সিয়েরা লিওনে নির্বাচন-গণতন্ত্র নিয়ে মার্কিন ভিসানীতি ঘোষণা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওনে ২০২৩ সালের নির্বাচনসহ গণতন্ত্র অক্ষুণ্ন রাখতে নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বে গণতন্ত্রকে সমর্থন ও অগ্রসর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, আজ আমি ২০২৩ সালের জুন মাসে সিয়েরা লিওনের নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করার জন্য অভিবাসন এবং জাতীয়তা আইনের ধারা ২১২(এ)(৩)সি-এর অধীনে একটি নতুন ভিসা বিধিনিষেধ নীতি ঘোষণা করছি৷

এই নীতির অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কারচুপিসহ সিয়েরা লিওনে গণতন্ত্রকে দুর্বল করার জন্য দায়ী বা জড়িত ব্যক্তিদের জন্য ভিসা বিধিনিষেধ অনুসরণ করবে। এ ক্ষেত্রে হুমকি বা শারীরিক সহিংসতার মাধ্যমে ভোটার, নির্বাচন পর্যবেক্ষক বা সুশীল সমাজের সংগঠনকে ভয় দেখানো সিয়েরা লিওন সম্পর্কিত মানবাধিকারের অপব্যবহার বা লঙ্ঘন।

এ ধরনের ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরাও এই বিধিনিষেধের অধীন হতে পারে। যে ব্যক্তিরা সিয়েরা লিওনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করে ২০২৩ সালের নির্বাচনের নেতৃত্বে আসবে, তারা এই নীতির অধীনে মার্কিন ভিসার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে৷

   

ইসরায়েলপন্থি জার্মানির বিরুদ্ধে নিকারাগুয়ার মামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সংঘর্ষে অনবরত ইসরায়েলকে কুটনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে জার্মানি। ইসরায়েলকে এই আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার দায়ে অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা করেছে নিকারাগুয়া। জার্মানির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনআরডব্লিউএ) অর্থ প্রদান স্থগিত করার বিষয়টিরও অভিযোগ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত থেকে এই তথ্য জানিয়েছে বলে আরব নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

নিকারাগুয়া আইসিজেকে আহ্বান জানায়, জরুরী ব্যবস্থা জারি করে আইসিজে যেন বার্লিনকে ইসরাইলকে তার সামরিক সহায়তা বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং ইউএনআরডব্লিউএ-কে অর্থায়ন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানায়। আদালত সাধারণত একটি মামলা দায়েরের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনুরোধ করা জরুরি ব্যবস্থার উপর শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।

নিকারাগুয়ার দাবি অনুযায়ী, জার্মানি ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশন এবং ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী দখলকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে যুদ্ধের আইন লঙ্ঘন করছে ইসরায়েল। অন্যদিকে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর মাধ্যমে এবং বেসামরিক জনগণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানকারী ইউএনআরডব্লিউএকে অর্থহীন করার মাধ্যমে গণহত্যাকে সহজতর করছে জার্মানি।

উল্লেখ্য, ইউনাইটেড স্টেটস এবং জার্মানিসহ ইউএনআরডব্লিউএ-র প্রধান দাতারা হাজার হাজার ফিলিস্তিনি কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ১২ জনকে দোষী অভিযোগ করে পরে তহবিল স্থগিত করে দিয়েছে।

এর আগে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা পরিচালনা করার অভিযোগ এনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সে মামলার উপর ভিত্তি করেই এবার জার্মানির বিরুদ্ধে মামলা করেছে নিকারাগুয়া।

উল্লেখ্য, ইসরায়েল গণহত্যা চুক্তি লঙ্ঘন করার যে অীভযোগ দক্ষিণ আফ্রিকা এনেছিল তা অমূলক নয় বলে রায় দেয় আইসিজে এবং জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। গাজায় গণহত্যার সম্ভাব্য যেকোনো কাজ বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালত থেকে ইসরাইলকে আহ্বানও জানানো হয়।

;

ইসরায়েলি হামলায় হামাসের ৭ জিম্মি নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্যে ৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪ জন ইসরায়েলি এবং ৩ জন বিদেশি নাগরিক।

শনিবার (২ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (১ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে হামাসের সামরিক বিভাগ আল কাসেম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা জিম্মিদের নিহতের কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, গাজায় গত ৫ মাসে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমায় বেশ কয়েকজন জিম্মি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার নিহতের মধ্য দিয়ে সেই সংখ্যা ৭০ জন ছাড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ফলশ্রুতিতে হাজারো ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সর্বশেষ গত শুক্রবারের হামলায় ৭ জিম্মির মৃত্যু ঘটেছে।

ইসরায়েলি বাহিনীর এই হামলার ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলের চলমান হামলা 'গণহত্যা যুদ্ধের' অংশ।

বর্তমানে গাজায় দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছে। মিশরের প্রেসিডেন্ট সামেহ শৌকরি বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, আসন্ন রমজানের আগেই গাজায় দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতি শুরু হতে পারে। সেই বিরতির মেয়াদ হবে ৪০ দিন।

;

বিভেদ ভুলে ঐক্যের ঘোষণা দিলো হামাস- ফাতাহ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘদিনের অহিনকুল সম্পর্ক ভুলে গিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে এক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিনের দুই রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস ও ফাতাহ। রাশিয়ার মস্কোতে আয়োজিত এক আলোচনার মধ্য দিয়ে বিরল এই ঐক্যের ঘোষণা দিলো ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলো।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে নিজেদের মধ্যেকার বিভেদ ভুলে এক হওয়ার প্রস্তাবে রাজি হয়েছে হামাস, ইসলামিক জিহাদ, ফাতাহ ও অন্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীরা। 

সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলমান যুদ্ধে কীভাবে ইসরাইলকে মোকাবিলা করা যায় এবং যুদ্ধের পরে কর্মপরিকল্পনা কী হবে, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয় মস্কোতে। ফিলিস্তিনের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শাতায়েহ তার পদত্যাগের পর ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ঐক্যের ডাক দেন। এরপরই মস্কোতে মিলিত হয় গোষ্ঠীগুলো।

শুক্রবার (১ মার্চ) মস্কো থেকে এক বার্তায় ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো জানায়, প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) অধীনে আবারও একই ব্যানারের নিচে আসছে সবাই। সবগুলো পক্ষই এবার ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছে। যদিও হামাস ও ইসলামিক জিহাদকে সন্ত্রাসী বাহিনী হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলো। যদিও পিএলও’র সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয় তারা।

এর আগেও হামাস ও পিএলও-কে একসঙ্গে আনার নানা চেষ্টা ব্যহত হয়েছে। তবে সর্বশেষ রাশিয়ার উদ্যোগে এই চেষ্টা সফল হলো। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফাতাহ ও হামাসসহ ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সবগুলো পক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে রাশিয়া। যদিও ইসরাইলের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। প্রথম থেকেই গাজায় ইসরাইলের বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে রাশিয়া। অপরদিকে একাধিকবার ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে দেশটি। ইসরাইলের হামলা থামাতে জাতিসংঘে প্রস্তাবও উত্থাপন করেছিল মস্কো।

;

আফগানিস্তানে টানা ৩ দিনের ভারী তুষারপাতে ১৫ জনের প্রাণহানি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাকৃতিক দুর্যোগ কবলিত দেশ আফগানিস্তানে গত তিন দিনের টানা ভারী তুষারপাতে ১৫ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। রাস্তাঘাট বন্ধ হওয়া ও গবাদি পশুর ক্ষয়ক্ষতির কারণে দিশেহারা দেশটির তুষারপাত কবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

শনিবার (২ মার্চ) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তুষারপাতের কারণে গবাদি পশুর ক্ষতি হচ্ছে । বালখ ও ফারিয়াব প্রদেশে তুষারপাতে প্রায় দশ হাজার গবাদি পশু মারা গেছে বলেও জানানো হয়। 

তীব্র তুষারপাতের ফলে সালাং গিরিপথসহ আফগানিস্তানের অনেক প্রধান পরিবহন রুট বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে ঘোর, বাদঘিস, গজনি, হেরাত এবং বামিয়ানের মতো বিভিন্ন প্রদেশে ঢোকা যাচ্ছে না। আফগান গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ আশরাফ হকসেনাস রাস্তা বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সার-ই-পুলের বাসিন্দা আব্দুল কাদির উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘খুব ভারী তুষারপাত চলছে। মানুষজন তাদের গবাদি পশুর ক্ষতির কারণে উদ্বিগ্ন। অনেক রাস্তাতেই ভারী তুষারপাতের কারণে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।’

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আমানুল্লাহ এমন দুর্যোগ পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘যারা আটকা পড়েছে তাদের ক্ষুধার্ত গবাদি পশুদের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।’   

এদিকে এমন পরিস্থিতিতে সংকটের প্রতিক্রিয়া হিসেবে আফগানিস্তান সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই কমিটি গবাদি পশুর মালিকদের ক্ষতি মোকাবিলায় বিশেষভাবে কাজ করবে। এছাড়া বলখ, জাওজান, বাদঘিস, ফারিয়াব এবং হেরাত প্রদেশে ক্ষতিগ্রস্ত গবাদি পশুর মালিকদের জন্য পাঁচ কোটি আফগানি বরাদ্দ করেছে আফগান সরকার।

কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তালেবান-নিযুক্ত মুখপাত্র মিসবাহ উদ্দিন মুস্তাইন জানান, প্রদেশের সব জায়গায় এই কমিটির সদস্যরা অবরুদ্ধ রাস্তার সমস্যার সমাধান ও পরিবহন চালু, ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য ও পশুখাদ্য বিতরণ এবং ভারী তুষারপাতের ফলে আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মুখপাত্র এরফানুল্লাহ শরাফজয়ী জানান, তাদের কর্মীরা ইতিমধ্যেই বাদঘিস, ঘোর, ফারাহ, কান্দাহার, হেলমান্দ, জাওজান এবং নুরিস্তানের মতো প্রদেশে তুষারপাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করেছে।

;