চট্টগ্রাম দারুল মাআরিফ প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নতুন কমিটি



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম দারুল মাআরিফ প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নতুন কমিটি

চট্টগ্রাম দারুল মাআরিফ প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নতুন কমিটি

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া দারুল মাআরিফের প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে গঠিত ছাত্র পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে। ২০২২-২৩ (দুই বছর) সেশনের জন্য গঠিত ৩১ সদস্য কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শিক্ষক, শিল্পপতি, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবকসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) পরিষদের প্রধান উপদেষ্টার অনুমতিক্রমে কমিটি গঠিত হয়। কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রফেসর ড. মুস্তফা কামিল মাদানি। সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল আমীন মাদানি। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে ৫ জন। যথাক্রমে- মাওলানা ইহতেশামুল হক মাদানি, শেখ সাইফুল্লাহ মাদানি, মাওলানা কাজি শফিউল্লাহ, মাওলানা শোয়াইব উদ্দীন মক্কি ও মাওলানা ইনআমুল হক সিরাজ মাদানি।

কমিটিতে ড. শফিউল্লাহ কুতুবীকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন- মাওলানা মুহাম্মদ আফীফ ফুরকান মাদানি ও মাওলানা আলাউদ্দীন চৌধুরী।

কমিটির অন্যরা হলেন- মাওলানা হাফেজ এনামুল হক মাদানি সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা দিদারুল আলম ও মাওলানা শাহাদাত হোসাইন চৌধুরী।

মাওলানা মাহমুদ মুজিবকে অর্থ সম্পাদক এবং মাওলানা নোমান শামসকে সহ-অর্থ সম্পাদক করা হয়েছে। কমিটিতে মাওলানা মিসবাহুদ্দীন মাদানিকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক, মাওলানা রোকন উদ্দীনকে সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক, হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল নোমানকে উপ-প্রচার সম্পাদক, মাওলানা হামেদ বিন ফরিদকে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, শেখ সালামত উল্লাহ মাদানিকে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, মাওলানা সানাউল করীমকে অফিস সম্পাদক, মাওলানা আফফান বিন উসমানকে সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা আলমগীর সিদ্দিকীকে আইন বিষয়ক সম্পাদক, মাওলানা আহমদ নাসিরকে ব্যবস্থাপনা ও আপ্যায়ন সম্পাদক, মাওলানা শাহেদুল ইসলামকে সহ-ব্যবস্থাপনা ও আপ্যায়ন সম্পাদক করা হয়েছে।

কমিটিতে অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন নুরী, মাওলানা মুহাম্মদ নুর আনোয়ারী, মাওলানা মুর্তাজা কামাল, মাওলানা আখতার মাহমুদ, মাওলানা মুহাম্মদ শোয়াইবকে নির্বাহী সদস্য করা হয়েছে।

   

কটিয়াদীতে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে শবে বরাত



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র শবেবরাত পালিত হয়েছে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে শবে বরাত উপলক্ষ্যে মসজিদে মসজিদে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ কটিয়াদীর কেন্দ্রীয় মসজিদ কলামহাল জামে মসজিদে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে৷  কবরস্থানগুলোয় ছিল মুসল্লিদের ভিড়। 

নামাজ শেষে মানুষ আত্মীয়স্বজনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া দরুদ পাঠ ও তাদের জান্নাত নসিব করার জন্য আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেন। এছাড়াও উপজেলার সবগুলো মসজিদে মুসল্লিতে ভরপুর ছিল৷ 

হিজরী বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ পবিত্র শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এ রাত ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবে পরিচিত।

মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমান নর-নারীরা যার যার ঘরেও রাতভর মগ্ন ছিলেন ইবাদত বন্দেগিতে। অনেকে নফল রোজা রেখেছেন। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সওয়াব হাসিল আর গুনাহ থেকে পানাহ চাওয়ার রাত হিসেবে শবে বরাতের মর্যাদা অতুলনীয়। তাই নফল ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, ইবাদত বন্দেগি, জিকির-আসকার, করব জিয়ারত আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফজিলতের এই রাত পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। 

বিশেষ মোনাজাতে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। দেশের সুখ সমৃদ্ধি উন্নতি ও মুসলিম উম্মার কল্যাণ কামনা করে মসজিদগুলোতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুসল্লিরা মোনাজাতে অংশ নেন।

মিলাদ মাহফিলে নামাজ, রোজা ও শবে বরাতের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। মসজিদের বাইরেও বিভিন্নস্থানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজন ছিল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের। এশার নামাজের পর মুসল্লিরা মসজিদে মসজিদে রাতভর নফল নামাজ ও আল্লাহর দরবারে গুনাহ মাফ চেয়ে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেছেন।

;

পবিত্র শবে বরাত রোববার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পবিত্র শবে বরাত রোববার

পবিত্র শবে বরাত রোববার

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামীকাল রোববার (২৫ ফেব্রুযারি) দিবাগত রাতে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।

হিজরি সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি মুসলমানরা শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবেও পরিচিত।

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে আগামী সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারি ছুুটি থাকবে।

এ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে আসন্ন পবিত্র রমজানে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আর কিছু দিন পরই আসছে পবিত্র রমজান মাস। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দেখা দিয়েছে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি। এ প্রেক্ষিতে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে আমি বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। পরম করুণাময় সকল সংঘাত-সংকট থেকে বিশ্ববাসীকে রক্ষা করুন।’

রাষ্ট্রপতি পবিত্র শবেবরাত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মহিমান্বিত ও বরকতময় এক রজনী উল্লেখ করে এ উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

অপর এক পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র শবেবরাতের মহাত্মে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবকল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আসুন, সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র শবেবরাত রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও এ রাতের ইবাদত উত্তম। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র এই রাতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। অর্জন করতে পারি তাঁর অসীম রহমত, নাজাত, বরকত ও মাগফেরাত।

প্রধানমন্ত্রী পবিত্র এই রজনীতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

এ রাতে বাসাবাড়ি ছাড়াও মসজিদে মসজিদে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

পবিত্র শবে বরাত ১৪৪৫ হিজরি উপলক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ, দোয়া মাহফিল, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, হামদ নাতসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার এ উপলক্ষে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ‘পবিত্র শবে বরাতের ফজিলত ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ওয়াজ করবেন জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ রুহুল আমীন।

রাত ৮টা ৫০ মিনিটে ‘পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে লাইলাতুল বরাতের শিক্ষা ও করণীয়’ শীর্ষক ওয়াজ করবেন মাদারীপুর জামেআতুছ সুন্নাহ শিবচরের মুহতামিম হযরত মাওলানা নেয়ামত উল্লাহ ফরিদী।

রোববার দিবাগরাত সাড়ে ১২টায় ‘আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে করণীয়’ শীর্ষক ওয়াজ করবেন ঢাকার বাদামতলীর শাহাজাদ লেন জামে মসজিদের খতীব শায়খুল হাদিস মুফতী নজরুল ইসলাম কাসেমী। আর রাত ৩ টা ১৫ মিনিটে ‘নফল নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত’ শীর্ষক ওয়াজ করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতী মো. মিজানুর রহমান।

আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে ভোর সাড়ে ৫ টায়। মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতী মো. মিজানুর রহমান।

বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও এ উপলক্ষে ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে।

এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ এবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে কাটাবেন।

মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুসলমানরা বিশেষ মোনাজাত করবেন।

;

বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের দুই যুগ পূর্তিতে সম্মাননা পেলেন বিশিষ্ট লেখকরা



নিজস্ব প্রতিবেদক, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামি ধারার সৃজনশীল প্রকাশনী বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডে ডিআর টাওয়ার মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট লেখক ও মুহাদ্দিস মাওলানা লিয়াকত আলী। মাসউদুল কাদির ও শেখ মুহাম্মদ রিয়াজের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাসিক মুসলিম নারী পত্রিকার সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল।

ক্বারী ইলিয়াস লাহোরীর তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। ফাঁকে ফাঁকে হামদ- নাত ও ইসলামি সংগীতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে অনুষ্ঠান।

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ড. অ. ফ. ম. খালিদ হোসেন ছাড়াও সংবর্ধিত লেখকরা বক্তব্য দেন। তারা লেখালেখি ও প্রকাশনা শিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। জাতির ক্রান্তিকালে লেখকদের একতাবদ্ধ হয়ে লেখালেখি করার আহ্বান জানান বক্তারা। প্রকাশকদের উদার মনে লেখকদের মূল্যায়নের আহ্বান জানান। লেখক-প্রকাশকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রকাশনা শিল্পকে এগিয়ে নেবে বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা।

ইসলামি ও মৌলিক সাহিত্য রচনায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন: মাওলানা লিয়াকত আলী, মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী, মুফতী মুহাম্মদ তৈয়্যেব হোসাইন, মুফতী মুবারকুল্লাহ, ড. আহমদ আবদুল কাদের, মাসুদ মজুমদার, নূরুল ইসলাম খলিফা, অধ্যাপক এম. মুজাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, আবদুল কাদির সালেহ, আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, ফরীদ আহমদ রেজা, মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ড. মুহাম্মদ সোলায়মান, মুহাম্মদ এনায়েত আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, ড. সালেহ মতীন, মো. শরীফ হোসেন, ড. মুহাম্মদ নুরউদ্দিন কাওছার, মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দীন, মুহাম্মদ মনজুরে মাওলা, শেখ মো. রিয়াজ উদ্দিন, মো. খায়রুল হাসান, জহির উদ্দিন বাবর, মাওলানা মুনীরুল ইসলাম, আইয়ূব বিন মঈন, মাসউদুল কাদির, মুফতী ফারুক আহমাদ, মুফতী মাহফূযুল হক, মাওলানা আহমাদুল্লাহ, কাজী সিকান্দার, সাইফুল হক।

অনুবাদ সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখায় উৎসাহ প্রদানে সম্মাননা পেলেন মুফতী আবু সাঈদ, মুফতি আবু উসায়মা আখতার, মুফতী আমিনুল ইসলাম আরাফাত, মুফতী শরীফুল ইসলাম, মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ, মুফতী আশরাফ আলী, মুহাম্মদ আনিসুর রহমান। ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয় মাসিক মদীনার সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দীন খান রহ. (মরণোত্তর), এমদাদিয়া লাইব্রেরীর আব্দুল হালিম ও ইসলামিয়া কুতুবখানার মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে বই পাঠ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার বিজয়ীকে পবিত্র ওমরার ব্যবস্থা, দ্বিতীয় বিজয়ীকে ল্যাপটপ ও তৃতীয় বিজয়ীকে স্মার্টফোন দেওয়া হয়। এছাড়া আরও ৪০ জন বিজয়ী পুরস্কার লাভ করেন। বই পাঠ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন ঢাকার মোস্তাফিজুর রহমান, দ্বিতীয় খুলনার উম্মে হাবিবা এবং তৃতীয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইশতার জাহান। অনুষ্ঠানে কাজী সিকান্দার রচিত ‘লেখক হওয়ার ব্যাকরণ’ এবং মো. শরীফ হোসেন রচিত ‘চিন্তাগুলো যাক ছড়িয়ে’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের লেখক ও পাঠকদের পক্ষ থেকে ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রকাশনাটির স্বত্বাধিকারী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।

;

দুশ্চিন্তা দূর হয় দরুদ পাঠে



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
দরুদ একটি ফজিলতময় আমল, ছবি : সংগৃহীত

দরুদ একটি ফজিলতময় আমল, ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করার নির্দেশনা পবিত্র কোরআন-হাদিসে রয়েছে। মহান আল্লাহ তার রাসুলের প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ নবীর প্রতি রহমত নাজিল করেন এবং তার ফেরেশতারাও নবীর জন্য রহমতের দোয়া করে। হে ঈমানদাররা! তোমরাও নবীর প্রতি রহমতের দোয়া করো এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।’ -সুরা আহজাব : ৫৬

হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ ও সালাম পাঠ করার মাধ্যমে দুশ্চিন্তা দূর হয় এবং পাপ মোচন হয়।

ইরশাদ হয়েছে, হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, আমি হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার ওপর অনেক বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করি। আপনি আমাকে বলে দিন, আমি (দোয়ার জন্য যতটুকু সময় বরাদ্দ করে রেখেছি তার) কতটুকু সময় আপনার ওপর দরুদ প্রেরণের জন্য নির্দিষ্ট করব? জবাবে নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, যদি এক-তৃতীয়াংশ করি? নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। যদি আরও বেশি করো, তাহলে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, যদি অর্ধেক সময় নির্ধারণ করি? নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। যদি আরও বেশি নির্ধারণ করো, তাহলে তা তোমার জন্যই ভালো। আমি বললাম, যদি দুই-তৃতীয়াংশ করি। নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়।

যদি আরও বেশি নির্ধারণ করো তা তোমার জন্যই কল্যাণকর হবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে আমি আমার (দোয়ার) সবটুকু সময়ই আপনার ওপর দরুদ পাঠ করার জন্য নির্দিষ্ট করে দেব? নবী কারিম (সা.) বলেন, তাহলে তোমার চিন্তা ও ক্লেশের জন্য তা যথেষ্ট হবে এবং তোমার গোনাহ মাফ করা হবে। -জামে তিরমিজি : ২৪৫৭

;