ধর্ষণ মামলায় জামিন পেলেন সেই মুশতাক



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রীকে প্রলোভন ও জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির দাতা সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এ আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিনি। শুনানি শেষে বিচারক বেগম মাফরোজা পারভীনের আদালত ৬০ হাজার টাকা মুচলেকায় এ জামিন মঞ্জুর করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি মোখলেছুর রহমান জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এরআগে, উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান মুশতাক আহমেদ। উচ্চ আদালত তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

গত ১ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এ ভিকটিমের বাবা মামলাটি দায়ের করেন। ওইদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে গুলশান থানার ওসিকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ করা হয়, ভিকটিম রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। আসামি মুশতাক বিভিন্ন অজুহাতে কলেজে আসতো এবং ভিকটিমকে ক্লাস থেকে প্রিন্সিপালের কক্ষে ডেকে আনতো। খোঁজ-খবর নেওয়ার নামে আসামি ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রলুব্ধ করতো। কিছুদিন পর আসামি মুশতাক ভিকটিমকে কু-প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় ভিকটিমকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে এবং তাকে ও তার পরিবারকে ঢাকা ছাড়া করবে বলে হুমকি দেয়।

মামলায় আরও বলা হয়, ভিকটিম এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ফাওজিয়া রাশেদীকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু অধ্যক্ষ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো আসামিকে সময় ও সঙ্গ দিতে বলেন।

এ বিষয়ে ভিকটিমের বাবা অধ্যক্ষ ফাওজিয়া রাশেদীর কাছে প্রতিকার চাইলে তিনি কোন সহযোগিতা না করায় গত ১২ জুন ভিকটিমকে ঠাকুরগাঁওয়ের তার বাড়িতে নিয়ে যান।

বাদী অভিযোগ করেন, আসামি মুশতাক তার লোকজন দিয়ে ভিকটিমকে সেখান থেকে অপহরণ করে ভিকটিমকে একেক দিন একেক স্থানে রেখে অনৈতিক কাজে বাধ্য করেছে এবং যৌন নিপীড়ন করছে।

   

বিএনপির ২৫ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বংশাল থানার নাশকতার মামলায় বিএনপির ২৫ নেতাকর্মীকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদীর আদালত এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সোহেল, রাজু, হাজী সিরাজ, মামুন, রনি, মঈন, হাজী মো. মাছুম, গলাকাটা আজিম, ওমর ফারুক, রাজিয়া আলম ওরফে রাজিয়া সুলতানা প্রমুখ।

আদালতের বেঞ্চ সহকারি ইমরান হোসেন সাজার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আসামিরা বংশাল থানাধীন ১০৩ নং এনসিসি রোডের সামনে মিছিল বের করে। তারা গাড়ি ভাঙচুর, দোকানপাট ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় বংশাল থানার সাব-ইন্সপেক্টর আজাহার হোসেন মামলা দায়ের করেন।

;

গাছ লাগিয়ে ও অসহায়দের খাইয়ে মামলা থেকে খালাস



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
গাছ লাগিয়ে ও অসহায়দের খাইয়ে মামলা থেকে খালাস

গাছ লাগিয়ে ও অসহায়দের খাইয়ে মামলা থেকে খালাস

  • Font increase
  • Font Decrease

২০ টি গাছের চারা লাগিয়ে ও অসহায় লোকদের খাইয়ে মাদক মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন সেন্টু নামের এক আসামি।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত মামলার আপিল নিষ্পত্তি করে খালাসের এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান খালাসের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ২০০৭ সালের ১১ মার্চ রাত ১২ টা ৩৫ মিনিটের দিকে আদাবর থানাধীন নবোদয় হাউজিং সোসাইটি এলাকায় মদ্যপ অবস্থায় হেলেদুলে গাড়ি চালানোর অভিযোগে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

এ ঘটনায় আদাবর থানার উপ-সহকারী পরিদর্শক শ্রী রামকুমার দাস মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই থানার সাব-ইন্সপেক্টর রাজা মিঞা ১৪ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৭ জন সাক্ষীর মধ্যে তিন জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি ঢাকার তৎকালীন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তসরুজ্জামান আসামিদের এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। রায়ের সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন। পরে তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আপিল আদালত তাকে ২০টি গাছের চারা রোপণ, অসহায় লোকদের খাওয়ানোর মৌখিক আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে সেন্টু তা প্রতিপালন করেন। এ সংক্রান্ত কিছু ছবি তিনি আদালতে দাখিলও করেন। পরে আদালত আপিল নিষ্পত্তি করে তাকে খালাসের আদেশ দেন।

;

ফালুর দুর্নীতি মামলায় বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফালুর দুর্নীতি মামলায় বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ

ফালুর দুর্নীতি মামলায় বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুর অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় দুদকের উপ-পরিচালক (অবসরপ্রাপ্ত) রাহিমা খাতুনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে তিনি সাক্ষ্য প্রদান করেন।

মোসাদ্দেক আলী ফালু পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো জেরা হয়নি। আগামী ২৪ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

২০০৭ সালের ৮ জুলাই রাজধানীর মতিঝিল থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় তার স্ত্রী মাহবুবা সুলতানাও আসামি ছিল। মামলাটিতে পরের বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

চার্জশিট দাখিল হওয়ার পর ফালু ও তার স্ত্রী হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করেন। যার কারণে দীর্ঘদিন মামলার বিচারকাজ বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ফালুর মামলা খাজির করে দেন এবং স্ত্রীর মামলা গ্রহণ করে অব্যাহতির আদেশ দেন।

ফলে ২০১৮ সালের ২৭ আগস্ট মামলাটিতে ফালু পলাতক থাকা অবস্থায় চার্জ গঠন করেন আদালত।

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৪৫ কোটি ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৮৬৬ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ১০ কোটি ৬০ লাখ ৪২ হাজার ৫১৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে এ মামলা করে দুদক।

 

;

সংসদ নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ পেছাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলের বৈধতা প্রশ্নে রিটের ওপর আদেশ একদিন পিছিয়ে আগামীকাল সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) রিটকারী আইনজীবীর সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

আবেদনকারী আইনজীবী জানান, আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আদেশের জন্য দিন রেখেছেন। এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর শুনানি শেষে আদেশের জন্য ১০ ডিসেম্বর দিন রেখেছিলেন।

বর্তমানে একটি সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় আরেকটি সংসদ নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। বর্তমানে রাজনৈতিক সংকট চলছে উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়, দেশে হরতাল-অবরোধ চলছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু ভোট করা সম্ভব নয়।প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, মন্ত্রীপরিষদ সচিব, আইন সচিবসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয় রিট আবেদনে।

তাছাড়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অথচ ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, আবার নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর। তাহলে ট্যাক্স রিটার্নপত্র মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা কীভাবে সম্ভব হবে।

এ ছাড়া হরতাল অবরোধের ফলে দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত নয়। এ অবস্থায় নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণে আগামী ৭ জানুয়ারি তারিখ রেখে গত ১৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

;