গর্ভপাতের সিদ্ধান্তে নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্তের প্রভাব

নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্তের প্রভাব

  • Font increase
  • Font Decrease

যখন একজন মা গর্ভধারণ করে তবে তার শরীরে বিপুল পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এক নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে শরীর প্রস্তুত হয়। তাই অভ্যন্তরীণ গঠন পরিবর্তনের সাথে মস্তিষ্ক বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থও নিঃসরণ করে। যখন শরীরে শিশুর বেড়ে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ হয় বা গর্ভধারিনীর ইচ্ছায়, চিকিৎসক গর্ভপাত করান। অনেক সময় শারীরিক জটিলতার কারণেও প্রাকৃতিকভাবে বা দুর্ঘটনার কারণে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে। গর্ভপাত নারীদের শরীরের খুবই ভিন্ন ধরনের এক পরিবর্তন আনে। এই ঘটনা মায়ের শরীরে জটিল পরিবর্তন হতে থাকে।

গর্ভপাতের প্রভাব শুধুমাত্র শরীরের উপরই পড়ে না, মানসিকভাবেও পড়তে পারে। গর্ভপাতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কালে এবয় পরেও গভীর মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব বহন করে। এটি এক কঠিন সিদ্ধান্ত, যা পরিস্থিতির কারণে নিতে েহতে পারে।  এমন কি নারীর মনস্তাত্ত্বিক স্বাস্থ্যে স্থায়ী প্রভাবও ফেলতে পারে।

ভারতের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কোমল ভাদু বলেছেন, ‘ এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে কারণ যাই থাকুক না কেন, গর্ভপাত ব্যক্তির উপর বিভিন্ন ধরনের মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে। গর্ভপাতের এই প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। মূলত এসব নির্ভর করে কারণ এবং গরর্ভপাতের সময়ের উপর। মানসিক জটিলতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে, ডা. ভাদু গর্ভপাত পরবর্তী ব্যক্তিদের উপর মানসিক প্রভাবের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন:

১. কেউ কেউ গর্ভপাতের পরে স্বাভাবিক থাকতে পারে। তারা অনুভব করে যে, পরিস্থিতি অনুযায়ী তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পেশাগত বা আর্থিক ভাবে কঠিন সময় কাটানোর কারণে এই অনুভূতি হতে পারে।

২. অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, গর্ভপাতের সিদ্ধান্তের কারণে মা অপরাধবোধ অনুভব করেন। এই অপরাধবোধ সামাজিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে হতে পারে। অনেকেই গর্ভপাতকে নৈতিকভাবে ভুল বলে মনে করে। অথবা

৩. অনেক নারীরা তাদের গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন। অনেক মা গর্ভে থাকা সন্তানকে হারানোর বা বাঁচাতে না পারার দুঃখের কারণেও কষ্টে ভোগেন। তাদের মনে প্রশ্ন জাগে এবং আবেগের উদ্ভব হয়। 

৪.  সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর অনেকের মধ্যে উদ্বেগ দেখা যায়। গর্ভধারণের পর এমনিই  শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন আসে। তার ভিন্ন পরিণতি নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কারণে মা উদ্বিগ্ন হতে পারে।

৫. কিছু ক্ষেত্রে নারীর গর্ভপাতের পরে পোস্ট ট্রমাটিক সেট্রস ডিসওর্ডার (পিটিএসডি)-র লক্ষণ দেখা যায়। তারা  অনেক বেশি চিন্তাভাবনা করে, দুঃস্বপ্ন দেখে বা মাসসিক অশান্তি অনুভব করে।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

   

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তৈলাক্ত ত্বক তুলনামূলক বেশি তেল উৎপন্ন ও নিঃসরণ করে। এতে করে সহজেই ত্বকে ব্রণের প্রাদুর্ভাবসহ অন্যান্য সমস্যাগুলো দেখা দেয়। তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিতে গরমকালে বাড়তি সচেতন হওয়া জরুরি।

সারা বছর কোনও ভাবে র‌্যাশ, ব্রণের হাত থেকে নিস্তার পাওয়া গেলেও, গরমকালে কোনও মুক্তি নেই। কাজের প্রয়োজনে বাইরে বেরোতে হচ্ছে অনেককেই। ফলে র‌্যাশ, সংক্রমণের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলে তো চলবে না। সুরক্ষিত থাকতে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। তাতে গরমে ভাল থাকবে ত্বক। 

ত্বক সুরক্ষিত রাখার উপায়:

ত্বকের যত্নে সানস্ক্রিন মাখার দিকে বেশি নজর দেওয়া জরুরি। বাইরে বেরোনোর আগে তো বটেই, এমনকি বাড়িতে থাকলেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকে ট্যান পড়বে না।

গরমের শুরুতেই চিকিৎসকেরা রোদে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। সবার পক্ষে এই পরামর্শ মেনে চলা সম্ভব নয়। কারণ, অফিস কিংবা অন্য কাজে অনেককে নিয়মিত বাইরে বেরোতেই হয়। সে ক্ষেত্রে ছাতা, রোদচশমা ব্যবহার করা জরুরি। তবে যদি সুযোগ থাকে, সে ক্ষেত্রে রোদ কমলে বাইরের কাজ মেটানোই ভাল।

গরমকালে অনেকেই মনে করেন যত বার মুখ ধোয়া হবে, ততই ভাল। ব্রণের আশঙ্কা কমবে এর ফলে। যত বেশি মুখ ধোবেন, ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমে যাবে। ততই ত্বক আরও বেশি করে তেল উৎপাদন করবে। দিনে দু’বার হালকা কোনও ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলেই যথেষ্ট। বাকি সময়টা অস্বস্তি হলে ফেস মিস্ট ব্যবহার করতে পারেন। কিংবা মুখ মুছে নিতে পারেন।

এমনকি গরমে সিন্থেটিক, জর্জেট কিংবা নেটের কোনও পোশাক একেবারেই এড়িয়ে চলুন। বরং গরমে স্বস্তি পেতে ভরসা রাখুন সুতির পোশাকে। রোজ অফিস যাওয়া-আসার সময়ে তো বটেই, এমনকি বাড়িতে থাকলেও পরনে যেন সুতির পোশাক থাকে।

 

;

নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য ও যত্ন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বংশ রক্ষা মানব জাতির জীবনের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ সে ধারা রক্ষা করে আসছে। ভবিষ্যতেও মানব জাতির বংশ বিস্তারে সন্তান ও সন্তান লালন-পালন করবে।

অনেকেই আছেন সন্তান প্রতিপালন নিয়ে চিন্তিত থাকেন। এ জন্য শিশুর জন্মের পর থেকেই তাদের প্রতি অনেক বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। এমনকী মেয়ে-শিশু বড় হওয়ার পর তার নিরাপদ গর্ভধারণ এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের ব্যাপারে পরিবার থেকেই সচেতন হতে হবে।

স্বাস্থ্য এবং গর্ভের উর্বরতা বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক বছরে প্রজননের ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বিশ্বে শিশু জন্মদানের সংখ্যা স্থানভেদে লোপ পেয়েছে। এছাড়া গর্ভধারণকালে নানান রকম সমস্যা ছাড়াও গর্ভধারণে অনেকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে অনেক নারীকে। অধিকাংশ নারী বেশি বয়সে গর্ভধারণ করায় নানান রকম জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন। অনেকের ক্ষেত্রেই কিছু সাধারণ সমস্যাও হয়ে থাকে।

বেশির ভাগ নারীদের ক্ষেত্রে এসব সমস্যাগুলো দেখা যায়। এ বিষয়ে ভারতীয় চিকিৎসক দীপিকা মিশ্র জানান, নারীরা প্রায়ই পিরিয়ডে অনেক বেশি রক্তপাত (মেনোরেজিয়া), অনিয়মিত মাসিক বা মাসিকের সময় অত্যন্ত ব্যথার (ডিস্মেনোরিয়া) মতো উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান।

তিনি বলেন, এই সবই মূলত প্রজনন স্বাস্থ্যের অস্বাভাবিক এক লক্ষ্মণ। এছাড়াও বিভিন্ন হরমোন, ডিম্বাশয়ের সিস্ট বা পেশির বেশি বৃদ্ধি ক্যান্সারের মতো সমস্যাসহ গর্ভের উর্বরতার কমতি লক্ষ করা যায়।

দীপিকা মিশ্র বলেন, এসব সমস্যা অবহেলা করা একদমই উচিত নয়। কারণ, বন্ধ্যাত্ব, গর্ভাবস্থা এবং সন্তান ধারণ উর্বরতার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

তিনি বলেন, শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে অবশ্যই নিরাপদ যৌনতার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। এছাড়াও অন্যান্য ছোট-বড় সমস্যাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

নারী গর্ভের উর্বরতা বিশেষজ্ঞ নেহা ত্রিপাঠি, নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য নিম্নলিখিত কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলি হচ্ছে-

নিয়মিত চেক-আপ: সন্তানে আগ্রহী নারীদের অভিজ্ঞ গাইনোকোলজিক্যাল চেক-আপ করানো জরুরি। এছাড়া নিয়মিত চিকিৎসা করানো উচিত। যেমন- প্যাপ স্মিয়ার, ম্যামোগ্রাম এবং এইচপিভি স্ক্রিনিংয়ের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে যেসব বিষয় শনাক্ত করতে অসুবিধা হয়, তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

জীবনধারা: আমাদের শরীর সুস্থতা রক্ষার দিকটি আমরা নিজেরাই ঠিক করতে পারি। এর মধ্যে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম রুটিন কাজ বজায় রাখতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ বিষয়গুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ব্যথা বা অস্বস্তি: শরীরে কোনো অস্বস্তি, ব্যথা অনুভূত হলে নিজে নিজে কোনো কিছু করা উচিত নয়। এতে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। স্রাবে যদি কোনো সমস্যা হয়, তাহলে অবশ্যই অভিজ্ঞ স্বাস্থ্যসেবাকারী বা চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

বাজে অভ্যাস: ধূমপান এবং অ্যালকোহল কেবল লিভার ও হৃদপিণ্ডেরই ক্ষতি করে তা নয়; প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপরও ভীষণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া ক্যান্সারের ঝুঁকি তো রয়েছেই।

আপ-টু-ডেট থাকা: যৌনতা এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের রোগ থেকে নিরাপদ থাকতে কোনো অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অবশ্যই উচিত।

;

দুধ ছাড়াও হাড় ভালো থাকবে যে সব খাবারে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার আমাদের শরীরের জন্য ভীষণ প্রয়োজন। এটি আমাদের হাড়কে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। হাড়কে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে আমাদের খাদ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। জেনে নিন দুধ ছাড়াও যেসব খাবার হাড়কে করে শক্তিশালী। 


চর্বিযুক্ত মাছ

ম্যাকরেল, স্যামন এবং সার্ডিন জাতীয় মাছ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার। যা হাড় এবং পেশীগুলিতে ভিটামিন সরবরাহ করে। এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার হাড়কে ভালো রাখে এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।


মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলুতে থাকে নির্দিষ্ট মাত্রার ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম। হাড়ের জন্য প্রয়োজন হয় পটাসিয়ামেরও। ম্যাগনেসিয়াম প্রধানত ভিটামিন ডি স্তরকে ভারসাম্য করে, যেখানে মিষ্টি আলু কার্যকর থাকে। 


গাঢ় সবুজ শাক

গাঢ় সবুজ শাক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। যেমন- পালং শাক, কালে, কলার্ড। এছাড়াও অনেক ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সবজি প্রতিদিন খাওয়া উচিত।


বাদাম এবং বীজ

বাদাম ও বীজ পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ। আপনার ডায়েটে বাদাম চিয়া, বীজ, তিলের বীজ এবং পোস্ত অন্তর্ভুক্ত করুন। কারণ এগুলি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। তাই প্রায় প্রতিদিনই এসব খাবার খাওয়া উচিত।


সাইট্রাস ফল

কোলাজেন হল এক ধরনের প্রোটিন, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি। সুতরাং, স্ট্রবেরি, পেঁপে, গোলমরিচ এবং আরও অনেক কিছু আপনার স্বাস্থ্যের জন্য সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ।


কমলা সবজি

ভিটামিন এ আমাদের হাড়ের কোষগুলিকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিনযুক্ত সবজি সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। যেমন- আম, গাজর এবং ক্যানটালুপ আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।


মটরশুটি

মটরশুটি ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। অতএব, আপনার সাদা মটরশুটি খাওয়া উচিত যা আপনাকে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারে সাহায্য করবে।


শুকনো ডুমুর

শুকনো ফল ভিটামিনের একটি ভালো উৎস। যা আমাদের হাড় এবং পেশী শক্তিশালী করে। প্রতেকেরই ডুমুর প্রতিদিন খাওয়া উচিত।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

 

;

তীব্র গরমে এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদেশে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। গ্রীষ্মের তাপদাহে যাদের ঘরে এয়ার কন্ডিশনার বা এসি নেই তাদের অবস্থা খুবই শোচনীয়।

এই গরমে কীভাবে নিজের ঘর এসি ছাড়াই ঠান্ডা রাখা যায় চলুন জেনে নেয়া যাক উপায়গুলো-

সূর্যের তাপ:

ঘর গরম হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে সূর্যালোক। এজন্য গরমে জানালা খোলা রাখলেও পর্দা টেনে রাখতে হবে, যাতে করে ঘরে আলো-বাতাস চলাচল করলেও সূর্যের তাপ কম আসে। 

দেয়ালে হালকা রঙের ব্যবহার:

রঙ যত গাঢ় হয়, তত আলো শোষিত হয় এবং যত হালকা হয়, তত আলো বেশি প্রতিফলিত হয়। ঘরে যত বেশি আলো শোষিত হয়, তত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাই ঘরের ভেতর যতটা সম্ভব হালকা রঙ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এতে করে দিনের বেলা ঘর তাপ ধরে রাখবে না। ফলে আলো চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘর ঠান্ডা হতে শুরু করবে।

গরম বাতাস বের করে দেয়া:

‘এক্সস্ট ফ্যান’ ঘরের গরম বাতাস বের করে দেয়। বাথরুম বা রান্না ঘরে এটা ব্যবহারে গরম ভাব কমায়। রাতে জানালা খোলা রাখার পাশাপাশি এক্সস্ট ফ্যান চালিয়ে রাখলে ঘর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে।

আর্দ্র বাতাস:

ঘর ঠান্ডা রাখতে ফ্যানের পেছনে ভেজা কাপড়, ঠান্ডা বস্তু, এক বাটি বরফ বা ঠান্ডা পানির বোতল রাখলে ঠান্ডা বাতাস ছড়ায়, ফলে ঘর ঠান্ডা থাকে। এক্ষেত্রে টেবিল ফ্যান ব্যবহার করতে হবে।

ঘরে গাছ রাখুন:

ঘরের ভেতর ছোট্ট একটি গাছ, যেমন ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি তাপমাত্রা কমাতেও সাহায্য করে। গাছ ঘরের ভেতর জমা হওয়া কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেয়, ফলে ঘরের তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকে। মানিপ্ল্যান্ট, অ্যালোভেরা, অ্যারিকা পাম-জাতীয় গাছ ঘরের সৌন্দর্যবর্ধন ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, উভয় কাজেই বেশ উপকারী।

অপ্রয়োজনীয় যন্ত্র বন্ধ রাখা:

ডিসওয়াশার, ওয়াশিং মেশিং, ড্রায়ার এমনকি মোবাইল চার্জার ইত্যাদি ছোটখাট যন্ত্রও ঘরের তাপ মাত্রা বাড়ায়। তাই এসব যন্ত্র ব্যবহার হয়ে গেলে তা বন্ধ করে রাখা উচিত।

তাপমাত্রা কমে গেলে জানালা খোলা:

দিনের বেলায় জানালার পর্দা টেনে রাখুন। এসময় বাতাস সবচেয়ে বেশি গরম থাকে। কিন্তু যখন বাইরের তাপমাত্রা ভেতরের বাতাসের চেয়ে কম থাকে, তখন জানালার পর্দা সরিয়ে দিলে ঘরে ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হয় এবং ঠান্ডা হয়ে আসে।

চুলা বন্ধ রাখা:

চুলা গরম ঘরকে আরও উষ্ণ করে তোলে। তাই কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত চুলা বন্ধ করে দেয়া ভালো। এতে ঘর বাড়তি গরম হবে না।

তাপমাত্রা কমে গেলে জানালা খোলা:

দিনের বেলায় জানালার পর্দার টেনে রাখুন। এই সময় বাতাস সবচেয়ে বেশি গরম থাকে। কিন্তু যখন বাইরের তাপমাত্রা ভেতরের বাতাসের চেয়ে কম থাকে তখন জানালার পর্দা সরিয়ে দিলে ঘরে ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হয় ও ঠান্ডা হয়ে আসে।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

;