ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা ২৪
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ডায়াবেটিস হলে শরীরে ইনসুলিন হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়। ফলে দেহের কোষে গ্লুকোজ পৌঁছাতে পারে না। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস কখনো পুরোপুরি ভালো হয় না। তবে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। খাদ্যাভাসের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন দারুচিনি, করলা, রসুন, হলুদ কিংবা গ্রিন বা ব্ল্যাক চা। এই চাগুলো শরীরের প্রদাহ এবং কোষের ক্ষতি কমাতে পারে। ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও সহায়তা করে।

দারুচিনির চা: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ দারুচিনির চা ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি। এটি স্থূলতা কমানোর পাশাপাশি হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতেও সহায়তা করে। এটি ট্রাইগ্লিসারাইড কমিয়ে শর্করার মাত্রা কমাতেও অত্যন্ত কার্যকরী। দারুচিনির চা ইনসুলিন সংবেদনশীলতা নিয়ন্ত্রণ করতেও সহায়তা করে। হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

রসুনের চা: রসুনে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান রয়েছে। রসুনে রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি। এটি কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্তদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে রসুন। রসুন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

গ্রিন টি: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি শরীরের প্রদাহ এবং কোষের ক্ষতি কমাতে পারে, পাশাপাশি ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও অত্যন্ত সহায়ক। গ্রিন টি-তে বায়োঅ্যাক্টিভ যৌগ রয়েছে। এটি পেশী কোষে গ্লুকোজ গ্রহণ করতে পারে, যা শরীরে শর্করার মাত্রা কমাতেও সহায়তা করে। এটি ওজন কমানো ও ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও অত্যন্ত কার্যকর।

ব্ল্যাক টি: ব্ল্যাক টি প্রাকৃতিকভাবে ইনসুলিন লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি সমৃদ্ধ। ব্ল্যাক টি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও সহায়তা করে। ব্ল্যাক টি ইনসুলিন নিঃসরণ উন্নত করতে পারে।

হলুদ চা: হলুদে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য থাকে। এর কারকিউমিন রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। কারকিউমিন ইনসুলিনের সংবেদনশীলতাকে উন্নত করে। রক্তে স্বাস্থ্যকর শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে। টিস্যুতে গ্লুকোজ গ্রহণ বৃদ্ধি করে।

করলার চা: করলার চা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ও ইমিউনিটি এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, লিভার পরিষ্কার করে, ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এই চা করলার পাতা, ফল এবং বীজ দিয়েও তৈরি করা যায়।