রাফায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ১০০: হামাস



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজার দক্ষিণাঞ্চলে সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ রাফায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছে। 

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে ঘুমন্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতা চালানো হয় বলে জানিয়েছে গাজার হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

হামাস সরকার জানিয়েছে, রাফাহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ১৪ টি বাড়ি ও তিনটি মসজিদে বিমান হামলা চালোনো হয়েছে।

হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আগে বলেছিল, মিসরের সীমান্তবর্তী শহরটিতে ইসরায়েলি হামলায় ৫২ জন নিহত হয়েছেন। এখন তারা আগের তথ্য সংশোধন করে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ার কথা জানাল। 

ফিলিস্তিনি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি (পিসিআরএস) জানিয়েছে, বর্তমানে রাফাহতে গাজার মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক অবস্থান করছে। সেখানে সোমবার রাতে বিমান বিমান হামলার স্বীকার হয়েছেন তারা। এতে প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, দক্ষিণ গাজা উপত্যকার শাবোরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের লক্ষ্যবস্তুতে একের পর এক হামলা চালিয়েছে তারা।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সেনাবাহিনীকে গাজার জনবহুল এলাকা রাফায় স্থল আক্রমণের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার পর যুদ্ধের সূত্রপাত হওয়ার পর ইসরায়েলি সেনারা এখনও সেখানে প্রবেশ করতে পারেনি।

গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর রাফাহ বাদে গাজার সব অঞ্চলে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। তাদের এসব হামলা থেকে বাঁচতে লাখ লাখ মানুষ রাফাহতে চলে যান। এমনকি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীই গাজাবাসীকে নির্দেশনা দিয়েছিল; তারা যেন রাফাহতে চলে যান। এছাড়া রাফাহকে নিরাপদস্থান হিসেবেও ঘোষণা দিয়েছিল ইসরায়েল। তাদের কথা শুনে ও জীবন বাঁচাতে তখন লাখ লাখ মানুষ দলে দলে গাজার অন্যান্য অঞ্চল থেকে এখানে চলে আসেন। এখন এখানেও হামলা চালানো হচ্ছে।

   

‘হৃদপিণ্ড বরাবর এক ঘুষি মেরে নাভালনিকে হত্যা করা হয়’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনিকে হৃৎপিণ্ড বরাবর এক ঘুষি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন একজন মানবাধিকার কর্মী।

হত্যার ক্ষেত্রে এটি রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির একটি পুরানো পদ্ধতি বলে জানিয়েছেন তিনি।

এনডিটিভি জানিয়েছে মানবাধিকার গ্রুপ গুলাগু ডট নেটের প্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদিমির ওসেচকিন নাভালনির কারাগারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অফ লন্ডনকে বলেছেন, ‘এভাবে মানুষ হত্যা কেজিবির বিশেষ বাহিনীর একটি পুরানো পদ্ধতি। তারা তাদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল একজন মানুষকে হার্টে একটি ঘুষি মেরে কীভাবে মেরে ফেলা যায়। এটি কেজিবির একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।’

সোভিয়েত যুগের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিষেবা কেজিবি ছিল অনেক ভয়ঙ্কর। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ৩ ডিসেম্বর সংস্থাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। পরে এটি রাশিয়ায় ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এসভিআর) নামধারণ করা হয় এবং এটি পরে ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) নাম ধারণ করে।

ওসেচকিন দাবি করেছেন যে, প্রাণঘাতী হামলার আগে ৪৭ বছর বয়সি নাভালনিকে তার শরীরকে দুর্বল করার জন্য কঠোর, সাবজিরো তাপমাত্রায় ঘন্টার জন্য বাইরে রাখা হয়েছিল।

কারাগারে কর্মরত একটি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে ওসেচকিন বলেন, ‘আমি মনে করি যে, তারা প্রথমে তাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ঠান্ডায় বাইরে রেখে এবং রক্ত ​​সঞ্চালনকে ন্যূনতমভাবে কমিয়ে দিয়ে তার শরীরকে অবসাদগ্রস্ত করেছিল। এতে করে কাউকে হত্যা করা খুব সহজ হয়ে যায়।’

একটি প্রতিবেদন অনুসারে একজন প্যারামেডিক বলেছেন, যারা কারাগারে মারা যায় তাদের মৃতদেহ সাধারণত সরাসরি ফরেন মেডিসিন ব্যুরোতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, নাভালনির লাশ কোনো কারণে একটি ক্লিনিকাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।’

এদিকে, নাভালনির পরিবার এবং সমর্থকরা তাকে হত্যা করার জন্য পুতিনকে অভিযুক্ত করেছেন। যদিও এই অভিযোগ ক্রুদ্ধভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ক্রেমলিন।

;

পাঁচ রাজ্যে আপ-কংগ্রেস আসন রফা সম্পন্ন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিসহ চার রাজ্যে এবং কেন্দ্রশাসিত চণ্ডীগড়ে জোট বেঁধেই লড়বে আম আদমি পার্টি (আপ) এবং কংগ্রেস। এরপর ৭টি লোকসভা আসন বিশিষ্ট দিল্লিতে আসন সমঝোতা কী হবে, তা নিয়ে গুঞ্জন চলছিল রাজনৈতিক মহলে।

শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপ এবং কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা দিল্লিতে চার-তিন সমীকরণে লড়বে। শুধু দিল্লি নয়, গুজরাট, হরিয়ানা, গোয়া এবং চণ্ডীগড়ে কী সমীকরণে আসন সমঝোতা হচ্ছে তা-ও জানিয়ে দিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং রাহুল গান্ধীর দল।

দিল্লিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব কেজরিওয়ালের দলকে চারটি আসন ছেড়েছে। সেই চারটি আসন হলো নয়াদিল্লি, দক্ষিণ দিল্লি, পূর্ব দিল্লি এবং পশ্চিম দিল্লি। বাকি তিন আসন অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব দিল্লি, উত্তর-পশ্চিম দিল্লি এবং চাঁদনিচকে লড়বে কংগ্রেস শিবির।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির সাত আসনের মধ্যে পাঁচ আসনেই দ্বিতীয় স্থানে ছিল কংগ্রেস। আর দুই আসনে বিজেপির পরেই ছিল কেজরিওয়ালের দল। সাতটি আসনই জিতেছিল বিজেপি।

জানুয়ারিতে কংগ্রেস এবং আপ নেতৃত্ব আসন সমঝোতা নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা করলেও জট কাটেনি। সূত্রের খবর ছিল আপের পক্ষ থেকে দিল্লির সাতটি আসনের মধ্যে একটি বা দুটি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেস অন্তত তিনটিতে লড়ার দাবিতে অনড় থাকায় আলোচনা ভেস্তে যায়।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ তখন আশঙ্কা করেছিল, পাঞ্জাবের মতো দিল্লিতেও দুই দল একা লড়ার সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

কংগ্রেস নেতা মুকুল ওয়াসনিকের নেতৃত্বে গঠিত আসন সমঝোতার দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির অন্য চার সদস্য রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত, ছত্তিসগড়ের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সালমান খুরশিদ এবং এআইসিসির সাবেক মুখপাত্র মোহন প্রকাশ ছিলেন বৈঠকে। সঙ্গে ছিলেন দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অরবিন্দর সিং লাভলিও।

অন্যদিকে, আপের পক্ষ থেকে রাজ্যসভা সাংসদ সন্দীপ পাঠক এবং দিল্লির দুই মন্ত্রী অতিশী এবং সৌরভ ভরদ্বাজ অংশ নিয়েছিলেন জানুয়ারির আসন রফার আলোচনায়।

জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও একাধিকবার বৈঠকে বসেছিল দুই শিবির। সেখানেই আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়।

শুক্রবার আপ এবং কংগ্রেস যৌথভাবে পাঁচ রাজ্যের আসন বণ্টনের কথা ঘোষণা করে। কংগ্রেস নেতা মুকুল ওয়াসনিক গত শুক্রবার জানান, ‘১০ লোকসভা আসনের হরিয়ানায় ৯টি আসনেই আপের সমর্থনে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস। কুরুক্ষেত্র লোকসভা আসনটি ছাড়া হয়েছে আপকে।’

এনডিটিভি জানিয়েছে, চণ্ডীগড় লোকসভা আসনে কে লড়বে, তা নিয়ে আপ এবং কংগ্রেসের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত আসনটি কংগ্রেসকে ছাড়তে রাজি হয় কেজরির দল। চণ্ডীগড়ের মতো দুই আসনের গোয়াতেও আপের সমর্থনে প্রার্থী দেবে কংগ্রেসই।

গুজরাটেও আপ এবং কংগ্রেস জোট বেঁধেই লড়বে। গুঞ্জন মতোই কংগ্রেস, আপকে ছেড়ে দিল দক্ষিণ গুজরাটের ভারুচ আসনটি।

;

নাভালনিকে মৃত্যুর পরও নির্যাতন করছেন পুতিন : ইউলিয়া



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া বলেছেন, তার স্বামীর মৃতদেহের উপরও নির্যাতন করেছে রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ। সমাহিত করার জন্য স্বামীর লাশ হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন ইউলিয়া।

আল জাজিরা জানিয়েছে, ইউলিয়া প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে অর্থোডক্স খ্রিস্টান মূল্যবোধকে উপহাস করার এবং তার স্বামীর মৃতদেহকে নির্যাতন করার অভিযোগ করেছেন।

ইউলিয়া শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত একটি ভিডিওতে মস্কো কর্তৃপক্ষের প্রতি বলেছেন, ‘আমার স্বামীর মৃতদেহ বুঝিয়ে দিন।’

প্রসঙ্গত, লাভালনিকে ঐতিহ্যগত অর্থোডক্স অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপহার দিতে চেয়েছিলেন ইউলিয়া।

তিনি পুতিনকে একটি বার্তায় বলেন, ‘আপনি তাকে জীবিত নির্যাতন করেছেন এবং এখনও আপনি তার মৃতদেহের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন। আপনি মৃতদের শেষটুকু নিয়েও উপহাস করেন।’

এদিকে নাভালনির মা লিউডমিলা নাভালনায়া বলেছেন, তদন্তকারীরা তাকে তার ছেলেকে গোপনে সমাহিত করার জন্য চাপ দিচ্ছে। অন্যদিকে রাশিয়ায় পুতিনবিরোধী গণমাধ্যম নোভায়া গেজেটার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্যারামেডিক বলেছিলেন, নাভালনির মরদেহ সালেখার্ড অঞ্চলের ক্লিনিক্যাল হাসপাতালে আনা হয়। মরদেহের মাথা ও বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তিনি বলেছিলেন, ‘যারা মরদেহটি নিয়ে এসেছিলেন তারা বলেছেন যে এমন আঘাত খিঁচুনির কারণে হতে পারে। লোকটির খিঁচুনি শুরু হলে তাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ সময় শরীরে আঘাত লাগে। বুকেও ছিল আঘাতের দাগ। এরপর সম্ভবত হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু ঘটে।’

রুশ কারা কর্মকর্তাদের মতে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রুশ আর্কটিকের নৃশংস কারাগার হিসেবে কুখ্যাত আইকে ৩-তে কিছুক্ষণ হাঁটার পর অসুস্থ হয়ে মারা যান ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত নাভালনি।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, এখনও ময়নাতদন্ত হয়নি। এ ছাড়া মস্কো থেকে দুটি অনির্ধারিত ফ্লাইট ১৭ ফেব্রুয়ারি সালেখার্ডে পৌঁছেছিল। সম্ভবত ময়নাতদন্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এসেছিল সেই ফ্লাইট। গণমাধ্যমকর্মীরা আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পৌঁছেছিল প্রথম বিমান। তদন্ত কমিটির গাড়িও তখন দেখা গেছে। দেড় ঘণ্টা পর পৌঁছেছে দ্বিতীয় বিমান।

;

ইসরায়েলের নতুন বসতি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ : যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নতুন ইসরায়েলি বসতি অবৈধ এবং কার্যকরভাবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের একটি নীতির বিপরীত।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৩,৩০০টিরও বেশি নতুন ইসরায়েলি বসতি নির্মাণের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা হতাশাজনক।’

আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘এটি ডেমোক্র্যাটিক এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনের একটি দীর্ঘস্থায়ী নীতি ছিল যে, নতুন বসতি স্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য বিপরীতমুখী পদক্ষেপ। এটি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গেও অসঙ্গতিপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রশাসন বসতি সম্প্রসারণের দৃঢ় বিরোধিতা করে। আমাদের বিচারে এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে না, বরং আরও বেশি দুর্বল করে।’

এদিকে, বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশই এই বসতিগুলোকে অবৈধ এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের সম্প্রসারণ হিসেবে দেখছে।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তার মুখপাত্র জন কিরবি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘ব্লিঙ্কেনের অবস্থান বিভিন্ন রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটিক প্রশাসনের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

অধিকৃত পশ্চিম তীরে হাজার হাজার নতুন বসতি স্থাপনকারী বাড়ি নির্মাণের সর্বশেষ ইসরায়েলি পরিকল্পনার নিন্দা করেছে জার্মানি।

বার্লিনে একটি সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মুখপাত্র ক্যাথরিন ডেসচওয়ার বলেছেন, ‘আপনি জনবসতি নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান জানেন। এটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।’

;