কঠোর ভিসা নীতির পরিকল্পনায় যুক্তরাজ্য



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অভিবাসন রোধ করতে ভিসা নীতিকে আরও কঠোর করার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাজ্য প্রশাসন। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি কঠোর ভিসা নীতি প্রসঙ্গে পাঁচ দফার একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।

যুক্তরাজ্য সরকারের চলতি বছরের নভেম্বরের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২২ সালে দেশটিতে ৭ লাখ ৪৫ হাজার মানুষ অভিবাসন হিসেবে প্রবেশ করেছে, যা যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

এর ফলে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় নতুন এই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দেশটির সরকার।

জেমস ক্লেভারলি ভিসা নীতিতে যেসব পরিবর্তনের কথা বলেছেন সেগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে- অভিবাসী দক্ষ কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি। আগে যেখানে তাদের ন্যূনতম বেতন ছিল ২৬ হাজার ২০০ পাউন্ড, এখন সেটি বাড়িয়ে ৩৮ হাজার ৭০০ পাউন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

আর এই বেতন বৃদ্ধির ফলে গত বছর যে তিন লাখ নতুন অভিবাসী যুক্তরাজ্যে আসার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছিলেন, তারা আর আসতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ক্লেভারলি।

এছাড়া নতুন এই পরিকল্পনায় পারিবারিক ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আয়ের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। ফলে এখন থেকে পারিবারিক ভিসায় যুক্তরাজ্যে যেতে হলে আবেদনকারীর ন্যূনতম আয় থাকতে হবে ৩৮ হাজার ৭০০ পাউন্ড।

আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্যে অভিবাসনের লাগাম টানা প্রয়োজন। বছরের পর বছর ধরে দেশটিতে স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা ভিসার অপব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের অভিবাসনের তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে অভিবাসন কমিয়ে আনার ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও তার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টিকারী ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির এমপিরা।

দেশটিতে অভিবাসীদের সংখ্যায় এমন বৃদ্ধি সুনাক ও ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। কারণ তারা ২০১০ সাল থেকেই অভিবাসন কমানোর ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে।

এদিকে, নতুন এই পরিকল্পনার প্রতিক্রিয়ায় লেবার পার্টির সংসদ সদস্য ইভেট কুপার বলেছেন, সোমবারের ঘোষণা এটিই বুঝিয়ে দিয়েছে যে, অভিবাসন ব্যবস্থা ও অর্থনীতি- উভয় ক্ষেত্রেই বছরের পর বছর ধরে টোরিরা কীভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, অভিবাসীদের সংখ্যায় লাগাম টানা উচিত, অথচ এ বিষয়ে কনজারভেটিভরা আর উল্লেখযোগ্য কোনও টেকসই সংস্কার আনতে পারছে না।

অন্যদিকে, ব্রিটেনের ট্রেড ইউনিয়ন ইউনিসনের জেনারেল সেক্রেটারি ক্রিস্টিনা ম্যাকানিয়া নতুন অভিবাসন নীতিকে নিষ্ঠুর বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই পরিকল্পনা যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিচর্যার ক্ষেত্রে বিপর্যয় ডেকে আনবে।

তিনি বলেন, ‘অভিবাসী শ্রমিকদের এখানে আসতে উৎসাহিত করা হয়েছিল, কারণ উভয় সেক্টরেই কর্মীদের যথেষ্ঠ অভাব রয়েছে। হাসপাতাল ও কেয়ার হোমগুলো এসব অভিবাসী শ্রমিকদের ছাড়া কাজ চালাতে পারবে না।’

তবে নতুন এই পরিকল্পনাকে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির অনেক সংসদ সদস্য স্বাগত জানিয়েছেন।

   

মালয়েশিয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, সাউথ-ইস্ট এশিয়া, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ার উতামা জেদ হিল ট্র্যাকসের কেটিএম ট্রেন লাইনে একটি কমিউটার ট্রেনের আঘাতে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে৷

রোববার (মার্চ ০৩) গভীর রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সেলানগন ফায়ার অ্যান্ড রেস্কু বিভাগের পরিচালক ওয়ান মো. রাজালি ওয়ান ইসমাইল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  

তিনি বলেন, জরুরি ফোন পেয়ে কাজাং স্টেশন থেকে ৫ জন উদ্ধারকর্মীসহ একটি উদ্ধার ইঞ্জিন পাঠায় আমরা ঘটনাস্থলে৷

নিহতদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তাদের দেহ ট্রেনের নিচে আটকে ছিল না বরং ট্রেন লাইনের পাশে ছিটকে পড়েছিল। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল টিম তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহ এবং দুর্ঘটনার বিষয়টি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

;

হাইতিতে কারাগারে হামলা, পালাল ৪ হাজার বন্দি 



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যারিবিয়ান দেশ হাইতির জেল ভেঙে একসঙ্গে পালিয়েছে ৪ হাজার বন্দি। দেশটির একটি সশস্ত্র গ্যাং রাজধানী পোর্ট-অব প্রিন্সের প্রধান কারাগারে হামলা চালিয়ে এসব বন্দিকে মুক্তি দেয়।

সোমবার (৪ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আমেরিকার দরিদ্রতম দেশ হাইতিতে ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে একটি সশস্ত্র গ্যাং। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার দেশটির একটি কারাগারে হামলা চালায় সশস্ত্র বাহিনী। স্থানীয় এক সাংবাদিক বিবিসি নিউজকে বলেছেন, সেখানে আটক প্রায় ৪ হাজার বন্দির অধিকাংশই এখন পালিয়ে গেছে। সেখানে আটক থাকা কারাবন্দিদের মধ্যে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোয়েসের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত গ্যাং সদস্যরাও ছিলেন।

২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট মোয়েস হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মূলত দেশটিতে সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে হাইতিতেগ্যাং সহিংসতার শিকার হয়ে ৮ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এছাড়াও অপহরণ ও হামলার শিকার হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

বিবিসি বলছে, সহিংসতার সর্বশেষ এই পর্ব শুরু হয় গত বৃহস্পতিবার। ওইদিন হাইতিতে কেনিয়ার নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা করতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাইরোবি সফরে যান। হাইতির পুলিশ ইউনিয়ন পোর্ট-অ-প্রিন্সের প্রধান ওই কারাগারটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করতে বলেছিল। কিন্তু শনিবার রাতেই ওই কারাগার কম্পাউন্ডে হামলা হয়। 

এদিকে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওই হামলার পর রোববার কারাগারের দরজা খোলা ছিল এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কোনও চিহ্ন সেখানে ছিল না। তবে পালানোর চেষ্টা করা তিন বন্দি কারাগারের আঙিনার মধ্যে মৃত অবস্থায় পড়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

;

গাজার উত্তরাঞ্চলে বিমান হামলা, ২০ ফিলিস্তিনি নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অবরুদ্ধ গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

রোববার (৩ মার্চ) বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা শহরের উত্তরে জাবালিয়া শরণার্থী শিবির এবং সাফতাউই এলাকায় দুটি বাড়ি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি সেনা বাহিনী।

এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে। হামলার পর ২০ জনের মৃতদেহ উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণের ফলে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ৪১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৭১ হাজার ৭০০ জন।

এদিকে রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শৌকরি। উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতির সময়সীমার পাশাপাশি জিম্মি ও বন্দীদের মুক্তির বিষয়ে একমত হয়েছে বলেও জানান তিনি ।

;

এই সরকার ‘পরাজিতদের জোট’ সরকার : পিটিআই



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেড় শতাধিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার আসামি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। একাধিক মামলায় সাজা মাথায় নিয়ে তিনি এখন কারাগারে।

এ অবস্থায় দেশটির সাধারণ নির্বাচনের পর গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। বিবিসিজানিয়েছে, এই সরকারকে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ‘পরাজিতদের জোট’ সরকার বলে অভিহিত করেছে।

ইমরান খান কারাগারে থাকলেও গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের তার দলের সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থীরা চমক দেখিয়েছেন। প্রযুক্তির ব্যবহার করে ইমরান যেভাবে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন, এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে তিনি শীর্ষ জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ। তিনি এখন পুরো দেশের মধ্যে বিখ্যাত বন্দিও বটে, যার নম্বর ৮০৪।

নির্বাচনের আগে এই নম্বরটি হয়ে উঠেছিল পিটিআই সমর্থক প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম স্লোগান। এর মানে ইমরানের জনপ্রিয়তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পেরেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এ জন্য এক দল তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন নেতাকর্মীর ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য।

কারণ, তারাই বন্দি ইমরানের বক্তব্যকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। খোলা হয়েছিল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আর ওয়েবসাইট। এর মাধ্যমে তারা খানের বক্তব্য কৃত্রিমভাবে তৈরি করে তাঁকে পৌঁছে দিয়েছেন কোটি কোটি ভোটারের কাছে। বিশেষ করে যুবকদের কাছে।

এর সুফল ঘরেও তুলেছেন তারা। কিন্তু ভোটে ব্যাপক জালিয়াতির কারণে পুরো সুফল তোলা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ পিটিআইয়ের।

শেহবাজ শরীফকে প্রধানমন্ত্রী করে পাকিস্তানের যে নতুন সরকার রবিবার (৩ মার্চ) যাত্রা শুরু করেছে, সেটিকে নড়বড়ে সরকার বলছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানের লেখক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফ লিখেছেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলো স্থিতিশীলতা নিয়ে আসার কথা ছিল। দেশের মুদ্রাস্ফীতি ও তিক্ত রাজনৈতিক বিভাজন মোকাবিলা করার জন্য এটা খুবই প্রয়োজন ছিল। কিন্তু, এর পরিবর্তে একটি সংখ্যালঘু সরকার এসেছে, যা মোটেই শক্তিশালী নয়। যারা জোট করেছেন, তারাও জোট করতে অনিচ্ছুক ছিলেন।

এই নির্বাচনে গেরিলা ধাঁচের প্রচারণা চালিয়েছিলেন ইমরান সমর্থকরা। প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তারা ভোটের মাঠে এতোটাই শক্তিশালী ছিলেন যে, কারচুপির মাধ্যমে তাদের আটকে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

নির্বাচনে সেনাবাহিনীর কৌশলের বিষয়ে ভোটারদের প্রতিক্রিয়া ছিল অভূতপূর্ব। তারা বলেছিলেন, ‘আপনারা যতোটা ভাবছেন যে, আমরা কিছু বুঝি না, আসলে আমরা ততোটা বোকা নই। আমাদের হাতে ব্যালট আছে।’

পাকিস্তানের অধিকাংশ রাজনীতিবিদকে কোনও না কোনও সময়ে কারাগারে থাকতে হয়েছে। তবে ইমরান খানের চেয়ে বেশি মজা আর কেউ পেয়েছেন বলে মনে হয় না। কারণ তিনি জেলে থেকেই নির্বাচনী বিজয় অর্জন টেনে এনেছেন।

অন্যদিকে, তাকে খেলতে হয়েছে সেনাবাহিনীর কৌশলের সঙ্গেও। সেনাবাহিনী বোঝাতে চেয়েছিল ইমরান খান এবং তার দল শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু, সেই কৌশলও ভেস্তে গেছে। কারণ, নির্বাচনের আগে দলটি দ্বিতীয় সারির নেতা এবং স্থানীয় বিশ্বস্তদের দিয়ে টিম গঠন করে বিপর্যস্ত দলের বিজয়ের প্রচারাভিযান পরিচালনা করেছে।

তারা নিশ্চিত ছিল, তাদের নেতাকে ক্ষমতায় ফিরে যেতে দেওয়া হবে না। কিন্তু তারা ভোটের মাধ্যমে দেখিয়েছেন, সেনাবাহিনীর চাপ থাকলেও তারা ইমরানকে ছেড়ে যাননি।

ইমরান খান পদচ্যুত হওয়ার পর তিনি শুধু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপরই নয়, সেনাবাহিনীর প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এটিও তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।

পিটিআই সমর্থকরা বিরোধী দলে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু, ইমরান খান তার রাজনীতি সংসদে নয়, বরং রাজপথে, জনসভা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেলতে পছন্দ করেন। নতুন সরকারকে ‘পরাজিতদের জোট’ হিসেবে আখ্যায়িত করছে পিটিআই। আসলে এটি এমন দলগুলোর জোট, যারা নির্বাচনে ইমরানের কাছে পরাজিত হয়েছে।

অনেকে মনে করেন, কারাগারে থাকা ইমরান আরও পরিণত রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছেন।

;