শৈশবকালীন শিক্ষায় পিতা-মাতার অবদান কতটা গুরুত্বপূর্ণ?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শৈশবকালীন শিক্ষায় পিতা-মাতার জড়িত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: সংগৃহীত

শৈশবকালীন শিক্ষায় পিতা-মাতার জড়িত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শৈশবকালীন শিক্ষায় পিতা-মাতার জড়িত হওয়া কেবল গুরুত্বপূর্ণ নয় এটি সামাজিক, সংবেদনশীল এবং মানসিক সমস্ত দিক থেকে একটি শিশুর অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে দিতে পারে। কেননা পিতা-মাতায় তাদের সন্তানের শেখার ক্ষমতাতে ইতিবাচক এবং স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারেন। বাচ্চারা যখন প্রাথমিক মানের শিখন এবং যত্ন অনুভব করে, তাদের চিন্তা-চেতনা সামাজিক ও মানসিকভাবে বিকাশ লাভ করে। একইভাবে, এটি শিক্ষা এবং পরবর্তী জীবনেও দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যে সহায়তা করে।

যে শিশুকে সঠিক শিক্ষায় বড় করা হয় হয় তার সম্ভাবনা আরও ভাল হয়। একাডেমিকভাবে ভাল পারফর্ম করা এবং প্রাপ্তবয়স্ক হিসাবে একটি স্বাস্থ্যকর ও উৎপাদনশীল জীবনযাপন করার সম্ভাবনা বেশি থাকে। প্রথম পাঁচ বছর শিশুর মানসিক বিকাশের প্রক্রিয়াটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পিতামাতার জন্য প্রক্রিয়াটি তিনটি বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ করা যায়। সেগুলো হলো-

শৈশবকাল বোঝা:

পিতা-মাতার বোঝা উচিত তাদের ভূমিকা শুধু নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাদের সন্তানের শিক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি কারণ এটি শ্রেণিকক্ষের দেয়াল ছাড়িয়ে মূল্যবোধকে প্রসারিত করে। শিশুদেরও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে বদলায় এবং তারা আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। এছাড়াও পিতা-মাতার সক্রিয় অংশগ্রহণ তাদের আরও ভালো শেখার জন্য উৎসাহ দেয়। এজন্য পিতা-মাতার করণীয়-

-বাচ্চাদের জন্য সময় রাখুন।

- তাদের ভুল থেকে সঠিক পার্থক্য করতে শেখান।

- তাদের স্বাধীন হতে উৎসাহিত করুন।

- তাদের ধারণা এবং মতামত প্রকাশ করতে দিন।

বাচ্চাদের জন্য সময় রাখুন।
বাচ্চাদের জন্য সময় রাখুন। ছবি: সংগৃহীত

পিতা-মাতা এবং প্রাক স্কুল:

বাড়ির স্বাচ্ছন্দ্যে এবং বাবা-মায়ের সুরক্ষিত ছায়া থেকে বের হয়ে বাচ্চার যখন প্রথমবার স্কুলে যায় এই রূপান্তরটি মসৃণভাবে সক্ষম করায় পিতা মাতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাচ্চাদের পিতা-মাতা থেকে দূরে গিয়ে শেখার অভ্যাস করে দেয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাবা-মা শেখার ক্ষেত্রে কোনও ভূমিকা পালন করা বন্ধ করে দিবেন। পিতামাতার যা করা প্রয়োজন:

- শিক্ষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন।

- শিশুকে অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে জড়িত হতে এবং বন্ধুবান্ধব করতে গাইড করুন।

- শিশু যতটা সম্ভব বহির্মুখী কার্যকলাপে জড়িত থাকা নিশ্চিত করুন।

ভবিষ্যতের বিষয়ে বাচ্চাদের সাথে কথা বলুন।
ভবিষ্যতের বিষয়ে বাচ্চাদের সাথে কথা বলুন। ছবি: সংগৃহীত

ভবিষ্যতের জন্য:

প্রত্যেকেই তাদের সন্তানের জন্য সেরা চান। শিশুরা প্রতিটি পিতামাতার সবচেয়ে বড় আনন্দ। আপনার সন্তানকে প্রতিটি দেশের বৃহত্তম সংস্থান সর্ম্পকে জানান।

- ভবিষ্যতের বিষয়ে বাচ্চাদের সাথে কথা বলুন।

- তাদের আরও বৃহত্তর বিষয় সম্পর্কে চিন্তা করতে উৎসাহিত করুন।

- তাদের পছন্দ এবং অপছন্দ করার স্বাধীনতার দিন।