পাউরুটি ভালো থাকে কতদিন?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তার টেবিলে পাউরুটি খান অনেকেই। তবে এত পাউরুটি খাওয়া হলেও জানা হয় না কতদিন ভালো থাকে পাউরুটি? কিংবা যেটা খাচ্ছেন সেটা ঠিক আছে কিনা সেই খোঁজও রাখা হয় না।! তাই আজ জেনে নিন পাউরুটি ভালো খাকে কতদিন-

বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি হওয়া পাউরুটি খেয়ে ফেলতে হয় তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই। ঘরের তাপমাত্রাতেই ভাল থাকে এই ধরনের পাউরুটি। ফ্রিজে ঢোকালে হয়ে যায় শক্ত। ঠান্ডায় পাউরুটির শর্করার অনু পুনরায় স্ফটিকে রূপান্তরিত হয়। যার ফলে আর্দ্রতা হারায় পাউরুটি।

বাজারজাত পাউরুটির আয়ু অবশ্য দিন দুয়েক বেশি। ঘরের উষ্ণতায় পাঁচ থেকে সাত দিন ভাল থাকে বাজারজাত পাউরুটি। বাজারজাত পাউরুটি ফ্রিজে রাখলে অবশ্য ছ’মাস পর্যন্ত রয়ে যেতে পারে বলে মত কারও কারও।

তবে পাউরুটি ফ্রিজে রাখা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। অনেক পুষ্টিবিদ পাঁচ থেকে সাত দিনের বেশি সময় ফ্রিজে পাউরুটি রাখার বিরোধী। ফলে পরের বার খুব বেশি দিনের পুরনো পাউরুটি খাওয়ার আগে ভেবে দেখা জরুরি।

করোনার পর সুস্থ হতে সাহায্য করবে তিনটি যোগাসন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিনিয়ত হাজারে হাজারে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, তেমনই করোনাকে হারিয়ে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনেও ফিরছেন বহু মানুষ। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই করোনা মুক্তির পর পুরোপুরি শারীরিকভাবে সুস্থ হযে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে লম্বা সময় লেগে যাচ্ছে। 

নিয়মিত খাদ্যাভাসের পাশাপাশি দ্রুত সুস্ত হয়ে উঠতে হাতিয়ার হতে পারে নিয়মিত যোগাভ্যাস। খুব বেশি নয় নিয়মিত তিনটি যোগাসনই করোনাজয়ীর শরীর দ্রুত সুস্থ করে তুলবে। তবে সুস্থ হবার পরও যারা তুলনামূলক ভাবে বেশি ক্লান্তিবোধ করেন তাদের কিন্তু যোগাভ্যাস শুরুর আগে নিতে হবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ। নয়তো হিতে বিপরীত হতে পারে। 

১. চক্রবক্রাসন
এই আসনের ফলে দেহে রক্ত সঞ্চালনের সঠিক মাত্রা বজায় থাকে। পাশাপাশি, সচল হয় হাত-পা। মেরুদণ্ডের স্নায়ু ভাল রাখতেও এই আসনের জুড়ি মেলা ভার।

২. বদ্ধকোনাসন
উদর ও দেহের নিম্নাঙ্গের বিভিন্ন পেশীর স্বাস্থ্যরক্ষায় এটি খুবই উপযোগী। যেহেতু করোনার এই স্ফীতিতে পেটের সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তাই এটি দারুণ কাজে আসতে পারে করোনা থেকে সদ্য সুস্থ হওয়া মানুষদের। পাশাপাশি, পায়ের শক্তি ফিরে পেতেও সহায়তা করবে এই আসন। 


৩. অর্ধ কপোতাসন

গোটা দেহের সামগ্রিক উন্নতির জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি আসন। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখা থেকে এন্ডোক্রিন গ্রন্থির ক্ষরণ ঠিক রাখা, একাধিক উপকার রয়েছে এই আসনের। 


বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভাইরাস নির্মূল হয়ে গেলেও দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে ক্লান্তি, গায়ে ব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা কিংবা মানসিক অস্থিরতার মতো বিভিন্ন সমস্যা। নিয়মিত যোগাভ্যাস শ্বাস-প্রশ্বাস প্রণালীকে ভাল রাখতে সাহায্য করে। বাড়ায় রক্ত সঞ্চালন, দূর করে পেশির ক্লান্তি। ফলে নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে সহজ হয় করেনা পরবর্তী ধকল থেকে মুক্তির পথ।

;

খেজুর গুড়ের তৈরি স্নিকার্স বার



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শিশুদের পছন্দের স্নিকার্স চকলেট বার যদি ঘরেই তৈরি করা যায়, তবে বাইরে থেকে চকলেট কেনার আর কোন প্রয়োজনই হবে না। আর সে চকলেট বার যদি খেজুর ও আখরোটের মত স্বাস্থ্যকর উপাদানে তৈরি হয়, তবে ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও আনন্দ নিয়ে খেতে পারবে মজাদার স্নিকার্স বার। বাড়িতে খেজুর দিয়ে স্নিকার্স বার তৈরির প্রক্রিয়াটি জেনে নিন।

স্নিকার্স বার তৈরিতে যা লাগবে

১. এক কাপ খেজুর (১৮-২০টি খেজুর)।

২. এক কাপ আখরোট (আখরোট না থাকলে কাজু বা কাঠবাদাম)।

৩. ১/৪ কাপ ক্যারামেল সস।

৪. ১/৪ কাপ সল্টেড পিনাট (চিনা বাদাম)।

৫. এক কাপ ডার্ক চকলেট (অথবা চকলেট চিপস)।

স্নিকার্স বার যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. খেজুর ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এতে আখরোট দিয়ে পুনরায় ব্লেন্ড করলে বাদাম ও খেজুরের কাই (ডো) তৈরি হবে।

২. পার্চমেন্ট পেপারের উপরে এই ডো থেকে অল্প পরিমাণে নিয় ছোট ও লম্বাটে আকৃতিতে বারের মত তৈরি করতে হবে। বারগুলো ফ্রিজে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে।

৩. ফ্রিজ থেকে বের করে বারগুলোর উপরে ক্যারেমেল সস সমানভাবে দিতে হবে। ক্যারামেলের উপর সল্টেড পিনাট ছড়িয়ে পুনরায় ফ্রিজে রাখতে হবে আধা ঘন্টার জন্য।

৪. এ সময়ের মাঝে চকলেট গলিয়ে নিতে হবে। চকলেট গলে গেলে বারগুলো ফ্রিজ থেকে বের করে চকলেটে গড়িয়ে নিতে হবে। উভয় পাশ চকলেটে গড়িয়ে নিয়ে পুনরায় পার্চমেন্ট কাগজের উপর বসিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে আধা ঘন্টার জন্য।

৫. সময় হয়ে গেলে ফ্রিজ থেকে বের করে পরিবেশন করতে হবে মজাদার স্নিকার্স বার।

;

বছরজুড়ে তাজা থাকবে যে গোলাপ, দাম ৬৮ লাখ!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফরএভার রোজ। ছবি: সংগৃহীত

ফরএভার রোজ। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘর সাজানো থেকে শুরু করে উপহার দেয়া, ফুলের আবেদন সব জায়গাতেই। তবে ফুলের মন মাতানো সৌন্দর্য বেশি দিন থাকে না। গাছ থেকে ছেঁড়ার পর দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় ফুল। যদি গাছ থেকে ছেঁড়ার পরও বছরজুড়ে ফুলটি তাজা থাকে, তবে কেমন হবে?

সম্প্রতি দুবাইয়ের গবেষকরা এমনই এক ধরনের গোলাপ উদ্ভাবন করেছেন, যা এক বছরেও নষ্ট হবে না। তবে এ ফুলের একটি তোড়া কিনতে গুনতে হবে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৮ লাখ টাকা।

barta24
ফরএভার রোজ। ছবি: সংগৃহীত

ফরএভার রোজ লন্ডন মানে ব্রিটেনভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান এমন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যাতে ফুলের প্রাকৃতিকভাবে নষ্ট হওয়ার প্রক্রিয়া খুব ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়।

ইকুয়েডরের কিয়েটো শহরে এ ধরনের গোলাপের চাষ করা হচ্ছে। সেখানকার আগ্নেয় জমিতে চাষ করা এ ফুলের পাঁপড়ি সহজে পচে না বলে জানিয়েছেন ফরএভার রোজের প্রতিষ্ঠাতা ইব্রাহিম আল সামাদি।

barta24
ফরএভার রোজ। ছবি: সংগৃহীত

ফুলগুলো সংরক্ষণের জন্য প্রথমে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়। এরপর তা বিশেষ প্রক্রিয়ায় শুকানো হয়। ফুলগুলো সংরক্ষণের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে কাঁচের জারের মধ্যে তা প্রদর্শন করা হয়।

এরই মধ্যে হাই-প্রোফাইল ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ফুলটি। আইফেল টাওয়ার কিংবা ইউকর্ন আদলের ফুলের তোড়ার অর্ডার পেয়েছে ফরএভার রোজ।

;

রাতে মুখ ধুয়ে ঘুমানোর উপকারিতা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদিনে বেশ কয়েকবার মুখ ধোয়া হলেও, ঘুমানোর আগে আলাদাভাবে মুখ ধুয়ে ঘুমানোর প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন। পুরো দিনের ধকল শেষে রাতে শরীরের মত আমাদের ত্বকও ক্লান্তি দূর করতে বিশ্রাম নেয়। এছাড়াও অন্যান্য যে সকল উপকারিতা পেতে প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ধোয়া প্রয়োজন তা জেনে রাখুন।

ত্বকের লোমকূপ পরিষ্কার করে

প্রতিনিয়ত আমাদের ত্বক থেকে মরা চামড়া উৎপন্ন হচ্ছে। সেই সাথে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল সিবাম নিঃসৃত হচ্ছে ত্বকের আর্দ্রতাকে ধরে রাখার জন্য। এছাড়া বাইরের ধুলাযুক্ত বাতাস তো আছেই। সবকিছু মিলিয়ে সারাদিনে ত্বকের উপরে একটি প্রলেপের সৃষ্টি হয়। যা খালি চোখে দেখা না গেলেও ত্বকে উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং ত্বকের লোমকূপকে বন্ধ করে ফেলে। যা থেকে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডসের সমস্যাগুলো দেখা যায়। রাতে ভালো ক্লিনজারের সাহায্যে মুখ পরিষ্কার করে নিলে এমন কোন ঝুঁকি থাকে না।

চোখের পাপড়িকে সুরক্ষিত রাখে

মেকআপ পণ্য ব্যবহার না করলেও অনেকেই নিয়মিত মাশকারা ব্যবহার করেন। অনেক সময় বেখেয়ালে বা আলসেমির ফলে মাশকারা তোলা না হলে পরদিন সকালে দেখা যায় চোখের পাপড়িসহ মাশকারা উঠে আসছে বা গুঁড়া হয়ে যাচ্ছে। রাতে ভালোভাবে পুরো মুখ ধুয়ে নিলে চোখ ও চোখের পাপড়ির মাশকারাও পরিষ্কার হয়ে যায়। এতে করে চোখের পাপড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

ত্বকের পুনরুজ্জীবিত হওয়ার প্রক্রিয়া ঠিক থাকবে

ঘুমের ভেতর শরীর যেমন বিশ্রাম নেয়, তেমনিভাবে ত্বকও বিশ্রাম করে এবং এ সময়ে সে সারাদিনের ধকল কাটিয়ে নিতে কাজ করে। যাকে বলা হচ্ছে ত্বকের পুনরুজ্জীবিত হওয়ার প্রক্রিয়া (Rejuvenation Process). এ কারণে ঘুম থেকে ওঠার পর ত্বককে খুব ফ্রেশ বলে মনে হয়। কিন্তু ঘুমানোর আগে যদি সঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কার করা না হয়, সে নিজ থেকে কাজ করার সুযোগ পাবে না। এতে করে ত্বকের উপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে যায়। মেকআপ ব্যবহার করা হোক বা না হোক, ঘুমানোর আগে অবশ্যই মনে করে ভালো ক্লিনজারের সাহায্যে ত্বক পরিষ্কার করে নিতে হবে।

বজায় রাখবে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা

সারাদিনের ঘাম, ময়লা ও ময়েশ্চারাইজারের অবশিষ্টাংশকে ত্বক থেকে দূর করার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ধুয়ে নেওয়ার ফলে, ত্বক তার স্বাভাবিক অবস্থাকে ফিরে পায়। এতে করে ত্বক নিজ থেকে তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও কোমলতাকে ধরে রাখার জন্য ত্বকের প্রাকৃতিক তেল বা সিবাম নিঃসৃত করে। যা ত্বকের সুস্থতায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

;