স্বাস্থ্যগুণে তেজি তেজপাতা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তেজপাতা চিনেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। মসলা হিসেবে তেজপাতার ব্যবহার রয়েছে। মৃদু ঝাঁঝালো সুগন্ধের বাইরেও স্বাস্থ্য সুরক্ষাতে এর জুড়ি মেলা ভার। বিশেষ করে এই পাতা শরীরের ছোটখাটো কিছু সমস্যা সহজেই সারিয়ে দিতে পারে।

জেনে নিন কোনসব রোগ তেজপাতা সহজেই সারাতে পারে-

১. বিভিন্ন ধরনের ক্ষত নিরাময়ে তেজপাতা অতুলনীয়। গবেষণায় দেখা গেছে, তেজপাতা জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।

barta24

২. তেজপাতার মধ্যে রয়েছে লিনালুল নামক উপাদান যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্যে করে। এটি উৎকণ্ঠা কাটাতে, শান্ত থাকতে ও হতাশা দূর করতে কার্যকরী।

৩. কাশি হলে বা জোরে কথা বললে অনেকের গলা ভেঙে যায়। তেজপাতা ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানি পান করলে গলাব্যথা কমে যেতে পারে। এছাড়াও হজমশক্তি বাড়াতে তেজপাতার জুড়ি মেলা ভার।

৪. গায়ে দুর্গন্ধ হচ্ছে কিংবা প্রচুর গা ঘামছে বা ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে তেজপাতা বেটে সেই প্রলেপ শরীরে লাগালে সব সমস্যাই কমে।

৫. যেকোনো ধরনের মাথাব্যথা উপশমে কার্যকর তেজপাতা। এতে রয়েছে ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট উপাদান, যা প্রদাহ দূর করতে সাহায্যে করে। ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে তেজপাতার এসেনশিয়াল ওয়েল ভীষণ উপকারী।

সারোগোসির মাধ্যমে মা হলেন প্রিয়াঙ্কা, কী এই পদ্ধতি?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কয়েকদিন আগে সারোগেসির মাধ্যমে মা হয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এতে আলোচনায় এসেছে সারোগেসি পদ্ধতি। যদিও এর আগে অনেক বলিউড, হলিউড অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা সন্তান নিয়েছেন এই পদ্ধতিতে।

কী এই সারোগেসি?

যেসব মহিলারা সন্তানধারণ করতে পারেন না কিংবা চান না তাদের হয়ে অন্য কেউ গর্ভে সন্তানধারণ করলে, তাকে বলা হয় সারোগেসি। সন্তানধারণ যিনি করছেন, তিনি হলেন সেই শিশুর সারোগেট মা। বিশেষ করে যে সকল মহিলার শরীর সন্তানধারণের ধকল নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়, তারাই এই পথ বেছে নেন। কারও কারও ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য কারণও থাকে। তবে শুনতে যত সহজ, বিষয়টি মোটেই সহজ সরল নয়। এতে যেমন রয়েছে চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা, তেমনই রয়েছে নানা আইনি বিষয়ও। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সারোগেসির খুঁটিনাটি।

সারোগেসির নানা ধরন এবং নিয়ম রয়েছে। এ পদ্ধতি বেছে নেওয়ার আগে তা জানা জরুরি। সারোগেসি মূলত দু’ধরনের হয়। যেমন—

ট্র্যাডিশনাল সারোগেসি

এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু প্রতিস্থাপিত হয় সারোগেট মায়ের শরীরে। কৃত্রিম পদ্ধতিতেই তা করা হয়। সারোগেট মায়ের ডিম্বাণুই ব্যবহৃত হয়। সারোগেট মা এখানে সন্তানের বায়োলজিক্যাল। কোনও কোনও ক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু কাজ না করলে অন্য ডোনারের শুক্রাণু দিয়ে কাজ চালানো হয়। তবে সেটাও প্রতিস্থাপন করা হয় কৃত্রিম পদ্ধতিতেই।

জেস্টেশনাল সারোগেসি

এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু এবং মায়ের ডিম্বাণু ব্যবহার করা হয়। কৃত্রিম উপায়ে ফার্টিলাইজ করে তা প্রতিস্থাপন করা হয় সারোগেট মায়ের জরায়ুতে। এক্ষেত্রে সারোগেট মায়ের সঙ্গে সন্তানের কোনও জিনগত মিল থাকে না। এই পদ্ধতিই সবচেয়ে প্রচলিত এখন।

মূলত এই দু’টিই সারোগেসির প্রধান পদ্ধতি। যদিও এর বাইরেও রয়েছে কয়েকটি অন্য নিয়মও। তার ভিত্তিতে ভাগ করা হয় সারোগেসিকে।

সারোগেসির আগে মনে রাখতে হবে কী কী?

>এমন সারোগেট বাছা হয় যার রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা, থাইরয়েডের মাত্রা স্বাভাবিক। মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও দেখা হয় সারোগেট নির্বাচনের আগে।

>এমন সারোগেট মা নির্বাচন করা হয়, এর আগে যিনি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এছাড়াও সারোগেট মায়ের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। একবারের বেশি সারোগেট সন্তান ধারণ করতে পারবেন না কেউ।

তবে সারোগেসি সংক্রান্ত নিয়ম বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। যদিও বাংলাদেশে সারোগেসি সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনো আইন নেই। তাই এই পথ বেছে নেওয়ার আগে সবকিছু ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি, যাতে পরবর্তীকালে কোনও আইনি সমস্যায় না পড়তে হয়।

;

শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটায় যে ফল



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত শীতকালে খেজুরের উপকারীতার শেষ নেই। রক্তে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখুন খেজুর। এই ফলটি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ, আবার এতে রয়েছে অসাধারণ কিছু ঔষধিগুণ।

খেজুরের যাবতীয় পুষ্টিগুণ জেনে নেওয়া যাক—

১. খেজুরে থাকা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে তাত্ক্ষণিক শক্তি জোগায়। তাই খাদ্যতালিকায় খেজুর রাখলে সারাদিন বেশ প্রাণবন্ত থাকা যায়।

২. খেজুরে কোনও ফ্যাট নেই। নেই কোনও কোলেস্টেরলও। খেজুরে থাকা ‘ক্যাটাচিনস’ নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। তা ছাড়া, খেজুর ধমনীতে চর্বির স্তর জমতে দেয় না।

৩. রক্তস্বল্পতায় ভুগলে অবসাদ, শ্বাসকষ্টের সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রেও খেজুর ভীষণ উপকারী। খেজুর আয়রনের ভাল উৎস।

৪. হৃদ্‌রোগ, ক্যানসার কিংবা ডায়াবিটিসের রোগীদের ক্ষেত্রেও খেজুর খুব উপরারী। খেজুরে আছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ফ্ল্যাভোনয়েডস যা ক্যানসার এবং ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে ভাষণ উপকারী। এ ছাড়াও খেজুরে আছে আইসোফ্ল্যাভন ও ক্যারোটেনয়েডস নামক দু’টি উপাদান, যা হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করতে কার্যকরী। খেজুরে থাকে ফেনোলিক অ্যাসিড নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৫. খেজুরে বেশ ভাল মাত্রায় পটাশিয়াম থাকে, যা রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই বলা য়ায়, খেজুর হল এমন এক প্রাকৃতিক প্রতিষেধক, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৬. খেজুরে প্রচুর পরিমাণ সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। এ সব হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ প্রতিরোধের জন্য বেশ উপকারী।

৭. খেজুরে রয়েছে ভিটামিন এ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ‘ক্যারোটানয়েডস’, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে উপকারী। এমনকি, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চোখের পেশীর সঙ্কোচন-প্রসারণ ক্ষমতা কমে যাওয়া সংক্রান্ত সমস্যাও খেজুর প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

৮. সাধারণত খাদ্যে ফাইবার অভাবে পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগ হয়। খেজুরে যেহেতু প্রচুর ফাইবার থাকে, তাই নিয়মিত খেজুর খেলে এ রোগগুলি থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।

;

শীতে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধোয়া জরুরি



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘উহু! আজ খুব ঠান্ডা, গোসল করবো না’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এখন চোখে পড়ে এমন স্ট্যাটাস। অর্থাৎ ঠান্ডার ভয়ে ঘোষণা দিয়ে গোসল না করা। এমন ঘোষণা দিয়ে বা না দিয়ে শীতকালে অনেকেই গোসল করতে চান না।

মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রেও এড়িয়ে চলেন ঠান্ডা পানি। অথচ বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের পরামর্শ, যতই শীত পড়ুক, ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুতে কার্পণ্য করা যাবে না।

ডার্মাটোলজিকাল স্টাডি অনুসারে, আপনি যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলেন, তবে ত্বকের সৌন্দর্য দ্রুতই বাড়বে। একইসঙ্গে দূরে থাকবে ত্বকের নানা অসুখও।

প্রশ্ন হলো, ঠান্ডা পানিতে কী রয়েছে যে, এতে মুখ পরিষ্কার করলে উপকারিতা পাবেন? মূলত ঠান্ডা পানির ঝাপটায় লোমকূপে জমে থাকা ময়লা ও দূষিত উপাদান দূর হয়ে যায়। সেইসঙ্গে ত্বকের অভ্যন্তরে কিছু রাসায়নিকের ক্ষরণ বেড়ে যায়। যে কারণে ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

শীতে ঠান্ডা পানিতে মুখ পরিষ্কার করা জরুরি যেসব কারণে-

ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে

ত্বককে টানটান রাখতে এবং প্রাণবন্ত করে তুলতে ঠান্ডা পানির বিকল্প নেই। যখন আপনি ঠান্ডা পানিতে মুখ পরিষ্কার করবেন, তখন ত্বকে রক্তের প্রবাহ বেড়ে যাবে। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে, সেইসঙ্গে কমবে বলিরেখার প্রভাব। আপনি যদি নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে থাকেন, তবে সহজে মুখে বয়সের ছাপ পড়বে না।

ফোলাভাব কমায়

আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি, তখন শরীরে নতুন কোষের উৎপাদন হয়। এ কারণে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখে ফোলাভাব লক্ষ্য করা যায়। এমন ফোলা মুুখ নিয়ে নিশ্চয়ই বাইরে চলে যাওয়া যায় না! তাই এই ফোলাভাব কমাতেই মুখ পরিষ্কার করতে হবে ঠান্ডা পানি দিয়ে। এতে শুধু ফোলাভাবই কমবে না, সেইসঙ্গে ত্বক চনমনে হয়ে উঠবে। ত্বকের স্বাস্থ্য আরও ভালো হবে।

দূষণ থেকে রক্ষা

শহুরে বাতাসে মিশে থাকে নানা দূষিত পদার্থ। সেগুলো প্রতিনিয়ত ত্বকের ক্ষতি করে। সারাদিন নানা দূষিত পদার্থের আক্রমণে ত্বক হয়ে পড়ে নির্জীব। ত্বকের হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার কাজে সাহায্য করতে পারে ঠান্ডা পানি। বাইরে থেকে ফিরেই ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নেবেন। এতে ত্বকে জমে থাকা সব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যাবে। ফলে কমবে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার ভয়। মুখের সৌন্দর্যও বাড়বে অনেকটাই।

ব্রণের সমস্যা দূর

নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের প্রতিটি লোমকূপ অ্যাকটিভ হয়ে উঠবে। এতে ত্বকে ময়লা জমে থাকার ভয় থাকবে না। পাশাপাশি দূর হবে ব্রণ এবং ব্ল্যাকহেডসের মতো ত্বকের সমস্যা। কমে যাবে নানা ধরনের ত্বকের রোগের ভয়ও।

ভয়-অলসতা ঝেড়ে ফেলুন। শীত-গ্রীষ্ম সব সময় ঠান্ডা পানি দিয়ে নিয়ম করে মুখ ধোয়ার প্রবণতা বাড়ান। এতে ত্বকের রোগ-জীবাণু দূর হবে। চেহারায় ফিরবে তারুণ্য।

;

মধু ও দারুচিনি একসঙ্গে কেন খাবেন?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মধু ও দারুচিনি গুঁড়া এমন দুইটি উপকারী উপাদান, যা যে কেউ প্রতিদিন তাদের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারবেন সহজেই। মধু উপকারিতা ও দারুচিনির উপকারিতার সংমিশ্রণ বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা এনে দেয়। এমন কিছু ইতিবাচক গুণ জেনে রাখুন।

দূর করে মুখের বাজে গন্ধ

দারুচিনি ও মধুতে উপস্থিত একাধিক উপকারী উপাদান মুখ গহ্বরে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকর জীবাণু মেরে ফেলে। ফলে মুখের বাজে গন্ধ দূর হওয়ার পাশাপাশি দাঁত ও মাড়ি সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায় অনেকটা। তবে এই সকল উপকার পেতে সপ্তাহে অন্ততপক্ষে ২-৩ দিন নিয়ম করে এক গ্লাস গরম পানিতে পরিমাণ মতো দারুচিনি গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে পান করতে হবে।

সুস্থ রাখে হৃদযন্ত্র

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল এর মাত্রা কমানোর মধ্য দিয়ে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে দারুচিনি ও মধু বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, মধুতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদযন্ত্রের ভেতরের প্রদাহ কমায়। ফলে যে কোনও ধরনের হৃদরোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। বিশেষত এর সাথে কমে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও।

নিয়ন্ত্রণে আসবে ওজন

বেশ কিছু গবেষণার ফলাফল থেকে দেখা গেছে, নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসে সাথে দৈনিক সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম পানিতে মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে পান করলে মেদ কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। এতে করে দ্রুত ওজন হ্রাস পায়। এছাড়া আলাদাভাবে দারুচিনি গুঁড়া কোমরের বাড়তি মেদ কমাতে কাজ করে।

প্রতিরোধ করবে ক্যানসার

মধুতে রয়েছে উপস্থিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে ক্যানসার কোষের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমায়। অন্যদিকে দারুচিনিতে উপস্থিত অ্যান্টি-টিউমার প্রোপাটিজ শরীরে টিউমার হতে বাধা প্রদান করে।

 

;