চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ সাল থেকে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। সুতরাং আজকে যাদের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে, তারা অস্থির অবস্থায় আছে। এটা বিবেচনায় রেখে অন্ততপক্ষে কোভিডকালীন সময়ে যতক্ষণ না পর্যন্ত করোনামুক্ত হচ্ছি, তার জন্য এই সময়টায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর দাবি করেছেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। তিনি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটার একটা আশ্বাস দিবেন জাতিকে।

মঙ্গলবার (২৯ জুন) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে অর্থবিল পাসের আগে বিলের সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

হারুনুর রশীদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং বর্তমান জাতীয় সংসদের লিডার অফ দ্য হাউস। নিঃসন্দেহে ২০২০-২১ সালের বাজেটের ওপর দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়েছেন এবং বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য উদ্দেশ্য দীর্ঘ পরিকল্পনার কথাও বলেছেন, নিঃসন্দেহে জাতিকে আশ্বস্ত করতে পারবেন। যেহেতু আমরা কোভিডকালীন বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলা করছি। সে ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জ আছে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতা ও উনার যে পদক্ষেপ এটি জাতিকে আশ্বস্ত করতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, আবার দলের প্রধান। সুতরাং উনাকে নিয়ে যেমন প্রশংসা হবে, পাশাপাশি উনাকে নিয়ে সমালোচনাও হবে। এটি গণতন্ত্রের অর্নামেন্ট (অলঙ্কার)। সমালোচনা করতে গিয়ে তাদেরকে যদি কারাগারে যেতে হয়, তাদেরকে যদি নিপীড়ন ভোগ করতে হয়, এটা দুঃখজনক। এটি প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। ভিন্নমত প্রকাশের ক্ষেত্রে যারা আলোচনা-সমালোচনা করতে চায় সেই বিষয়টিকে সেভাবে নিয়ে আসতে হবে।

হারুনুর রশীদ বলেন, বেসরকারি মানসম্মত স্কুল-কলেজে কর আরোপ দূরের কথা এদেরকে প্রণোদনা দেন। এদের আরও আর্থিক সহায়তা দেন। তাহলে দেশে যে দক্ষ জনবল জনশক্তি করতে চাচ্ছি সেক্ষেত্রে আমরা অনেক বেশি অগ্রসর হবো।

নিজ নির্বাচনী এলাকায় রেল স্টেশন করার দাবি তুলে ধরে বলেন, আমি একটা বিষয় নিয়ে অর্থমন্ত্রী, যোগাযোগমন্ত্রী, রেলমন্ত্রীকে পত্র দিয়েছি, আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীকে দেব। খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের স্থলবন্দর সোনামসজিদ দিয়ে যে পণ্য আমদানি হয়। তার মধ্যে অন্যতম পাথর। দেশে নির্মাণ কাজের জন্য যে পাথর এটির শতকরা ৯০ ভাগ আমদানি হয় সোনামসজিদ পোর্ট দিয়ে। মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন ৫০-৬০ টন পাথর আমদানি হচ্ছে। এতে সড়কগুলো প্রতিনিয়ত নষ্ট হচ্ছে। হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট হচ্ছে।

তিনি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমোড়াতে রেল স্টেশন স্থাপন করার দাবি করছি। রোহনপুর আছে ওটা কোন কাজে আসে না। ওটা বিএনপির করা। ওখানকার মাটির ধারণক্ষমতা ভালো না। আমোড়াতে রেলের ২০০ একর জমি আছে প্রধানমন্ত্রী যদি অনুমতি দেন তাহলে সেটা হয়ে যাবে। এতে ট্রেনে যদি পাথরটা বিভিন্ন জায়গায় যায় তাহলে আমাদের সড়কগুলো বেঁচে যাবে।