কাচের বোতলে পানি খেলে হতে পারে ক্যান্সার!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পানির বোতল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবার আগে মাথায় আসে স্বাস্থ্যকর হবে তো? প্লাস্টিকের বোতলের ব্যবহার হরহামেশাই দেখা যায়। কিন্তু প্লাস্টিকের বোতলে উৎকট গন্ধ পাওয়া যায়। সেইজন্য অনেকেই কাচের বোতল বেছে নেন ইদানিং। কিন্তু এই কাচের বোতলও কি সম্পূর্ণ নিরাপদ? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?

জেনে নিন কাচের বোতলে পানি রাখা কতটা নিরাপদ?

আপাতভাবে মনে হতে পারে পানি রাখার জন্য কাচের বোতল খুবই নিরাপদ। কিন্তু বিষয়টি আদৌও তা নয়। কারণ বিজ্ঞানীরা বলছেন, নানা ধরনের কাচ রয়েছে। তার প্রতিটা খাবার বা পানীয় রাখার জন্য মোটেই নিরাপদ নয়।

এমন বেশ কিছু কাচের বোতল আছে, যার মধ্যে সিসা, ক্যাডসমিয়াম, ক্রোমিয়ামের মতো উপাদান থাকে। এই ধরনের বোতল থেকে দীর্ঘ দিন পানি খেলে, তা শরীরের বহু ক্ষতি করতে পারে। এমনকি ক্যানসার জাতীয় অসুখের আশঙ্কাও বাড়িয়ে দিতে পারে।

তা হলে কেমন বোতলে পানি রাখবেন?

বিজ্ঞানীদের মতে, ‘ফ্লিন্ট গ্লাস টাইপ ৩’ গোত্রের কাচের তৈরি বোতলে পানি রাখতে পারেন। চিকিৎসার প্রয়োজনে এই ধরনের কাচের পাত্র ব্যবহার করা হয়। আপনার কাচের বোতল নিরাপদ কি না, সে বিষয়ে যদি নিশ্চিত না হন, তা হলে কাচের বোতলও এড়িয়ে চলাই ভালো। তার বদলে তামার পাত্রে পানি রাখতে পারেন। কারণ তামার পাত্রে পানি সবচেয়ে বেশি নিরাপদ।

শীতে খুশকির সমস্যা কমাতে নারিকেল তেলের দুই ব্যবহার



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চুলের যত্নে নারিকেল তেল অতুলনীয়। চুল পড়া, চুলের আগা ফাটা, চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়া কিংবা খুশকির মতো জেদি সমস্যাতেও নারিকেল তেলের কাছেই সমাধান খুঁজতে হয়।

কিন্তু খুশকির সমস্যায় নারিকেল তেল ব্যবহার করে অনেককেই হতাশ হতে হয়। কারণ খুশকির সমস্যা দূর করার জন্য সঠিক নিয়মে নারিকেল তেল ব্যবহারের ধরণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।

সবার সুবিধার জন্য ও খুশকির সমস্যাকে বিদায় জানাতে দুইটি কার্যকর উপায়ে নারিকেল তেলের ব্যবহারের বিশদ বিবরণ জানানো হল-

নারিকেল তেলের ডিপ কন্ডিশনিং

নারিকেল তেলের ডিপ কন্ডিশনিং শুষ্ক চুলকে কোমল করার পাশপাশি খুশকির সমস্যাকে দ্রুত কমিয়ে আনতে কাজ করবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে ২-৩ টেবিল চামচ নারিকেল তেল (চুলের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে নারিকেল তেলের পরিমাণ কমবেশি হবে), উষ্ণ তোয়ালে ও মোটা দাঁতের চিরুনি।

প্রথমে চুল শ্যাম্পুর সাহায্য পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং শ্যাম্পু ব্যবহারের পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা যাবে না। এবারে মোটা দাঁতের চিরুনির সাহায্যে চুল আঁচড়ে ভেজা চুলের গোঁড়ায় নারিকেল তেল ম্যাসাজ করতে হবে। এভাবে পুরো মাথার চুলে নারিকেল তেল ম্যাসাজ করা হয়ে গেলে উষ্ণ তোয়ালের সাহায্যে পুরো মাথার চুল পেঁচিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তোয়ালে উষ্ণ করার জন্য গরম পানিতে ভিজিয়ে এরপর পানি নিংড়ে নিতে হবে।

৩০ মিনিট হয়ে গেলে চুল শুকিয়ে নিতে হবে এবং এভাবে সারারাত চুল তেল রেখে দিয়ে পরদিন সকালে চুল শ্যাম্পু করে নিতে হবে। এই নিয়মে প্রতি সপ্তাহে একবার নারিকেল তেল ব্যবহার করতে হবে।

নারিকেল তেল ও লেবুর রসের মিশ্রণ

কিছু ক্ষেত্রে শ্যাম্পু ব্যবহারে আমাদের মাথার ত্বকের সাধারণ পিএইচ মাত্রায় তারতম্য ঘটে, যা থেকে উৎপত্তি হয় খুশকির সমস্যা। এক্ষেত্রে লেবুর রস নারিকেল তেলের মতোই উপকারী। এই ফলের রসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড চুল ও মাথার ত্বকের pH এর মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে কাজ করে। এছাড়া লেবুর রসে থাকা ভিটামিন-সি হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা মাথার ত্বকের যেকোন ইনফেকশনের সমস্যা ভালো করতে কার্যকর। এ কারণে নারিকেল তেলের সাথে সঠিক পরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে খুশকির সমস্যায় কার্যকর উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে।

এর জন্য দুই টেবিল চামচ নারিকেল তেল (চুলের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে নারিকেল তেলের পরিমাণ কমবেশি হবে) ও এক চা চামচ লেবুর রস মেশাতে হবে। এরপর শুষ্ক চুলের গোঁড়ায় এই মিশ্রণ ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে হারবাল শ্যাম্পুর সাহায্যে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

;

সারোগোসির মাধ্যমে মা হলেন প্রিয়াঙ্কা, কী এই পদ্ধতি?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কয়েকদিন আগে সারোগেসির মাধ্যমে মা হয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এতে আলোচনায় এসেছে সারোগেসি পদ্ধতি। যদিও এর আগে অনেক বলিউড, হলিউড অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা সন্তান নিয়েছেন এই পদ্ধতিতে।

কী এই সারোগেসি?

যেসব মহিলারা সন্তানধারণ করতে পারেন না কিংবা চান না তাদের হয়ে অন্য কেউ গর্ভে সন্তানধারণ করলে, তাকে বলা হয় সারোগেসি। সন্তানধারণ যিনি করছেন, তিনি হলেন সেই শিশুর সারোগেট মা। বিশেষ করে যে সকল মহিলার শরীর সন্তানধারণের ধকল নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়, তারাই এই পথ বেছে নেন। কারও কারও ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য কারণও থাকে। তবে শুনতে যত সহজ, বিষয়টি মোটেই সহজ সরল নয়। এতে যেমন রয়েছে চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা, তেমনই রয়েছে নানা আইনি বিষয়ও। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সারোগেসির খুঁটিনাটি।

সারোগেসির নানা ধরন এবং নিয়ম রয়েছে। এ পদ্ধতি বেছে নেওয়ার আগে তা জানা জরুরি। সারোগেসি মূলত দু’ধরনের হয়। যেমন—

ট্র্যাডিশনাল সারোগেসি

এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু প্রতিস্থাপিত হয় সারোগেট মায়ের শরীরে। কৃত্রিম পদ্ধতিতেই তা করা হয়। সারোগেট মায়ের ডিম্বাণুই ব্যবহৃত হয়। সারোগেট মা এখানে সন্তানের বায়োলজিক্যাল। কোনও কোনও ক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু কাজ না করলে অন্য ডোনারের শুক্রাণু দিয়ে কাজ চালানো হয়। তবে সেটাও প্রতিস্থাপন করা হয় কৃত্রিম পদ্ধতিতেই।

জেস্টেশনাল সারোগেসি

এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু এবং মায়ের ডিম্বাণু ব্যবহার করা হয়। কৃত্রিম উপায়ে ফার্টিলাইজ করে তা প্রতিস্থাপন করা হয় সারোগেট মায়ের জরায়ুতে। এক্ষেত্রে সারোগেট মায়ের সঙ্গে সন্তানের কোনও জিনগত মিল থাকে না। এই পদ্ধতিই সবচেয়ে প্রচলিত এখন।

মূলত এই দু’টিই সারোগেসির প্রধান পদ্ধতি। যদিও এর বাইরেও রয়েছে কয়েকটি অন্য নিয়মও। তার ভিত্তিতে ভাগ করা হয় সারোগেসিকে।

সারোগেসির আগে মনে রাখতে হবে কী কী?

>এমন সারোগেট বাছা হয় যার রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা, থাইরয়েডের মাত্রা স্বাভাবিক। মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও দেখা হয় সারোগেট নির্বাচনের আগে।

>এমন সারোগেট মা নির্বাচন করা হয়, এর আগে যিনি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এছাড়াও সারোগেট মায়ের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। একবারের বেশি সারোগেট সন্তান ধারণ করতে পারবেন না কেউ।

তবে সারোগেসি সংক্রান্ত নিয়ম বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। যদিও বাংলাদেশে সারোগেসি সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনো আইন নেই। তাই এই পথ বেছে নেওয়ার আগে সবকিছু ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি, যাতে পরবর্তীকালে কোনও আইনি সমস্যায় না পড়তে হয়।

;

শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটায় যে ফল



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত শীতকালে খেজুরের উপকারীতার শেষ নেই। রক্তে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখুন খেজুর। এই ফলটি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ, আবার এতে রয়েছে অসাধারণ কিছু ঔষধিগুণ।

খেজুরের যাবতীয় পুষ্টিগুণ জেনে নেওয়া যাক—

১. খেজুরে থাকা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে তাত্ক্ষণিক শক্তি জোগায়। তাই খাদ্যতালিকায় খেজুর রাখলে সারাদিন বেশ প্রাণবন্ত থাকা যায়।

২. খেজুরে কোনও ফ্যাট নেই। নেই কোনও কোলেস্টেরলও। খেজুরে থাকা ‘ক্যাটাচিনস’ নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। তা ছাড়া, খেজুর ধমনীতে চর্বির স্তর জমতে দেয় না।

৩. রক্তস্বল্পতায় ভুগলে অবসাদ, শ্বাসকষ্টের সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রেও খেজুর ভীষণ উপকারী। খেজুর আয়রনের ভাল উৎস।

৪. হৃদ্‌রোগ, ক্যানসার কিংবা ডায়াবিটিসের রোগীদের ক্ষেত্রেও খেজুর খুব উপরারী। খেজুরে আছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ফ্ল্যাভোনয়েডস যা ক্যানসার এবং ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে ভাষণ উপকারী। এ ছাড়াও খেজুরে আছে আইসোফ্ল্যাভন ও ক্যারোটেনয়েডস নামক দু’টি উপাদান, যা হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করতে কার্যকরী। খেজুরে থাকে ফেনোলিক অ্যাসিড নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৫. খেজুরে বেশ ভাল মাত্রায় পটাশিয়াম থাকে, যা রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই বলা য়ায়, খেজুর হল এমন এক প্রাকৃতিক প্রতিষেধক, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৬. খেজুরে প্রচুর পরিমাণ সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। এ সব হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ প্রতিরোধের জন্য বেশ উপকারী।

৭. খেজুরে রয়েছে ভিটামিন এ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ‘ক্যারোটানয়েডস’, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে উপকারী। এমনকি, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চোখের পেশীর সঙ্কোচন-প্রসারণ ক্ষমতা কমে যাওয়া সংক্রান্ত সমস্যাও খেজুর প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

৮. সাধারণত খাদ্যে ফাইবার অভাবে পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগ হয়। খেজুরে যেহেতু প্রচুর ফাইবার থাকে, তাই নিয়মিত খেজুর খেলে এ রোগগুলি থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।

;

শীতে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধোয়া জরুরি



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘উহু! আজ খুব ঠান্ডা, গোসল করবো না’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এখন চোখে পড়ে এমন স্ট্যাটাস। অর্থাৎ ঠান্ডার ভয়ে ঘোষণা দিয়ে গোসল না করা। এমন ঘোষণা দিয়ে বা না দিয়ে শীতকালে অনেকেই গোসল করতে চান না।

মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রেও এড়িয়ে চলেন ঠান্ডা পানি। অথচ বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের পরামর্শ, যতই শীত পড়ুক, ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুতে কার্পণ্য করা যাবে না।

ডার্মাটোলজিকাল স্টাডি অনুসারে, আপনি যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলেন, তবে ত্বকের সৌন্দর্য দ্রুতই বাড়বে। একইসঙ্গে দূরে থাকবে ত্বকের নানা অসুখও।

প্রশ্ন হলো, ঠান্ডা পানিতে কী রয়েছে যে, এতে মুখ পরিষ্কার করলে উপকারিতা পাবেন? মূলত ঠান্ডা পানির ঝাপটায় লোমকূপে জমে থাকা ময়লা ও দূষিত উপাদান দূর হয়ে যায়। সেইসঙ্গে ত্বকের অভ্যন্তরে কিছু রাসায়নিকের ক্ষরণ বেড়ে যায়। যে কারণে ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

শীতে ঠান্ডা পানিতে মুখ পরিষ্কার করা জরুরি যেসব কারণে-

ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে

ত্বককে টানটান রাখতে এবং প্রাণবন্ত করে তুলতে ঠান্ডা পানির বিকল্প নেই। যখন আপনি ঠান্ডা পানিতে মুখ পরিষ্কার করবেন, তখন ত্বকে রক্তের প্রবাহ বেড়ে যাবে। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে, সেইসঙ্গে কমবে বলিরেখার প্রভাব। আপনি যদি নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে থাকেন, তবে সহজে মুখে বয়সের ছাপ পড়বে না।

ফোলাভাব কমায়

আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি, তখন শরীরে নতুন কোষের উৎপাদন হয়। এ কারণে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখে ফোলাভাব লক্ষ্য করা যায়। এমন ফোলা মুুখ নিয়ে নিশ্চয়ই বাইরে চলে যাওয়া যায় না! তাই এই ফোলাভাব কমাতেই মুখ পরিষ্কার করতে হবে ঠান্ডা পানি দিয়ে। এতে শুধু ফোলাভাবই কমবে না, সেইসঙ্গে ত্বক চনমনে হয়ে উঠবে। ত্বকের স্বাস্থ্য আরও ভালো হবে।

দূষণ থেকে রক্ষা

শহুরে বাতাসে মিশে থাকে নানা দূষিত পদার্থ। সেগুলো প্রতিনিয়ত ত্বকের ক্ষতি করে। সারাদিন নানা দূষিত পদার্থের আক্রমণে ত্বক হয়ে পড়ে নির্জীব। ত্বকের হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার কাজে সাহায্য করতে পারে ঠান্ডা পানি। বাইরে থেকে ফিরেই ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নেবেন। এতে ত্বকে জমে থাকা সব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যাবে। ফলে কমবে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার ভয়। মুখের সৌন্দর্যও বাড়বে অনেকটাই।

ব্রণের সমস্যা দূর

নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের প্রতিটি লোমকূপ অ্যাকটিভ হয়ে উঠবে। এতে ত্বকে ময়লা জমে থাকার ভয় থাকবে না। পাশাপাশি দূর হবে ব্রণ এবং ব্ল্যাকহেডসের মতো ত্বকের সমস্যা। কমে যাবে নানা ধরনের ত্বকের রোগের ভয়ও।

ভয়-অলসতা ঝেড়ে ফেলুন। শীত-গ্রীষ্ম সব সময় ঠান্ডা পানি দিয়ে নিয়ম করে মুখ ধোয়ার প্রবণতা বাড়ান। এতে ত্বকের রোগ-জীবাণু দূর হবে। চেহারায় ফিরবে তারুণ্য।

;