ইন্টারনেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আতঙ্ক



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে এর সাহায্যে নারীদের বস্ত্র উন্মোচক কিছু নকল ছবি ছড়িয়ে দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যাফিকা’ এই ব্যাপারে তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের  মতে চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে পুরো বিশ্বে ২৪ মিলিয়নের বেশি মানুষ এইসব ওয়েবসাইটে গিয়েছে। যা সত্যিই শঙ্কাজনক।  

গ্রাফিকার মতে, এসবের মধ্যে অধিকাংশ ওয়েবসাইট শুধুমাত্র প্রচারের জন্য এরকম নগ্নতার অসৎ পথ বেছে নিয়েছে। পরিলক্ষিত হয়, ২০২৩ সালের শুরু থেকেই এসবের প্রকোপ বেড়েছে। বিজ্ঞাপনে মাধ্য়মে এক্স(সাবেক টুইটার) ও রেডি্ডটের মতো সোস্যাল মিডিয়ায় ওয়েবসাইটগুলো ২৪০০% দর্শক বাড়িয়েছে। এসব সাইটগুলো এআই ব্যবহার করে মানুষের নিখুঁত নগ্ন প্রতিচ্ছবি তৈরি করে। এদের মধ্যে অধিকাংশ শুধুমাত্র নারীদের নিয়েই কাজ করে। গুগলের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন তারা এসব প্রচারণা করার পক্ষপাতি নন। ইতোমধ্যে এসব বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলার কাজ করছেন তারা।

গ্রাফিকার পর্যবেক্ষক সেন্টিয়াগো লাকাটোস বলেন, ‘এখানে আপনি এমন কিছু তৈরি করতে পারবেন যা অনেক বাস্তবসম্মত। আগে ডিপফেইক ভিডিওগুলো অনেকটা ঘোলাটে হতো। কিন্তু এখন সময় পরিবর্তন হয়ে গেছে।’ 

তিনি আরও জানান, কিছু ওয়েবসাইট টাকার বিনিময়ে সাবক্রিপশন বিক্রি করছে। দর্শকদের আকর্ষণকে কাজে লাগিয়ে মাসিক ৯.৯৯ ইউএস ডলারের বিনিময়ে তারা এসব নকল ভিডিও দিয়ে দর্শক কামিয়ে নিচ্ছে।

এই ঘটনাগুলো সকলের মনে ভয় ধরিয়ে দিচ্ছে। কারণ, এগুলো বানোয়াট অনৈতিক ভিডিও প্রকাশ করে থাকে। এখন এআই এর মাধ্যমে নিরপরাধ মানুষের চেহারা ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণ জনগণ এই নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করছে। অনেকে নিজেদের ভুক্তভোগী হওয়ার কথা জানাচ্ছেন। কেউ প্রতিবাদ জানিয়ে এসব বন্ধ করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানাচ্ছেন।

এসব অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের শাস্তির ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। নভেম্বর মাসে উত্তর ক্যারোলিনার এক শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই চিকিৎসক তার রোগীদের ছবি নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে নকল ভিডিও তৈরি করতেন। 

সূত্র: এনডিটিভি



   

ওজন বাড়ার ঝুঁকিতে থাকেন হাঁপানি রোগীরা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওজন বাড়ার ঝুঁকিতে থাকেন হাঁপানি রোগীরা

ওজন বাড়ার ঝুঁকিতে থাকেন হাঁপানি রোগীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

অনেকেই অতিরিক্ত ওজন সমস্যায় ভোগেন। বেশিরভাগ মানুষই খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, ফলে কিছু সময় পর ওজন আধিক্যের সমস্যা ধরা পরে। তবে সবসময় এমন নাও হতে পারে। থাইরয়েড অসামঞ্জস্যতা সহ নানারকম হরমোন এবং রাসায়সিকর পদার্থ ওজন বাড়ার সাথে প্রতোক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকে। সবসময় শুধু বেশি খাবার খাওয়ার কারণেই শরীর অতিরিক্ত স্থূল হয়ে যাবে, তেমনটা নাও হতে পারে।  

বিভিন্ন রোগের কারণে অনেকের ওজন বাড়তি থাকে। অনেকে আবার পৃথক কোনো রোগের চিকিৎসা করাতে ঔষধ সেবন করেন। তার পার্শপ্রতিক্রিয়া স্বরুপ নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে ওজন বেড়ে যায়। এরমধ্যে অন্যতম হলো হাঁপানি। হাঁপানিতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ওজন কমানো অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়ে।

ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানির কনিষ্ঠ সন্তান অনন্ত আম্বানি। তার স্বাস্থ্য নিয়ে অনেকেই হাসাহাসি করে। ওজন অতিরিক্ত বেশি হওয়ার কারণে অনন্ত আম্বানি স্থূলাকার স্বাস্থ্যের অধিকারি। রাধিকা মার্চেন্টের সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনের এক মহল দম্পতির শারীরিক আকারের অনুপাত নিয়ে হাস্যরসে মেতে উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হরহামেশাই অনন্তকে ওজন কমানোর পরামর্শ দেন অনেকে। তবে অনেকেই জানেন না, স্বাস্থ্যসমস্যার কারণে  অনন্ত-র শরীর এমন স্থূল। শুধু খাদ্যাভ্যাসের কারণে অতিরিক্ত ওজন হয়নি তার। হাঁপানির চিকিৎসার করার কারণে তার ওজন বাড়তে থাকে।   

২০১৩ সালে, ২০১৬ সালে এবং ২০২৩ সালে অনন্ত আম্বানি
 

২০১৭ সালে টিওআই-এর এক সাক্ষাৎকারে অনন্ত আম্বানির মা নীতা আম্বানি বলেন, খুব ছোট বয়স থেকেই অনন্ত অসুস্থ থাকতেন। ২ বছর বয়স থেকেই তার গুরুতর হাঁপানির সমস্যা ছিল। সেই কারণে অনেক স্টেরয়েড নিতে হয়েছিল অনন্তকে। সেই থেকেই তিনি অতিরিক্ত ওজন সমস্যায় ভুগছেন। একসময় তার ওজন ২শ কেজি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তার সর্বোচ্চ ওজন ছিল ২০৮ কিলোগ্রাম। ব্যায়াম করা এবং খাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তিনি সেই পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন। বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে মাত্র ১৮ মাসে ১০৮ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন তিনি।

কয়েক বছর আগে, অনন্ত নিজের শরীরের বিরুদ্ধে লড়াই করে। নিজের ওজন কমিয়ে আনেন তিনি। ২০১৬ সালে তার সেই পরিবর্তন দেখে চমকে গিয়েছিল ভারতবাসী। তবে সময়ের সাথে তার আবার ওজন বাড়তে দেখা যায়।

যুক্তরাজ্যের ফুসফুস এবং হাঁপানি বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, হাঁপানির সমস্যার কারণে শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়াম করতে ব্যাঘাত ঘটে। তাছাড়া, দীর্ঘদিন স্টেরয়েড নেওয়ার কারণে ক্ষুধাও বাড়তে থাকে। তাছাড়া স্টেরয়েডের ঔষধ খাওয়ার ফলে তরল ধারণের পরিমাণও বাড়ে। ওজন বাড়ার এটাও একটা বিশেষ কারণ।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

;

শিশুর জীবনধারা পরিবর্তনে বাবা-মায়ের ভূমিকা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শিশুর জীবনধারা পরিবর্তনের সময় বাবা-মায়ের ভূমিকা / ছবি: সংগৃহীত

শিশুর জীবনধারা পরিবর্তনের সময় বাবা-মায়ের ভূমিকা / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সময়ের সাথে সাথে শিশুরা এক সময় বড় হয়। নির্দিষ্ট একটা বয়সে এলে সকল শিশুকেই একসময় শৃঙ্খলায় চলা শুরু করতে হয়। দুরন্তপনা, লুটোপুটি আর হাসি-খেলার জীবনে একটু একটু করে জায়গা করে দিতে হয় নতুন অভ্যাসের। বই পড়া, ছবি আঁকা, গুনতে শেখার মতো ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু হয়। তবে কিছু বছরের মধ্যেই ব্যাপক পরিবর্তন আসতে শুরু করে জীবনে। অনেক সময় শিশুরা এরকম পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত থাকে না। তাই জীবনযাত্রার নতুন যাত্রায় তারা নানারকম সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। এরকম পরিস্থিতিতে অভিভাবক হিসেবে বিশেষ ভূমিকা থাকে। সেই ব্যাপারেই পরামর্শ দিয়েছেন মনোবিজ্ঞানী জ্যাজমিন ম্যাকয়। জেনে নিন, ছোট শিশুর পিতা-মাতা হিসাবে আপনার করণীয়-

১. শিশুদের জীবনে যখন পরিবর্তন আসতে শুরু করবে তখন তাকে সারাদিনে কি কি হতে পারে এবং করতে হবে সেই সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিন। যেমন, প্রথম দিন স্কুলে যাওয়ার সময় সারাদিনের রুটিন তাকে বুঝিয়ে বলুন। এতে তারা মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে পারে।

২. জীবনে হঠাৎ পরিবর্তন শিশুদের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। তারা মানসিকভাবে বিষাদগ্রস্থ বা হতাশাগ্রস্থ হতে পারে। এসময় ‍শিশুদের সাথে মানসিক সম্পর্ক স্থাপন করুন এবং সাহস জোগাতে সাহায্য করুন। ছোট বলে শিশুদের আবেগকে অবহেলা করা উচিৎ নয়।      

৩.  শিশুদের জোর করার পরিবর্তে তাদের পরিবর্তনগুলো সহজ করা উত্তম পদক্ষেপ। হঠাৎ ব্যাপক পরিবর্তন শিশুদের জন্য কঠিন হতে পারে। তাই সহনীয় মাত্রায় পরিবর্তন শুরু করে ধীরে ধীরে তার পরিমাণ বাড়ালে শিশুর জন্য পরিবর্তন সহজ হয়।

৪. পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত হওয়া এবং গ্রহণ করার ক্ষেত্রে ধৈর্য্য প্রয়োজন। শিশুকে তাই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ কার শেখানোর ক্ষেত্রে বাবা-মা সাহায্য করতে পারে।      

৫. শিশুরা তাদের নিয়ন্ত্রিত পরিবশে থাকতে বেশি পছন্দ করে। তবে আরামদায়ক পরিবেশের বাইরে কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখবে সেই প্রশিক্ষণ দিতে পারেন।        

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

;

দেশীয় কাপড়ের জনপ্রিয় ব্রান্ড হুরের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশীয় কাপড় ব্যবহার করে তৈরিকৃত নান্দনিক কাপড়ের জনপ্রিয় ব্রান্ড হুরের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪ টায় যমুনা ফিউচার পার্কের লেভেল-১ এ হুরের ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে জাঁকজমকভাবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা পালন করে হুর কর্তৃপক্ষ।


হুর ব্রান্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদেশি লন কাপড়ের আগ্রাসনে যখন দেশীয় বস্ত্রখাত হুমকির মুখে পড়ছিল তখন দেশজ লন কাপড় ব্যবহারে বাঙালি নারীদের অনুপ্রাণিত করতে যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টা মরহুম মো. নুরুল ইসলামের পরামর্শে তার যোগ্য উত্তরসূরী সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম ২০২০ সালে 'হুর' ব্রান্ডের আত্মপ্রকাশ ঘটান।
শুরু থেকেই হুর প্রত্যেক সিজনে বাহারি রঙের কালেকশন নিয়ে আসে। দেশীয় জনপ্রিয় মডেলদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মডেলদের মাধ্যমে হুরের। বিজ্ঞাপন, ফ্যাশন শো, বিশেষ প্রদর্শনী ইত্যাদির মাধ্যমে মাত্র চার বছরের পরিক্রমায় এখন হুর দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রাচ্যের বাকি দেশগুলোর আকাশ ছুঁতে চলেছে।


এদিকে বাঙালি নারীদের কাছে হুর এখন ব্যাপক পরিচিত ও সমাদৃত। বিদেশি পণ্যের চেয়ে গুণে ও মানে ভালো হওয়া সত্ত্বেও এর সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে হুর এখন উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ছাড়িয়ে নিম্ন- মধ্যম আয়ের মানুষের নাগালেও ধরা দিয়েছে। সাশ্রয় হচ্ছে মানুষের পোশাকী ব্যয়।

এছাড়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে হুরে পাওয়া যাবে নিত্য নতুন চিত্তাকর্ষক ডিজাইন, মনোলোভা কারুকাজ, ডিজিটাল প্রিন্টের লন, চিকানকারি লন সালওয়ার-কামিজ, কাফতান-কুর্তি, ট্রাউজার, ছেলেদের জন্য থাকছে ফরমাল-ক্যাজুয়াল শার্ট প্যান্ট, কাবলি-পাঞ্জাবি। আরো আছে ছোটদের ট্র্যাডিশনাল জামা, বাবা-ছেলে, মা-মেয়ে ম্যাচিং কম্বো। সীমিত সময়ের জন্য থাকছে ৫০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট সুবিধা।
অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিনসহ অনেক খ্যাতনামা মিডিয়া ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যমুনা গ্রুপের পরিচালক মার্কেটিং, সেল্স এন্ড অপারেশন্স ডক্টর মোহাম্মদ আলমগীর আলমা আরও উপস্থিত ছিলেন হুরের অপারেশন হেড মেহমুদ গুঞ্জাল।

;

খিলগাঁওয়ে ‘লুক চেঞ্জ’ স্যালনের উদ্বোধন করলেন স্বপ্নীল



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সংগীতশিল্পী স্বপ্নিল সজীব ও ‘লুক চেঞ্জ’-এর কর্ণধার তানজিল জনি

সংগীতশিল্পী স্বপ্নিল সজীব ও ‘লুক চেঞ্জ’-এর কর্ণধার তানজিল জনি

  • Font increase
  • Font Decrease

তরুণ প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী স্বপ্নিল সজীব। ভিন্ন ধর্মী উপস্থাপনার জন্য তিনি দেশ ও দেশের বাইরে সমাদৃত। পেয়েছেন নানা ধরনের সম্মাননা। তার ফ্যাশন সচেতনতাও চোখে পড়ার মতো।

এবার এই শিল্পীকে দিয়ে উদ্বোধন করা হলো জনপ্রিয় মেনজ স্যালন ‘লুক চেঞ্জ’। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা পাওয়া ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার তানজিল জনির এই ‘লুক চেঞ্জ’ স্যালন এরইমধ্যে রাজধানীর তরুণদের পছন্দের তালিকায়। তাইতো জনি একের পর এক রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে এর শাখা খুলছেন।

ধানমণ্ডি, মিরপুর ও উত্তরার পর এবার ‘লুক চেঞ্জ’ স্যালন যাত্রা শুরু করেছে খিলগাঁও নাজমা টাওয়ারে। গতকাল নতুন এই শাখার উদ্বোধন করেন শিল্পী স্বপ্নিল সজীব। এ সময় মেনজ স্যালন ‘লুক চেঞ্জ’-এর কর্ণধার তানজিল জনিও উপস্থিত ছিলেন।

নতুন শাখার উদ্বোধনী দিনের ফেসবুক লাইভ দেখেই অনেকে সেরা নিতে ছুটে আসেন। একাধিক নারীকেও পুরুষদের এই স্যালনে আসতে দেখা গেছে। তারা এসে জানিয়েছেন, তাদের সন্তান তানজিন জনির ভিডিও খুব পছন্দ করে।

নতুন শাখার উদ্বোধনী দিনে কর্মীদের সঙ্গে জনি

আর তানজিল জনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘‘সবার দোয়া আর ভালোবাসার আমার এই অগ্রযাত্রা। খুব অল্প সময়ে আমার মেনজ স্যালন ‘লুক চেঞ্জ’ এবং আমার পোশাকের ব্র্যান্ড ‘পান্থি’ গ্রাহকের মন জয় করেছে। ‘লুক চেঞ্জ’ স্যালনে প্রতিদিন দারুণ ভিড় থাকে। কোন কোন সময় লম্বা সিরিয়াল পড়ে যায়। আসলে অল্প খরচে ভালো সেবা দিলে যে কোন ব্যবসাতেই উন্নতি সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করছি।’

;