ইউনেস্কো পুরস্কার পেল কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর মসজিদ



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর জামে মসজিদ

কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর জামে মসজিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতিসংঘের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা বা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে দেড় শ’ বছরের পুরোনো দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদ। প্রাচীন এ মসজিদটি ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মসজিদ অবস্থিত।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) ইউনেস্কোর এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অফিস থেকে অনলাইনে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ফিজি থেকে শুরু করে কাজাখাস্তান পর্যন্ত এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বিভিন্ন দেশের শ্রেষ্ঠ কাজগুলোকে প্রতিবছর স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। এ পুরস্কারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘এশিয়া-প্যাসিফিক অ্যাওয়ার্ডস ফর কালচারাল হেরিটেজ কনসারভেশন।’

২০২১ সালে ছয়টি দেশের নয়টি স্থাপনাকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ‘অ্যাওয়ার্ড অব মেরিট’ ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পেয়েছে কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদ। বাংলাদেশ ছাড়া ভারত, চীন, জাপান, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডের বিভিন্ন স্থাপনা এ বছর ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে।

পুরোনো মসজিদের পাশে নতুন তৈরি মসজিদ

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর ইউনিয়নের এই মসজিদটি ১৮৬৮ সালে নির্মাণ করা হয়। তখনকার জনসংখ্যার বিবেচনায় এটি ছোট আকারে নির্মাণ করা হয়েছিল। এরপর মসজিদটি একাধিকবার সম্প্রসারণ করা হয়। কালের পরিক্রমায় মসজিদের অবকাঠামো ক্ষয়িষ্ণু হয়ে যাচ্ছিল। কয়েক বছর আগে মসজিদটিকে সংস্কার করে পুরনো রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেন সেখানকার সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

স্থপতি আবু সাঈদ এম আহমেদ এ সংস্কার কাজের নেতৃত্ব দেন। ২০১৮ সালে এর সংস্কার কাজ শেষ হয়। পুরোনো মসজিদের পাশেই নির্মাণ করা হয় নতুন আরেকটি মসজিদ। পুরোনো মসজিদটি এখন লাইব্রেরি এবং মক্তবে রূপান্তরিত হয়েছে। ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাবার জন্য তিনি আবেদন করেন।

ইউনেস্কো এক বিবৃতিতে জানায়, এসব স্থাপনার মাধ্যমে ঐতিহ্যের যে বৈচিত্র্য ধরে রাখা হয়েছে সেটি সত্যিই প্রশংসার বিষয়। যেসব স্থাপনা পুরস্কার পেয়েছে সেগুলোতে টেকসই উন্নয়নের নানা দিক রয়েছে। পুরোনো স্থাপনাগুলোর সংরক্ষণ ঠিকমতো হয়েছে কি না সেটি বিশ্লেষণ করে দেখে ইউনেস্কোর বিশেষজ্ঞ কমিটি। সংস্কারের মাধ্যমে পুরনো রূপ দেওয়া হয়েছে দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদকে।

মসজিদটি সংস্কারের উদ্যোক্তা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দেড় শ’ বছর আগে এই মসজিদটি নির্মাণের সঙ্গে আমার পূর্বপুরুষদের ভূমিকা ছিল। ১৮৬৮-তে এর গোড়াপত্তন। ১৯৬৮ সালে আমার আব্বা (প্রয়াত অধ্যাপক হামিদুর রহমান) তৈরি করেন মসজিদের মিনার। বংশ পরম্পরায় আমি এর দায়িত্ব নিই। স্থানীয় জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মসজিদ সংস্কারের প্রয়োজন পড়ে। আমাদের লক্ষ্য ছিল, পুরোনোকে সঙ্গে নিয়ে নতুনের কথা বলা। এরপর আমাদের পথ চলায় যুক্ত হলেন স্থপতি আবু সাঈদ।

মসজিদটি দেখতে খুব সুন্দর

স্থপতি আবু সাঈদ এম আহমেদ জানান, পুরোনো স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যক্তি এবং বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগকে উৎসাহ দেয় ইউনেস্কো। সেজন্য ২০০০ সাল থেকে এ পুরষ্কার চালু করেছে ইউনেস্কো। দোলেশ্বর হানাফিয়া মসজিদ ইউনেস্কোর মানদণ্ড পূরণ করতে পেরেছে। সাধারণত বাংলাদেশে পুরোনো মসজিদ ভেঙ্গে নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হয়। এক্ষেত্রে পুরোনোটা রেখে নতুনটা তৈরি করা হয়েছে এবং পুরোনোটাকে একেবারে আদি অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

২৭ মে মতিঝিল কলোনি মসজিদে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিল



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
২৭ মে মতিঝিল কলোনি মসজিদে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিল

২৭ মে মতিঝিল কলোনি মসজিদে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিল

  • Font increase
  • Font Decrease

মরহুম হাফেজ ক্বারি সাঈদুর রহমান ও রত্নগর্ভা মরহুমা হামিদা বেগম স্মরণে আগামী ২৭ মে বাদ আসর মতিঝিল সরকারি জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

হামিদা সাঈদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত থাকবেন উস্তাজুল হুফফাজ শায়েখ আব্দুল হক হাফিজাহুল্লাহ, চেয়ারম্যান, হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্বারি ও বক্তা মাও. ক্বারি হাবিবুল্লাহ বেলালি, মাও. ক্বারি গোলাম মোস্তফা, মাও. ক্বারি আবুল হোসাইন, মাও. ক্বারি আবু রায়হান, মাও. মুফতি মিজানুর রহমান, মাও. হাফেজ মো. আবু ইউসুফ, মাও. হাফেজ খালেদ সাইফুল্লাহ, মাও. মুফতি যোবায়ের আহমাদ ও মাও. মুফতি মতিউর রহমান।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশের বিখ্যাত ক্বারি মাও. ক্বারি মো. আবদুল্লাহ, মাও. ক্বারি হাবিবুর রহমান, মাও. ক্বারি জহিরুল ইসলাম, মাও. ক্বারি রফিক আহমদ, মাও. ক্বারি নাজমুল হাসান, মাও. ক্বারি আমজাদ হোসাইন, মাও. ক্বারি একেএম ফিরোজ, মাও. ক্বারি আবদুল ওয়াদুদ, মাও. ক্বারি দেলাওয়ার হোসেন, মাও. ক্বারি মানজুর আহমদ, মাও. ক্বারি ফজলুল হক, মাও. ক্বারি আজিজুল হক. মাও. ক্বারি শাহাদাত হোসেন, মাও. ক্বারি মো. আবদুল মালেক, মাও. ক্বারি সাইদুল ইসলাম আসাদ, মাও. ক্বারি হাবিবুর রহমান মেশকাত, ক্বারি মো. হামিদুল্লাহ, ক্বারি মো. শহিদুল ইসলাম, ক্বারি মো. সাইফুর রহমান, ক্বারি মো. মাহমুদুল হাসান, ক্বারি আবু সালেহ মো. মুসা, হাফেজ ক্বারি মো. আবু জর গিফারিসহ অন্যান্য ক্বারিবৃন্দ তেলাওয়াত করবেন।

এ ছাড়া বিশ্বজয়ী হাফেজে কোরআন হাফেজ ক্বারি মো. জাকারিয়া, হাফেজ মো. তরিকুল ইসলাম ও হাফেজ ক্বারি মো. আবু রায়হান অনুষ্ঠানে তেলাওয়াত করবেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

;

‘বিমানের নিজস্ব উড়োজাহাজেই হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী বলেছেন, নিজস্ব বোয়িং-৭৭৭ উড়োজাহাজ দিয়েই হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। সোমবার বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব  মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ মফিদুর রহমান এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুব আলী আরো বলেন, বিমানের বহরের ২১টি উড়োজাহাজের মধ্যে চারটি বোয়িং-৭৭৭। ২০১৯ সালে এই চারটি দিয়েই হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছিল। এ বছরও সেটি করা হবে। এতে বিমানের কম গুরুত্বপূর্ণ ও কম লাভজনক রুটের ফ্রিকোয়েন্সি কমানো হবে। এটা দুই মাসের বিষয়। শিডিউল ফ্লাইটে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে না।

তিনি বলেন, হজের সকল ফ্লাইট যাতে নির্বিঘেœ পরিচালিত হয় সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার। হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত মন্ত্রণালয়ের একটি মনিটরিং টিম কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরে ট্রলি সংকট ছিল, সেটা এখন আর নেই। লাগেজ বেল্টে যেন কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য অনেকগুলো ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সরকার চায় বিমানবন্দর সুন্দরভাবে চলুক, এখানে কোনো প্রকার যাত্রী হয়রানি যাতে না হয়। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন হলে সেখানে যাত্রীরা সকল ধরনের আন্তর্জাতিক সেবা পাবেন। বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

মাহবুব আলী বলেন, কাস্টমস  আইন অনুযায়ী  চেক করতে গিয়ে যাত্রীদের আসা যাওয়ায় যাতে কোনো হয়রানি না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩১ মে যাতে হজ ফ্লাইট শুরু করা যায় সেজন্য প্রস্ততি আছে। কিন্তু হজে যারা যাবেন, বাড়ি ভাড়া এবং মোয়াল্লেম নির্ধারণসহ আনুষঙ্গিক কাজগুলো করতে পারেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়গুলো এখনো ক্লিয়ার হয়নি। তবে আমাদের বিশ্বাস নির্দিষ্ট সময়ে কাজগুলো সম্পন্ন করবে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়গুলো দেখছে।

;

হজের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়ল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আরও দুদিন বাড়ানো হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ২৪ মে পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ২০২২ সালের হজযাত্রীদের নিবন্ধন কার্যক্রম ২২ মে পর্যন্ত চলবে।

রোববার (২২ মে) রাতে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১-এর নিবন্ধন কার্যক্রম ২২ মে সন্ধ্যায় বন্ধ করা হয়েছে। শূন্য কোটা পূরণের জন্য সরকার ঘোষিত হজ প্যাকেজ অনুযায়ী বর্ধিত সময়সূচি ঘোষণা করা হলো।

নিবন্ধনের অর্থ পরিশোধে বর্ধিত সময় শুরু ২৩ মে, নিবন্ধনের অর্থ পরিশোধে বর্ধিত সময়ের শেষ তারিখ ২৪ মে (ব্যাংকিং সময় পর্যন্ত)। বর্ধিত সময়ে প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমিক ২৫ হাজার ৯২৫ থেকে সর্বশেষ ক্রমিক ২৭ হাজার ১০৫ পর্যন্ত হজযাত্রীরা নিবন্ধনের আওতায় আসবেন। সময়ে নিবন্ধনকারী ব্যক্তিরা শুধু সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-২-এর অধীন নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, রোববার পর্যন্ত বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫১ হাজার ৮৫১ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৮৪৯ জন হজযাত্রী হজে যাওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন।

সরকারিভাবে হজে যেতে প্যাকেজ-১-এ ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা এবং প্যাকেজ-২-এ ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে প্যাকেজে খরচ ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩০ টাকা। বেসরকারিভাবে এজেন্সিগুলোর সাধারণ প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা।

;

হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল ৭৮০ এজেন্সি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এই বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ পর্যন্ত ৩ ধাপে ৭৮০টি হজ এজেন্সিকে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর আগে গত ৮ মে প্রথম ধাপে ৬১০টি হজ এজেন্সিকে চলতি বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ধাপে গত ৯ মে অনুমোদন পায় ৯০টি হজ এজেন্সি।

রোববার (১৫ মে) তৃতীয় ধাপে ৮০টি হজ এজেন্সিকে হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে প্রত্যেক হজযাত্রীর সঙ্গে হজ অনুমোদন পাওয়া এজেন্সিগুলোর লিখিত চুক্তি করতে হবে।

প্রত্যেক এজেন্সি চলতি বছর সর্বোচ্চ ৩০০ জন এবং সর্বনিম্ন ১০০ জন হজযাত্রী পাঠাতে পারবে। এজেন্সিগুলোকে মিনা, আরাফাহ ও মুজদালিফায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজকর্মী নিয়োগ দিতে হবে।

যেসব এজেন্সির লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, হালনাগাদ কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল হয়নি, বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তি বা জরিমানা হয়েছে, সৌদি আরবে কালো তালিকাভুক্ত এবং অভিযোগ তদন্তাধীন— তাদের নাম তালিকায় আসেনি।

আদেশে বলা হয়েছে, তালিকা প্রকাশের পর কোনও হজ এজেন্সির তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণ হলে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় কারণ দর্শানো ছাড়াই সংশ্লিষ্ট এজেন্সির নাম তালিকা থেকে বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করে।

এতে আরও বলা হয়, অনিবন্ধিত কোনও ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে হজে নেওয়া যাবে না। কোনও এজেন্সি এ ধরনের উদ্যোগ নিলে কারণ দর্শানো ছাড়াই তার লাইসেন্স বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন মুসল্লি হজ পালনের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজে যেতে পারবেন।

;