অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য ক্ষতিকর যেসব অ্যাপস



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
অ্যান্ড্রয়েড এ অ্যাপসগুলো গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যায়। ছবি: সংগৃহীত

অ্যান্ড্রয়েড এ অ্যাপসগুলো গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যায়। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে আমরা বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস মোবাইলে ইন্সটল করি। তবে এ অ্যাপসগুলোর কিছু থাকে, যাতে ম্যালওয়্যার বহন করে থাকে। 

আপনি যদি স্যামসাং, হুয়াওয়ে ইত্যাদির মতো অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে থাকেন, তবে আজকের উল্লেখিত এ অ্যাপসগুলো অতি দ্রুত আপনার ফোন থেকে আনইন্সটল করে দেয়া উচিত।

সাইবার সিকিউরিটি সংস্থা ট্রেন্ড মাইক্রো আবিষ্কার করেছে যে নয়টি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে এমন ম্যালওয়্যার রয়েছে, যা ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে অপরাধীদের কম্পিউটারে সরবরাহ করে।

অ্যান্ড্রয়েড এ অ্যাপসগুলো গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যায়। কিন্তু এই অ্যাপসগুলো নিরাপদ কি-না, তা যাচাইয়ের কোনো ব্যবস্থা প্লে স্টোর এর পক্ষ থেকে রাখা হয়নি। তবে অ্যাপল সব সময়ই এ ব্যাপারে খুবই সতর্ক।

কারণ আপনি কোন অ্যাপস ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন এবং তা আপনার ফোনের জন্য নিরাপদ কি-না, সেটা যাচাই করা খুবই জরুরি একটি ব্যাপার। এ অ্যাপসগুলো কোন কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত তা প্রথমেই আমাদের খতিয়ে দেখা দরকার।

কারণ অনেক সময়ই এই অ্যাপসগুলোকে সাধারণ অ্যাপস-এর মত রূপ দেয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস হিসেবে কাজ করে।

ক্ষতিকর ৯টি অ্যাপস—

১. শুট ক্লিন (Shoot Clean)

২. শুট ক্লিন লাইট (Shoot Clean Lite)

৩. সুপার ক্লিন (Super Clean)

৪. স্পিড ক্লিন (Speed Clean)

৫. রকেট ক্লিন (Rocket Cleaner)

৬. রকেট ক্লিনার লাইট (Rocket Cleaner Lite)

৭. কুইক গেমস (Quick Games)

৮. এইচ৫ গেম বক্স (H5 Game box)

৯. লিঙ্ক ওয়ার্ল্ড ভিপিএন (LinkWorldVPN)

উল্লেখিত নয়টি অ্যাপ্লিকেশন প্রায় পাঁচ লাখ বার ডাউনলোড করা হয়েছে। বর্তমানে গুগল প্লে স্টোর থেকে এগুলো সরিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনার ফোন থেকে এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে অদৃশ্য হয়ে যাবে। এটার জন্য আপনাকে নিজেই ফোন থেকে আনইন্সটল করতে হবে।

   

গর্ভপাতের সিদ্ধান্তে নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্তের প্রভাব

নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্তের প্রভাব

  • Font increase
  • Font Decrease

যখন একজন মা গর্ভধারণ করে তবে তার শরীরে বিপুল পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এক নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে শরীর প্রস্তুত হয়। তাই অভ্যন্তরীণ গঠন পরিবর্তনের সাথে মস্তিষ্ক বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থও নিঃসরণ করে। যখন শরীরে শিশুর বেড়ে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ হয় বা গর্ভধারিনীর ইচ্ছায়, চিকিৎসক গর্ভপাত করান। অনেক সময় শারীরিক জটিলতার কারণেও প্রাকৃতিকভাবে বা দুর্ঘটনার কারণে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে। গর্ভপাত নারীদের শরীরের খুবই ভিন্ন ধরনের এক পরিবর্তন আনে। এই ঘটনা মায়ের শরীরে জটিল পরিবর্তন হতে থাকে।

গর্ভপাতের প্রভাব শুধুমাত্র শরীরের উপরই পড়ে না, মানসিকভাবেও পড়তে পারে। গর্ভপাতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কালে এবয় পরেও গভীর মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব বহন করে। এটি এক কঠিন সিদ্ধান্ত, যা পরিস্থিতির কারণে নিতে েহতে পারে।  এমন কি নারীর মনস্তাত্ত্বিক স্বাস্থ্যে স্থায়ী প্রভাবও ফেলতে পারে।

ভারতের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কোমল ভাদু বলেছেন, ‘ এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে কারণ যাই থাকুক না কেন, গর্ভপাত ব্যক্তির উপর বিভিন্ন ধরনের মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে। গর্ভপাতের এই প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। মূলত এসব নির্ভর করে কারণ এবং গরর্ভপাতের সময়ের উপর। মানসিক জটিলতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে, ডা. ভাদু গর্ভপাত পরবর্তী ব্যক্তিদের উপর মানসিক প্রভাবের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন:

১. কেউ কেউ গর্ভপাতের পরে স্বাভাবিক থাকতে পারে। তারা অনুভব করে যে, পরিস্থিতি অনুযায়ী তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পেশাগত বা আর্থিক ভাবে কঠিন সময় কাটানোর কারণে এই অনুভূতি হতে পারে।

২. অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, গর্ভপাতের সিদ্ধান্তের কারণে মা অপরাধবোধ অনুভব করেন। এই অপরাধবোধ সামাজিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে হতে পারে। অনেকেই গর্ভপাতকে নৈতিকভাবে ভুল বলে মনে করে। অথবা

৩. অনেক নারীরা তাদের গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন। অনেক মা গর্ভে থাকা সন্তানকে হারানোর বা বাঁচাতে না পারার দুঃখের কারণেও কষ্টে ভোগেন। তাদের মনে প্রশ্ন জাগে এবং আবেগের উদ্ভব হয়। 

৪.  সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর অনেকের মধ্যে উদ্বেগ দেখা যায়। গর্ভধারণের পর এমনিই  শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন আসে। তার ভিন্ন পরিণতি নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কারণে মা উদ্বিগ্ন হতে পারে।

৫. কিছু ক্ষেত্রে নারীর গর্ভপাতের পরে পোস্ট ট্রমাটিক সেট্রস ডিসওর্ডার (পিটিএসডি)-র লক্ষণ দেখা যায়। তারা  অনেক বেশি চিন্তাভাবনা করে, দুঃস্বপ্ন দেখে বা মাসসিক অশান্তি অনুভব করে।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

;

মস্তিষ্কের স্মৃতি সংরক্ষণে স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মস্তিষ্কের স্মৃতি সংরক্ষণে স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড

মস্তিষ্কের স্মৃতি সংরক্ষণে স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড

  • Font increase
  • Font Decrease

মস্তিষ্ক হলো শরীরের সবচেয়ে বেশি চর্বিযুক্ত অঙ্গ। এর ওজনের প্রায় ৬০ শতাংশেই লিপিড নাম তৈলাক্ত যৌগে তৈরি। ফ্যাটি অ্যাসিড হল ফসফোলিপিড। অর্থাৎ, এক ধরনের লিপিড গঠনকারী বস্তু।

দ্বি-বন্ধনহীন কার্বন পরমাণুর তৈরি হাইড্রোকার্বনে তৈরি ফ্যাটি এসিড হলো সম্পৃক্ত বা স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড। সম্প্রতি কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের নতুন দিক আবিষ্কার করেছেন। মস্তিষ্কের স্মৃতি ধরে রাখার ক্ষমতায় স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রদর্শন করে।

‘কুইন্সল্যান্ড ব্রেন ইনস্টিটিউট’-এর চিকিৎসক আইজ্যাক আকেফ। তার নেতৃত্বে কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা চলছিল। এই গবেষণা দলের বিষয়বস্তু ছিল মস্তিষ্কে স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিডের প্রভাব। সেই গবেষণা চলাকালে চিকিৎসক আকেফের সুবাদে নিউরো-ডিজেনারেটিভ অসুস্থতার নতুন নিরাময় সম্ভবনাময় হয়ে উঠেছে। গবেষণায় আকেফ আবিষ্কার স্মৃতি তৈরির প্রক্রিয়ায় সম্পর্কযুক্ত জিনের সন্ধান পান। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল ইএমবিও জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছিল।

মস্তিষ্কের একক হলো নিউরন। যখন নিউরন সমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপন হয় তখন স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিডের উদ্দীপনা বাড়ে। ফসফোলিপিড এ-ওয়ান(পিএলএ-১) নামক এনজাইম প্রোটিন এসটিএক্সবিপি-১ -এর সাথে মিথস্ক্রিয়া করার কারণে এমন হয়।  প্রফেসর ফ্রেডেরিক মেউনিয়ারের  সেই গবেষণায় এই প্রক্রিয়া বর্ণনা করে দেখান। এভাবেই ফ্যাটি অ্যাসিড নিঃসরণ হওয়ার প্রক্রিয়া ঘটে।

আগে এই উদ্দীপনা বাড়ার কারণ অজানা ছিল। প্রথমবারের মতো লক্ষ্য করা হয়েছে যে, স্মৃতিচারণার সাথে মস্তিষ্কের ফ্যাটি অ্যাসিড ল্যান্ডস্কেপে পরিবর্তন হয়।  যখন নিউরন কোনো স্মৃতি স্মরণ করার চেষ্টা করে তখন ফ্যাটি এসিডের নিঃসরণ বাড়ে৷

 

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টিভি

;

ঘি খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো?



লাইফস্টাইল, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘি বাঙালির মুখরোচক খাবার। খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতে ঘিয়ের জুড়ি নেই। শুধু কি তাই? এটি আমাদের সুস্থ রাখতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।

কেউ কেউ রয়েছেন প্রতিদিনের রান্নায় তেলের পরিবর্তে ঘি ব্যবহার করেন। আবার কারো পাতের গরম ভাতের সঙ্গে ঘি না হলে তো চলেই না! তাই বলে কি প্রতিদিন ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ভারতের পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. মিলটন বিশ্বাস জানিয়েছেন, অনেকেরই মনে হয় ঘি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। সারাদিনে যে খাবারটা খাওয়া হয় সেটা অবশ্যই সুষম ডায়েট হওয়া উচিত। অর্থাৎ এই পুষ্টিবিদের মতে, খাবারে ৫০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট ,৩৫ শতাংশ প্রোটিন এবং ১৫ শতাংশ ফ্যাট হওয়া উচিত।


যদি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ঘি তৈরি করা যায় তাহলে, এক চামচ ঘি-এর মধ্যে ১৩৫ ক্যালরি পাওয়া যায়। যার মধ্যে ১৫ গ্রামই পাওয়া যায় ফ্যাট, এবং ফাইবার কার্বোহাইড্রেট ও সুগারের পরিমাণ থাকে শূন্য । তবে এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ,কে, ডি এবং ই পাওয়া যায় ।

ঘি টাকে যদি অল্প আঁচে জ্বালিয়ে তৈরি করা সম্ভব হয় তাহলে ভিটামিনের সব পুষ্টিগুণগুলো ওই ঘি-এর মধ্যে বজায় থাকে। ঘি এর মধ্যে সাধারণত যে ফ্যাট পাওয়া যায় সেটা স্যাচুরেটেড ফ্যাট হিসেবে থাকে। এই স্যাচুরেটেড ফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী!

এছাড়াও ঘি এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি, ফ্যাটি এসিডও পাওয়া যায়, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।


তবে পরিমাণে বেশি নয়। প্রত্যেক দিন যদি এক চামচ করে ঘি খাওয়া যেতে পারে তাহলে, এটি আপনাদের শরীরের ‘এলডিএল কোলেস্টেরলের’ পরিমাণটি কমাতে সাহায্য করবে। ঘি-এর মধ্যে যেহেতু সুগারের পরিমাণ পুরোপুরি জিরো থাকে তাই ঘি খেলে রক্তে সুগারের লেভেলও কম থাকবে!

ঘি ইনফ্লামেশন কমানোর পাশাপাশি যাদের করোনারি আরটারি ডিজিজ রয়েছে তাদের সেই রোগ প্রতিরোধ করতেও যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে। তাই কোনওরকম দুশ্চিন্তা না করে প্রত্যেকদিন এক চামচ ঘি খাওয়া যেতে পারে। এমনকি যাদের সুগার রয়েছে তারাও ঘি খেতে পারেন।

;

রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ বেশি কার্যকর



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রোগ প্রতিরোধ বনাম রোগ নিরাময়

রোগ প্রতিরোধ বনাম রোগ নিরাময়

  • Font increase
  • Font Decrease

সুস্থ মানুষই সুখী মানুষ। অসুস্থ হলে মানুষের জীবনের স্বাভাবিক গতি বাধাপ্রাপ্ত হয়। স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসকরা বরাবরই বলেন,  ‘নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধ ভাল’। এই কথাটি খুব গভীর অর্থ বহন করে।  সময় থাকতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখা যায়। তাছাড়া, অসুস্থ হওয়ার প্রবণতাও কমে। যেমন- নিয়মিত শরীর চর্চা, সুস্থ থাকতে উদ্যোগ গ্রহণ এবং টিকাগ্রহণ। ভারতীয় চিকিৎসক শচীন পাওয়ার রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধকে প্রাধান্য দিয়েছেন। জেনে নেওয়া যাক, তার পরামর্শ-

প্রতিরোধ ক্ষমতা:  রোগ প্রতিরোধ করার পদক্ষেপ দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। এটি একটি বিচক্ষণ পদক্ষেপ হতে পারে। জীবনধারায় সাধারণ পরিবর্তন করেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আগে থেকেই টিকা নিয়ে রাখলে এবং চিকিৎসকের থেকে নিয়মিত পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে আক্রান্ত হওয়া এড়ানো যায়। এতে অসুস্থ হওয়ায় বাড়তি খরচ এবং শারীরিক অস্বস্তি এড়ানো যায়।

নিরাময়ের খরচ: অনেক সময় রোগ প্রতিরোধের চেয়ে  চিকিৎসা বেশি খরচ সাপেক্ষ হয়। দীর্ঘস্থায়ী রোগের থেকে নিরাময়ের খরচ সময়ের সাথে সাথে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অথচ সময় থাকতেই রো গ বৃদ্ধির প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করলে এই করচ এড়ানো সম্ভব হতো। জীবন মান: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে নিয়মের মধ্যে চলতে হয়। আমাদের শরীর কিরকম প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা জীবনধারা বাছাই করার সিদ্ধান্তের চারপাশে আবর্তিত হয়। যেমন- প্রতিদিন সুষম খাদ্য তালিকা বজায় রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং মানসিক চিন্তামুক্ত থাকা ভালো অভ্যাস। এই অভ্যাসগুলো রোগের সূত্রপাত প্রতিরোধ করে। তার সাথে সামগ্রিক সুস্থতাও রক্ষা করে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং ওজন আধিক্যের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগ গুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায় সুন্দর জীবনধারার মাধ্যমে।   

লোড অফ হেলথকেয়ার সিস্টেম গ্রহণ যখন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উপর চাপ কমানোর কথা আসে, তখন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা প্রতিরোধযোগ্য রোগের জন্য চিকিত্সার সন্ধানকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা হ্রাসের সুবিধা দেয়, যার ফলে উদীয়মান স্বাস্থ্য সংকট সমাধানের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সংস্থানগুলির দক্ষ বরাদ্দের অনুমতি দেওয়া হয় এবং গুরুতর চিকিত্সার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তিদের জন্য আরও ভাল যত্ন প্রদান করে।

প্রতিরোধ এবং নিরাময় ভারসাম্য: প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ স্পষ্টত কার্যকরী একটি পদক্ষেপ। তবে তাই বলে রোগ নিরাময় করার পদ্ধতিকে অবহেলা করলে হবে না। দিন দিন চিকিৎসা পদ্ধতির অগ্রগতি হচ্ছে। চিকিৎসার মাধ্যমে অগণিত জীবন বাঁচানো এবং কষ্ট লাঘব করা সম্ভব হয়েছে। প্রতিরোধ এবং নিরাময় উভয়ই স্বাস্থ্যের জন্য প্রভাব বিস্তারকারী।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

;