বেলারুশের ১৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো। ছবি : সংগৃহীত

আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো। ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বেলারুশের ৭ ব্যক্তি ও ১১ প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন করে ওই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) প্রকাশিত বিবৃতি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, বেলারুশ সরকার দেশটির গণতন্ত্রপন্থী নাগরিক সমাজের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে, লুকাশেঙ্কোর পরিবারের সদস্যরা আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িত এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার অন্যায্য যুদ্ধে বেলারুশের যোগসাজশ আছে।

আর এসব কর্মকাণ্ডের জন্য লুকাশেঙ্কো সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে মার্কিন অর্থ বিভাগের অধীন পরিচালিত বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় থেকে মঙ্গলবার নতুন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ট্রেজারি ফর টেররিজম অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্সের আন্ডার সেক্রেটারি ব্রায়ান ই. নেলসন মঙ্গলবার বলেন, ‘বেলারুশ ও বিশ্বে অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য লুকাশেঙ্কো, তার পরিবার এবং তার সরকারকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে আমাদের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আজ এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

নেলসন আরও বলেন, লুকাশেঙ্কো সরকারের জন্য রাজস্ব জোগানো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাবে। এ ছাড়া ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা এবং লুকাশেঙ্কো সরকারের প্রতি সমর্থনদাতাদেরও নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

এর আগে গত ৯ আগস্ট বেলারুশের সরকারকে অর্থায়ন করা আট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় মার্কিন অর্থ বিভাগ। ওই সময় মার্কিন অর্থ বিভাগের বিবৃতির বরাতে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেলারুশের ক্ষমতাসীনেরা নাগরিক সমাজের ওপর ক্রমাগত দমন-পীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে।

মিনস্ক রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনে অনৈতিক যুদ্ধে জড়িয়েছে। যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তারা এসব কাজে আলেকসান্দার লুকাশেঙ্কোর সরকারকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রেখেছে।

রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কয়েক দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা লুকাশেঙ্কো বারবার অভিযোগ করে এসেছেন, পশ্চিমারা তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করতে উঠেপড়ে লেগেছে। বিশেষত, সর্বশেষ নির্বাচনের পর লুকাশেঙ্কোর বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এতে পশ্চিমাদের ইন্ধন রয়েছে বলে মনে করেন লুকাশেঙ্কো। ওই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি বলে অভিযোগ লুকাশেঙ্কোর বিরোধীদের। আর লুকাশেঙ্কোর দাবি, নির্বাচন নিয়ম মেনে, সুষ্ঠুভাবে হয়েছে।

   

পাঁচ রাজ্যে আপ-কংগ্রেস আসন রফা সম্পন্ন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিসহ চার রাজ্যে এবং কেন্দ্রশাসিত চণ্ডীগড়ে জোট বেঁধেই লড়বে আম আদমি পার্টি (আপ) এবং কংগ্রেস। এরপর ৭টি লোকসভা আসন বিশিষ্ট দিল্লিতে আসন সমঝোতা কী হবে, তা নিয়ে গুঞ্জন চলছিল রাজনৈতিক মহলে।

শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপ এবং কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা দিল্লিতে চার-তিন সমীকরণে লড়বে। শুধু দিল্লি নয়, গুজরাট, হরিয়ানা, গোয়া এবং চণ্ডীগড়ে কী সমীকরণে আসন সমঝোতা হচ্ছে তা-ও জানিয়ে দিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং রাহুল গান্ধীর দল।

দিল্লিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব কেজরিওয়ালের দলকে চারটি আসন ছেড়েছে। সেই চারটি আসন হলো নয়াদিল্লি, দক্ষিণ দিল্লি, পূর্ব দিল্লি এবং পশ্চিম দিল্লি। বাকি তিন আসন অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব দিল্লি, উত্তর-পশ্চিম দিল্লি এবং চাঁদনিচকে লড়বে কংগ্রেস শিবির।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির সাত আসনের মধ্যে পাঁচ আসনেই দ্বিতীয় স্থানে ছিল কংগ্রেস। আর দুই আসনে বিজেপির পরেই ছিল কেজরিওয়ালের দল। সাতটি আসনই জিতেছিল বিজেপি।

জানুয়ারিতে কংগ্রেস এবং আপ নেতৃত্ব আসন সমঝোতা নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা করলেও জট কাটেনি। সূত্রের খবর ছিল আপের পক্ষ থেকে দিল্লির সাতটি আসনের মধ্যে একটি বা দুটি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেস অন্তত তিনটিতে লড়ার দাবিতে অনড় থাকায় আলোচনা ভেস্তে যায়।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ তখন আশঙ্কা করেছিল, পাঞ্জাবের মতো দিল্লিতেও দুই দল একা লড়ার সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

কংগ্রেস নেতা মুকুল ওয়াসনিকের নেতৃত্বে গঠিত আসন সমঝোতার দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির অন্য চার সদস্য রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত, ছত্তিসগড়ের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সালমান খুরশিদ এবং এআইসিসির সাবেক মুখপাত্র মোহন প্রকাশ ছিলেন বৈঠকে। সঙ্গে ছিলেন দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অরবিন্দর সিং লাভলিও।

অন্যদিকে, আপের পক্ষ থেকে রাজ্যসভা সাংসদ সন্দীপ পাঠক এবং দিল্লির দুই মন্ত্রী অতিশী এবং সৌরভ ভরদ্বাজ অংশ নিয়েছিলেন জানুয়ারির আসন রফার আলোচনায়।

জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও একাধিকবার বৈঠকে বসেছিল দুই শিবির। সেখানেই আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়।

শুক্রবার আপ এবং কংগ্রেস যৌথভাবে পাঁচ রাজ্যের আসন বণ্টনের কথা ঘোষণা করে। কংগ্রেস নেতা মুকুল ওয়াসনিক গত শুক্রবার জানান, ‘১০ লোকসভা আসনের হরিয়ানায় ৯টি আসনেই আপের সমর্থনে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস। কুরুক্ষেত্র লোকসভা আসনটি ছাড়া হয়েছে আপকে।’

এনডিটিভি জানিয়েছে, চণ্ডীগড় লোকসভা আসনে কে লড়বে, তা নিয়ে আপ এবং কংগ্রেসের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত আসনটি কংগ্রেসকে ছাড়তে রাজি হয় কেজরির দল। চণ্ডীগড়ের মতো দুই আসনের গোয়াতেও আপের সমর্থনে প্রার্থী দেবে কংগ্রেসই।

গুজরাটেও আপ এবং কংগ্রেস জোট বেঁধেই লড়বে। গুঞ্জন মতোই কংগ্রেস, আপকে ছেড়ে দিল দক্ষিণ গুজরাটের ভারুচ আসনটি।

;

নাভালনিকে মৃত্যুর পরও নির্যাতন করছেন পুতিন : ইউলিয়া



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া বলেছেন, তার স্বামীর মৃতদেহের উপরও নির্যাতন করেছে রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ। সমাহিত করার জন্য স্বামীর লাশ হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন ইউলিয়া।

আল জাজিরা জানিয়েছে, ইউলিয়া প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে অর্থোডক্স খ্রিস্টান মূল্যবোধকে উপহাস করার এবং তার স্বামীর মৃতদেহকে নির্যাতন করার অভিযোগ করেছেন।

ইউলিয়া শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত একটি ভিডিওতে মস্কো কর্তৃপক্ষের প্রতি বলেছেন, ‘আমার স্বামীর মৃতদেহ বুঝিয়ে দিন।’

প্রসঙ্গত, লাভালনিকে ঐতিহ্যগত অর্থোডক্স অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপহার দিতে চেয়েছিলেন ইউলিয়া।

তিনি পুতিনকে একটি বার্তায় বলেন, ‘আপনি তাকে জীবিত নির্যাতন করেছেন এবং এখনও আপনি তার মৃতদেহের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন। আপনি মৃতদের শেষটুকু নিয়েও উপহাস করেন।’

এদিকে নাভালনির মা লিউডমিলা নাভালনায়া বলেছেন, তদন্তকারীরা তাকে তার ছেলেকে গোপনে সমাহিত করার জন্য চাপ দিচ্ছে। অন্যদিকে রাশিয়ায় পুতিনবিরোধী গণমাধ্যম নোভায়া গেজেটার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্যারামেডিক বলেছিলেন, নাভালনির মরদেহ সালেখার্ড অঞ্চলের ক্লিনিক্যাল হাসপাতালে আনা হয়। মরদেহের মাথা ও বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তিনি বলেছিলেন, ‘যারা মরদেহটি নিয়ে এসেছিলেন তারা বলেছেন যে এমন আঘাত খিঁচুনির কারণে হতে পারে। লোকটির খিঁচুনি শুরু হলে তাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ সময় শরীরে আঘাত লাগে। বুকেও ছিল আঘাতের দাগ। এরপর সম্ভবত হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু ঘটে।’

রুশ কারা কর্মকর্তাদের মতে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রুশ আর্কটিকের নৃশংস কারাগার হিসেবে কুখ্যাত আইকে ৩-তে কিছুক্ষণ হাঁটার পর অসুস্থ হয়ে মারা যান ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত নাভালনি।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, এখনও ময়নাতদন্ত হয়নি। এ ছাড়া মস্কো থেকে দুটি অনির্ধারিত ফ্লাইট ১৭ ফেব্রুয়ারি সালেখার্ডে পৌঁছেছিল। সম্ভবত ময়নাতদন্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এসেছিল সেই ফ্লাইট। গণমাধ্যমকর্মীরা আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পৌঁছেছিল প্রথম বিমান। তদন্ত কমিটির গাড়িও তখন দেখা গেছে। দেড় ঘণ্টা পর পৌঁছেছে দ্বিতীয় বিমান।

;

ইসরায়েলের নতুন বসতি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ : যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নতুন ইসরায়েলি বসতি অবৈধ এবং কার্যকরভাবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের একটি নীতির বিপরীত।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৩,৩০০টিরও বেশি নতুন ইসরায়েলি বসতি নির্মাণের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা হতাশাজনক।’

আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘এটি ডেমোক্র্যাটিক এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনের একটি দীর্ঘস্থায়ী নীতি ছিল যে, নতুন বসতি স্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য বিপরীতমুখী পদক্ষেপ। এটি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গেও অসঙ্গতিপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রশাসন বসতি সম্প্রসারণের দৃঢ় বিরোধিতা করে। আমাদের বিচারে এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে না, বরং আরও বেশি দুর্বল করে।’

এদিকে, বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশই এই বসতিগুলোকে অবৈধ এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের সম্প্রসারণ হিসেবে দেখছে।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তার মুখপাত্র জন কিরবি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘ব্লিঙ্কেনের অবস্থান বিভিন্ন রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটিক প্রশাসনের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

অধিকৃত পশ্চিম তীরে হাজার হাজার নতুন বসতি স্থাপনকারী বাড়ি নির্মাণের সর্বশেষ ইসরায়েলি পরিকল্পনার নিন্দা করেছে জার্মানি।

বার্লিনে একটি সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মুখপাত্র ক্যাথরিন ডেসচওয়ার বলেছেন, ‘আপনি জনবসতি নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান জানেন। এটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।’

;

সংহতি প্রকাশ করতে ইউক্রেন সফরে পশ্চিমা নেতারা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের তৃতীয় বছরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেন এবং কানাডার জাস্টিন ট্রুডোসহ পশ্চিমা নেতারা কিয়েভের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে ইউক্রেনে পৌঁছেছেন।

ভন ডের লেন, ট্রুডো, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডি ক্রু শনিবার প্রতিবেশী (২৪ ফেব্রুয়ারি) পোল্যান্ড থেকে একটি রাতের ট্রেনে ইউক্রেনে পৌঁছেছেন।

ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি কিয়েভের গোস্টোমেল বিমানবন্দরে একটি উন্মুক্ত বার্ষিকী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমরা ৭৩০ দিন ধরে লড়াই করছি। আমরা আমাদের জীবনের সেরা দিনে জিতব।’

ইউক্রেনের সেনাপ্রধান অলেক্সান্ডার সিরস্কিও বিদ্রোহী সুরে বলেছেন, ‘আমি নিশ্চিত যে, ঐক্যই আমাদের বিজয় এবং এটি অবশ্যই ঘটবে। কারণ, আলো সবসময় অন্ধকারকে জয় করে!’ আল জাজিরা জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই বার্তা দেন সিরস্কি।

চলতি বছর জি-৭ এর সভাপতিত্বকারী দেশ ইতিলির পক্ষে মেলোনি, প্রধান অর্থনীতির গোষ্ঠীর নেতারা এবং জেলেনস্কির মধ্যে শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) একটি ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজনের কথা রয়েছে।

ওই আলোচনার সম্ভাব্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা এবং ইউক্রেনের জন্য যৌথ অস্ত্র ক্রয়।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেন এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন, ‘আমরা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আরও বেশি দৃঢ়ভাবে ইউক্রেনের পাশে রয়েছি। এক্ষেত্রে আমরা অর্থনৈতিক, সামরিক এবং নৈতিকভাবে কিয়েভের পাশে আছি। আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত ইউক্রেনের পাশে আছি, যতক্ষণ না দেশটি চূড়ান্তভাবে দখলমুক্ত হয়।’

কিয়েভে পৌঁছানোর আগে এক বিবৃতিতে ট্রুডো বলেন, ‘ইউক্রেনীয়রা আমাদের যৌথ ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করছে। তারা বিশ্বকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য লড়াই করছে যে, গণতন্ত্র বাঁচার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এবং জয়ের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু যুদ্ধ চলছে, সেটাই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আর এ কারণেই কানাডা প্রথম দিন থেকেই ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

ন্যাটোর প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ বলেছেন, ‘আরও সমর্থনের পথে ইউক্রেন। দেশটি ন্যাটোতে যোগ দেবে। কিন্তু, ইউক্রেনকে সেই দিনের জন্য প্রস্তুত করার পাশাপাশি এখনই কিয়েভের পাশে দাঁড়ানো অব্যাহত রাখবে ন্যাটো।’

এদিকে, ব্রিটেন ইউক্রেনের জন্য জরুরী প্রয়োজনে গোলন্দাজ বাহিনীর গোলাবারুদ উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করার জন্য একটি নতুন ৩১১ মিলিয়ন
মার্কিন ডলারের প্রতিরক্ষা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

;