বৃষ্টিতে ‘সারা’ লাইফস্টাইলের রেইনকোট



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বৃষ্টিতে ‘সারা’ লাইফস্টাইলের রেইনকোট

বৃষ্টিতে ‘সারা’ লাইফস্টাইলের রেইনকোট

  • Font increase
  • Font Decrease

কাগজে কলমে বর্ষাকাল না আসলেও প্রকৃতিতে শুরু হয়ে গেছে বৃষ্টির তাণ্ডব। গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। একদিকে তীব্র গরমে অস্বস্তি অন্যদিকে মাঝেমাঝেই হঠাৎ বৃষ্টির স্বস্তি। বেশ বিড়ম্বনার এই সময়টিতে রেইনকোট এর ব্যবহার আপনাকে দিতে পারে প্রশান্তি। আসন্ন বর্ষাকালকে উপভোগ করতে ‘সারা’ লাইফস্টাইল এনেছে উন্নতমানের রেইনকোট বা বর্ষাতি।

‘সারা’ লাইফস্টাইল এনেছে উন্নতমানের রেইনকোট বা বর্ষাতি

শতভাগ সিনথেটিক পিউ কোটেড ফেব্রিক্স দিয়ে তৈরি ২.৪ এফপিএম এর সারা লাইফস্টাইলের ২ পার্টের রেইনকোটটির রয়েছে আলাদা শার্ট এবং প্যান্ট। সম্পূর্ণ রেইনকোটটির শেলাইয়ের উপরে ব্যবহার করা হয়েছে সীম সিল টেপ যা বাহিরের পানি থেকে আপনাকে রক্ষা করবে। এছাড়াও সারা'র তৈরি সাদা, নেভি ব্লু ও অলিভ রঙ এর রেইনকোটটির হুডিতে ব্যবহার করা  হয়েছে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাবার ইলাস্টিক। রেইনকোটটির প্যান্টের কোমড়েও ব্যাবহার করা হয়েছর উন্নতমানের ইলাস্টিক যা সহযেই নষ্ট হবে না। ৬টি ভিন্ন সাইজের এই রেইনকোটটি গ্রাহকরা পেয়ে যাবে মাত্র ১০৯০ টাকায়।

৬টি ভিন্ন সাইজের এই রেইনকোটটি গ্রাহকরা পেয়ে যাবে মাত্র ১০৯০ টাকায়

স্নোটেক্স গ্রুপ এর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সারা’ কাজ শুরু করেছে ২০১৮ সালের মে মাস থেকে। ঢাকার মিরপুর-৬ এ অবস্থিত ‘সারা’র প্রথম আউটলেট নিয়ে কাজ শুরুর পর বসুন্ধরা সিটির লেভেল ১, ব্লক এ এর ৪০ এবং ৫৪ নং শপটি ছিলো সারা’র ২য় আউটলেট। ৩য় আউটলেটটি হলো বাড়ি- ১৯ বি/৪সি ও বি/৪ ডি, ব্লক-এফ, রিং রোড, মোহাম্মাদপুর এই ঠিকানায়। উত্তরায় সারা’র পোশাক পাওয়া যাবে হাউজ নং-২২ , সোনারগাঁ জনপদ, সেক্টর-৯, উত্তরা, ঢাকা- এই ঠিকানায়। এছাড়াও বারিধারা জে ব্লকে আছে সারার আরেকটি আউটলেট।

সারা'র তৈরি সাদা, নেভি ব্লু ও অলিভ রঙ এর রেইনকোটটির হুডিতে ব্যবহার করা  হয়েছে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাবার ইলাস্টিক

আউটলেটের পাশাপাশি ‘সারা’ এর নিজস্ব ওয়েবসাইট (www.saralifestyle.com.bd), ফেসবুক পেজ ( https://www.facebook.com/saralifestyle.bd) এবং ইন্সটাগ্রাম (saralifestyle.bd) থেকে ক্রেতারা ঢাকার ভেতরে অর্ডার করে এই ক্রান্তি লগ্নে হোম ডেলিভারি পেতে পারেন। এছাড়াও ঢাকার বাইরে সারা দেশে কুরিয়ারের মাধ্যমেও আপনার অর্ডারকৃত পণ্য ডেলিভারি পাবেন।

মিষ্টি মানে কি শুধুই খারাপ, আছে গুণও!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মিষ্টি মানে কি শুধুই খারাপ, আছে গুণও!

মিষ্টি মানে কি শুধুই খারাপ, আছে গুণও!

  • Font increase
  • Font Decrease

খাওয়া-দাওয়ার পর শেষ পাতে মিষ্টি খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। আসলে বাঙালির অন্যতম প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে মিষ্টি। তাই এতরকমের মিষ্টিরও চল রয়েছে। কোনটা ছেড়ে কোনটা খাবেন, প্রায় সব মিষ্টিরই কিছু না কিছু বিশেষত্ব আছে।

অনেকে মনে করেন, মিষ্টি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই ভয় থেকেই অনেকে এড়িয়ে চলেন এই খাবার। আবার ডায়াবিটিস রোগীদের তো একেবারেই মিষ্টি খাওয়া ভুলে যেতে হয়। তবে মিষ্টির যে শুধু খারাপ গুণ রয়েছে তা কিন্তু নয়। বরং বেশ কয়েকটি ভালো গুণের জন্য বিশেষজ্ঞরা মিষ্টি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। বর্তমানে অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। অস্বাস্থ্যকর তেলে ভাজা খাবার খেলে এই সমস্যা আরও বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের রোজকার ডায়েটই এই অ্যাসিডিটির জন্য মূলত দায়ী। তবে, মিষ্টি খেলে এই সমস্যা কিছুটা কমতে পারে। গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টদের কথায়, মশলাদার, ঝাল ও তৈলাক্ত খাবার খেলে তা থেকে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যায়। তবে এসব খাওয়ার পর সামান্য মিষ্টি খেলে তা অ্যাসিড হওয়া আটকায়। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পাকস্থলীর গাত্র থেকে অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ বেড়ে যায়। মিষ্টি এই ক্ষরণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

মিষ্টি খেলে কী ওজন বাড়ে?

ক্যালোরিই ওজন বেড়ে যাওয়ার পিছনে মূল কারণ। তাই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি মিষ্টি না খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। মাপ বুঝে খেলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না।

ডায়াবিটিস রোগীরা কী মিষ্টি খেতে পারেন?

ডায়াবিটিস হলে মিষ্টি একেবারেই খাওয়া যায় না, এমনটা কিন্তু চিকিৎসকদের মত নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা গুরুতর না হলে এক আধটা মিষ্টি চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খাওয়া যায়। এছাড়া অনেক বিশেষজ্ঞদের কথায়, সুগার ফ্রি দিয়ে বাড়িতে তৈরি মিষ্টি নিশ্চিন্তে খাওয়া যেতে পারে।

;

কোমর ব্যথা? ১০ টি প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সতর্কতা মেনে চলুন!



ডাঃ মোঃ মুরাদ হোসেন মেহেদী
কোমর ব্যথা একটি কমন সমস্যা

কোমর ব্যথা একটি কমন সমস্যা

  • Font increase
  • Font Decrease

কোমর ব্যথা একটি কমন সমস্যা। অনেকেই এই সমস্যায় ভুগে থাকেন, অনেক চেষ্টা ও চিকিৎসা করা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। চিকিৎসার পাশাপাশি এক্ষেত্রে থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ যেমন জরুরি, ঠিক তেমনি জরুরি সতর্কতা। এখানে কোমর ব্যথায় কিছু খুবই গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়ে আলোচনা করা হল।

কোমর ব্যথা হতে বাঁচতে কি করা চাই? কোমর ব্যথায় প্রতিকার কি?

১) ভারী জিনিস তোলা থেকে বিরত থাকুন। নিতান্তই দরকার হলে ভারী জিনিসটি শরীরের কাছাকাছি রাখুন, চেষ্টা করুন কোমরে চাপ না লাগাতে।

২) ত্রিশ মিনিটের বেশি একটানা কোথায়ও বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। একটানা দাঁড়িয়ে থেকে দেখেছেন যে কোমর ব্যথা করে? তাই একটানা কোথাও দাঁড়িয়ে থাকার দরকার যদি হয় তবে শরীরের ভর এক পা হতে আরেক পায়ে নিন কিছুক্ষণ পর পর। প্রয়োজনে একটু বসে বিশ্রাম নিন।

৩) হাঁটু না ভেঙ্গে সামনের দিকে বেশি ঝুঁকবেন না। দীর্ঘ সময় হাঁটতে হলে মহিলারা হাই হিল পরিহার করুন।

৪) মাটি হতে বা নিচ থেকে কিছু তোলার দরকার হলে না ঝুঁকে, হাঁটু ভাজ করুন অতঃপর তুলুন।

৫) কোথাও বসলে সোজা হয়ে বসুন, ঝুঁকে বসা থেকে বিরত থাকুন। এতে আপনার স্মার্টনেস বৃদ্ধি পাবে আর বাড়বে কনফিডেন্স। পাশাপাশি এতে পেতে পারেন কোমর ব্যথা হতে মুক্তি। কোমরের পেছনে সাপোর্ট যুক্ত চেয়ার বসার জন্য উপযুক্ত। বসার সময় এমনভাবে বসুন, যেন হাঁটু ও ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে।

৬) বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকেন? এভাবে শোবেন না। আর ফোম বা নরম স্প্রিং এর গদি যুক্ত বিছানা শরীরের তথা কোমরের জন্য ভাল নয়। পাতলা তোশক ও সমান হলে ভাল হয়।

৭) নিয়মিত শারীরিক অর্থাৎ কায়িক পরিশ্রম করুন। শারীরিক শ্রমের সুযোগ না থাকলে ব্যায়াম করুন। হাঁটার যতটুকু সুযোগ আছে কাজে লাগান। যাতে ওজন না বেড়ে যায় যা কোমর ব্যথা সমস্যাটি বাড়বে বৈ কমাবে না!

শরীরের ওজন বৃদ্ধি কোমরের ব্যথা বাড়ায়।

৮) বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। পুষ্টিকর খাবার ও পানি পরিমাণ মত খান। কেননা ওজন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে কোমরে চাপ পড়বে এবং কোমর ব্যথা সমস্যাটি বাড়বে।

৯) নানাবিধ কাজ করার সময় আমাদের ঝুঁকে কাজ করতে হয় যেমন রান্না, কাটা-কাটি, কাপড়চোপড় ধোয়া, মশলা বাটা, ঝাঁড়ু দেয়া বা চাপকল চাপার সময়। এই অভ্যাসগুলো যে কোমর ব্যথা হওয়ার কারণ তা জানেন? যদি না জানেন তবে জেনে রাখুন এসব অভ্যাসও কোমর ব্যথা হওয়ার কারণ! তাই এসব ক্ষেত্রে মেরুদণ্ড স্বাভাবিক ও কোমড় সোজা রাখুন।

১০) যারা দীর্ঘদিন কোমড় ব্যথায় ভুগছেন তারা কি বিছানা থেকে ওঠা নিয়ে ভেবেছেন? বিছানা হতে উঠার সময় সতর্ক হন। কারন বিছানা থেকে উঠে বসার সময় কোমরে হঠাৎ টান লাগতে পারে।

কোমর ব্যথা বেশ অস্বস্তিকর ও দীর্ঘস্থায়ী। জীবনে সুস্থ থাকতে সতর্কতার কোন বিকল্প নেই। তাই সতর্ক ও নিয়ন্ত্রিত জীবন পরিচালনা করে সুস্থতা উপভোগ করুন।

 

;

ক্যানসার হলে প্রথমেই কী সমস্যা হয়, জেনে নিন!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

মাঝে মাঝেই নানারকম ব্যথায় শরীর কাবু হয়ে পড়ে। তখন দৈনন্দিন কাজ সবকিছুতেই সমস্যা হতে থাকে। কিছু ব্যথা ওষুধ খেলে কমে যায়। আবার কিছু ব্যথা ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলেই ফিরে আসে। এমন কিছু ব্যথা ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ শরীরে ব্যথা দিয়েই। এই ব্যথাকে আমরা প্রায়ই এড়িয়ে চলি। এতে বিপদ বাড়ে। রোগ গুরুতর আকার নিলে রোগীকে আর সারিয়ে তোলা সম্ভব হয় না। এমন অবস্থায় এই ব্যথাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে রাখা জরুরি।

ভারতের মাসিনা হাসপাতালের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডাঃ প্রসাদ কাস্বেকর  এমন কয়েকটি লক্ষণ সম্পর্কে জানিয়েছেন।

চলুন দেখে নেই সেগুলো-

১. ব্রেন টিউমার: মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, হাত পা অসাড় হয়ে যাওয়া‌ ইত্যাদি ব্রেন টিউমারের লক্ষণ হতে পারে।

২. গলা মস্তিষ্ক ক্যানসার: মুখের ভিতরে আলসার, গলার কাছে দলাভাব, গলা বসে যাওয়া, গলা দিয়ে ঘড়ঘড় আওয়াজ বেরোনো, নাক বা মুখ থেকে রক্ত বেরোনো ইত্যাদি গলা ও মস্তিষ্কের ক্যানসারের লক্ষণ।

৩. ফুসফুস ক্যানসার: বুকে কফ জমে থাকা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যাওয়া, বুকে ব্যথা, বুকে অস্বস্তি হওয়া, কফ দিয়ে রক্ত বেরোনো ইত্যাদি ফুসফুস ক্যানসারের লক্ষণ।

. স্তন ক্যানসার: স্তন ক্যানসারের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নারী ও পুরুষ স্তনে কোনওরকম দলা অনুভব করা, বৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক তরল ক্ষরণ, ত্বকের ধরন পাল্টে যাওয়া, বগলের কাছে দলাভাব অনুভব করা।

. পাকস্থলী ক্যানসার: খাবার গিলতে অসুবিধা হওয়া, অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা বেড়ে যাওয়া, ক্লান্তবোধ করা, খাওয়াদাওয়ার পর পেট ফুলে যাওয়া।

. লিভার বা পিত্তথলি ক্যানসার: পেটের অংশে ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যাওয়া, লিভার বা অগ্ন্যাশয়ের আকার বেড়ে যাওয়া।

. কোলন ক্যানসার: মলত্যাগে অসুবিধা, মলত্যাগের সময় রক্ত বের হওয়া, তলপেটে ভার অনুভব করা।

. প্রস্টেট ক্যানসার: প্রস্রাবে সমস্যা বা প্রস্রাব না হওয়া প্রস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ। অন্যদিকে প্রস্রাব দিয়ে কোনও ব্যথা ছাড়াই রক্ত বেরোনো মূত্রথলির ক্যানসারের লক্ষণ।

. রক্ত ক্যানসার: ক্লান্তি বেড়ে যাওয়া, ওজন হঠাৎ করে কমতে থাকা, মাঝে মাঝে জ্বর আসা, হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া, প্লেটলেট কমে যাওয়া এই ক্যানসারের লক্ষণ।

;

ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছড়াতে পারে মারাত্মক ফ্লু, সতর্ক বার্তা চিকিৎসকদের!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছড়াতে পারে মারাত্মক ফ্লু, সতর্ক বার্তা চিকিৎসকদের!

ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছড়াতে পারে মারাত্মক ফ্লু, সতর্ক বার্তা চিকিৎসকদের!

  • Font increase
  • Font Decrease

ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে সতর্কতার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বকাপের মঞ্চ কাতার থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংক্রামক ‘ক্যামেল ফ্লু’। দ্রুত এ বিষয়ে সাবধান না হলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ হতে পারে বলে জানায় সংস্থাটি।

আগামী দিনে ‘ক্যামেল ফ্লু’ মারাত্মক আকার নিতে পারে বলে অনেক দিন ধরেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনাভাইরাস, মাঙ্কিপক্সের পরে এ ক্যামেল ফ্লু বড় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ক্যামেল ফ্লু কী?

সাধারণত পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় এই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটিকে Middle East respiratory syndrome (MERS) নামেও ডাকা হয়। মূলত উট থেকে ছড়ায় এই রোগ।

বিশ্বকাপের মঞ্চে কাদের বিপদের আশঙ্কা বেশি?

সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ১২ লাখ মানুষ বর্তমানে কাতারে রয়েছেন বিশ্বকাপ দেখতে। ফুটবলের দলের সদস্য, অনুরাগীরা তো বটেই, এই ভিড়ের কারণে স্থানীয়রা এবং পরবর্তীকালে প্রতিটি দেশের মানুষের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই রোগ। এর ফলে আবার একটি অতিমারি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মনে করছেন তারা।

কতটা প্রস্তুত আছে কাতার?

এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুত রয়েছে আয়োজক দেশ কাতার। এমনই বলা হয়েছে। নিয়মিত পরীক্ষা এবং হাসপাতালগুলিকে প্রস্তুত রাখার কাজ চলছে। এর বাইরে রুটিন টিকাকরণের কাজও চালু আছে বলেও জানানো হয়েছে।

সতর্কতা

এই রোগের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য বিশেষজ্ঞরা উট থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। উটকে স্পর্শ করতে বারণ করছেন।কোনও সমস্যা দেখা দিলে (বিশেষ করে জ্বর) দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছে।

;