চাঁদাদাবির অভিযোগে সাভার থানার এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মারধর, চাঁদাদাবি ও চুরির অভিযোগে সাভার মডেল থানার ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শাহ আলমসহ ছয়জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহজাদী তাহমিদার আদালতে রাফিয়া আক্তার তুলি নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- আওলাদ হোসেন খান, আলাউদ্দিন, মনোয়ারা বেগম, তার দুই ছেলে আমান উল্লাহ ও জামাল হোসেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাদী ও তার স্বামী আফজাল হোসেন সরকার নালিশী সম্পত্তিসহ ১৭৭ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করে মালিক ও দখলদার হন। পরে ওই সম্পত্তি দেখভালের জন্য নূরনবী আলী ও ইউনুছ আলী হাওলাদার নামে দুইজনকে কেয়ারটেকার নিযুক্ত করেন।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর আসামি আওলাদ হোসেন খানসহ অন্য আসামিরা তুলির বাড়িঘর ভাঙচুর করেন। এতে বাধা দিলে আসামিরা কেয়ারটেকার ইউনুছ আলী হাওলাদারকে মারধর করেন। এ ঘটনায় ইউনুছ আলী রাতেই সাভার মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই শাহ আলমকে।

২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে সাভার মডেল থানার ভাকুর্তা বিট ইনচার্জ এসআই শাহ আলম ও দুইজন কনস্টেবলের উপস্থিতিতে আওলাদ হোসেন এবং আলাউদ্দিন কেয়ারটেকারের স্ত্রীকে মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এরপর এসআই শাহ আলম ভিকটিমকে বাড়ির মালিক রাফিয়া আক্তারকে ৫ লাখ টাকা নিয়ে ভাকুর্তা বিট অফিসে দেখা করতে বলেন।

মামলার অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়, ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে তুলির শুভাকাঙ্ক্ষী জাকির হোসেন ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়িতে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে গেলে এসআই শাহ আলম তাকে হাতকড়া পরিয়ে আটকে রাখেন।

এরপর ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিকেল ৫টার দিকে তাকে ছাড়ে দেন। পরবর্তীতে চাঁদার ৫ লাখ টাকা না দেওয়ায় গত ৬ অক্টোবর এসআই শাহ আলম কেয়ারটেকারকে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় রাফিয়া আক্তার তুলি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।