সিরাজগঞ্জে মা-দুই ছেলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে মা-দুই ছেলের অর্ধগলিত মরদেহ

সিরাজগঞ্জে মা-দুই ছেলের অর্ধগলিত মরদেহ

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নিজ ঘরের শয়ন কক্ষে মা ও দুই ছেলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়নের মবুপুর গ্রামের একটি বাড়ির শয়ন কক্ষ থেকে ওই তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন, ওই গ্রামের সুলতান আলীর তৃতীয় স্ত্রী রওশন আরা (৩৬), ছেলে জিহাদ (১০) ও ফাহিম (৩)।

বেলকুচি থানার ওসি তাজমিলুর রহমান জানান, অনেকটা ফাঁকা বাড়ির টিনের ঘরের দরজায় বাইরে থেকে শিকল দেয়া ছিল। নিহতদের এক স্বজন প্রথম ওই বাড়িতে গিয়ে শিকল খুলে ঘরের ভিতর প্রবেশ করে লাশ ৩টি পড়ে থাকে দেখেন। এরপর স্থানীয়রা থানায় সংবাদ দেয়। ধারনা করা হচ্ছে, ৪/৫ দিন আগে তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের শরীর থেকে গন্ধ ছড়াচ্ছে।

ওসি আরও বলেন, নিহতের স্বামী বহু বিবাহে জড়িত, কয়েকদিন আগে সে দ্বিতীয় স্ত্রীর মামলায় জেল খেটে জামিনে বের হয়েছেন। তাকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। নিহতদের লাশ উদ্ধারে সিআইডি ও পিবিআইয়ের দুটি টিম ঘটনাস্থলে রয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম মন্ডল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টর দিকে ঘটনাস্থল থেকে জানান, নিহত রওশন আরা দুই ছেলেকে নিয়ে এই বাড়িতে থাকতেন। তার স্বামী আরেক স্ত্রীর সাথে অন্যত্র বসবাস করতেন। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারা কি কারণে তাদের হত্যা করেছে তা এখনও জানা যায়নি। আমরা তদন্ত করছি।

সিরাজগঞ্জে তৃতীয় দিনের পরিবহন ধর্মঘট চলছে, ভোগান্তিতে যাত্রীরা 



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে তৃতীয় দিনের পরিবহন ধর্মঘট চলছে, ভোগান্তিতে যাত্রীরা 

সিরাজগঞ্জে তৃতীয় দিনের পরিবহন ধর্মঘট চলছে, ভোগান্তিতে যাত্রীরা 

  • Font increase
  • Font Decrease

তৃতীয় দিনের মত রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় ১০ দফা দাবিতে শনিবার (৩ ডিসেম্বর) অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলছে। পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকে পরিবহন ধর্মঘট সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহী রুটের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের প্রবেশদার মহাসড়কেও চলাচল করছে না উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের যানবাহন।

শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের কড্ডার মোরে গিয়ে দেখা যায় জনবহুন এই মহাসড়কে দূরপাল্লার কোন বাস চলাচল করছে না। এই মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের ২২ জেলার যানবাহন চলাচল করে। রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলা ধর্মঘটের আওয়তায় থাকলেও বাকি জেলাগুলো বাস চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। মহাসড়কে ট্রাক ও নিজস্ব পরিবহন মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কারের সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে।

এদিকে ধর্মঘটে সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহী রুটের সকল বাস বন্ধ রয়েছে। জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার অভ্যন্তরীণ চলাচলের জন্য যাত্রী এখন একমাত্র ভরশা সিএনজি অটোরিকশা। যে কারণে গতকাল থেকে ভাড়া বেড়েছে সিএনজি অটোরিকশার।

যাত্রীরা বলছেন, শুক্রবার অফিস বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে কিছুটা কম ছিল। কিন্তু আজ সকাল থেকে কর্মস্থলে যেতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। মহাসড়কের কড্ডার মোড়ে ঢাকা গামী যাত্রী নাজমূল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জে এসেছি। আজ সকালে ঢাকা যাবার জন্য কড্ডার মোড়ে আসলে কোন গাড়ী পাচ্ছি না। আরেক যাত্রী আলীম মন্ডল জানান, রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় ধর্মঘট চলছে কিন্তু এখন দেখছি এই বিভাগের উপর দিয়ে কোন গাড়ীই চলছে না। যাত্রীদের এমন ভোগান্তির কারনে অনেকেই রেল পথে যেতে গেলেও তারা ট্রেনের টিকিট পাচ্ছে না। ধর্মঘটের কারনে চাপ পড়েছে ট্রেনগুলোতে।

এদিকে ধর্মঘটের বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সমিতির সভাপতি সুলতার মাহামুদ জানান, ১০ দফা দাবিতে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। আমাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩ দিনের ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে দাবি মানা না হলে এ আন্দোলন চলমান থাকবে। তিনি আরো আজ ধর্মঘটের বিষয়ে নতুন কোন সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সড়কে থ্রি-হুইলার ও নসিমন-করিমন ও অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এই ধর্মঘট শুরু হয়েছে।

;

বিএনপি একটি প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক দল: হুইপ স্বপন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
বিএনপি একটি প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক দল: হুইপ স্বপন

বিএনপি একটি প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক দল: হুইপ স্বপন

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বড় বড় কথা বলেন। মির্জা ফখরুল সারাদিন নেত্রীকে (শেখ হাসিনাকে) গালাগাল করেন।

তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন, তারা কত বড় ভয়ংকর। তারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই আওয়ামী লীগকে হুমকি দিচ্ছে আওয়ামী লীগের সব নেতারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে। কেন পালিয়ে যাবে? কারণ তারা (বিএনপি নেতারা) আমাদের মারবে, আমাদেরকে হত্যা করবে। এ কারণে বলছে আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাবে। বিএনপি একটি বড় প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক দল।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালীর সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ স্বপন বলেন, আমরা ১৪ বছর ধরে ক্ষমতায় আছি। আমাদের ক্ষমতার আমলে বিএনপির একটি নেতাকে ও দেশ থেকে পালাতে হয় নাই। একটা মানুষকেও আমরা দেশ থেকে বের করে দেয় নাই। একটা মানুষকে ও আমরা পালানোর জন্য হুমকি দেয় নাই।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তাদের নেতা তারেক রহমান লেজ গুটিয়ে পালিয়ে গেছে তখন ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তখন মমতাময়ী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। তখন মমতাময়ী শেথ হাসিনা যদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকতেন তাহলে তারেক রহমানকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ব্রিটেনে আশ্রয় নিতে হতো না। এটাই বাস্তবতা।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যে ফখরুল সারাদিন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে গালাগাল করে হুমকি দেয় আমরা পালিয়ে যাব। আরে বেটা এ মাটির গভীরে আওয়ামী লীগের শিকড় পোতা, এ দেশের জনগণের মধ্যে আওয়ামী লীগের জন্ম,কৃষকের লাঙ্গল পলা থেকে আওয়ামী লীগের জন্ম, কৃষকের কাস্তে থেকে আওয়ামী লীগের জন্ম, শ্রমিকের ঘাম, হাতুড়ি থেকে আওয়ামী লীগের জন্ম। কোন জেনারেলের পকেট থেকে আওয়ামী লীগ অবৈধ ভাবে জন্ম গ্রহণ করে নাই। এই আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালাবে এ কল্পনা তোরা কিভাবে করতে পারিস। আমরা দেশ ছেড়ে পালাবো না। তোমাদেরকেও দেশে থাকার অনুরোধ করি। তোমাদেরকেও দেশ ছেড়ে পালাতে বলবনা। দরকার হলে তোমাদের কে পাহারা দিয়ে তোমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার মহত্ত্ব কোন জায়গায়। বিএনপি সংলাপে আসলো। মির্জা ফখরুল সাহেব আসলেন। নেত্রী জিজ্ঞেস করলেন ফখরুল শুনেছি তোমার শরীরটা খারাপ। ঠিক মতো ডাক্তার দেখাও, ওষুধ খাও। তোমার শরীর টা কেমন জানি হয়ে গেছে। একটু নিজের যত্ন নিও। এই যে মা, বড় বোন এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় কেউ আছে। সেই মানুষটার পিছনে থাকা একটা মহৎ কাজ নয়। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সকল কিছুর কেন্দ্রবিন্দু শেখ হাসিনা।

হুইপ স্বপন দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, মাত্র এক বছর সময় আছে নির্বাচনের। আমরা একটি বিপদে পড়েছি, আমরা একটা সমস্যায় পড়েছি। হঠাৎ করে করোনা এসে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি তছনছ করে দিয়েছে। হঠাৎ করে ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ। সেকশন এবং পাল্টা সেকশন গোটা বিশ্বের অর্থনীতিকে টালমাটাল করে তুলেছে। আমরাও বিশ্বের থেকে বিচ্ছন্ন কোন অংশ নয়, আমরা বিশ্বের অংশীদার। আজকে জিনিস পত্রের দাম বেড়েছে,আজকে কিছু সমস্যা হচ্ছে। এ সমস্যা ঢেকে রাখার বিষয় নয়। এ সমস্যা যা হচ্ছে স্বীকার করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা ইউরোপ যে জায়গায় ছিল আমরা এ জায়গায় ছিলাম। ইউরোপে জীবন মান নেমে গেছে অনেক নিচে। আমাদের জীবন মান ততোটা নামে নাই। যে রকম জীবনমান ছিল বিএনপির আমলে তার থেকে এখনো আমরা অনেক উপরে আছি। এখনো ভালো আছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের জীবন মানকে অনেক উপরে তুলে ছিলেন। সেখান থেকে আজকের দিনে কিছু সমস্যা হচ্ছে। মানুষের মধ্যে কষ্ট হচ্ছে। আমরা যদি বাস্তব কথা গুলো মানুষের দুয়ারে গিয়ে বিনয়ের সঙ্গে বলি মানুষ একটু দুঃখ ভুলবে। মানুষ জানে, বিশ্বাস করে,ইভেন যারা বিএনপি-জামায়াত করে তারাও বিশ্বাস করে জননেত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো কেউ দেশ চালাতে পারবেনা। সব মানুষ বিশ্বাস করে শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো কেউ দেশ চালাতে পারবেনা। তিনি আছেন বলে বাংলাদেশ এখনো নিচে নেমে যায় নাই।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এ.এইচ.এম খায়রুল আনম সেলিম। এতে সভাপতিত্ব করেন সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোরশেদ আলম এমপি। সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক ও শওকত হোসেন কাননের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন,আওয়ামী লীগের কৃৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, যুগ্ম-আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীন,শহীদুল্লাহ খাঁন সোহেল, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী মো.জাহাঙ্গীর আলম, সেনবাগ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাফর আহম্মদ চৌধুরী, সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো.বাহার উল্ল্যা বাহার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো.গোলাম কবির, সেনবাগ পৌরসভার মেয়র আবু নাছের দুলাল, ৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.ফিরোজ আলম রিগান প্রমূখ।

উল্লেখ্য, সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি সম্পাদক ঘোষণা করা হবে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

;

এক মামুনের দুই এয়ারলাইন্স!



এভিয়েশন করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এক মামুনের দুই এয়ারলাইন্স!

এক মামুনের দুই এয়ারলাইন্স!

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ এভিয়েশনের ক্ষুদ্র জগতে একটি নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। দুইটি প্রাইভেট এয়ারলাইন্সের স্বত্বাধিকারী একজন এমডি আব্দুল্লাহ আল মামুন। এয়ারলাইন্স দুটি হচ্ছে: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও এয়ার এ্যাস্ট্রা এয়ারলাইন্স। এয়ারলাইন্স দুইটির মালিকানা হচ্ছে: ইউএস-বাংলা গ্রুপের। এই গ্রুপের অন্যান্য ব্যবসায়ের মধ্যে রয়েছে ইউএস-বাংলা অ্যাসেট নামের ভূমির ব্যবসা।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মালিকানা এমডি আবদুল্লাহ আল মামুনের কথা প্রথম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হলেও এয়ার এ্যাস্ট্রার মালিকানার বিষয়টি বেশ সতর্কভাবে গোপন রেখে সামনে হাজির করা হয়েছে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও ইমরান আসিফকে।


তবে প্রথম থেকেই এই মালিকানার বিষয়টি সামনে আসলেই বলা হয়েছে জাপান প্রবাসী একজন বাংলাদেশির কথা। কখনো বলা হয়েছে তার নাম হুমায়ুন কবির, কখনো হারুনর রশিদ। এয়ার এ্যাস্ট্রার ওয়েবসাইটে এই নামটি কিছুদিন দেখাও যায়।

এভিয়েশন সংশ্লিষ্ট সবাই এখন স্পষ্ট জেনেছেন যে, এমডি আবদুল্লাহ আল মামুনই এই দুইটি এয়ারলাইন্সের একক মালিক। তিনি অবশ্য বাইরে এক-দুইটি নাম এমনিতে প্রচার করছেন মূল মালিকানার বিষয়টি থেকে সবার দৃষ্টি সরিয়ে রাখতে।

দুইটি এয়ারলাইন্সের প্রয়োজনের সঙ্গে সংগতি রেখে সব পর্যায়ের স্টাফও রিক্রুট করা হয়েছে।


এই বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত হতে ইউএস-বাংলা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি আবদুল্লাহ আল মামুনের একাধিক মোবাইল নাম্বারে ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। এসএমএস পাঠালেও পাওয়া যায় নাই।

এয়ার এ্যাস্ট্রা’র সিইও ইমরান আসিফেরও একই অবস্থা। তিনি এসএমএস’এর জবাবে ফোন করবেন জানালেও আর যোগাযোগ করেননি।

;

প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মাঠের বাইরেও দশগুণ মানুষ হবে: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মাঠের বাইরে আরো আট-দশগুণ মানুষ হবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মাঠের বাইরে আরো আট-দশগুণ মানুষ হবে: তথ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে উপলক্ষ করে সারা চট্টগ্রাম জুড়ে ব্যাপক সাড়া জেগেছে, মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশা করছি পলোগ্রাউন্ডে আমাদের জনসভায় মাঠ পূর্ণ করে মাঠের বাইরে আরো আট-দশগুণ মানুষ হবে ইনশাআল্লাহ। বাস্তবিক অর্থে এটিই হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব গতকালও বলেছেন নয়াপল্টনের সামনেই তাদের জনসভা হবে। আসলে ওদের উদ্দেশ্য জনসভা করা নয়, দেশে একটা গণ্ডগোল লাগানো এবং দেশকে অস্থিতিশীল করা। তাদের আবেদন অনুযায়ী তাদের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেয়া হয়। সেখানে না গিয়ে নয়াপল্টনে জনসভা হবে এটি বারবার ঘোষণা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে দেশে একটি গণ্ডগোল লাগানো, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই তারা এটি বলছে। সরকার দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য কাউকে অনুমতি ও লাইসেন্স দিতে পাওে না। তারা তো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, সেটি আমরা হতে দিব না।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পলোগ্রাউন্ড মাঠ পরিদর্শনশেষে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। জনসভার সার্বিক প্রস্তুতি এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক বলে এসময় তিনি সাংবাদিকদের জানান।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড অনেক বড় মাঠ, এখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জনসভা করেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাও জনসভা করেছেন। কানায় কানায় পূর্ণ জনসভা হয়েছে। অতীতেও মাঠ ছাড়িয়ে মানুষ বাইরে দাঁড়িয়েছে। আমরা যেভাবে সাড়া দেখতে পাচ্ছি, এবার কিন্তু মাঠের তুলনায় আট-দশ গুণ বেশি মানুষ মাঠের বাইরে থাকতে হবে। ক’দিন আগে এখানে বিএনপি জনসভা করেছিল। মাঠের তিন ভাগের একভাগ পেছনে রেখে তারা মঞ্চ বানিয়েছিল। আর সামনে যে মাঠ ছিল তার অর্ধেক পূর্ণ হয়েছিল।

জনসভার মধ্য দিয়ে দেশবাসীকে আওয়ামী লীগ কি মেসেজ দিতে চায় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যেহেতু জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠন করেছি, জনগণের সামনে হাজির হওয়া আমাদের দায়িত্ব। দেশ আগে কোথায় ছিল, এখন কোথায় গেছে, আমরা জনগণের জন্য কি করেছি, দেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে চাই - এগুলো জনগণের সামনে উপস্থাপন করা জনগণের দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জনগণের নেত্রী, তিনি সেই কথাগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরবেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হচ্ছে গণমানুষের দল, আমরা জনগণের জন্যই কাজ করি। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা গত চৌদ্দ বছরে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশে উন্নীত হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় পাকিস্তানকে তো বহু আগেই ছাড়িয়েছে, ভারতেকেও ছাড়িয়ে গেছে। চট্টগ্রামে জনসভার পূর্বে প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করবেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি স্লোগান দেয় ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’, বাংলাদেশকে পিছনে নিয়ে যাও। অর্থাৎ আবার বাংলাভাই, শাইখ আবদুর রহমানের জমানায় নিয়ে যাও। আবার হাওয়া ভবন ও খোয়াব ভবন সৃষ্টি কর, পাঁচশ’ জায়গায় বোমা ফোটাও, দুর্নীতিতে দেশকে আবার পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন বানাও। তাদের স্লোগান অনুযায়ী আমরা বাংলাদেশকে পিছনে নিয়ে যেতে পারি না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজকে উন্নতির সোপানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে, আমরা দেশকে পিছনে নিয়ে যেতে পারি না। স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি এই জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি। তাদের হাতে তো আমরা দেশটা তুলে দিতে পারি না। সেটাও আমরা জনগণের সামনে ব্যাখ্যা দেব।

এসময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহম্মদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলার সভাপতি এম এ সালাম ও সাধারন সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিম পেয়ারুল ইসলামসহ আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

;