স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

দাঁত ভালো রাখতে যেসব খাবার খাবেন না



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দাঁতের সুস্থতার সঙ্গে খাবারদাবারের বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সঙ্কটে ফেলে পছন্দের খাবার। কিছু খাবার দাঁতের জন্য খুব ভালো, আবার কিছু খাবার খারাপ। তবে মজার মজার কিছু খাবার দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি করে। তাই দাঁতের যত্ন নিতে কিছু খাবার থেকে বিরত থাকা জরুরি।

টক জাতীয় ফল

কমলালেবুর ভিটামিন সি মাড়ির কোলাজেন বজায় রাখে। কিন্তু এক দিনে প্রচুর কমলা বা প্রচুর পরিমাণ লেবু পানি পানের ফলে দাঁতের এনামেলের ক্ষয় হয়। এনামেল নতুন করে জন্ম নেয় না। টক জাতীয় খাদ্যের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর- লেবু এবং চুন। ২০১১ সালে ব্রিটিশ জার্নাল অব নিউট্রিশিয়ানে বলা হয়েছিল, টক ফলের জুস কখনও কখনও কোকা-কোলার মতোই ক্ষতিকর।

আচার ও ভাজা খাদ্য

আচার জাতীয় খাদ্যে ভিনেগারের ব্যবহারের কারণে এতে প্রচুর পরিমাণে এসিড জাতীয় উপাদানের উপস্থিতি থাকে। এই ধরনের খাদ্যে চিনির পরিমাণও অনেক বেশি থাকে। এরা দাঁতের ধাতুকে নষ্ট করে।

কাজুবাদাম

কাজুবাদামে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই রয়েছে। এটি অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত শরীরের জন্য উপকারীও বটে। কিন্তু এটি দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। কারণ কাজুবাদাম অনেক শক্ত। প্রতিটি কামড়ে যে চাপের সৃষ্টি হয় এর ফলে মাড়িতে ফাটল দেখা যায়।

ফলের রস

এতে তো দাঁতের ব্যবহারই নেই। ক্ষতি করবে তবে কী ভাবে? কিন্তু যে সব ফলের রসে অ্যাসিডের মাত্রা বেশি, তা বেশ ক্ষতি করতে পারে দাঁতের।

কফি

এই পানীয় বিভিন্ন দিক থেকে হয়তো আপনাকে যত্নে রাখে। কিন্তু দাঁতের জন্য মোটেই ভাল নয়। এতে থাকে ট্যানিন। সেই পদার্থ থেকে দাঁতে দাগ পড়তে পারে।

কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল মেডিকেল হাসপাতালে রোগীর আর্তি!



কনক জ্যোতি, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, সংগৃহীত

শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থার করুণ পরিস্থিতি জানিয়ে মর্মস্পর্শী আর্তি জানিয়েছেন একজন ভোক্তভোগী রোগী। কিশোরগঞ্জ শহরের ফিশারি রোডের বাসিন্দা ব্যবসায়ী খালেদ শামস তুষার নিজের চরম কষ্টকর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার জানিয়ে বলেন, "আমাদের সকলের প্রাণের নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অনেক স্বপ্ন নিয়ে গড়া এই হাসপাতালের এহেন অবস্থা দেখে কিশোরগঞ্জের একজন নাগরিক হিসাবে আমি লজ্জাবোধ করছি। আমি এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে করজোড়ে আবেদন করছিযেন সৈয়দ আশরাফ সাহেবের আত্মার প্রতি সন্মান জানিয়ে এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়।"

বার্তা২৪.কম'কে খালেদ শামস তুষার জানান, "গত রবিবার (১৯ জুন) বুকে ব্যথা নিয়ে আমি আত্মীয়-প্রতিবেশীদের সহায়তায় অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিয়াক সিসিসি'তে ভর্তি হই। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা অবর্ণীয়। সিসিইউ ইউনিটে না আছে বেড,  না আছে এসি সাপ্লাই, না আছে সিসিইউ'র জন্য উপযুক্ত নার্স। এমন কি সিসিইউ'র জন্য কোনও ইমারজেন্সি ডাক্তার পর্যন্ত নেই। আছে শুধু ২ টা স্ট্যানড পাখা। আর যে বেডগুলো আছে, তা মোটেও সিসিও'র উপযুক্ত নয়।"

তিনি বলেন, "সবচেয়ে আশ্চর্য ঘটনা হলো, একজন কার্ডিয়াক মুমূর্ষু রোগীকে বাথরুমে যাবার জন্য প্রায় ৫০০ মিটার হেঁটে যেতে হয়। আর এটাকে বাথরুম বলব না অন্য কিছু বলব আমার জানা নাই। এই হলো কার্ডিয়েক সিসিইউ ইউনিটের অবস্থা। অন্যান্য ইউনিটের কি অবস্থা আমার জানা নাই।"

খালেদ শামস তুষার বলেন, "বর্তমানে কিশোরগঞ্জের বেসরকারি ক্লিনিক ও চেম্বার যারা পরিচালনা করছেন, তারা চায় না সরকারি হাসপাতলে রোগী যাক। তাই তারা কিছু অসাধু ডাক্তার সিন্ডিকেটের সহযোগিতায় এই সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই অবস্থা করে রেখেছে।"

উল্লেখ্য, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত চিকিৎসা বিষয়ক উচ্চশিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দানকারী একটি প্রতিষ্ঠান। সরাসরি সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু মহল বিশেষের নানা অসহযোগিতা ও ষড়যন্ত্রের কারণে প্রতিষ্ঠার ৯ বছর পর অবশেষে মুজিববর্ষের প্রথম দিনে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয় বহুল প্রত্যাশিত শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

সরকারি সূত্রানুসারে, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য বাজেট হিসাবে আনুমানিক ৫.৪৫ বিলিয়ন টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্পের মধ্যে ছয়তলা হাসপাতাল ভবন, একাডেমিক ভবনের জন্য পাঁচতলা কলেজ, নার্স প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, শিক্ষার্থী ছাত্রাবাস, ইন্টার্নি ডাক্তারদের হোস্টেল, ডাক্তারদের ছাত্রাবাস, স্টাফ নার্সদের ছাত্রাবাস, মসজিদ, মিলনায়তন, অধ্যক্ষ ও পরিচালকদের আবাসিক ভবন, জিমনেসিয়াম ইত্যাদি স্থাপনা তৈরিসহ সরঞ্জাম সংগ্রহ, একটি মাইক্রো-বাস, দুটি অ্যাম্বুলেন্স এবং আসবাবপত্র কেনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

;

প্রাকৃতিক উপাদানের সক্রিয় মিশ্রণে নতুনরূপে সানসিল্ক শ্যাম্পু



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নতুনরূপে সানসিল্ক শ্যাম্পু

নতুনরূপে সানসিল্ক শ্যাম্পু

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের (ইউবিএল) সবচেয়ে জনপ্রিয় হেয়ার কেয়ার ব্র্যান্ড সানসিল্ক এবার প্রাকৃতিক উপাদানের সক্রিয় সংমিশ্রণে নতুনরুপে বাজারে এলো। গত সপ্তাহে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি নতুন মোড়কে ও নতুনরুপে বাজারে সূচনা করা হয়েছে।

মূলত তিন ধরনের চুলের সমস্যার সমাধান এ নতুন প্রাকৃতিক উপাদানের মিশ্রণে গঠিত সানসিল্ক শ্যাম্পু থেকে পাওয়া যাবে। চুলকে আরও চকচকে কালো, ঘন ও লম্বা করতে সাহায্য করবে নতুন মোড়কের এই শ্যাম্পু। এছাড়াও চুল পড়া কমিয়ে চুলের গোড়াকে করবে মজবুত ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। চুলকে চকচকে কালো করার জন্য সানসিল্ক ব্ল্যাক শাইনে রাখা হয়েছে আমলা, পার্ল প্রোটিন ও ভিটামিন ই এর প্রাকৃতিক সংমিশ্রণ। কেরাটিন, দই ও নারিকেল তেল চুলকে ঘন ও লম্বা হতে সাহায্য করে তাই সানসিল্ক থিক এন্ড লং শ্যাম্পুতে রয়েছে এ সকল উপাদানের প্রাকৃতিক মিশ্রণ। এবং চুল পড়ার সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছে প্রোটিন, কাঠ বাদাম ও ভিটামিন ই এর সংমিশ্রণে গঠিত সানসিল্ক হেয়ারফল সল্যুশন।

ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের বিউটি অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ারের পরিচালক আফজাল হাসান খান বলেন, “প্রচলিত রীতিনীতির ও সীমাবদ্ধতার বাইরে গিয়ে মেয়েদের জন্য সর্বত্র সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করতে বিশ্বাসী সানসিল্ক। ব্র্যান্ডটি এমনভাবেই চুলের যত্ন নেয় যেন প্রতি মুহূর্তে চুলকে সুন্দর দেখায় ও প্রতি মুহূর্তে আত্মবিশ্বাস তৈরি করে এবং এর ধারাবাহিক নতুন উদ্ভাবন প্রচেষ্টা সানসিল্ককে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় হেয়ার কেয়ার ব্র্যান্ডে পরিণত করেছে” ।

ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) ৫৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে একটি ঐতিহ্যবাহী ও বৃহত্তম ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। দেখা যায় যে দেশে ১০ টির মধ্যে ৯ টিরও বেশি পরিবার তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনের জন্য ইউনিলিভারের এক বা একাধিক ব্র্যান্ড ব্যবহার করে থাকে। লাক্স, লাইফবয়, সার্ফ, ক্লোজআপ, সানসিল্ক, পন্ডস, ভ্যাসলিন, ডাভ, তাজা এবং পিউরইট সহ ২৮ টিরও বেশি ব্র্যান্ডকে সাথে নিয়ে সংস্থাটি সারা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ ভোক্তাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে গিয়েছে। ইউবিএল ইউনিলিভারের একটি সহায়ক সংস্থা, যা ১৯০ টিরও বেশি দেশে প্যাকেটজাত পণ্য সরবরাহকারী সংস্থার মধ্যে বিশ্বের অন্যতম নেতৃস্থানীয়। ইউবিএল- এর উদ্দেশ্য হল পরিবেশগত প্রভাব কমিয়ে ও ইতিবাচক সামাজিক প্রভাব বাড়িয়ে ব্যবসার প্রসার ঘটানো এবং জীবনযাত্রাকে সহজ টেকসই করা।

;

জামাইষষ্ঠীতে বিশ্বরঙের আয়োজন



লাইফস্টাইল ডেস্ক
জামাইষষ্ঠীতে বিশ্বরঙের আয়োজন

জামাইষষ্ঠীতে বিশ্বরঙের আয়োজন

  • Font increase
  • Font Decrease

জামাইষষ্ঠী একটি লোকায়ত প্রথা। ষষ্ঠীদেবীর পার্বণ থেকেই এই প্রথার উদ্ভব। বৈদিক যুগ থেকেই জামাইষষ্ঠী পালন হয়ে আসছে। প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের ষষ্ঠী তিথিতে প্রথম প্রহরে ষষ্ঠী পূজার আয়োজন করা হয়।

শশুরবাড়ি থেকে ষষ্ঠীপূজোর দিন জামাইকে সাদরে নিমন্ত্রণ জানানো হয়। জামাই ষষ্ঠী পুজোর দিন সস্ত্রীক উপস্থিত হলে আনন্দের বন্যা বয়ে যায় বাড়িতে, ষষ্ঠীপূজো রুপান্তরিত হয় জামাই ষষ্ঠীতে।

বাঙালি হিন্দু সমাজে এ উৎসবের সামাজিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বিশেষত্ব যে পরিবারে সদ্য বিবাহিত কন্যা রয়েছে সেই পরিবারে এই পার্বণটি ঘটা করে পালন করা হয়।

;

ওয়াশিং মেশিন: বিলাসবহুল পণ্য এখন প্রয়োজনীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওয়াশিং মেশিন: বিলাসবহুল পণ্য এখন প্রয়োজনীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স

ওয়াশিং মেশিন: বিলাসবহুল পণ্য এখন প্রয়োজনীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স

  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়াশিং মেশিন কেনার বিষয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে ‘এ পণ্যটি আমি কেনো কিনবো?’। ওয়াশিং মেশিন নিয়ে মানুষের মাঝে বেশ কিছু প্রচলিত ধারণা থেকেই এ প্রশ্নটি সাধারণত সামনে আসে। এ প্রশ্নের সহজ উত্তর হলো, ওয়াশিং মেশিন দিয়ে মানুষ খুব সহজে ও স্বল্প পরিশ্রমে কাপড় পরিষ্কার করা ও পানি শুকানো যায়। বৈশ্বিক মহামারি শুরুর পর থেকে প্রতিটি বাসা-বাড়িতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তি পণ্যগুলোর মধ্যে ওয়াশিং মেশিন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সময়ে ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করে অনেকেই খুব সহজেই কাপড় পরিষ্কার করতে পারেন। তবে, ওয়াশিং মেশিন কেনা নিয়ে অনেকের মাঝে এখনো প্রচলিত ধারণা বিরাজমান রয়েছে। চলুন দেখে নেয়া যাক,  একবিংশ শতাব্দীতে ওয়াশিং মেশিন কেনো প্রয়োজনীয়:         

ধরন অনুযায়ী কাপড় পরিষ্কারের সুবিধা

তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষস্থানীয় ফিচার সহযোগে ওয়াশিং মেশিনগুলোতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন নিয়ে আসছে ওয়াশিং মেশিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সব ধরনের কাপড় পরিষ্কারের জন্য ওয়াশিং মেশিনের মডেলগুলো বিভিন্ন সরঞ্জামে সজ্জিত। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে যা করতে হবে তা হলো রঙ এবং কাপড়ের ধরনের ওপর ভিত্তি করে কাপড়ের স্তূপ তৈরি করে সে অনুযায়ী ধুয়ে ফেলা। এছাড়াও, ওয়াশিং মেশিনগুলোর প্রযুক্তিতে বেশ অগ্রগতি হয়েছে এবং অনেক ফিচার ও সেটিং সুবিধাও বর্তমান ওয়াশিং মেশিনের সাথে যুক্ত হয়েছে। ম্যানুয়াল দেখে ব্যবহারকারীরা ধরন অনুযায়ী কাপড় পরিষ্কারের বিষয়টি খুব সহজেই শিখে নিতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী ‘অপশন’ নির্বাচন করতে পারবেন। 

কাপড়কে রাখে সুরক্ষিত

অনেক ব্যবহারকারী তাদের কাপড়ের ক্ষতির জন্য ওয়াশিং মেশিনকে দায়ী করে থাকেন। কিন্তু, দশবারের মধ্যে নয়বারই এটি ওয়াশিং মেশিনের জন্য মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। বহু বছরের পুরনো মডেলের ওয়াশিং মেশিনগুলোও কাপড়ের কোন ধরনের ক্ষতিসাধন না করে কার্যকরভাবে কাপড়কে পরিষ্কার করতে সক্ষম। বিশেষ করে, সহজে নষ্ট হয়ে যায় এমন ধরনের কাপড় পরিষ্কারের জন্য বর্তমান সময়ের ওয়াশিং মেশিনগুলোতে উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিগত ডিজাইন নিয়ে এসেছে। এ সেটিংগুলো ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই কাপড়কে যত্ন সহকারে পরিষ্কারের মাধ্যমে কাপড়কে সুরক্ষিত রাখে।

পানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী

প্রতিটি হোম অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রী চালু অবস্থায় অনেক বিদ্যুৎ খরচ করে। যে কোন হোম অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রীর দক্ষতা নির্ভর করে এর ব্যবহারবিধির ওপর। বর্তমান সময়ের ওয়াশিং মেশিনগুলোতে পরিবেশ-বান্ধব প্রযুক্তি সমৃদ্ধ ফিচার ব্যবহার করা হয়; যা পানি ও বিদ্যুত সাশ্রয়ে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এ প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের উল্লেখযোগ্যহারে ইউটিলিটি বিল সাশ্রয় সহ পরিবেশ রক্ষায় সাহায্য করে।     

কাপড় ধোয়ার সেরা বিকল্প ওয়াশিং মেশিন

ওয়াশিং মেশিন ছাড়া কাপড় ধোয়ার বিষয়টি অনেক সময় এবং শ্রমসাধ্য। তবে, বর্তমান যুগে ব্যস্ততার কারণে অধিকাংশ মানুষের কাপড় ধোয়ার জন্য সময় বের করার বিষয়টি বেশ দুরূহ। তাই, ব্যস্ত সময়ে কাপড় ধোয়ার জন্য সেরা বিকল্প হিসেবে ওয়াশিং মেশিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এছাড়াও, অনেক ওয়াশিং মেশিনে প্রিওয়াশিং ফিচার রয়েছে, যা সঠিকভাবে কাপড় পরিষ্কারের আগে কাপড়কে ভিজিয়ে রাখতে সহায্য করবে।   

ডিটারজেন্টের অধিক ব্যবহার

ওয়াশিং মেশিন নিয়ে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, বেশি ডিটারজেন্ট ব্যবহারে কাপড় হবে বেশি পরিষ্কার। ওয়াশিং মেশিনে এমন প্রযুক্তি রয়েছে, যা অল্প পরিমাণে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে পানির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে কাপড়কে পরিষ্কার করবে। এ ঘূর্ণন প্রক্রিয়া বিপুল পরিমাণ ফোম নিঃসরণ করে; ফলে, সঠিকভাবে কাপড় পরিষ্কারের জন্য অনেক পরিমাণ ডিটারজেন্ট ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না।   

বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের ব্যবহারকারীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশের অনেক হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের ওয়াশিং মেশিন বাজারে নিয়ে আসছে। ব্যবহারকারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে, কাপড় পরিষ্কারের বিষয়টিকে আরো সহজ করতে স্যামসাং কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের ওয়াশিং মেশিন বাজারে নিয়ে এসেছে। ৭ কেজি, ৭.৫ কেজি, ৯ কেজি ও ১০ কেজি সক্ষমতার স্যামসাংয়ের টপ লোডিং ওয়াশিং মেশিনগুলোতে অল-ইন-ওয়ান সল্যুশন রয়েছে, যার বাজার মূল্য শুরু হয়েছে ২৩,৯০০ টাকা। হাত দিয়ে ও প্রি-ওয়াশিং কাপড় পরিষ্কারের জন্য এর নিউ অ্যাকটিভওয়াশ + ফিচারই চূড়ান্ত সল্যুশন। ভালোভাবে কাপড় পরিষ্কারের জন্য ‘এক্সট্রা ওয়েভ’ সহ ডেডিকেটেড সিঙ্ক ব্যবহার করা হয়েছে। এর বিল্ট-ইন ওয়াটার জেট সিঙ্কের ভেতরে ইজি-টু-রিচ বাটন ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণ করে।  

এর পাশাপাশি, এ ওয়াশিং মেশিনগুলো বেশ দীর্ঘস্থায়ী; এবং এটি ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কম শক্তি খরচ করে এবং শব্দহীনভাবে চলে। কাপড়কে পুরোপুরি পরিষ্কার করতে ডিভাইসটিতে স্টেইনলেস স্টিল পালসেটর রয়েছে; যেখানে ছয়টি ব্লেড রয়েছে, যা বিস্তৃত ও শক্তিশালী পানির প্রবাহ নিশ্চিত করে। এটি কার্যকরভাবে ময়লা ও সাবান পানিকে দূর করে কাপড়কে ধুয়ে ফেলতে পারে। স্যামসাংয়ের নির্দিষ্ট মডেলের ওয়াশিং মেশিনগুলো ইনটেনস ওয়াশ ফাংশন দিয়ে কার্যকরভাবে কাপড়কে পরিষ্কার করে, ইকো টাব ক্লিন ফিচার টবকে পরিষ্কার রাখে এবং ম্যাজিক ফিল্টারের সাহায্যে ড্রেনেজ সিস্টেমকে ঠিক রাখে।

;