বিশ্বের গ্রহণযোগ্য নেতার তালিকায় ফের শীর্ষে মোদি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জনপ্রিয়তার দিক থেকে বিশ্বে আবারও শীর্ষ স্থান দখল করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যুক্তরাষ্ট্রের ডেটা ইন্টেজিলেন্স সংস্থা মর্নিং কনসাল্টের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নেতার তালিকার শীর্ষে আছেন মোদি।

এ ক্ষেত্রে তার ধারেকাছেও নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে মার্কিন ডেটা ইন্টেজিলেন্স সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, মোদির গ্রহণযোগ্যতা দাঁড়িয়েছে ৭৮ শতাংশ। আবার ১৭ শতাংশ মানুষের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হননি। ছয় শতাংশ মানুষ কোনও মত প্রকাশ করেননি।

মোদির পর দ্বিতীয় স্থানে আছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট লোপেজ অবরাদোর। সমীক্ষা অনুযায়ী, লোপেজকে ৬৫ শতাংশ মানুষ গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছেন। অর্থাৎ মোদির থেকে ১৩ শতাংশ পিছিয়ে আছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট। ২৯ শতাংশ মানুষের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হননি। কোনও মতপ্রকাশ করেননি পাঁচ শতাংশ মানুষ।

তৃতীয় স্থানে রয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জেভিয়ার মিলেই। ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, তার গ্রহণযোগ্যতা দেখা গেছে ৬৩ শতাংশ। তাকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেননি সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৩২ শতাংশ মানুষ। অন্যদিকে, সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পাঁচ শতাংশ মানুষ কোনও মতপ্রকাশ করেননি।

চতুর্থ স্থানে আছেন পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক। তার অ্যাপ্রুভাল রেটিং হল ৫২ শতাংশ। পঞ্চম স্থানে আছেন সুইৎজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ভায়োলা আমহার্ড। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫১ শতাংশ মানুষের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন।

মার্কিন ডেটা ইন্টেজিলেন্স সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, সাত নম্বরে আছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ, আটে আছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, ১১ নম্বরে আছেন জো বাইডেন।

এক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে আছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনাক এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।

   

একসঙ্গে ৬ সন্তানের জন্ম দিলেন ২৭ বছরের নারী



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির একটি হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর জন্ম দিয়েছেন ২৭ বছরের জিনাত ওয়াহিদ নামে এক নারী। ৬ শিশুসহ তাদের মা সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক। জন্ম নেওয়া ছয় শিশুর মধ্যে চারজন ছেলে শিশু ও বাকি দুজন মেয়ে শিশু। গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) এক ঘণ্টার মধ্যে একের পর এক ছয় সন্তান প্রসব করেন তিনি।

শনিবার (২০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

রাওয়ালপিন্ডি জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ ফারজানা দ্য ডনকে জানান, মিসেস ওয়াহিদ প্রসব ব্যথার কারণে গত বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন শুক্রবার এক ঘণ্টার মধ্যে একের পর এক ছয় সন্তান প্রসব করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এটিই ছিল তার প্রথম প্রসব। বাচ্চাদের মধ্যে চারটি ছেলে ও দুটি মেয়ে এবং প্রতিটি শিশুর ওজন হয়েছে দুই পাউন্ডের কম। মা ও তার ছয় সন্তান কোনো জটিলতা ছাড়াই সুস্থ আছেন।

জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের ডাক্তাররা ইনকিউবেটরে রেখেছেন বলেও জানান তিনি। 

এমন ঘটনায় হাসপাতাল প্রশাসন আনন্দ প্রকাশ করেছে। 

 

;

আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, ইসরায়েলের নিন্দা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কুখ্যাত ইউনিট নেতজাহ ইয়েহুদার ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে ইসরায়েল বলছে, সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা আইএনএসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে নেতজাহ ইয়েহুদার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা।

এ প্রসঙ্গে শনিবার (২০ এপ্রিল) রাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া উচিত হবে না। আমাদের সৈন্যরা সন্ত্রাসী দানবদের সঙ্গে লড়াই করছে।’

ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচও মার্কিন পরিকল্পনার নিন্দা করেছেন। গভির বলেন, ‘আমাদের সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।’

তিনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টকেও মার্কিন আদেশের সামনে নতি স্বীকার না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপের অংশ যাতে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সম্মত হতে এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা ত্যাগ করতে বাধ্য করা যায়।

;

গাজার খান ইউনিসে মিলল গণকবর, ৫০ মরদেহ উদ্ধার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের খান ইউনিসে নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে একটি গণকবর শনাক্ত করা হয়েছে। এতে ৫০টি মরদেহের খোঁজ পাওয়া গেছে। 

চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এই শহরটি ছেড়ে যাওয়ার এতোদিন পর গণকবরের সন্ধান মিলেছে। রোববার (২১ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে ৫০ টি মৃতদেহ-সম্বলিত একটি গণকবর উন্মোচন করেছে ফিলিস্তিনি জরুরি পরিষেবা।

পরিষেবাটি বলেছে, ‘আমাদের দলগুলো আগামী দিনে অবশিষ্ট শহীদদের খোঁজে তাদের অনুসন্ধান এবং পুনরুদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখবে। কারণ তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এখনও (গণকবরে) রয়েছে।’

আল জাজিরা বলছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গত ৭ এপ্রিল গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিস থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে। আর এরপরই সেখানে এই গণকবর শনাক্ত হলো। মূলত কয়েক মাসের নিরলস ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং ভারী লড়াইয়ের পরে গাজার এই শহরের বেশিরভাগ অংশ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ কোনও ধরনের আশ্রয় ছাড়াই বসবাস করছে এবং প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ত্রাণবাহী ট্রাক এই অঞ্চলে প্রবেশ করছে।

ইসরায়েল গাজার ওপর ব্যাপকভাবে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। এর ফলে এই ভূখণ্ডের জনগোষ্ঠী বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা অনাহারের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণের ফলে এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৭৬ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া ইসরায়েল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে।

;

ভারতে ট্রাক-গাড়ির সংঘর্ষে এক পরিবারের ৯ জন নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের রাজস্থানে বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে গাড়ি ও ট্রাকের সংঘর্ষের ঘটনায় একই পরিবারের ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন।

রোববার (২১ এপ্রিল) সকালে রাজস্থানের ঝালাওয়ার জেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাড়িটি মধ্যপ্রদেশের একটি বিয়েবাড়ি থেকে ফিরছিল। ঝালাওয়ারের ৫২ নম্বর জাতীয় সড়কে গাড়িটির সঙ্গে একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। নিহতরা সবাই একই পরিবারের। তাঁরা সবাই বিয়েবাড়ি থেকে ফিরছিল। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রাক চালক পালিয়ে গেলেও পরে তাঁকে আটক করেছে পুলিশ। 

স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মৃতদের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়েছে। সকলে একই পরিবারের সদস্য। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ট্রাকে থাকা এক ব্যক্তি। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

;