৃণমূলের ব্রিগেড।

বেশ কিছু দিন ধরেই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব তৃণমূল। রাজ্যের বরাদ্দ আটকে দেওয়ার অভিযোগে কলকাতা থেকে দিল্লি বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ, বিক্ষোভ ধর্না করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ব্রিগেডেও সেই সব দাবিকে সামনে রেখেই সমাবেশ করতে চলেছে তৃণমূল। তবে লোকসভা নির্বাচনের মুখে মুখে এই সভা আসলে ভোটের দামামা বাজাতেই।

;

পিটিআই প্রধানের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন আলী জাফর



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) যুক্তিযুক্তভাবে নেতৃত্বের সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।

ইমরানের অনুপস্থিতিতে দলটির চেয়ারম্যান পদ শুন্য হওয়ায় ওই পদে স্থলাভিষিক্ত হওয়াপর দৌড়ে রয়েছেন দলটির বেশ কয়েক জন নেতা।

দ্য নিউজ রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে, এদের মধ্য থেকে ব্যারিস্টার আলী জাফর উক্ত পদ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করেছেন। দলের আন্তঃদলীয় নির্বাচনের আগে পিটিআই চেয়ারম্যানের প্রার্থী হিসাবে জাফরের নাম ঘোষণা করেছিলেন ব্যারিস্টার গোহর আলী খান।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন জাফর। কারণ, তিনি সিনেটে দলের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একাধিক আদালতে বিভিন্ন মামলা পরিচালনাকারী আইনি দলের সদস্য তিনি।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পটভূমিতে ৩ মার্চ নতুন আন্তঃ-দলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা করে দলটি।

পিটিআইয়ের নির্বাচনী সূচি অনুযায়ী আন্তঃদলীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের ২৩ এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই ২৫ ফেব্রুয়ারি শেষ করার কথা ছিল।

এদিকে, মনোনয়নপত্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ২৭ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে এবং ৩ মার্চ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পাশাপাশি প্রাদেশিক সম্পাদকমণ্ডলীতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দ্য নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময় ব্যারিস্টার জাফর বলেন, তিনি মনে করেন যে, তিনি দলের চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। তাই এর পরিবর্তে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য তার কাজ চালিয়ে যাবেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘পেশাগতভাবে আমি মনে করি যে, আমি যখন ইমরান খানকে জেল থেকে বের করে আনার চেষ্টা করছি, তখন আমি পার্টির চেয়ারম্যান হতে পারি না। কারণ, এখানে দ্বন্দ্ব রয়েছে। দ্বন্দ্বটি হলো চেয়ারম্যান হিসেবে আমার স্বার্থ তাকে কারাগারে রাখা হতে পারে।’

জাফর আরও বলেন, ‘আমি এই ধরনের স্বার্থের সংঘাতে জড়াতে চাই না। পেশাগতভাবে আমি মনে করি এটি ঠিক নয়।’

পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে তার প্রত্যাহার গ্রহণ করেছেন কিনা জানতে চাওয়া হলে জাফর ইতিবাচক জবাব দেন।

;