ইসলামি গানের মডেল হলেন মিশা সওদাগর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামি গানের মডেল হলেন মিশা সওদাগর

ইসলামি গানের মডেল হলেন মিশা সওদাগর

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরবের শিল্পী মুহাম্মদ বদরুজ্জামানের কণ্ঠে 'মইরা গেলে ফিইরা আসে না' শিরোনামে ইসলামি সংগীতের মডেল হলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা মিশা সওদাগর। সংগীতটির কথা লিখেছেন রফিকুল ইসলাম তাওহিদ, সুর করেছেন মুহাম্মদ বদরুজ্জামান। ভিডিও বানিয়েছেন নির্মাতা ইয়ামিন এলান।

গাজীপুর পুবাইলের মনোরম লোকেশনে নির্মিত সংগীতটি ১ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা ৩০মিনিটে ইসলামি সংগীত প্রকাশের পরিচিত প্লাটফর্ম 'হলি টিউনে' রিলিজ হবে।

প্রথমবারের মত ইসলামি সংগীতে অভিনয় করা নিয়ে মিশা সওদাগর বলেন, ‘আমি বরাবরই ধর্মীয় আয়োজনগুলোতে থাকার চেষ্টা করি। ধর্মীয় বিধি-বিধানও মেনে চলার চেষ্টা করি। সেই দিক থেকে এ কাজটি করার জন্য আগ্রহী হয়েছি। আমার এ কাজটি দেখে যদি একজন মানুষের ভেতরও সৎভাবে বাঁচার ইচ্ছে জাগে তাহলে অমি সার্থক।’ গানটির প্রেক্ষাপট নিয়েও তিনি কথা বলেন।

তার ভাষ্য, গল্পের শুরুতে দেখা যাবে আমি নানাভাবে অর্থ উপার্জন করি। এর মধ্যে একদিন আমার একমাত্র শিশুকন্যা সন্তানটি মারা যায়। তারপর আমার মধ্যে উপলব্ধি হয় কেন এত অর্থ উপার্জন করছি। সত্যি বলতে একজন মানুষকে সুন্দরভাবে বাঁচার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন পড়েনা। তবুও আমরা অনেক অন্যায় পথে উপার্জন করছি। আমি বিশ্বাস করি, যারা এটি দেখবেন তাদের মধ্যে কিছুটা হলেও নাড়া দেবে।’

সংগীতটির সুরকার ও গায়ক মুহাম্মদ বদরুজ্জামান বলেন, মইরা গেলে ফিইরা আসে না সংগীতটি মানুষকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। অত্যন্ত গোছালো ও সহজসরল এবং হৃদয়ছোঁয়া কথামালায় সাজানো হয়েছে এই মরমি সংগীতটি। আশা করি শ্রোতারা পছন্দ করবেন।

হজ প্যাকেজ ঘোষণা, জনপ্রতি খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
হজ প্যাকেজ ঘোষণা, জনপ্রতি খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা

হজ প্যাকেজ ঘোষণা, জনপ্রতি খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা

  • Font increase
  • Font Decrease

এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করতে জনপ্রতি ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সভায় সরকারিভাবে এ হজ প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ফরিদুল হক খান বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে যেতে পারবেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জন হজ করার সুযোগ পাবেন।

তবে সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই হজযাত্রীর প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ জুন হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ যেতে দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। এর মধ্যে প্যাকেজ-১ এর জন্য ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৪০ টাকা এবং প্যাকেজ-২ এর জন্য ৫ লাখ ২১ হাজার ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ২২ হাজার ৭৪৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

;

'প্রাচুর্যময় সম্মানিত মাস‘ রজব



আবুল খায়ের মোহাম্মদ, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী জীবনধারা ও সংস্কৃতিতে রজব মাসের ফজিলত অপরিসীম, মর্যাদা অতুলনীয়। রজব মাস হলো আমলের মৌসুম এবং রমজানের প্রস্তুতিকাল। আল্লাহ সোবহানাহু তায়ালার অশেষ দয়া ও করুণায় মুসলিম উম্মাহর সামনে হিজরি ১৪৪৪ সনের পবিত্র রজব মাসের সূচনা হয়েছে।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘রজব হলো আল্লাহর মাস, শাবান হলো আমার মাস; রমজান হলো আমার উম্মতের মাস।’ (তিরমিজি)।

আরবি চান্দ্রবর্ষের সপ্তম মাস ‘রজব’, যার অর্থ 'প্রাচুর্যময় সম্মানিত মাস'। রজব’ শব্দের অর্থ হলো সম্ভ্রান্ত, মহান বা প্রাচুর্যময়। আর ‘মুরাজ্জাব’ অর্থ ‘সম্মানিত’। সুতরাং এর অর্থ দাঁড়ায় ‘প্রাচুর্যময় সম্মানিত মাস’। আর রজব মাসের পুরো নাম ‘রজবুল মুরাজ্জাব’ বা ‘আর-রজব আল-মুরাজ্জাব’।

রজব মাসের মর্যাদা উপলব্দি করতে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি হাদিসের উল্লেখ সর্বজনবিদিত। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রজব মাসে (ইবাদত দ্বারা অন্তরের) জমিন চাষাবাদ করল না আর শাবান মাসে (ইবাদতের মাধ্যমে মনের) জমিন আগাছামুক্ত করল না; সে রমজান মাসে (ইবাদতের) ফসল তুলতে পারবে না।’ (বায়হাকি)

রজব মাসের মর্যাদার আরও মর্যাদা এজন্য যে, এ মাসে মহান আল্লাহ তাআলা যাবতীয় যুদ্ধবিগ্রহ, হানাহানি ও রক্তপাত নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলার আসমান-জমিন সৃষ্টি করার দিন থেকেই বারো মাসে বৎসর হয়। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত; তিনটি একাধারে জিলকদ, জিলহজ ও মহররম এবং চতুর্থটি হলো ‘রজব মুদার’, যা জমাদিউল আখিরা ও শাবানের মধ্যবর্তী মাস।’ (মুসলিম)

রজব মাস মুসলমানদের ইবাদতের মাস। বরকত লাভের মাস। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসের অধিকতর ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত হতেন। রোজা রাখতেন এবং বেশি বেশি বরকত পেতে এই দোয়া পড়তেন, যা তিনি তাঁর উম্মতকেও শিখিয়েছেন, ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাবা ওয়া শাবানা ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’ ‘হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন; রমজান মাস আমাদের নসিব করুন।’ (বুখারি ও মুসলিম)

‘রজব মুদার’ বা বহুবিদ কল্যাণের সম্মিলিত একটি মাস। রমজানের আগে নিজেদের আমল ও ইবাদতের জন্য উপযোগী করে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাস হলো রজব। তাছাড়া রজব ও শাবান হলো পাশাপাশি দুটি জোড়া মাস। মাস দুটিকে একত্রে রজবান বা রাজাবাইনও বলা হয়। তাই বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া-ইসতেগফার ও রোজা রাখার মতো আমল ইবাদত করে এ দুই মাসে নিজেদের রমজানের জন্য প্রস্তুত করার উপযুক্ত সময়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রজব মাস জুড়ে অত্যাধিক আমল-ইবাদত করতেন, রোজা রাখতেন। দোয়া পড়তেন। রমজানের জন্য নিজেকে তৈরি করতেন। হাদিসের একাধিক বর্ণনায় তা উল্লেখিত হয়েছে।

রজব ও শাবান মাসে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কী পরিমাণ ইবাদত-বন্দেগি করতেন; তা উম্মাহাতুল মুমিনিনদের বর্ণনা থেকেই সুস্পষ্ট। হজরত উম্মে সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাস ছাড়া সবচেয়ে বেশি রোজা পালন করতেন শাবান মাসে, অতপর রজব মাসে। হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘যখন রজব মাস আসত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমলের আধিক্য দেখেই আমরা তা বুঝতে পারতাম।’ কোনো কোনো বর্ণনায় এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রজব মাসে ১০টি রোজা রাখতেন, শাবান মাসে ২০টি রোজা রাখতেন; রমজান মাসে ৩০টি রোজা রাখতেন। (দারিমি)

রজব মাসের বিশেষ আমলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো বেশি বেশি নফল রোজা পালন করা। মাস জুড়ে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত আমল- ‘সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা পালন করা। রজব মাস জুড়ে বেশি বেশি নফল নামাজ পড়া। বিশেষ করে তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত-দোহা, জাওয়াল, আউয়াবিন; তাহিয়্যাতুল অজু, দুখুলুল মাসজিদ ইত্যাদি নামাজের ব্যাপারে যত্নবান হওয়া খুবই জরুরি।

সাহাবায়ে কেরামও এ মাসের ইবাদত ও ফজিলত বর্ণনা করেছেন। সুতরাং মুমিন মুসলমানের কর্তব্য, রজব মাসের মর্যাদা, ফজিলত ও আমলের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা। যথাযথ আমল করা। পবিত্র রমজানের পরিপূর্ণ ইবাদতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

;

পবিত্র শবে মেরাজ ১৮ ফেব্রুয়ারি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সোমবার বাংলাদেশের আকাশে রজব মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) শুরু হবে হিজরি সনের রজব মাস। সেই অনুযায়ী আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি (২৬ রজব) পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

বৈঠক শেষে জানানো হয়, সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে রজব মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামী ২৪ জানুয়ারি পবিত্র রজব মাস শুরু হবে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মিরাজ উদযাপিত হবে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান।

ফারসি ‘শব’ এর অর্থ- রাত্র বা অন্ধকার এবং আরবি ‘মেরাজ’ এর অর্থ- ঊর্ধ্বারোহণ। মুসলমানদের ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী, ২৬ রজব দিবাগত রাতে ঊর্ধ্বাকাশে ভ্রমণ করে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) আল্লাহতায়ালার সাক্ষাত লাভ করেছিলেন।

;

লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে তুরাগতীরে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত



এসএম জামাল, ইজতেমার ময়দান থেকে, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে দেশের বৃহত্তম জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর দেড়টায় ইজতেমার মাঠে এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভী এতে ইমামতি করেন।

বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইজতেমায় যোগদানকারী মুসল্লি ছাড়াও জুমার নামাজে অংশ নিতে রাজধানী ঢাকা-গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকার লাখ লাখ মুসল্লি ইজতেমাস্থলে হাজির হন। ভোর থেকেই রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে ইজতেমা মাঠের দিকে মানুষের ঢল নামে। দুপুর ১২টার দিকে ইজতেমা মাঠ উপচে আশপাশের খোলা জায়গাসহ সবস্থান জনসমুদ্রে পরিণত হয়।


শুক্রবার বাদ ফজর পাকিস্তানের মাওলানা ওসমানের আম বয়ানের মধ্যদিয়ে ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তা বাংলায় তরজমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাসিম।

আজ জুমার পর সংক্ষিপ্ত বয়ান করবেন কাকরাইলের শুরা সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম, আসরের পর বয়ান করবেন মাওলানা সাদ সাহেবের মেঝ ছেলে মাওলানা সাঈদ বিন সাদ কান্দলভী, মাগরিবের পর বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ কান্দলভী।


গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বেও ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুরো ইজতেমা ময়দানকে কয়েকটি সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে ময়দানের আশপাশে ৭ হাজার ৫৩৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথম পর্বে যেসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল এবারও ঠিক আগের মতোই নিরাপত্তা ব্যবস্থা অটুট থাকবে।

বাস, ট্রাক, ট্রেন বা পায়ে হেঁটে টুপি-পাঞ্জাবি পরিহিত তাবলীগ জামাতের অনুসারীরা টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে আসছেন। মানুষের এ স্রোত এখনও অব্যাহত রয়েছে। রোববার আখেরি মোনাজাতের আগ পর্যন্ত মানুষের এ আগমন অব্যাহত থাকবে। 

 

;