তৃণমূলের মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক অক্ষুন্ন থাকবে না : মোদি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক অক্ষুন্ন থাকবে না বলে শুক্রবার (১ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গের আরামবাগের সভা থেকে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ঘড়ি ধরে আধা ঘণ্টার বক্তৃতার শেষ দিকে এই কথা বললেও শুরুতে সন্দেশখালি প্রসঙ্গে আক্রমণ করতে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘মুসলিম তোষণের’ অভিযোগ তোলেন মোদি।

এনডিটিভি জানিয়েছে, মোদির অভিযোগ ও ভবিষ্যদ্বাণীকে তৃণমূল যে গুরুত্ব দিচ্ছে না তৃণমূল। দলটির মুখপাত্র শান্তনু সেন বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি এবং তার দল ধর্মীয় ভেদাভেদ করেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ধর্ম এবং মতনির্বিশেষে মানুষের সমর্থন রয়েছে।’

শুক্রবার আরামবাগে বিজেপির জনসভায় মোদী তার বক্তৃতার শুরুর দিকেই সন্দেশখালি প্রসঙ্গ টানেন। ওই এলাকায় যা ঘটেছে, তা নিয়ে গোটা দেশ ব্যথিত বলার পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন যে, ‘এখন বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসা করছেন, আপনার কাছে কিছু ভোটের মূল্য কি মা-বোনদের কষ্টের থেকেও বেশি?’

সন্দেশখালিকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত শাহজাহান শেখকে গতকাল বৃহস্পতিবারই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তৃণমূল আশা করেছিল, মোদির সফরের আগের দিনই শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ায় বিজেপি তথা প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার ঝাঁজ অনেকটাই কমে যাবে।

কিন্তু সভার শুরুতেই মোদির উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার প্রায় পুরোটাই সন্দেশখালি নিয়ে বলেন।

এরপরেই বক্তৃতা দিতে গিয়ে মোদি বলেন, ‘তৃণমূলের নেতা সন্দেশখালিতে মা-বোনেদের উপর অত্যাচারের সব সীমা পার করে ফেলেছে! যখন এর বিরুদ্ধে নারীরা আওয়াজ তুললেন, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চাইলেন, তখন তার বদলে তারা কী পেলেন? মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত শক্তি লাগিয়ে দিলেন অপরাধীকে বাঁচাতে!’

এখানেই না থেমে শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে সময় নেওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজেপির চাপে তৃণমূল বাধ্য হয়েছে তাকে গ্রেফতার করতে। তৃণমূল রাজত্বে তৃণমূলের এই নেতা দুই মাস গায়েব ছিল। কেউ তো ছিল, যারা একে আড়াল করে রেখেছিল!’

এরপরেই জমায়েতের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে মোদি বলেন, ‘আপনারা কি এই তৃণমূলকে ক্ষমা করবেন? যারা মা-বোনদের সঙ্গে এমন করেছে, তাদের বদলা নেবেন কি না? সব হিসাব ভোটে হবে। এখন বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করছেন, আপনার কাছে কিছু ভোটের মূল্য কি মা-বোনেদের কষ্টের থেকেও বেশি?’

বিজেপি নেতারা বলছেন, ‘কিছু ভোট’ বলতে মোদি রাজ্যের মুসলিম ভোটের কথাই বলেছেন।

বক্তৃতার শেষে মোদি এই রাজ্যে মুসলিমরা লোকসভা নির্বাচনে কী করবেন, তা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেন। তিনি বলেন, ‘মুসলিম ভাই-বোনেরা এবার তৃণমূলকে শিক্ষা দেবে। তৃণমূলের বিদায়ের কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গেছে।’

এর জবাবে শান্তনু বলেন, ‘মোদির আমলে দেশে সংখ্যালঘুদের কী অবস্থা, তা সারাদেশ জানে। আর বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সব ধর্মের মানুষ এক ছাতার তলায়। কেউই বিকল্প খুঁজতে যাবেন না।’

   

ভিজে বন্য হওয়ার ‘সংক্রান’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, সাউথ-ইস্ট এশিয়া ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় স্থানগুলোতে পথে হাঁটতে গেলে আপনাকে এখন ভিজতে হবেই। শুধু হাঁটা নয়, টুকটুক বা বাইকে করে যদি ঘুরতে বের হন, এমনকি ট্যাক্সিতে জানালা খোলা থাকলেও ভেজার সম্ভাবনা বেশি।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে আমরা যাই ব্যাংককের সানাম লুয়াং রয়েল প্যালেস এলাকায়। এখানে প্যালেসের সামনে মাঠে স্থাপন করা হয়েছে প্রায় ফুটবল মাঠের সমান এক ওয়াটার পুল। সেখানে নানা বয়সী, বিশেষত শিশুরা মেতে উঠেছে উৎসবে। আর সড়কগুলো রয়েছে ভিজে। স্থানীয় আর পর্যটকদের হাতে নানা আকার ও নানা ধরনের ওয়াটার গান। পানি ছুড়ছেন একে অপরকে। এই পানি খেলা শুধু বন্ধুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, যে কেউ যে কাউকে পানি ছুড়তে পারবে। সেখানে রাগ বা অভিমান নেই। রয়েছে শুধুই উচ্ছাস।


ব্যাংককের পথে পথে দেখা মিলবে পিকআপে করে পানি ছোড়ার কর্ম। পিকআপ ভ্যানের পেছনে আস্ত পানির ট্যাঙ্কি নিয়ে উঠেছে কিশোর-কিশোরীর দল। সেখান থেকে পাইপে, মগ বা বালতিতে করে ছোড়া হচ্ছে পানি। পুরো গোসল করিয়ে দেয়া হচ্ছে পথচারীদের।

সানাম লুয়াং, সিয়াম সেন্টার, খাওসান রোড, সুকুমভিতসহ সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছে পানি খেলার এই আয়োজন। শুধু পানি ছোড়ার খেলা নয়, সঙ্গে রয়েছে কনসার্ট আর নানা ধরনের প্রদর্শনী। যা উৎসবকে করেছে রঙিন।

শুধু থাইল্যান্ড নয়, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়ার মানুষ উদযাপন করছে নতুন বর্ষের এই উৎসব। ২০২৩ সালে থাইল্যান্ডের এই নববর্ষ উৎসব, ‘সংক্রান’কে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো। তাই চলতি বছর এই উৎসবের রংয়ে লেগেছে নতুন মাত্রা।


সংক্রানকে ঘিরে নিজ নিজ দেশের পর্যটনকে বিকশিত করার নানা উদ্যোগ নিয়েছে দেশগুলো। লাওস এরই মধ্যে ভিয়েনতিয়েনে সংক্রানের জল উৎসবের জায়গা নির্ধারণ করেছে। কম্বোডিয়া সরকার আশা করছে এই সংক্রানকে ঘিরে অন্তত ৫০ হাজার থেকে লাখ বিদেশি পর্যটকের সমাবেশ ঘটাতে পারবে দেশটি।

থাইল্যান্ড এক্ষেত্রে অবশ্যই এগিয়ে আছে। থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে অন্তত সাড়ে ৫ লাখ পর্যটক এরই মধ্যে প্রবেশ করেছে সংক্রান উৎসবে যোগ দিতে।

থাইল্যান্ডের প্রতিটি প্রাদেশিক শহরেই স্থানীয়ভাবে আয়োজন করা হয়েছে সংক্রানের। স্থানীয়রা অনেকেই তাদের বাসার সামনে বসেছেন ওয়াটার পুল নিয়ে। সেখানে যেমন শিশুরা খেলছে আবার পানি ছুড়ছে পথচারীদের।


সংক্রানে পানি ছোড়ার সঙ্গেই আরেকটি বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। সেটা হচ্ছে পাউডার গলিয়ে শরীরে লাগিয়ে দেয়া। এটাও যে কেউ, যে কাউকে দিতে পারবে। বিশেষত গালে লাগিয়ে দেয়া হয়। 

;

ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে রকেট হামলা চালিয়েছে লেবাননের ইরানপন্থী সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। হামাস-ইসরায়েলের যুদ্ধের পর থেকে হিজবুল্লাহর এটি সবচেয়ে বড় হামলা দাবি করছে সংগঠনটি। 

শনিবার (১৩ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে কয়েক ডজন ‘কাতিউশা’ রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ।

উত্তর ইসরায়েল ও অধিকৃত গোলান মালভূমিতে ‘শত্রুপক্ষের কামানের বিভিন্ন স্থাপনায়’ এ হামলা চালানো হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে হিজবুল্লাহ। হামলার পর উপদ্রুত এলাকাগুলোতে সাইরেন বাজতে শোনা যায়। এ সময় তৎপর হয়ে ওঠে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ৪০টি রকেট লঞ্চ শনাক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে কয়েকটি ধ্বংস করা হয়েছে আর বাকিগুলো খোলা জায়গায় পড়েছিল। 

দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেম থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক ররি চ্যাল্যান্ডস বলেছেন, হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের মধ্যে এখন পর্যন্ত এটি সবচেয়ে বড় হামলা। এর মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক রকেট এবং ড্রোনের হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই সময়টাতে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে প্রায় প্রতিদিনই হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি হলেই কেবল হামলা থামাবে তারা।

দক্ষিণ লেবানন থেকে আল-জাজিরার সাংবাদিক আলী হাশেমি বলেছেন, ‘পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে খারাপ হচ্ছে। পরের ধাপে কী হবে, তার অপেক্ষায় রয়েছে সবাই।’

;

অস্ট্রেলিয়ায় শপিং মলে হামলা: প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য লোমহর্ষক বর্ণনা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের রাজধানী সিডনির একটি শপিং মলে ছুরি হামলায় এখন পর্যন্ত সাতজনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ওই ঘটনার সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া বক্তব্য উঠে এসেছে সেই লোমহর্ষক ঘটনার চিত্র। 

শনিবার (১৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার কিছু আগে বন্ডি জাংশন শপিং সেন্টারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে হামলার ভয়াবহ সব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে বলেন, যখন এই হামলা করা হয় তখন তিনি ও তার দুই ছোট বাচ্চা ঘটনাস্থলেই ছিলেন। হঠাৎ এক ব্যক্তি ওই শপিং মলে ঢুকে নির্বিচারে মানুষকে ছুরিকাঘাত করতে শুরু করে।

এমন ঘটনাকে তিনি 'হত্যাকাণ্ড' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী নারী মল থেকে বেরোতে বেরোতে হতবিহ্বল অবস্থায় বলছিলেন, এটা পুরোই পাগলামি।

এদিকে, কী কারণে এ হামলা করা হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয় পুলিশের কাছে। অবশ্য এ হামলার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার সময় পাশেই ডিউটিরত অবস্থায় ছিলেন এক নারী পুলিশ। হামলার কথা শুনে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে তাকেও হামলা করতে যান ওই ব্যক্তি। পরে সে তাকে গুলি করলে হামলাকারী মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

জেসন ডকসন নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এমন হামলা দেখে উপস্থিত সবাই চিৎকার এবং দৌঁড়াতে শুরু করে। পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখে সবাই নিরাপত্তার জন্য তার পিছনে গিয়ে সমবেত হয়।

তিনি আরও বলেন, ওই সময় যদি তিনি হামলাকারীকে গুলি না করতেন তাহলে আরও অনেকের মৃত্যু হতে পারতো।

ওই পুলিশ কর্মকর্তার এমন কাজের প্রশংসা করে তাকে 'নায়ক' হিসেবে আখ্যা দিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ বলেন, কোন সন্দেহ নেই যে তিনি তার অর্পিত দায়িত্বের মাধ্যমে এতোগুলো মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন। 

'এ ঘটনায় সবাই হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন'

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের ওয়েস্টফিল্ড মলে এ হামলা চালানো হয়েছে। মলটি দেশটির বিখ্যাত বন্ডি বিচের পাশেই অবস্থিত। এটি অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহত্তম একটি শপিং সেন্টার এবং অন্যান্য দিনের মতো এদিনও মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ ছিল মলটি। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল শিশু-কিশোর।

হামলার সময় মলে থাকা জনি (৩৩) নামে এক ক্রেতা জানান, কেনাকাটার একপর্যায়ে সবাইকে চিৎকার করতে এবং দৌড়াদৌড়ি করতে দেখেন। তিনি এক নারীসহ তার শিশুর ওপর হামলা করতে দেখেন। 

তিনি আরও জানান, ওই সময় সবাই হতবাক হয়ে দেখছিল। তখন আসলে কেউ বুঝতে পারছিল না কী করা উচিত।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘দেখতে পেলাম যে সবাই আমাদের দিকে ছুটে আসছেন। এরপর একটি গুলির শব্দ শুনলাম। আমার স্বামী আমাদের নিয়ে একটি দোকানে ঢুকে পড়েছিলেন। সেখানে থাকা এক নারী দোকানের দরজাগুলো বন্ধ করার চেষ্টা করছিলেন। তবে সামনের দরজাটি বন্ধ করতে পারেননি। তাই আমরা দোকানের ভেতর অফিসকক্ষে ঢুকে পড়লাম। সেটি চারদিক দিয়ে বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ এসে আমাদের সেখান থেকে বের করে।’

;

ইসরায়েলের জাহাজ জব্দ করেছে ইরান, উত্তেজনা চরমে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট হরমুজ প্রণালী থেকে ইসরায়েলের একটি কন্টেইনারবাহী জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের আধাসামরিক বাহিনী বিপ্লবী গার্ডের নৌ-কমান্ডরা।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা 'ইরনার' প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, দেশটির বিপ্লবী গার্ডের নৌ কমান্ডরা জাহাজটিতে অভিযান পরিচালনা করেছে। এমএসসি এআরআইইএস নামের জাহাজটি জব্দ করেন বিপ্লবী গার্ডের সেনারা।

এর আগে যুক্তরাজ্যের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের কাছে হরমুজ প্রণালীতে একটি জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে অজ্ঞাত একটি দল।

এদিকে ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ ঘটনার পর ইসরায়েল-ইরানের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছাবে।

ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, জাহাজটি জোডিয়াক মেরিটাইম শিপিং কোম্পানির। এই কোম্পানিটির মালিক হলেন দখলদার ইসরায়েলের ধনকুবের ইয়াল ওফার। জাহাজটি পর্তুগালের পতাকাবাহী ছিল বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

হরমুজ প্রণালী থেকে জব্দ করার পর জাহাজটি এখন ইরানের সমুদ্রসীমায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

;