গাজর বেশি খেলে ঘুম কমে, বাড়ে পেটব্যথা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শীতের সবজির মধ্যে গাজর অন্যতম। গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও আঁশসমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি। কমলা রঙের এ সবজিতে আছে বিটা ক্যারোটিন, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কিন্তু গাজর মানেই, তার সব কিছু ভাল— এমন নাও হতে পারে। বিশেষ করে অতিরিক্ত পরিমাণে গাজর খেলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।

চিকিৎসকরা সব সময়েই পরিমিত গাজর খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ, অতিরিক্ত গাজর কয়েকটি সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিদ্যা বিভাগের জার্নালেও গবেষকরা শরীরের উপর গাজরের কুপ্রভাব সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য তুলে ধরেছেন।

দেখে নেওয়া যাক, সেগুলি কী কী?

অতিরিক্ত গাজর খেলে ঘুম কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে সচতন থাকা উচিত। সর্বাধিক কতটা গাজর খাওয়া উচিত, তা নির্ভর করে শরীরের ওজনের উপর। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই এই পরিমাপটি ঠিক করা উচিত।

গাজরের কেন্দ্রে যে হলুদ অংশটি থাকে, তার বেশ কিছু উপাদান পেটের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত গাজর খেলে পেটব্যথা বা পেটের গণ্ডগোলের মতো সমস্যা দেখা দেওয়া খুব অস্বাভাবিক নয়।

ছোট বয়সে শিশুদের বেশি পরিমাণে গাজর খাওয়ালে তাদের ত্বকের রং হলুদ হয়ে যায়। তবে এটি সাময়িক সমস্যা। এ ছাড়াও শিশুদের দাঁতের ক্ষয় হতে পারে অতিরিক্ত গাজর খাওয়ার ফলে।

গাজর ক্যানসার প্রতিরোধ করে— এ কথা সত্যি। পাশাপাশি এটাও দেখা গিয়েছে, বেশি মাত্রায় গাজর খেলে অন্ত্রে অতিরিক্ত বিটা ক্যারোটিন জমা হয়। খুব বিরল হলেও কারও কারও ক্ষেত্রে তা অন্ত্রের ক্যানসারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

যে সমস্ত মা সন্তানদের স্তন্যপান করান, তারা বেশি মাত্রায় গাজর খেলে দুধের স্বাদ বদলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে তাদের সন্তানদের অসুবিধা হতে পারে।

শীতকালে ঠান্ডা থেকে শিশুকে নিরাপদ রাখতে করণীয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুধু শীতকালীন সময়েই নয়, পুরো বছর জুড়েই শিশুদের মাঝে ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও রোগের প্রকোপ দেখা যায়। তবে স্বাভাবিকভাবেই শীতকালে এর প্রভাব বেড়ে যায় বেশ অনেকখানি।

নিজের খেয়াল বড়রা রাখতে জানলেও, ছোটদের দেখভালের জন্য বড়দের সতর্কতা ও সাবধানী হতে হয়। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সামনে বাড়তে পারে শীতের প্রকোপ। এ সময়ে শিশুদের কীভাবে ঠান্ডার হাত থেকে নিরাপদে রাখবেন সেটাই তুলে ধরা হলো।

শিশুর হাত পরিষ্কার রাখুন

আবহাওয়াজনিত কারণে যতটা না ঠান্ডার সমস্যা দেখা দেয়, হাত অপরিষ্কার থাকার ফলে তার চাইতে বেশি অসুস্থতায় ভুগতে হয় শিশুদের। তাই হাতের সাহায্যে খাবার খাওয়ার আগে যেন অবশ্যই হাত ধুয়ে নেওয়া হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে শিশুদের হাত যেন সবসময় পরিষ্কার থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা।

শেখাতে হবে হাঁচি দেওয়ার ধরণ

হাঁচি দেওয়ার সঠিক পদ্ধতিটি শুধু শিশুরা নয়, অনেক প্রাপ্তবয়স্করাও জানেন না। অথচ একটি হাঁচি থেকেই অসুস্থ হতে পারে একসাথে কয়েকজন। এমনকি নিজের হাঁচি থেকেও জীবাণু ঘুরে আসার দরুন থেকে যেতে পারে অসুস্থতা। তাই এই বিষয়টি জেনে রাখা খুবই জরুরি।

মধু খাওয়ান প্রতিদিন

এক বছরের উপরে সকল শিশুই মধু খেতে পারবে। উপকারী প্রাকৃতিক এই উপাদানটিকে শিশুদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে অংশ করে নিতে পারলে ঠান্ডার সমস্যাকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। তবে মধু একবারে খুব বেশি খাওয়ানো যাবে না। প্রতিদিন এক চা চামচ পরিমাণ বিশুদ্ধ মধুই যথেষ্ট।

সঠিক পোশাক নির্বাচন করুন

শিশুরা সবসময় ছুটোছুটির মাঝে থাকে বলে গরম কাপড় পরতে চায় না। এ সময়েই ঠান্ডা বাঁধিয়ে বসে তারা। তাই গরম কাপড় পরতে না চাইলেও বাইরের আবহাওয়া বুঝে গরম কাপড় পরাতে হবে। বিশেষ করে পা মোজা ও কান টুপি পরিয়ে রাখতে হবে বিকেলের পর থেকে। তবে যেহেতু শিশুদের শরীরের তাপ তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে, তাই খেয়াল রাখতে হবে শরীর যেন ঘেমে না যায়। নতুবা ঘাম বসেও ঠান্ডার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

নিয়মিত গোসল করান

আবহাওয়া বেশি ঠান্ডা হলে অনেকে শিশুরাই গোসল করতে চায় না। কিন্তু তাদের এই আবদার না শুনে প্রতিদিন অবশ্যই গরম পানি মিশ্রিত কুসুম গরম পানিতে গোসল করাতে হবে। গোসলের মাধ্যমে পুরো শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব হয়, এতে করে ছোঁয়াচে ধরনের অসুখে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। গোসলের আগে মাথার তালু, হাত-পায়ের তালু ও বুকে সরিষা তেল মালিশ করে নিলে গোসলের কারণে ঠান্ডা লাগার কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

;

সুস্থ থাকতে বেছে নিন বেগুনি রঙের সবজি ও ফল



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুস্থতার জন্য সবসময়ই উপকারী ও প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান গ্রহণের উপর জোর দেওয়া হয়। সেই বিষয়টিকে আরও নির্দিষ্ট করে তুলে ধরার জন্য বলা হচ্ছে বেগুনি বর্ণের খাবার গ্রহণের কথা। প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান যত বেশি বর্ণীল, তার উপকারিতা ততই বেশি। বেগুনি বর্ণের সবজি ও ফলগুলো হৃদযন্ত্রের সুস্থতা থেকে ক্যানসার প্রতিরোধ- সবক্ষেত্রেই অবদান রাখবে।

বেগুনি সবজির মাঝে- বেগুনি বাঁধাকপি, বেগুনি পেঁয়াজ, বিটরুট, বেগুন, বেগুনি অ্যাসপারাগাস এবং বেগুনি ফলের মাঝে- বেগুনি আঙুর, বেগুনি ড্রাগন ফ্রুটস, ব্লুবেরিস, আর্টিচোকস ইত্যাদি প্রাধান্য পাবে।

আলসারের সমস্যায় উপকারী

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড ক্যামিস্ট্রি জানাচ্ছে, ব্ল্যাকবেরিতে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন পাকস্থলীর আলসারের সমস্যা কমাতে কাজ করে। গবেশকেরা আরও জানান, অ্যান্থসায়ানিন (Anthocyanins) অক্সিডেশন প্রতিরোধ করতে ও শরীরে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তথা গ্লুটাথাইওন (Glutathione) এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

সুস্থ রাখে হৃদযন্ত্র

কিছু বেগুনি বর্ণের ফল রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা বৃদ্ধিতে কাজ করে। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল আর্টারিতে স্তর তৈরি করে রক্ত স্বাভাবিকভাবে চলাচলে বাঁধা দান করে। এতে করে রক্তচাপের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সাথে বেড়ে যায় হৃদরোগ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে

একাধিক গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, বেগুনি ড্রাগন ফলসহ এ বর্ণের অন্যান্য খাদ্য উপাদানে থাকা রেসভেরাট্রল (Resveratrol) ক্যানসার কোষ তৈরিতে বাধা দান করে। এতে করে স্তন ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার, স্কিন ক্যানসার, লিভার ক্যানসার, লাং ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক অবস্থার চাইতে কমে আসে অন্তত ১৩ শতাংশ পর্যন্ত।

বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি

বেগুনি বর্ণের আলু স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এতে থাকা অ্যান্থসায়ানিনের জন্য। এই উপাদানটি বয়সজনিত নার্ভাস সিস্টেমের দুর্বলতাকে রোধ করে এবং স্কৃতিশক্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে কাজ করে।

প্রতিরোধ করে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন

বেগুনি বর্ণের উপকারী সবজি ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্থসায়ানিন H. Pylori নামক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। মূলত এই ব্যাকটেরিয়াই ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন তৈরির জন্য দায়ী।

কমায় রক্তচাপ

বেগুনি বর্ণের ফল যেমন আঙুর, ব্লুবেরি প্রভৃতিতে থাকা বিশেষ ধরনের ফ্ল্যাভনয়েড রেসভেরাট্রল রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে।

;

শীতে খুশকির সমস্যা কমাতে নারিকেল তেলের দুই ব্যবহার



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চুলের যত্নে নারিকেল তেল অতুলনীয়। চুল পড়া, চুলের আগা ফাটা, চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়া কিংবা খুশকির মতো জেদি সমস্যাতেও নারিকেল তেলের কাছেই সমাধান খুঁজতে হয়।

কিন্তু খুশকির সমস্যায় নারিকেল তেল ব্যবহার করে অনেককেই হতাশ হতে হয়। কারণ খুশকির সমস্যা দূর করার জন্য সঠিক নিয়মে নারিকেল তেল ব্যবহারের ধরণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।

সবার সুবিধার জন্য ও খুশকির সমস্যাকে বিদায় জানাতে দুইটি কার্যকর উপায়ে নারিকেল তেলের ব্যবহারের বিশদ বিবরণ জানানো হল-

নারিকেল তেলের ডিপ কন্ডিশনিং

নারিকেল তেলের ডিপ কন্ডিশনিং শুষ্ক চুলকে কোমল করার পাশপাশি খুশকির সমস্যাকে দ্রুত কমিয়ে আনতে কাজ করবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে ২-৩ টেবিল চামচ নারিকেল তেল (চুলের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে নারিকেল তেলের পরিমাণ কমবেশি হবে), উষ্ণ তোয়ালে ও মোটা দাঁতের চিরুনি।

প্রথমে চুল শ্যাম্পুর সাহায্য পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং শ্যাম্পু ব্যবহারের পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা যাবে না। এবারে মোটা দাঁতের চিরুনির সাহায্যে চুল আঁচড়ে ভেজা চুলের গোঁড়ায় নারিকেল তেল ম্যাসাজ করতে হবে। এভাবে পুরো মাথার চুলে নারিকেল তেল ম্যাসাজ করা হয়ে গেলে উষ্ণ তোয়ালের সাহায্যে পুরো মাথার চুল পেঁচিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তোয়ালে উষ্ণ করার জন্য গরম পানিতে ভিজিয়ে এরপর পানি নিংড়ে নিতে হবে।

৩০ মিনিট হয়ে গেলে চুল শুকিয়ে নিতে হবে এবং এভাবে সারারাত চুল তেল রেখে দিয়ে পরদিন সকালে চুল শ্যাম্পু করে নিতে হবে। এই নিয়মে প্রতি সপ্তাহে একবার নারিকেল তেল ব্যবহার করতে হবে।

নারিকেল তেল ও লেবুর রসের মিশ্রণ

কিছু ক্ষেত্রে শ্যাম্পু ব্যবহারে আমাদের মাথার ত্বকের সাধারণ পিএইচ মাত্রায় তারতম্য ঘটে, যা থেকে উৎপত্তি হয় খুশকির সমস্যা। এক্ষেত্রে লেবুর রস নারিকেল তেলের মতোই উপকারী। এই ফলের রসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড চুল ও মাথার ত্বকের pH এর মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে কাজ করে। এছাড়া লেবুর রসে থাকা ভিটামিন-সি হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা মাথার ত্বকের যেকোন ইনফেকশনের সমস্যা ভালো করতে কার্যকর। এ কারণে নারিকেল তেলের সাথে সঠিক পরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে খুশকির সমস্যায় কার্যকর উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে।

এর জন্য দুই টেবিল চামচ নারিকেল তেল (চুলের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে নারিকেল তেলের পরিমাণ কমবেশি হবে) ও এক চা চামচ লেবুর রস মেশাতে হবে। এরপর শুষ্ক চুলের গোঁড়ায় এই মিশ্রণ ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে হারবাল শ্যাম্পুর সাহায্যে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

;

সারোগোসির মাধ্যমে মা হলেন প্রিয়াঙ্কা, কী এই পদ্ধতি?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কয়েকদিন আগে সারোগেসির মাধ্যমে মা হয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এতে আলোচনায় এসেছে সারোগেসি পদ্ধতি। যদিও এর আগে অনেক বলিউড, হলিউড অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা সন্তান নিয়েছেন এই পদ্ধতিতে।

কী এই সারোগেসি?

যেসব মহিলারা সন্তানধারণ করতে পারেন না কিংবা চান না তাদের হয়ে অন্য কেউ গর্ভে সন্তানধারণ করলে, তাকে বলা হয় সারোগেসি। সন্তানধারণ যিনি করছেন, তিনি হলেন সেই শিশুর সারোগেট মা। বিশেষ করে যে সকল মহিলার শরীর সন্তানধারণের ধকল নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়, তারাই এই পথ বেছে নেন। কারও কারও ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য কারণও থাকে। তবে শুনতে যত সহজ, বিষয়টি মোটেই সহজ সরল নয়। এতে যেমন রয়েছে চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা, তেমনই রয়েছে নানা আইনি বিষয়ও। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সারোগেসির খুঁটিনাটি।

সারোগেসির নানা ধরন এবং নিয়ম রয়েছে। এ পদ্ধতি বেছে নেওয়ার আগে তা জানা জরুরি। সারোগেসি মূলত দু’ধরনের হয়। যেমন—

ট্র্যাডিশনাল সারোগেসি

এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু প্রতিস্থাপিত হয় সারোগেট মায়ের শরীরে। কৃত্রিম পদ্ধতিতেই তা করা হয়। সারোগেট মায়ের ডিম্বাণুই ব্যবহৃত হয়। সারোগেট মা এখানে সন্তানের বায়োলজিক্যাল। কোনও কোনও ক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু কাজ না করলে অন্য ডোনারের শুক্রাণু দিয়ে কাজ চালানো হয়। তবে সেটাও প্রতিস্থাপন করা হয় কৃত্রিম পদ্ধতিতেই।

জেস্টেশনাল সারোগেসি

এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু এবং মায়ের ডিম্বাণু ব্যবহার করা হয়। কৃত্রিম উপায়ে ফার্টিলাইজ করে তা প্রতিস্থাপন করা হয় সারোগেট মায়ের জরায়ুতে। এক্ষেত্রে সারোগেট মায়ের সঙ্গে সন্তানের কোনও জিনগত মিল থাকে না। এই পদ্ধতিই সবচেয়ে প্রচলিত এখন।

মূলত এই দু’টিই সারোগেসির প্রধান পদ্ধতি। যদিও এর বাইরেও রয়েছে কয়েকটি অন্য নিয়মও। তার ভিত্তিতে ভাগ করা হয় সারোগেসিকে।

সারোগেসির আগে মনে রাখতে হবে কী কী?

>এমন সারোগেট বাছা হয় যার রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা, থাইরয়েডের মাত্রা স্বাভাবিক। মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও দেখা হয় সারোগেট নির্বাচনের আগে।

>এমন সারোগেট মা নির্বাচন করা হয়, এর আগে যিনি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এছাড়াও সারোগেট মায়ের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। একবারের বেশি সারোগেট সন্তান ধারণ করতে পারবেন না কেউ।

তবে সারোগেসি সংক্রান্ত নিয়ম বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। যদিও বাংলাদেশে সারোগেসি সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনো আইন নেই। তাই এই পথ বেছে নেওয়ার আগে সবকিছু ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি, যাতে পরবর্তীকালে কোনও আইনি সমস্যায় না পড়তে হয়।

;